সা‘দ ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত হাদিস পাওয়া গেছে 11 টি

পরিচ্ছেদঃ ৮৬. মদীনাবাদীদের ক্ষতি সাধনের ইচ্ছা করা নিষিদ্ধ এবং যে তাদের ক্ষতি করতে চায় আল্লাহ্‌ তাকে গলিয়ে দেবেন

৩২৩২। কুতায়বা ইবনু সাঈদ (রহঃ) ... সা’দ ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন ...... উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ। তবে এই সুত্রে 'আকম্মিক আক্রমণ' অথবা 'ক্ষতিসাধন' এর কথা উল্লেখ আছে।

باب مَنْ أَرَادَ أَهْلَ الْمَدِينَةِ بِسُوءٍ أَذَابَهُ اللَّهُ ‏‏

وَحَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، - يَعْنِي ابْنَ جَعْفَرٍ - عَنْ عُمَرَ بْنِ نُبَيْهٍ، الْكَعْبِيِّ عَنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الْقَرَّاظِ، أَنَّهُ سَمِعَ سَعْدَ بْنَ مَالِكٍ، يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ بِمِثْلِهِ غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ ‏ "‏ بِدَهْمٍ أَوْ بِسُوءٍ ‏"‏ ‏.‏


Sa'd b. Malik heard Allah's Messenger (ﷺ) saying like this except (this variation) that he said: " Sudden attack or harm."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ সা‘দ ইবনু মালিক (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৪. পাখীর দ্বারা শুভাশুভের ফাল নির্ধারণ সম্পর্কে।

৩৮৮০. মূসা ইবন ইসমাইল (রহঃ) .... সা’দ ইবন মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপ বলতেনঃ মৃত ব্যক্তির প্রেতাত্মার কোন অস্তিত্ব নেই, কোন রোগ ছোঁয়াচে নয় এবং (কাজ কর্মে) শুভাশুভের কিছু নেই। অবশ্য শুভাশুভ যদি কোন জিনিসের মধ্যে থাকে, তবে তার অস্তিত্ব তিনটি জিনিসের মধ্যে আছে। যথাঃ ঘোড়া, স্ত্রী লোক এবং ঘর-বাড়ীতে।

باب فِي الطِّيَرَةِ

حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا أَبَانُ، حَدَّثَنِي يَحْيَى، أَنَّ الْحَضْرَمِيَّ بْنَ لاَحِقٍ، حَدَّثَهُ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ سَعْدِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَقُولُ ‏ "‏ لاَ هَامَةَ وَلاَ عَدْوَى وَلاَ طِيَرَةَ وَإِنْ تَكُنِ الطِّيَرَةُ فِي شَىْءٍ فَفِي الْفَرَسِ وَالْمَرْأَةِ وَالدَّارِ ‏"‏ ‏.‏


Narrated Sa'd ibn Malik: The Prophet (ﷺ) said: There is no hamah, no infection and no evil omen; if there is in anything an evil omen, it is a house, a horse, and a woman.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ সা‘দ ইবনু মালিক (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৮. আপনজন বাদ দিয়ে অন্যের সাথে সম্পর্ক করলে সে সম্পর্কে।

৫০২৫. নুফায়লী (রহঃ) ..... সাআদ ইবন মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমার দু'কান শুনেছে এবং অন্তর স্মরণ রেখেছে যে, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি জেনে শুনে, যে ব্যক্তি তার পিতা নয়, এরূপ ব্যক্তির সাথে নিজের পিতার সম্পর্ক স্থাপন করে; তার জন্য জান্নাত হারাম।

রাবী বলেনঃ এরপর আমি আবূ বাকরা (রাঃ)-এর সাথে সাক্ষাৎ করে, এ হাদীছে তার কাছে বর্ণনা করলে, তিনিও বলেনঃ আমার দু'কান শুনেছে এবং অন্তর স্মরণ রেখেছে যে, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপ বলেছেন। রাবী আসিম (রহঃ) বলেনঃ আমি উছমান (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা করিঃ আপনার কাছে দু'ব্যক্তি এ হাদীছ সম্পর্কে সাক্ষ্য দিয়েছেন, এরা দু'জন কেমন লোক? তিনি বলেনঃ এদের একজন এমন, যে সর্ব প্রথম আল্লাহ্‌র রাস্তায় অথবা ইসলামে তীর নিক্ষেপ করেছিল- অর্থাৎ সাআদ ইবন মালিক (রাঃ)। আর দ্বিতীয় ব্যক্তি এমন, যে তায়েফ থেকে বিশ জনের ও অধিক লোকের সাথে হেঁটে চলে আসে। এরপর তিনি তার মর্যাদা সম্পর্কে বর্ণনা করেন।

রাবী আবূ আলী (রহঃ) বলেনঃ আমি ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ যখন নুফায়লী এ হাদীছ বর্ণনা করেন, তখন তিনি বলেন যে, আল্লাহ্‌র শপথ! এ হাদীছ আমার কাছে মধুর চাইতে ও মিষ্টি মনে হয়। রাবী আবূ আলী (রহঃ) আরো বলেনঃ ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) আহমদ (রহঃ)-কে বলতে শুনেনঃ কূফাবাসীদের বর্ণিত হাদীছে নূর নেই, (কেননা, তারা সনদ ঠিকভাবে বর্ণনা করে না।) ইমাম আহমদ (রহঃ) আরো বলেনঃ আমি বসরাবাসীদের চাইতে উত্তম লোক দেখিনি; কেননা, তারা শোবা (রহঃ) থেকে হাদীছ বর্ণনা করেন, (যিনি তাদের হাদীছ বর্ণনার ধারা উত্তমরূপে শিক্ষা দেন।)

باب فِي الرَّجُلِ يَنْتَمِي إِلَى غَيْرِ مَوَالِيهِ

حَدَّثَنَا النُّفَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنَا عَاصِمٌ الأَحْوَلُ، قَالَ حَدَّثَنِي أَبُو عُثْمَانَ، قَالَ حَدَّثَنِي سَعْدُ بْنُ مَالِكٍ، قَالَ سَمِعَتْهُ أُذُنَاىَ، وَوَعَاهُ، قَلْبِي مِنْ مُحَمَّدٍ عَلَيْهِ السَّلاَمُ أَنَّهُ قَالَ ‏ "‏ مَنِ ادَّعَى إِلَى غَيْرِ أَبِيهِ وَهُوَ يَعْلَمُ أَنَّهُ غَيْرُ أَبِيهِ فَالْجَنَّةُ عَلَيْهِ حَرَامٌ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَلَقِيتُ أَبَا بَكْرَةَ فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لَهُ فَقَالَ سَمِعَتْهُ أُذُنَاىَ وَوَعَاهُ قَلْبِي مِنْ مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قَالَ عَاصِمٌ فَقُلْتُ يَا أَبَا عُثْمَانَ لَقَدْ شَهِدَ عِنْدَكَ رَجُلاَنِ أَيُّمَا رَجُلَيْنِ ‏.‏ فَقَالَ أَمَّا أَحَدُهُمَا فَأَوَّلُ مَنْ رَمَى بِسَهْمٍ فِي سَبِيلِ اللَّهِ أَوْ فِي الإِسْلاَمِ يَعْنِي سَعْدَ بْنَ مَالِكٍ وَالآخَرُ قَدِمَ مِنَ الطَّائِفِ فِي بِضْعَةٍ وَعِشْرِينَ رَجُلاً عَلَى أَقْدَامِهِمْ فَذَكَرَ فَضْلاً ‏.‏ قَالَ أَبُو عَلِيٍّ سَمِعْتُ أَبَا دَاوُدَ قَالَ قَالَ النُّفَيْلِيُّ حَيْثُ حَدَّثَ بِهَذَا الْحَدِيثِ وَاللَّهِ إِنَّهُ عِنْدِي أَحْلَى مِنَ الْعَسَلِ يَعْنِي قَوْلَهُ حَدَّثَنَا وَحَدَّثَنِي قَالَ أَبُو عَلِيٍّ وَسَمِعْتُ أَبَا دَاوُدَ يَقُولُ سَمِعْتُ أَحْمَدَ يَقُولُ لَيْسَ لِحَدِيثِ أَهْلِ الْكُوفَةِ نُورٌ - قَالَ - وَمَا رَأَيْتُ مِثْلَ أَهْلِ الْبَصْرَةِ كَانُوا تَعَلَّمُوهُ مِنْ شُعْبَةَ ‏.‏


Sa’id b. Malik said: My ears heard it end my heart remembered it from Muhammad (May peace be upon him) who said: if a man claims to be the son of a man who is not his father, paradise will be forbidden for him. He said: I then met Abu Bakrah and mentioned it to him. He said: my ears heard it and my heart remembered it from Muhammad (peace be upon him). ‘Asim said : I said : Abu ‘Uthman! Two men testified before you. Who are they? He said : One of them is the one who is first to shoot arrow in the path of Allah or in the path of Islam, that is to say : Sa’d b. Malik. The other is the one came from al-Taif with ten and some men on foot. He then mentioned his excellence. Abu Dawud said : When al-Nufaili mentioned this tradition, he said : I swear by Allah, this is sweater with me than honey, that is no say, his way transmission. Abu ‘Ali said : I heard Abu Dawud say : I heard Ahmad say : The people of Kufah have no light in their traditions. I did not see them like the people of Basrah. They learnt it from Shu’bah.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ সা‘দ ইবনু মালিক (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ এক- তৃতীয়াংশ বা এক- চতুর্থাংশ সম্পদের ওয়াসিয়্যাত করা।

৯৭৭. কুতায়বা (রহঃ) ...... সা’দ ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, আমি অসুস্থ ছিলাম। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে দেখতে এলেন। তিনি আমাকে বললেন, তুমি কি ওয়াসিয়্যাত করেছ? বললাম, জী হ্যাঁ। তিনি বললেন, কতটুকু? বললাম, আমার সব মাল আল্লাহর রাস্তায় দিয়ে দিলাম। তিনি বললেন, তোমার সন্তানদের জন্য কি পরিমাণ রেখেছ? বললাম, তারা বেশী ধনী। তিনি বললেন, এক দশমাংশ ওয়াসিয়্যাত করে যাও। সা’দ বললেন, আমি তা কম মনে করতে লাগলাম, শেষে তিনি বললেন, এক তৃতীয়াংশ ওয়াসিয়্যাত করে যাও। এক তৃতীয়াংশ তো বিরাট। - ইরওয়া ৮৯৯, সহিহ আবু দাউদ ২৫৫০, বুখারি, মুসলিম- "এক দশমাংশ ওয়াসিয়্যাত করে যাও" এ অংশটুকু বাদে, এ অংশটুকু যইফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৯৭৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]

আবূ আব্দুর রহমান বললেন, এক-তৃতীয়াংশ তো অনেক। এই বিষয়ে ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকেও হাদিস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রাঃ)বলেন, সা‘দ বর্ণিত হাদিসটি হাসান-সহীহ। একাধিক সূত্রে এটি বর্ণিত আছে। কোন কোন বর্ণনায় كبير শব্দ কোন কোন বর্ণনায় كثير শব্দের উল্লেখ রয়েছে। আলিমগণ এতদনুসারে আমল করার অভিমত প্রকাশ করেছেন। এক তৃতীয়াংশেরও অধিক ওয়াসিয়্যাত করা তারা জায়েজ মনে করেন না। বরং এক তৃতীয়াংশের কম পরিমাণ ওয়াসিয়্যাত করা তারা মুস্তাহাব বলে মনে করেন। সুফইয়ান ছাওরী বলেনঃ এক চতুর্থাংশের তুলনায় এক পঞ্চমাংশ, এক তৃতীয়াংশের তুলনায় এক চতুর্থাংশ ওয়াসিয়্যাত করা পূর্ববর্তী আলিমগণ মুস্তাহাব বলে মনে করতেন। যে ব্যক্তি এক তৃতীয়াংশ সম্পদ ওয়াসিয়্যাত করল সে তো আর কিছু ছাড়লই না। এক তৃতীয়াংশের অধিক ওয়াসিয়্যাত করা তার জন্য জায়েজ নেই।

باب مَا جَاءَ فِي الْوَصِيَّةِ بِالثُّلُثِ وَالرُّبُعِ

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ السُّلَمِيِّ، عَنْ سَعْدِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ عَادَنِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَنَا مَرِيضٌ فَقَالَ ‏"‏ أَوْصَيْتَ ‏"‏ ‏.‏ قُلْتُ نَعَمْ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ بِكَمْ ‏"‏ ‏.‏ قُلْتُ بِمَالِي كُلِّهِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ فَمَا تَرَكْتَ لِوَلَدِكَ ‏"‏ ‏.‏ قُلْتُ هُمْ أَغْنِيَاءُ بِخَيْرٍ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ أَوْصِ بِالْعُشْرِ ‏"‏ ‏.‏ فَمَا زِلْتُ أُنَاقِصُهُ حَتَّى قَالَ ‏"‏ أَوْصِ بِالثُّلُثِ وَالثُّلُثُ كَثِيرٌ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ وَنَحْنُ نَسْتَحِبُّ أَنْ يَنْقُصَ مِنَ الثُّلُثِ لِقَوْلِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ وَالثُّلُثُ كَثِيرٌ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ سَعْدٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ وَقَدْ رُوِيَ عَنْهُ مِنْ غَيْرِ وَجْهٍ وَقَدْ رُوِيَ عَنْهُ ‏"‏ وَالثُّلُثُ كَبِيرٌ ‏"‏ ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ لاَ يَرَوْنَ أَنْ يُوصِيَ الرَّجُلُ بِأَكْثَرَ مِنَ الثُّلُثِ وَيَسْتَحِبُّونَ أَنْ يَنْقُصَ مِنَ الثُّلُثِ ‏.‏ قَالَ سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ كَانُوا يَسْتَحِبُّونَ فِي الْوَصِيَّةِ الْخُمُسَ دُونَ الرُّبُعِ وَالرُّبُعَ دُونَ الثُّلُثِ وَمَنْ أَوْصَى بِالثُّلُثِ فَلَمْ يَتْرُكْ شَيْئًا وَلاَ يَجُوزُ لَهُ إِلاَّ الثُّلُثُ ‏.‏


Sa'd bin Malik said: "The Messenger of Allah came to visit me while I was sick. He said: 'Do you have a will?' I said: 'Yes.' He said: 'For how much?' I said: 'All of my wealth, for the cause of Allah.' He said: 'What did you leave for your children?'" He (Sa'd) said: "They are rich in goodness.' He said: 'Will a tenth.'" He (Sa'd) said: "He (pbuh) continued decreasing it until he said: 'Will a third, and a third is too great.'" (One of the narrators:) Abdur-Rahman said: "We considered it recommended that it be less than a third, since the Messenger of Allah said: 'And a third is too great.'"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ সা‘দ ইবনু মালিক (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৬৩/৪৯. নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উক্তি, হে আল্লাহ্! আমার সহাবাগণের হিজরাতকে অটুট রাখুন এবং মাক্কাহয় মৃত সহাবীদের উদ্দেশে শোক জ্ঞাপন।

৩৯৩৬. সা‘দ ইবনু মালিক (রাঃ) বলেন, বিদায় হাজ্জের বছর আমি ভয়ানক রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর কাছাকাঠি হই তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে দেখতে আসেন। তখন আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমার রোগ কি পর্যায় পৌছেছে তা আপনি দেখতে পাচ্ছেন। আমি একজন সম্পদশালী। আমার ওয়ারিশ হচ্ছে একটি মাত্র কন্যা। আমি আমার সম্পদের দুই-তৃতীয়াংশ আল্লাহর রাস্তায় সাদকা করে দিব? তিনি বললেন, না। আমি বললাম, তবে কি অর্ধেক? তিনি বললেন, হে সা‘দ, এক তৃতীয়াংশ দান কর। এবং এক তৃতীয়াংশই অনেক বেশি। তুমি তোমার ছেলে-মেয়েদেরকে সম্পদশালী রেখে যাও তা-ই উত্তম, এর চেয়ে তুমি তাদেরকে নিঃস্ব রেখে গেলে যে তারা অন্যের নিকট ভিক্ষে করে। আহমাদ ইবনু ইউসুফ (রহ.).....ইব্রাহীম (রহ.) হতে এ কথাগুলোও বর্ণনা করেছেন। তুমি তোমার ওয়ারিশদের সম্পদশালী রেখে যাবে আর তুমি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য যা কিছু ব্যয় করবে, আল্লাহ্ তার প্রতিদান তোমাকে দেবেন। তুমি তোমার স্ত্রীর মুখে যে লোকমাটি তুলে দিবে এর প্রতিদানও আল্লাহ্ তোমাকে দেবে। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি কি আমার সাথী সঙ্গীদের হতে পশ্চাতে থাকব? তিনি বললেন, তুমি কক্ষণো পিছে পড়ে থাকবে না আর এ অবস্থায় আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশে তুমি যে কোন নেক ‘আমাল করবে তাহলে তোমার সম্মান ও মর্যাদা আরো বৃদ্ধি হবে। সম্ভবতঃ তুমি বয়স বেশি পাবে এবং এর ফলে তোমার দ্বারা অনেক মানুষ উপকৃত এবং অনেক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। হে আল্লাহ্! আমার সাহাবীদের হিজরাতকে অটুট রাখুন। তাদেরকে পশ্চাৎমুখী করে ফিরিয়ে নিবেন না। কিন্তু অভাবগ্রস্ত সা‘দ ইবনু খাওলাহর মক্কা্য় মৃত্যুর কারণে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার জন্য দুঃখ প্রকাশ করলেন। আহমাদ ইবনু ইউনুস (রহ.) ও মূসা (রহ.) ইব্রাহীম সূত্রে বর্ণনা করেছেন, أَنْ تَذَرَ وَرَثَتَكَ তোমার ওয়ারিশদের রেখে যাওয়া....। (৫৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৪৯)

بَابُ قَوْلِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اللَّهُمَّ أَمْضِ لِأَصْحَابِيْ هِجْرَتَهُمْ وَمَرْثِيَتِهِ لِمَنْ مَاتَ بِمَكَّةَ

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ قَزَعَةَ حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيْمُ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عَامِرِ بْنِ سَعْدِ بْنِ مَالِكٍ عَنْ أَبِيْهِ قَالَ عَادَنِي النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم عَامَ حَجَّةِ الْوَدَاعِ مِنْ مَرَضٍ أَشْفَيْتُ مِنْهُ عَلَى الْمَوْتِ فَقُلْتُ يَا رَسُوْلَ اللهِ بَلَغَ بِيْ مِنْ الْوَجَعِ مَا تَرَى وَأَنَا ذُوْ مَالٍ وَلَا يَرِثُنِيْ إِلَّا ابْنَةٌ لِيْ وَاحِدَةٌ أَفَأَتَصَدَّقُ بِثُلُثَيْ مَالِيْ قَالَ لَا قَالَ فَأَتَصَدَّقُ بِشَطْرِهِ قَالَ الثُّلُثُ يَا سَعْدُ وَالثُّلُثُ كَثِيْرٌ إِنَّكَ أَنْ تَذَرَ ذُرِّيَّتَكَ أَغْنِيَاءَ خَيْرٌ مِنْ أَنْ تَذَرَهُمْ عَالَةً يَتَكَفَّفُوْنَ النَّاسَ وَلَسْتَ بِنَافِقٍ نَفَقَةً تَبْتَغِيْ بِهَا وَجْهَ اللهِ إِلَّا آجَرَكَ اللهُ بِهَا حَتَّى اللُّقْمَةَ تَجْعَلُهَا فِيْ فِيْ امْرَأَتِكَ قُلْتُ يَا رَسُوْلَ اللهِ أُخَلَّفُ بَعْدَ أَصْحَابِيْ قَالَ إِنَّكَ لَنْ تُخَلَّفَ فَتَعْمَلَ عَمَلًا تَبْتَغِيْ بِهَا وَجْهَ اللهِ إِلَّا ازْدَدْتَ بِهِ دَرَجَةً وَرِفْعَةً وَلَعَلَّكَ تُخَلَّفُ حَتَّى يَنْتَفِعَ بِكَ أَقْوَامٌ وَيُضَرَّ بِكَ آخَرُوْنَ اللَّهُمَّ أَمْضِ لِأَصْحَابِيْ هِجْرَتَهُمْ وَلَا تَرُدَّهُمْ عَلَى أَعْقَابِهِمْ لَكِنْ الْبَائِسُ سَعْدُ بْنُ خَوْلَةَ يَرْثِيْ لَهُ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ تُوُفِّيَ بِمَكَّةَ وَقَالَ أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ وَمُوْسَى عَنْ إِبْرَاهِيْمَ أَنْ تَذَرَ وَرَثَتَكَ


Narrated Sa`d bin Malik: In the year of Hajjat-ul-Wada` the Prophet (ﷺ) visited me when I fell ill and was about to die because of that illness. I said, "O Allah's Messenger (ﷺ)! I am very ill as you see, and I am a rich man and have no heir except my only daughter. Shall I give 2/3 of my property in charity?" He said, "No." I said, "Shall I then give one half of it in charity?" He said, "O Sa`d! Give 1/3 (in charity) and even 1/3 is too much. No doubt, it is better to leave your children rich than to leave them poor, reduced to begging from others. And Allah will reward you for whatever you spend with the intention of gaining Allah's Pleasure even if it were a mouthful of food you put into your wives mouth." I said, "O Allah's Apostle! Am I to be left behind (in Mecca) after my companions have gone?" He said, "If you should be left behind, you will be upgraded and elevated for every deed you will do with a desire to achieve Allah's Pleasure. I hope that you will live long so that some people will benefit by you while others will be harmed. O Allah! Please fulfill the migration of my companions and do not make them turn back on their heels. But (we feel sorry for) the unlucky Sa`d bin Khaulah." Allah's Messenger (ﷺ) lamented his death in Mecca.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ সা‘দ ইবনু মালিক (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৬. এক-তৃতীয়াংশ বা এক-চতুর্থাংশ - সম্পদের ওয়াসিয়াত করা

৯৭৫। সা'দ ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি অসুস্থ হলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে দেখতে এলেন। তিনি বললেনঃ তুমি কি ওয়াসিয়াত করেছ? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ কতটুকু? আমি বললাম, আল্লাহ্ তা'আলার রাস্তায় আমার সবটুকু সম্পদ দিয়ে দিয়েছি। তিনি বললেনঃ তোমার সন্তানদের জন্য কি রাখলে? তিনি বললেন, তারা বেশ ধনী। তিনি বললেনঃ দশ ভাগের এক অংশ ওয়াসিয়াত কর। সা'দ (রাঃ) বলেন, আমি বরাবর “তা খুবই কম” বলতে লাগলাম। তিনি শেষে বললেনঃ ওয়াসিয়াত কর তিন ভাগের এক অংশ। আর তিন ভাগের এক অংশও বেশি হয়ে যাচ্ছে।

– সহীহ, ইরওয়া (৮৯৯), সহীহ আবু দাউদ (২৫৫০), বুখারী, মুসলিম, দশভাগের একভাগ ওয়াসিয়াত কর এই অংশ বাদে। এ অংশটুকু যঈফ।

আবু আব্দুর রহমান বলেন, আমরা এক-তৃতীয়াংশের কম ওয়াসিয়াত করাকে মুস্তাহাব মনে করি। কেননা, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এক-তৃতীয়াংশও অনেক বেশি।

ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতেও এই অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। সা'দ (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবু ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। এটি একাধিকসূত্রে বর্ণিত আছে। কোন কোন বর্ণনায় কাবীর” শব্দ এবং কোন কোন বর্ণনায় ‘কাসীর” শব্দের উল্লেখ রয়েছে।

এই হাদীস অনুযায়ী আলিমগণ আমল করার কথা বলেছেন। তারাএক-তৃতীয়াংশের বেশী পরিমান ওয়াসিয়াত করাকে জাইয মনে করেন না বরংএক-তৃতীয়াংশেরও কম সম্পদ ওয়াসিয়াত করাকে মুস্তাহাব মনে করেন।

সুফিয়ান সাওরী বলেনঃ এক-চতুর্থাংশের চেয়ে এক-পঞ্চমাংশ এবং এক-তৃতীয়াংশের চেয়ে এক-চতুর্থাংশ ওয়াসিয়াত করাকে পূর্ববর্তী আলিমগণ মুস্তাহাব মনে করতেন। এক-তৃতীয়াংশ পরিমাণ সম্পত্তি যে লোক ওয়াসিয়াত করল সে লোক তো আর কিছু রাখল না। তার জন্য এক-তৃতীয়াংশের বেশি ওয়াসিয়াত করা জায়িয নয়।

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ السُّلَمِيِّ، عَنْ سَعْدِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ عَادَنِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَنَا مَرِيضٌ فَقَالَ ‏"‏ أَوْصَيْتَ ‏"‏ ‏.‏ قُلْتُ نَعَمْ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ بِكَمْ ‏"‏ ‏.‏ قُلْتُ بِمَالِي كُلِّهِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ فَمَا تَرَكْتَ لِوَلَدِكَ ‏"‏ ‏.‏ قُلْتُ هُمْ أَغْنِيَاءُ بِخَيْرٍ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ أَوْصِ بِالْعُشْرِ ‏"‏ ‏.‏ فَمَا زِلْتُ أُنَاقِصُهُ حَتَّى قَالَ ‏"‏ أَوْصِ بِالثُّلُثِ وَالثُّلُثُ كَثِيرٌ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ وَنَحْنُ نَسْتَحِبُّ أَنْ يَنْقُصَ مِنَ الثُّلُثِ لِقَوْلِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ وَالثُّلُثُ كَثِيرٌ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ سَعْدٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ وَقَدْ رُوِيَ عَنْهُ مِنْ غَيْرِ وَجْهٍ وَقَدْ رُوِيَ عَنْهُ ‏"‏ وَالثُّلُثُ كَبِيرٌ ‏"‏ ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ لاَ يَرَوْنَ أَنْ يُوصِيَ الرَّجُلُ بِأَكْثَرَ مِنَ الثُّلُثِ وَيَسْتَحِبُّونَ أَنْ يَنْقُصَ مِنَ الثُّلُثِ ‏.‏ قَالَ سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ كَانُوا يَسْتَحِبُّونَ فِي الْوَصِيَّةِ الْخُمُسَ دُونَ الرُّبُعِ وَالرُّبُعَ دُونَ الثُّلُثِ وَمَنْ أَوْصَى بِالثُّلُثِ فَلَمْ يَتْرُكْ شَيْئًا وَلاَ يَجُوزُ لَهُ إِلاَّ الثُّلُثُ ‏.‏

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ السُّلَمِيِّ، عَنْ سَعْدِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ عَادَنِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَنَا مَرِيضٌ فَقَالَ ‏"‏ أَوْصَيْتَ ‏"‏ ‏.‏ قُلْتُ نَعَمْ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ بِكَمْ ‏"‏ ‏.‏ قُلْتُ بِمَالِي كُلِّهِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ فَمَا تَرَكْتَ لِوَلَدِكَ ‏"‏ ‏.‏ قُلْتُ هُمْ أَغْنِيَاءُ بِخَيْرٍ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ أَوْصِ بِالْعُشْرِ ‏"‏ ‏.‏ فَمَا زِلْتُ أُنَاقِصُهُ حَتَّى قَالَ ‏"‏ أَوْصِ بِالثُّلُثِ وَالثُّلُثُ كَثِيرٌ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ وَنَحْنُ نَسْتَحِبُّ أَنْ يَنْقُصَ مِنَ الثُّلُثِ لِقَوْلِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ وَالثُّلُثُ كَثِيرٌ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ سَعْدٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ وَقَدْ رُوِيَ عَنْهُ مِنْ غَيْرِ وَجْهٍ وَقَدْ رُوِيَ عَنْهُ ‏"‏ وَالثُّلُثُ كَبِيرٌ ‏"‏ ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ لاَ يَرَوْنَ أَنْ يُوصِيَ الرَّجُلُ بِأَكْثَرَ مِنَ الثُّلُثِ وَيَسْتَحِبُّونَ أَنْ يَنْقُصَ مِنَ الثُّلُثِ ‏.‏ قَالَ سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ كَانُوا يَسْتَحِبُّونَ فِي الْوَصِيَّةِ الْخُمُسَ دُونَ الرُّبُعِ وَالرُّبُعَ دُونَ الثُّلُثِ وَمَنْ أَوْصَى بِالثُّلُثِ فَلَمْ يَتْرُكْ شَيْئًا وَلاَ يَجُوزُ لَهُ إِلاَّ الثُّلُثُ ‏.‏


Sa'd bin Malik said: "The Messenger of Allah came to visit me while I was sick. He said: 'Do you have a will?' I said: 'Yes.' He said: 'For how much?' I said: 'All of my wealth, for the cause of Allah.' He said: 'What did you leave for your children?'" He (Sa'd) said: "They are rich in goodness.' He said: 'Will a tenth.'" He (Sa'd) said: "He (pbuh) continued decreasing it until he said: 'Will a third, and a third is too great.'" (One of the narrators:) Abdur-Rahman said: "We considered it recommended that it be less than a third, since the Messenger of Allah said: 'And a third is too great.'"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ সা‘দ ইবনু মালিক (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৮৯. মদীনাবাসীদের যে ক্ষতি করতে চায় আল্লাহ তাকে গলিয়ে দিবেন

৩২৫৩-(.../...) কুতায়বাহ্ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... সা'দ ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ..... উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ। তবে এ সূত্রে আকস্মিক আক্রমণ অথবা ক্ষতিসাধন এর কথা উল্লেখ আছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩২২৮, ইসলামীক সেন্টার৩২২৫)

باب مَنْ أَرَادَ أَهْلَ الْمَدِينَةِ بِسُوءٍ أَذَابَهُ اللَّهُ ‏‏

وَحَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، - يَعْنِي ابْنَ جَعْفَرٍ - عَنْ عُمَرَ بْنِ نُبَيْهٍ، الْكَعْبِيِّ عَنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الْقَرَّاظِ، أَنَّهُ سَمِعَ سَعْدَ بْنَ مَالِكٍ، يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ بِمِثْلِهِ غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ ‏ "‏ بِدَهْمٍ أَوْ بِسُوءٍ ‏"‏ ‏.‏


Sa'd b. Malik heard Allah's Messenger (ﷺ) saying like this except (this variation) that he said: " Sudden attack or harm."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ সা‘দ ইবনু মালিক (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৩২. প্লেগ, লক্ষণ ও জ্যোতিষীর গণনা ইত্যাদির বিবরণ

৫৬৭৪-(…/...) আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... সা'দ ইবনু মালিক (রাযিঃ) খুযাইমাহ্ ইবনু সাবিত (রাযিঃ) ও উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তারা বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ অতঃপর শু'বাহ্ (রহঃ) এর হাদীসের অনুরূপ অর্থবোধক হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৫৮৯, ইসলামিক সেন্টার ৫৬১৬)

باب الطَّاعُونِ وَالطِّيَرَةِ وَالْكَهَانَةِ وَنَحْوِهَا ‏‏

وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ حَبِيبٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، بْنِ سَعْدٍ عَنْ سَعْدِ بْنِ مَالِكٍ، وَخُزَيْمَةَ بْنِ ثَابِتٍ، وَأُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ، قَالُوا قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِمَعْنَى حَدِيثِ شُعْبَةَ ‏.‏


This hadith has been transmitted on the authority of Sa'd b. Malik, Khuzaima b. Thabit and Usama b. Zaid.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ সা‘দ ইবনু মালিক (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১. দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ - শুভ ও অশুভ লক্ষণ

৪৫৮৬-[১১] সা‘দ ইবনু মালিক হতে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্যাঁচার মধ্যে কুলক্ষণের কিছুই নেই। রোগের মধ্যে সংক্রামক বলতে কিছুই নেই এবং কোন কিছুর মধ্যে অশুভ লক্ষণ নেই। তবে হ্যাঁ, যদি কোন কিছুতে অকল্যাণ থাকে তবে ঘর, ঘোড়া এবং নারীর মধ্যে থাকবে। (আবূ দাঊদ)[1]

وَعَنْ سَعْدِ بْنِ مَالِكٍ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ - أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - قَالَ : " لَا هَامَةَ وَلَا عَدْوَى وَلَا طِيَرَةَ . وَإِنْ تَكُنِ الطِّيَرَةُ فِي شَيْءٍ فَفِي الدَّارِ ، وَالْفَرَسِ وَالْمَرْأَةِ " رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ

ব্যাখ্যাঃ (وَإِنْ تَكُنِ الطِّيَرَةُ) অর্থাৎ কুলক্ষণ যদি সঠিক হত, অথবা ঘটত, অথবা পাওয়া যেত। এখানে (وَإِنْ تَكُنِ) ইস্তিসনা-এর জায়গায় বা ভূমিকায় এসেছে। অর্থাৎ কোন কিছুতে অকল্যাণ নেই কেবল এ তিনটি জিনিসের ক্ষেত্রে ব্যতীত। এখানে সংবাদ দেয়া হয়েছে যে, এ তিনটিতে বেশি ক্ষেত্রে অকল্যাণ হয়। তবে যেসব হাদীসে কুলক্ষণকে নাকোচ করা হয়েছে এ হাদীস তার বিরোধী নয়। মিরক্বাতুল মাফাতীহে এভাবেই এসেছে। এ তিনটি জীবনের অনিবার্য উপকরণের সাথেও নানা ধরনের বিপদাপদ লেগে থাকে, তবুও কেউ অশুভ লক্ষণের ধারণায় এগুলোকে বর্জন করে না। এজন্য তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, যদি তোমাদের করো বাড়ি থাকে আর সে তাতে বসবাস করা অপছন্দ করে অথবা ঘোড়া থাকে সে তাতে আরোহণ করা অপছন্দ করে তবে যেন সে বাড়ী থেকে বেরিয়ে অন্য চলে যায়, তার স্ত্রীকে ত্বলাক দিয়ে দেয় এবং তার ঘোড়াটি বিক্রি করে দেয়। এও বলা হয় যে, বাড়ীর অকল্যাণ হলো তার সংকীর্ণতা এবং খারাপ প্রতিবেশী। আর স্ত্রীর অকল্যাণ হলো সন্তান জন্ম না হওয়া। আর ঘোড়ার অকল্যাণ হলো তার উপর চড়তে না দেয়া। (‘আওনুল মা‘বূদ ৭ম খন্ড, হাঃ ৩৯১৬-৩৯১৭)


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ সা‘দ ইবনু মালিক (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২৪. অশুভ লক্ষণ

৩৯২১। সা‘দ ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেনঃ পেঁচা অশুভ নয়, ছোঁয়াচে রোগ নেই এবং কোনো জিনিস অশুভ হওয়া ভিত্তিহীন। যদি কোনো কিছুর মধ্যে অশুভ কিছু থাকতো, তাহলে ঘোড়া, নারী ও বাড়ী এই তিন জিনিসের মধ্যে থাকতো।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِي الطِّيَرَةِ

حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا أَبَانُ، حَدَّثَنِي يَحْيَى، أَنَّ الْحَضْرَمِيَّ بْنَ لَاحِقٍ، حَدَّثَهُ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ سَعْدِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَقُولُ: لَا هَامَةَ وَلَا عَدْوَى، وَلَا طِيَرَةَ، وَإِنْ تَكُنِ الطِّيَرَةُ فِي شَيْءٍ فَفِي الْفَرَسِ، وَالْمَرْأَةِ، وَالدَّارِ

صحيح


Narrated Sa'd ibn Malik: The Prophet (ﷺ) said: There is no hamah, no infection and no evil omen; if there is in anything an evil omen, it is a house, a horse, and a woman.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ সা‘দ ইবনু মালিক (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১২০. যে দাস নিজ মনিবের পরিবর্তে অন্যের পরিচয় দেয়

৫১১৩। সা‘দ ইবনু মালিক (রাঃ) বলেন, আমি এ হাদীসটি আমার নিজ কানে শুনেছি স্বয়ং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট থেকে এবং আমার অন্তর তা হিফাযাত করেছে। তিনি বলেছেনঃ যে ব্যক্তি স্বীয় পিতাকে ভিন্ন বংশের বলে দাবি করলো অথচ সে জানে যে, তার পিতা কে, তার জন্য জান্নাত হারাম।

বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর আমি আবূ বাকরাহ (রাঃ)-এর সঙ্গে দেখা করে বিষয়টি তার নিকট উত্থাপন করলে তিনি বলেন, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এ হাদীস আমার কান শুনেছে এবং আমার স্মৃতিশক্তি তা হিফাযাত করেছে। আসিম (রহঃ) বলেন, আমি বললাম, হে আবূ উসমান! আপনার নিকট দু’জন লোক সাক্ষ্য দিয়েছে, তারা কে? তিনি বলেন, তাদের একজন হলেন, সা‘দ ইবনু মালিক (রাঃ) যিনি সর্বপ্রথম আল্লাহর পথে দ্বীন ইসলামের তীর ছুঁড়েছেন। আর দ্বিতীয় ব্যক্তি হলেন যিনি বিশের অধিক লোকের একটি দলের সঙ্গে তায়েফ থেকে হেটে এসেছেন। তিনি তার ফাযীলাতও বর্ণনা করলেন।

ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, আন-নুফাইলী (রহঃ) এ হাদীস বর্ণনা প্রসঙ্গে বলেন, আল্লাহর কসম! এটি আমার নিকট মধুর চেয়েও মিষ্টি অর্থাৎ এর সনদ। আবূ আলী বলেন, আমি আবূ দাঊদকে বলতে শুনেছি, আমি আহমাদ (রহঃ)-কে বলতে শুনেছি. কূফাবাসীর হাদীসে নূর নেই। আমি বাসরাহবাসীর অনুরূপ দেখিনি, তারা হাদীসটি শু‘বাহ (রহঃ) থেকে শিখেছেন।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِي الرَّجُلِ يَنْتَمِي إِلَى غَيْرِ مَوَالِيهِ

حَدَّثَنَا النُّفَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنَا عَاصِمٌ الْأَحْوَلُ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو عُثْمَانَ، قَالَ: حَدَّثَنِي سَعْدُ بْنُ مَالِكٍ، قَالَ: سَمِعَتْهُ أُذُنَايَ وَوَعَاهُ، قَلْبِي مِنْ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَنَّهُ قَالَ: مَنِ ادَّعَى إِلَى غَيْرِ أَبِيهِ، وَهُوَ يَعْلَمُ أَنَّهُ غَيْرُ أَبِيهِ فَالْجَنَّةُ عَلَيْهِ حَرَامٌ قَالَ: فَلَقِيتُ أَبَا بَكْرَةَ فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لَهُ، فَقَالَ: سَمِعَتْهُ أُذُنَايَ وَوَعَاهُ قَلْبِي مِنْ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ عَاصِمٌ: فَقُلْتُ يَا أَبَا عُثْمَانَ، لَقَدْ شَهِدَ عِنْدَكَ رَجُلَانِ أَيُّمَا رَجُلَيْنِ فَقَالَ: أَمَّا أَحَدُهُمَا فَأَوَّلُ مَنْ رَمَى بِسَهْمٍ فِي سَبِيلِ اللَّهِ، أَوْ فِي الْإِسْلَامِ، يَعْنِي سَعْدَ بْنَ مَالِكٍ، وَالْآخَرُ قَدِمَ مِنَ الطَّائِفِ فِي بِضْعَةٍ وَعِشْرِينَ رَجُلًا عَلَى أَقْدَامِهِمْ، فَذَكَرَ فَضْلًا قَالَ النُّفَيْلِيُّ حَيْثُ حَدَّثَ بِهَذَا الْحَدِيثِ، وَاللَّهِ إِنَّهُ عِنْدِي أَحْلَى مِنَ الْعَسَلِ، يَعْنِي قَوْلَهُ حَدَّثَنَا وَحَدَّثَنِي قَالَ أَبُو عَلِيٍّ: وَسَمِعْتُ أَبَا دَاوُدَ يَقُولُ: سَمِعْتُ أَحْمَدَ يَقُولُ لَيْسَ لِحَدِيثِ أَهْلِ الْكُوفَةِ نُورٌ، قَالَ: وَمَا رَأَيْتُ مِثْلَ أَهْلِ الْبَصْرَةِ كَانُوا تَعَلَّمُوهُ مِنْ شُعْبَةَ

صحيح


Sa’id b. Malik said: My ears heard it end my heart remembered it from Muhammad (May peace be upon him) who said: if a man claims to be the son of a man who is not his father, paradise will be forbidden for him. He said: I then met Abu Bakrah and mentioned it to him. He said: my ears heard it and my heart remembered it from Muhammad (peace be upon him). ‘Asim said : I said : Abu ‘Uthman! Two men testified before you. Who are they? He said : One of them is the one who is first to shoot arrow in the path of Allah or in the path of Islam, that is to say : Sa’d b. Malik. The other is the one came from al-Taif with ten and some men on foot. He then mentioned his excellence. Abu Dawud said : When al-Nufaili mentioned this tradition, he said : I swear by Allah, this is sweater with me than honey, that is no say, his way transmission. Abu ‘Ali said : I heard Abu Dawud say : I heard Ahmad say : The people of Kufah have no light in their traditions. I did not see them like the people of Basrah. They learnt it from Shu’bah.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ সা‘দ ইবনু মালিক (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ১১ পর্যন্ত, সর্বমোট ১১ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে