পরিচ্ছেদঃ ৫৯/৪. সূর্য ও চন্দ্রের অবস্থান।

59/3. بَابُ فِي النُّجُومِ

৫৯/৩. অধ্যায় : নক্ষত্ররাজি সম্পর্কে।

وَقَالَ قَتَادَةُ )وَلَقَدْ زَيَّنَّا السَّمَآءَ الدُّنْيَا بِمَصَابِيْحَ( (الملك : 5) خَلَقَ هَذِهِ النُّجُومَ لِثَلَاثٍ جَعَلَهَا زِيْنَةً لِلسَّمَاءِ وَرُجُومًا لِّلشَّيَاطِيْنِ وَعَلَامَاتٍ يُهْتَدَى بِهَا فَمَنْ تَأَوَّلَ فِيْهَا بِغَيْرِ ذَلِكَ أَخْطَأَ وَأَضَاعَ نَصِيْبَهُ وَتَكَلَّفَ مَا لَا عِلْمَ لَهُ بِهِ

وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ )هَشِيْمًا( (الكهف : 45) مُتَغَيِّرًا )وَالْأَبُّ( مَا يَأْكُلُ الأَنْعَامُ )وَالْأَنَامُ( الْخَلْقُ )بَرْزَخٌ( (المؤمنون : 100)

حَاجِبٌ وَقَالَ مُجَاهِدٌ )أَلْفٰفًا( (النباء : 16) : مُلْتَفَّةً )وَالْغُلْبُ( : الْمُلْتَفَّةُ )فِرٰشًا( (البقرة : 22)  : مِهَادًا كَقَوْلِهِ )وَلَكُمْ فِي الْأَرْضِ مُسْتَقَرٌّ( (البقرة : 36) )نَكِدًا( (الأعراف : 58) : قَلِيْلًا

কাতাদাহ (রহ.) বলেন, (আল্লাহ তা’আলার বাণীঃ) আর আমি তো নিকটবর্তী আসমানকে প্রদীপ মালা দিয়ে শুশোভিত করেছি (মুল্কঃ ৫) [এ সম্পর্কে ক্বাতাদাহ (রহ.) বলেন] এ সব নক্ষত্ররাজি তিনটি উদ্দেশে সৃষ্টি করা হয়েছে। (১) এদেরকে আসমানের সৌন্দর্য করেছেন (২) শয়তানদের প্রতি নিক্ষেপের জন্য (৩) এবং পথ ও দিক নির্ণয়ের আলামত হিসেবে। অতএব যে ব্যক্তি এদের সম্পর্কে এছাড়া অন্য কোন ব্যাখ্যা দেয় সে ভুল করে, নিজ প্রাপ্য হারায় এবং সে এমন বিষয়ে কষ্ট করে যে বিষয়ে তার কোন জ্ঞান নেই।

আর ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) বলেন, (هَشِيْمًا)-অর্থ পরিবর্তন (আল-কাহাফঃ ৪৫)  আর (الْأَبُّ) অর্থ তৃণ যা চতুষ্পদ জন্তু ভক্ষণ করে, (الْأَنَامُ)-অর্থ মাখলুক (بَرْزَخٌ) অর্থ প্রতিবন্ধক (মু’মিনূনঃ ১০০)

আর মুজাহিদ (রহ.) বলেন, (أَلْفَافًا) অর্থ জড়ানো (নাবাঃ ১৬) আর (الْغُلْبُ) অর্থ ঘন ও সন্নিবেশিত বাগান। (فِرٰشًا) অর্থ বিছানা (বাক্বারাহঃ ২২)। যেমন মহান আল্লাহর বাণীঃ আর তোমাদের জন্য রয়েছে পৃথিবীতে অবস্থান স্থল- (বাক্বারাহঃ ৩৬)। (نَكِدًا)-অর্থ অল্প (আ’রাফঃ ৫৮)।


بِحُسْبَانٍ (الرحمن : 5)

উভয়েই (সূর্য ও চন্দ্র) সুনির্দিষ্ট কক্ষে বিচরণ করে।’’ (আর-রহমানঃ ৫)

قَالَ مُجَاهِدٌ : كَحُسْبَانِ الرَّحَى. وَقَالَ غَيْرُهُ : بِحِسَابٍ وَمَنَازِلَ لَا يَعْدُوَانِهَا. حُسْبَانٌ : جَمَاعَةُ حِسَابٍ، مِثْلُ شِهَابٍ وَشُهْبَانٍ. ضُحَاهَا : ضَوْءُهَا. أَنْ تُدْرِكَ الْقَمَرَ : لَا يَسْتُرُ ضَوْءُ أَحَدِهِمَا ضَوْءَ الآخَرِ وَلَا يَنْبَغِيْ لَهُمَا ذَلِكَ، سَابِقُ النَّهَارِ يَتَطَالَبَانِ حَثِيْثَيْنِ نَسْلَخُ، نُخْرِجُ أَحَدَهُمَا مِنْ الآخَرِ وَنُجْرِيْ كُلَّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا. وَاهِيَةٌ : وَهْيُهَا تَشَقُّقُهَا. أَرْجَائِهَا : مَا لَمْ يَنْشَقَّ مِنْهَا فَهُمْ عَلَى حَافَتَيْهَا كَقَوْلِكَ : عَلَى أَرْجَاءِ الْبِئْرِ. أَغْطَشَ وَ جَنَّ : أَظْلَمَ وَقَالَ الْحَسَنُ : كُوِّرَتْ تُكَوَّرُ حَتَّى يَذْهَبَ ضَوْءُهَا. وَاللَّيْلِ وَمَا وَسَقَ جَمَعَ مِنْ دَابَّةٍ. اتَّسَقَ : اسْتَوَى. بُرُوْجًا : مَنَازِلَ الشَّمْسِ وَالْقَمَرِ. الْحَرُوْرُ بِالنَّهَارِ مَعَ الشَّمْسِ. وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ : وَرُؤْبَةُ الْحَرُوْرُ بِاللَّيْلِ وَالسَّمُومُ بِالنَّهَارِ. يُقَالُ : يُوْلِجُ يُكَوِّرُ. وَلِيْجَةً : كُلُّ شَيْءٍ أَدْخَلْتَهُ فِيْ شَيْءٍ.

মুজাহিদ (রহ.) বলেন, উভয়ের আবর্তন চাকার আবর্তনের অনুরূপ। আর অন্যেরা বলেন, উভয় এমন এক নির্দিষ্ট হিসাব ও স্থানের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত যা তারা অর্থাৎ চন্দ্র-সূর্য লংঘন করতে পারে না। حُسْبَانٌ হল حِسَاب শব্দের বহুবচন, যেমন   شِهَاب এর বহুবচন হল شُهْبَان- ضُحَاهَا এর অর্থ তার জ্যোতি। أَنْ تُدْرِكَ الْقَمَرَ  চন্দ্র-সূর্যের একটির জ্যোতি অপরটির জ্যোতিকে ঢাকতে পারে না, আর তাদের পক্ষে এটা সম্ভব নয়। سَابِقُ النَّهَارِ  রাত দিনকে দ্রুত অতিক্রম করে। উভয়ে দ্রুত অতিক্রম করতে চায়। نَسْلَخُ আমি উভয়ের একটিকে অপরটি হতে বের করে আনি আর তাদের প্রতিটি চালিত করা হয় وَاهِيَةٌ এবং وَهْيُهَا এর অর্থ তার বিদীর্ণ হওয়া। أَرْجَائِهَا  তার সেই অংশ যা বিদীর্ণ হয়নি আর তারা তার উভয় পার্শ্বে থাকবে। যেমন তোমার উক্তি عَلَى أَرْجَاءِ الْبِئْرِ  কূপের তীরে أَغْطَشَ وَ جَنَّ  অন্ধকারে ছেয়ে গেল। হাসান বসরী (রহ.) বলেন, كُوِّرَتْ অর্থ লেপটিয়ে দেয়া হবে, যাতে তার জ্যোতি নিঃশেষ হয়ে যাবে। আর বলা হয়ে থাকে وَاللَّيْلِ وَمَا وَسَقَ  এর অর্থ আর শপথ রজনীর এবং তার যে জীবজন্তু একত্রিত করল। اتَّسَقَ বরাবর হল। بُرُوْجًا চন্দ্র সূর্যের কক্ষ ও নির্ধারিত স্থান। الْحَرُوْرُ -গরম বাতাস যা দিনের বেলায় সূর্যের সঙ্গে প্রবাহিত হয়। ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) বলেন,  الْحَرُوْرُ রাত্রি বেলার আর السَّمُومُ দিনের বেলার লু হাওয়া। বলা হয় يُوْلِجُ  অর্থ প্রবিষ্ট করে বা করবে وَلِيْجَة  অর্থ এমন প্রতিটি বস্তু যা তুমি অন্যটির মধ্যে ঢুকিয়েছ।


৩১৯৯. আবূ যার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূর্য অস্ত যাবার সময় আবূ যার (রাঃ)-কে বললেন, তুমি কি জান, সূর্য কোথায় যায়? আমি বললাম, আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলই ভাল জানেন। তিনি বললেন, তা যেতে যেতে আরশের নীচে গিয়ে সাজ্দাহয় পড়ে যায়। অতঃপর সে আবার উদিত হবার অনুমতি চায় এবং তাকে অনুমতি দেয়া হয়। আর শীঘ্রই এমন সময় আসবে যে, সিজ্দা করবে কিন্তু তা কবূল করা হবে না এবং সে অনুমতি চাইবে কিন্তু তাকে অনুমতি দেয়া হবে না। তাকে বলা হবে, যে পথ দিয়ে আসলে ঐ পথেই ফিরে যাও। তখন সে পশ্চিম দিক হতে উদিত হয়— এটাই মর্ম হল মহান আল্লাহর বাণীরঃ ’’আর সূর্য নিজ গন্তব্যে (অথবা) কক্ষ পথে চলতে থাকে। এটা পরাক্রমশালী, সর্বজ্ঞের নিয়ন্ত্রণ।’’ (ইয়াসীন ৩৮) (৪৮০২, ৪৮০৩, ৭৪২৪, ৭৪৩৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৯৫৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৯৬৯)

بَابُ صِفَةِ الشَّمْسِ وَالْقَمَرِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ الأَعْمَشِ عَنْ إِبْرَاهِيْمَ التَّيْمِيِّ عَنْ أَبِيْهِ عَنْ أَبِيْ ذَرٍّ قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لِأَبِيْ ذَرٍّ حِيْنَ غَرَبَتْ الشَّمْسُ أَتَدْرِيْ أَيْنَ تَذْهَبُ قُلْتُ اللهُ وَرَسُوْلُهُ أَعْلَمُ قَالَ فَإِنَّهَا تَذْهَبُ حَتَّى تَسْجُدَ تَحْتَ الْعَرْشِ فَتَسْتَأْذِنَ فَيُؤْذَنُ لَهَا وَيُوشِكُ أَنْ تَسْجُدَ فَلَا يُقْبَلَ مِنْهَا وَتَسْتَأْذِنَ فَلَا يُؤْذَنَ لَهَا يُقَالُ لَهَا ارْجِعِيْ مِنْ حَيْثُ جِئْتِ فَتَطْلُعُ مِنْ مَغْرِبِهَا فَذَلِكَ قَوْلُهُ تَعَالَى وَالشَّمْسُ تَجْرِيْ لِمُسْتَقَرٍّ لَّهَا ذٰلِكَ تَقْدِيْرُ الْعَزِيْزِ الْعَلِيْمِ (يس : 38)

حدثنا محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن الاعمش عن ابراهيم التيمي عن ابيه عن ابي ذر قال قال النبي صلى الله عليه وسلم لابي ذر حين غربت الشمس اتدري اين تذهب قلت الله ورسوله اعلم قال فانها تذهب حتى تسجد تحت العرش فتستاذن فيوذن لها ويوشك ان تسجد فلا يقبل منها وتستاذن فلا يوذن لها يقال لها ارجعي من حيث جىت فتطلع من مغربها فذلك قوله تعالى والشمس تجري لمستقر لها ذلك تقدير العزيز العليم (يس : 38)


Narrated Abu Dhar:

The Prophet (ﷺ) asked me at sunset, "Do you know where the sun goes (at the time of sunset)?" I replied, "Allah and His Apostle know better." He said, "It goes (i.e. travels) till it prostrates Itself underneath the Throne and takes the permission to rise again, and it is permitted and then (a time will come when) it will be about to prostrate itself but its prostration will not be accepted, and it will ask permission to go on its course but it will not be permitted, but it will be ordered to return whence it has come and so it will rise in the west. And that is the interpretation of the Statement of Allah: "And the sun Runs its fixed course For a term (decreed). that is The Decree of (Allah) The Exalted in Might, The All- Knowing." (36.38)


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ বুখারী (তাওহীদ পাবলিকেশন)
৫৯/ সৃষ্টির সূচনা (كتاب بدء الخلق) 59/ Beginning of Creation

পরিচ্ছেদঃ ৫৯/৪. সূর্য ও চন্দ্রের অবস্থান।

৩২০০. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, কিয়ামতের দিন সূর্য ও চন্দ্র দু’টিকেই গুটিয়ে নেয়া হবে। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৯৫৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৯৭০)

بَابُ صِفَةِ الشَّمْسِ وَالْقَمَرِ

حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيْزِ بْنُ الْمُخْتَارِ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ الدَّانَاجُ قَالَ حَدَّثَنِيْ أَبُوْ سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ (الشَّمْسُ وَالْقَمَرُ مُكَوَّرَانِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ)

حدثنا مسدد حدثنا عبد العزيز بن المختار حدثنا عبد الله الداناج قال حدثني ابو سلمة بن عبد الرحمن عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال (الشمس والقمر مكوران يوم القيامة)


Narrated Abu Huraira:

The Prophet (ﷺ) said, "The sun and the moon will be folded up (deprived of their light) on the Day of Resurrection."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ বুখারী (তাওহীদ পাবলিকেশন)
৫৯/ সৃষ্টির সূচনা (كتاب بدء الخلق) 59/ Beginning of Creation

পরিচ্ছেদঃ ৫৯/৪. সূর্য ও চন্দ্রের অবস্থান।

৩২০১. ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, কারো মৃত্যু কিংবা জন্মের কারণে সূর্য গ্রহণ ও চন্দ্রগ্রহণ হয় না, বরং এ দু’টো আল্লাহর নিদর্শনসমূহের মধ্যে দু’টি নিদর্শন মাত্র। কাজেই তোমরা যখন তা ঘটতে দেখবে তখন সালাত আদায় করবে। (১০৪২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৯৬০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৯৭১)

بَابُ صِفَةِ الشَّمْسِ وَالْقَمَرِ

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سُلَيْمَانَ قَالَ حَدَّثَنِيْ ابْنُ وَهْبٍ قَالَ أَخْبَرَنِيْ عَمْرٌو أَنَّ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ الْقَاسِمِ حَدَّثَهُ عَنْ أَبِيْهِ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا أَنَّهُ كَانَ يُخْبِرُ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ إِنَّ الشَّمْسَ وَالْقَمَرَ لَا يَخْسِفَانِ لِمَوْتِ أَحَدٍ وَلَا لِحَيَاتِهِ وَلَكِنَّهُمَا آيَتَانِ مِنْ آيَاتِ اللهِ فَإِذَا رَأَيْتُمُوْهُمَا فَصَلُّوْا

حدثنا يحيى بن سليمان قال حدثني ابن وهب قال اخبرني عمرو ان عبد الرحمن بن القاسم حدثه عن ابيه عن عبد الله بن عمر رضي الله عنهما انه كان يخبر عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ان الشمس والقمر لا يخسفان لموت احد ولا لحياته ولكنهما ايتان من ايات الله فاذا رايتموهما فصلوا


Narrated `Abdullah bin `Umar:

The Prophet (ﷺ) said, "The sun and the moon do not eclipse because of someone's death or life (i.e. birth), but they are two signs amongst the Signs of Allah. So, if you see them (i.e. eclipse) offer the (eclipse) prayer.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ বুখারী (তাওহীদ পাবলিকেশন)
৫৯/ সৃষ্টির সূচনা (كتاب بدء الخلق) 59/ Beginning of Creation

পরিচ্ছেদঃ ৫৯/৪. সূর্য ও চন্দ্রের অবস্থান।

৩২০২. ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সূর্য এবং চন্দ্র আল্লাহর নিদর্শনসমূহের মধ্য হতে দু’টি নিদর্শন। কারো মৃত্যু কিংবা জন্মের কারণে সূর্যগ্রহণ ও চন্দ্রগ্রহণ হয় না। কাজেই তোমরা যখন তা ঘটতে দেখবে তখন আল্লাহর যিক্র করবে। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৯৬১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৯৭২)

بَابُ صِفَةِ الشَّمْسِ وَالْقَمَرِ

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيْلُ بْنُ أَبِيْ أُوَيْسٍ قَالَ : حَدَّثَنِيْ مَالِكٌ عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَبَّاسٍ، رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا، قَالَ : قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم : إِنَّ الشَّمْسَ وَالْقَمَرَ آيَتَانِ مِنْ آيَاتِ اللهِ لَا يَخْسِفَانِ لِمَوْتِ أَحَدٍ وَلَا لِحَيَاتِهِ، فَإِذَا رَأَيْتُمْ ذَلِكَ فَاذْكُرُوْا اللهَ.

حدثنا اسماعيل بن ابي اويس قال : حدثني مالك عن زيد بن اسلم عن عطاء بن يسار عن عبد الله بن عباس، رضي الله عنهما، قال : قال النبي صلى الله عليه وسلم : ان الشمس والقمر ايتان من ايات الله لا يخسفان لموت احد ولا لحياته، فاذا رايتم ذلك فاذكروا الله.


Narrated `Abdullah bin `Abbas:

The Prophet (ﷺ) said, "The sun and the moon are two signs amongst the Signs of Allah. They do not eclipse because of someone's death or life. So, if you see them (i.e. eclipse), celebrate the Praises of Allah (i.e. pray).


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ বুখারী (তাওহীদ পাবলিকেশন)
৫৯/ সৃষ্টির সূচনা (كتاب بدء الخلق) 59/ Beginning of Creation

পরিচ্ছেদঃ ৫৯/৪. সূর্য ও চন্দ্রের অবস্থান।

৩২০৩. ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, যেদিন সূর্যগ্রহণ হল, সে দিন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতে দাঁড়ালেন। অতঃপর তাকবীর বললেন এবং দীর্ঘ কিরাআত পাঠ করলেন। অতঃপর দীর্ঘ রুকু করলেন অতঃপর তিনি মাথা উঠালেন এবং বললেন, سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ  এবং তিনি আগের মত দাঁড়ালেন। আর দীর্ঘ কিরাআত পাঠ করলেন কিন্তু তা প্রথম কিরাআত থেকে কম ছিল। অতঃপর তিনি দীর্ঘক্ষণ রুকু‘ করলেন কিন্তু তা প্রথম রাক‘আতের চেয়ে কম ছিল। অতঃপর তিনি দীর্ঘ সাজ্দাহ করলেন। তিনি শেষ রাক‘আতেও ঐ রকমই করলেন, পরে সালাম ফিরালেন। এ সময় সূর্য উজ্জ্বল হয়ে গেছে। তখন তিনি মানুষদের উদ্দেশে খুত্বা দিলেন। তিনি সূর্য ও চন্দ্র গ্রহণ সম্পর্কে বললেন, অবশ্যই এ দু’টি আল্লাহর নিদর্শনাবলীর মধ্যে দু’টি নিদর্শন। কারো মৃত্যু ও জন্মের কারণে সূর্যগ্রহণ-চন্দ্রগ্রহণ হয় না। অতএব যখনই তোমরা তা ঘটতে দেখবে তখনই সালাতে ভয়-ভীতি নিয়ে লিপ্ত হবে। (১০৪৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৯৬২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৯৭৩)

بَابُ صِفَةِ الشَّمْسِ وَالْقَمَرِ

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ بُكَيْرٍ حَدَّثَنَا اللَّيْثُ عَنْ عُقَيْلٍ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ قَالَ أَخْبَرَنِيْ عُرْوَةُ أَنَّ عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا أَخْبَرَتْهُ أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ خَسَفَتْ الشَّمْسُ قَامَ فَكَبَّرَ وَقَرَأَ قِرَاءَةً طَوِيْلَةً ثُمَّ رَكَعَ رُكُوعًا طَوِيْلًا ثُمَّ رَفَعَ رَأْسَهُ فَقَالَ سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ وَقَامَ كَمَا هُوَ فَقَرَأَ قِرَاءَةً طَوِيْلَةً وَهِيَ أَدْنَى مِنْ الْقِرَاءَةِ الأُوْلَى ثُمَّ رَكَعَ رُكُوعًا طَوِيْلًا وَهِيَ أَدْنَى مِنْ الرَّكْعَةِ الأُوْلَى ثُمَّ سَجَدَ سُجُوْدًا طَوِيْلًا ثُمَّ فَعَلَ فِي الرَّكْعَةِ الآخِرَةِ مِثْلَ ذَلِكَ ثُمَّ سَلَّمَ وَقَدْ تَجَلَّتْ الشَّمْسُ فَخَطَبَ النَّاسَ فَقَالَ فِيْ كُسُوفِ الشَّمْسِ وَالْقَمَرِ إِنَّهُمَا آيَتَانِ مِنْ آيَاتِ اللهِ لَا يَخْسِفَانِ لِمَوْتِ أَحَدٍ وَلَا لِحَيَاتِهِ فَإِذَا رَأَيْتُمُوْهُمَا فَافْزَعُوْا إِلَى الصَّلَاةِ

حدثنا يحيى بن بكير حدثنا الليث عن عقيل عن ابن شهاب قال اخبرني عروة ان عاىشة رضي الله عنها اخبرته ان رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم خسفت الشمس قام فكبر وقرا قراءة طويلة ثم ركع ركوعا طويلا ثم رفع راسه فقال سمع الله لمن حمده وقام كما هو فقرا قراءة طويلة وهي ادنى من القراءة الاولى ثم ركع ركوعا طويلا وهي ادنى من الركعة الاولى ثم سجد سجودا طويلا ثم فعل في الركعة الاخرة مثل ذلك ثم سلم وقد تجلت الشمس فخطب الناس فقال في كسوف الشمس والقمر انهما ايتان من ايات الله لا يخسفان لموت احد ولا لحياته فاذا رايتموهما فافزعوا الى الصلاة


Narrated `Aisha:

On the day of a solar eclipse, Allah's Messenger (ﷺ) stood up (to offer the eclipse prayer). He recited Takbir, recited a long recitation (of Holy Verses), bowed a long bowing, and then he raised h is head saying. "Allah hears him who sends his praises to Him." Then he stayed standing, recited a long recitation again, but shorter than the former, bowed a long bowing, but shorter than the first, performed a long prostration and then performed the second rak`a in the same way as he had done the first. By the time he had finished his prayer with Taslim, the solar eclipse had been over. Then he addressed the people referring to the solar and lunar eclipses saying, "These are two signs amongst the Signs of Allah, and they do not eclipse because of anyone's death or life. So, if you see them, hasten for the Prayer."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ বুখারী (তাওহীদ পাবলিকেশন)
৫৯/ সৃষ্টির সূচনা (كتاب بدء الخلق) 59/ Beginning of Creation

পরিচ্ছেদঃ ৫৯/৪. সূর্য ও চন্দ্রের অবস্থান।

৩২০৪. আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, সূর্যগ্রহণ ও চন্দ্রগ্রহণ কারো মৃত্যু ও জন্মের কারণে হয় না। উভয়টি আল্লাহর নিদর্শনসমূহের মধ্যে হতে দু’টি নিদর্শন। অতএব যখন তোমরা তা ঘটতে দেখবে, তখন তোমরা সালাত আদায় করবে। (১০৪১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৯৬৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৯৭৪)

بَابُ صِفَةِ الشَّمْسِ وَالْقَمَرِ

حَدَّثَنِيْ مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ إِسْمَاعِيْلَ قَالَ حَدَّثَنِيْ قَيْسٌ عَنْ أَبِيْ مَسْعُوْدٍ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ الشَّمْسُ وَالْقَمَرُ لَا يَنْكَسِفَانِ لِمَوْتِ أَحَدٍ وَلَا لِحَيَاتِهِ وَلَكِنَّهُمَا آيَتَانِ مِنْ آيَاتِ اللهِ فَإِذَا رَأَيْتُمُوْهُمَا فَصَلُّوْا

حدثني محمد بن المثنى حدثنا يحيى عن اسماعيل قال حدثني قيس عن ابي مسعود عن النبي صلى الله عليه وسلم قال الشمس والقمر لا ينكسفان لموت احد ولا لحياته ولكنهما ايتان من ايات الله فاذا رايتموهما فصلوا


Narrated Abu Mas`ud:

The Prophet (ﷺ) said, "the sun and the moon do not eclipse because of the death or life of someone, but they are two signs amongst the Signs of Allah. So, if you see them, offer the Prayer (of eclipse).


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ বুখারী (তাওহীদ পাবলিকেশন)
৫৯/ সৃষ্টির সূচনা (كتاب بدء الخلق) 59/ Beginning of Creation
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ৬ পর্যন্ত, সর্বমোট ৬ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে