আবূ বারযাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত হাদিস পাওয়া গেছে 67 টি

পরিচ্ছেদঃ ৩৬১। যুহরের ওয়াক্ত হয় সূর্য ঢলে পড়লে।

৫১৪। হাফসা ইবনু উমর (রহঃ) ..... আবূ বারযা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন সময় ফজরের সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করতেন, যখন আমাদের একজন তার পার্শ্ববর্তী আপরজনকে চিনতে পারত। আর এ সালাত (নামায/নামাজ) তিনি ষাট থেকে একশ আয়াত তিলাওয়াত করতেন এবং যুহরের সালাত আদায় করতেন যখন সূর্য পশিম দিকে ঢলে পড়ত। তিনি আসরের সালাত আদায় করতেন এমন সময় যে, আমাদের কেউ মদিনার শেষ প্রান্তে পৌছে আবার ফিরে আসতে পারত, তখনও সূর্য সতেজ থাকত। রাবী বলেন, মাগরিব সম্পর্কে তিনি [আবূ বারযা (রাঃ)] কী বলেছিলেন, আমি তা ভুলে গেছি। আর ইশার সালাত রাতের এক-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত পিছিয়ে নিতে তিনি কোনরূপ দ্বিধাবোধ করতেন না। তারপর রাবী বলেন, রাতের অর্ধাংশ পর্যন্ত পিছিয়ে নিতে অসুবিধা বোধ করতেন না। আর মু’আয (রহঃ) বর্ণনা করেন যে, শু’বা (রহঃ) বলেছেন, পরে আবূল মিনহালের (রহঃ) সংগে সাক্ষাত হয়েছিল, সে সময় তিনি বলেছেন, রাতের এক তৃতীয়াংশ পর্যন্ত বিলম্ব করতে অসুবিধা বোধ করতেন না।

باب وَقْتِ الظُّهْرِ عِنْدَ الزَّوَالِ

حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ، قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي الْمِنْهَالِ، عَنْ أَبِي بَرْزَةَ، كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي الصُّبْحَ وَأَحَدُنَا يَعْرِفُ جَلِيسَهُ، وَيَقْرَأُ فِيهَا مَا بَيْنَ السِّتِّينَ إِلَى الْمِائَةِ، وَيُصَلِّي الظُّهْرَ إِذَا زَالَتِ الشَّمْسُ، وَالْعَصْرَ وَأَحَدُنَا يَذْهَبُ إِلَى أَقْصَى الْمَدِينَةِ ثُمَّ يَرْجِعُ وَالشَّمْسُ حَيَّةٌ، وَنَسِيتُ مَا قَالَ فِي الْمَغْرِبِ، وَلاَ يُبَالِي بِتَأْخِيرِ الْعِشَاءِ إِلَى ثُلُثِ اللَّيْلِ‏.‏ ثُمَّ قَالَ إِلَى شَطْرِ اللَّيْلِ‏.‏ وَقَالَ مُعَاذٌ قَالَ شُعْبَةُ ثُمَّ لَقِيتُهُ مَرَّةً فَقَالَ أَوْ ثُلُثِ اللَّيْلِ‏.‏


Narrated Abu Al-Minhal: Abu Barza said, "The Prophet (sallallahu 'alaihi wa sallam) used to offer the Fajr (prayer) when one could recognize the person sitting by him (after the prayer) and he used to recite between 60 to 100 Ayat (verses) of the Qur'an. He used to offer the Zuhr prayer as soon as the sun declined (at noon) and the `Asr at a time when a man might go and return from the farthest place in Medina and find the sun still hot. (The sub-narrator forgot what was said about the Maghrib). He did not mind delaying the `Isha prayer to one third of the night or the middle of the night."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ বারযাহ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৩৭৪। ইশার সালাতের আগে ঘুমানো মাকরূহ।

৫৪১। মুহাম্মদ ইবনু সালাম (রহঃ) .... আবূ বারযা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইশার পূর্বে নিদ্রা যাওয়া এবং পরে কথাবার্তা বলা অপছন্দ করতেন।

باب مَا يُكْرَهُ مِنَ النَّوْمِ قَبْلَ الْعِشَاءِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلاَمٍ، قَالَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ الثَّقَفِيُّ، قَالَ حَدَّثَنَا خَالِدٌ الْحَذَّاءُ، عَنْ أَبِي الْمِنْهَالِ، عَنْ أَبِي بَرْزَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَكْرَهُ النَّوْمَ قَبْلَ الْعِشَاءِ وَالْحَدِيثَ بَعْدَهَا‏.‏


Narrated Abu Barza: Allah's Messenger (sallallahu 'alaihi wa sallam) disliked to sleep before the `Isha' prayer and to talk after it.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ বারযাহ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৩০৭৪. কিতাব (কুরআন) ও সুন্নাহকে দৃঢ়ভাবে ধারণ করা

৬৭৭৫। আবদুল্লাহ ইবনু সাব্বাহ (রহঃ) ... আবূ বারযা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহ তাআলা তোমাদেরকে ইসলাম ও মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দ্বারা অমুখাপেক্ষী করেছেন। কিংবা বলেছেন, পরিপূর্ণ করেছেন।

باب الاعتصام بالكتاب والسنة

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَبَّاحٍ، حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ، قَالَ سَمِعْتُ عَوْفًا، أَنَّ أَبَا الْمِنْهَالِ، حَدَّثَهُ أَنَّهُ، سَمِعَ أَبَا بَرْزَةَ، قَالَ إِنَّ اللَّهَ يُغْنِيكُمْ أَوْ نَغَشَكُمْ بِالإِسْلاَمِ وَبِمُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم‏.‏


Narrated Abal Minhal: Abu Barza said, "(O people!) Allah makes you self-sufficient or has raised you high with Islam and with Muhammad."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ বারযাহ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৩৫. ফজরের সালাতে কিরা'আত পাঠ

৯১৫। আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বা (রহঃ) ... আবূ বারযা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের সালাত (নামায/নামাজ)-এ ষাট হতে একশ’ আয়াত পাঠ করতেন।

باب الْقِرَاءَةِ فِي الصُّبْحِ ‏

وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، عَنِ التَّيْمِيِّ، عَنْ أَبِي الْمِنْهَالِ، عَنْ أَبِي بَرْزَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَقْرَأُ فِي صَلاَةِ الْغَدَاةِ مِنَ السِّتِّينَ إِلَى الْمِائَةِ ‏.‏


Abu Barza reported: The Messenger of Allah (ﷺ) used to recite in the morning prayer from sixty to one hundred verses.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ বারযাহ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৩৫. ফজরের সালাতে কিরা'আত পাঠ

৯১৬। আবূ কুরায়র (রহঃ) ... আবূ বারযা আল-আসলামী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের সালাত (নামায/নামাজ)-এ ষাট হতে একশ, আয়াত পাঠ করতেন।

باب الْقِرَاءَةِ فِي الصُّبْحِ ‏

وَحَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ، عَنْ أَبِي الْمِنْهَالِ، عَنْ أَبِي بَرْزَةَ الأَسْلَمِيِّ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقْرَأُ فِي الْفَجْرِ مَا بَيْنَ السِّتِّينَ إِلَى الْمِائَةِ آيَةً ‏.‏


Abu Barza Aslami reported: The Messenger of Allah (ﷺ) used to recite from sixty to one hundred verses in the morning prayer.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ বারযাহ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৪০. ফজরের সালাত প্রত্যুষে প্রথম ওয়াক্তে যাকে ‘তাগলীস’ বলা হয়, আদায় করা মুস্তাহাব এবং তাতে সূরা পাঠের পরিমাণ

১৩৩৮। উবায়দুল্লাহ ইবনু মু’আয (রহঃ) ... আবূ বারযা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ এশার সালাত অর্ধরাত পর্যন্ত বিলম্ভ করতে দ্বিধাবোধ করতেন না। তিনি ইশা'র সালাতের পূর্বে নিদ্রা যাওয়া এবং সালাতের পরে গল্পগুজব করাকে পছন্দ করতেন না। রাবী শু'বা বলেন এরপর আমি আবার আমার উস্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলে তিনি বলেন অথবা রাতের এক তৃতীয়াংশ পর্যন্ত।

باب اسْتِحْبَابِ التَّبْكِيرِ بِالصُّبْحِ فِي أَوَّلِ وَقْتِهَا وَهُوَ التَّغْلِيسُ وَبَيَانِ قَدْرِ الْقِرَاءَةِ فِيهَا

حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ سَيَّارِ بْنِ سَلاَمَةَ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا بَرْزَةَ، يَقُولُ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لاَ يُبَالِي بَعْضَ تَأْخِيرِ صَلاَةِ الْعِشَاءِ إِلَى نِصْفِ اللَّيْلِ وَكَانَ لاَ يُحِبُّ النَّوْمَ قَبْلَهَا وَلاَ الْحَدِيثَ بَعْدَهَا ‏.‏ قَالَ شُعْبَةُ ثُمَّ لَقِيتُهُ مَرَّةً أُخْرَى فَقَالَ أَوْ ثُلُثِ اللَّيْلِ ‏.‏


Sayyar b. Salama reported: I heard Abu Barza saying that the Messenger of Allah (ﷺ) did not mind some delay in the 'Isha' prayer even up to midnight and he did not like sleeping before (observing it) and talking after it. Shu'ba said: I again met him (Sayyar b. Salama) for the second time and he said: Even up to the third (part) of the night.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ বারযাহ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৪০. ফজরের সালাত প্রত্যুষে প্রথম ওয়াক্তে যাকে ‘তাগলীস’ বলা হয়, আদায় করা মুস্তাহাব এবং তাতে সূরা পাঠের পরিমাণ

১৩৩৯। আবূ কুরায়ব (রহঃ) ... আবূ বারযা আল আসলামী (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইশার সালাত রাতের এক তৃতীয়াংশ পর্যন্ত দেরী করতেন। এশার সালাতের আগে নিদ্রা যাওয়া এবং পরে কথাবার্তা তিনি অপছন্দ করতেন। ফজরের সালাতে তিনি ৬০ থেকে ১০০ আয়াত পাঠ করতেন। এমন সময় সালাত শেষ করতেন, যখন আমরা একে অপরের চেহারা চিনতে পারতাম।

باب اسْتِحْبَابِ التَّبْكِيرِ بِالصُّبْحِ فِي أَوَّلِ وَقْتِهَا وَهُوَ التَّغْلِيسُ وَبَيَانِ قَدْرِ الْقِرَاءَةِ فِيهَا

وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا سُوَيْدُ بْنُ عَمْرٍو الْكَلْبِيُّ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ، عَنْ سَيَّارِ بْنِ سَلاَمَةَ أَبِي الْمِنْهَالِ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا بَرْزَةَ الأَسْلَمِيَّ، يَقُولُ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُؤَخِّرُ الْعِشَاءَ إِلَى ثُلُثِ اللَّيْلِ وَيَكْرَهُ النَّوْمَ قَبْلَهَا وَالْحَدِيثَ بَعْدَهَا وَكَانَ يَقْرَأُ فِي صَلاَةِ الْفَجْرِ مِنَ الْمِائَةِ إِلَى السِّتِّينَ وَكَانَ يَنْصَرِفُ حِينَ يَعْرِفُ بَعْضُنَا وَجْهَ بَعْضٍ ‏.‏


Abu Barza b. Aslami is reported to have said: The Messenger of Allah (ﷺ) delayed the night prayer till a third of the night had passed and he did not approve of sleeping before it, and talking after it, and he used to recite in the morning prayer from one hundred to sixty verses (and completed the prayer at such hours) when we recognised the faces of one another.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ বারযাহ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২৭. আবু জুলায়বীব (রাঃ) এর ফযীলত

৬১৩৪। ইসহাক ইবনু আমর ইবনু সালীত (রহঃ) ... আবূ বারযাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক জিহাদে ছিলেন। আল্লাহ তাআলা তাঁকে গনীমতের সম্পদ দিলেন। তিনি তার সাহাবাদের বললেন, তোমরা কি কাউকে হারিয়েছ? লোকেরা বললো, হ্যাঁ, অমুক, অমুক ও অমুককে। তিনি বললেন, তোমরা কি কাউকে হারিয়েছ? লোকেরা বললো, হ্যাঁ, অমুক, অমুক এবং অমুককে। তিনি আবার বললেন, তোমরা কি কাউকে হারিয়েছ? লোকেরা বললো, জি-না। তিনি বললেন, কিন্তু আমি জুলায়বীবকে হারিয়েছি। তোমরা তাঁকে খোঁজ কর। তখন নিহতদের মধ্যে তাকে খোঁজ করা হল। এরপর তারা সাতটা লাশের পাশে তাকে পেলো। তিনি এই সাতজনকে হত্যা করেছিলেন। এরপর দুশমনরা তাকে হত্যা করে। তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কাছে এলেন এবং ওখানে দাঁড়িয়ে বললেন, সে সাতজন হত্যা করেছে; এরপর দুশমনরা তাঁকে হত্যা করে। সে আমার আর আমিও তার। সে আমার আর আমি তাঁর। অতঃপর তিনি তাঁকে দুঁবাহুর উপর তুলে ধরলেন। একমাত্র নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বাহুই তাঁকে বহন করছিল। তাঁর কবর খোঁড়া হল এবং তাকে তার কবরে রাখলেন। বর্ণনাকারী তাঁর গোসলের উল্লেখ করেননি।

باب مِنْ فَضَائِلِ جُلَيْبِيبٍ رضى الله عنه ‏‏

حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ عُمَرَ بْنِ سَلِيطٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ كِنَانَةَ، بْنِ نُعَيْمٍ عَنْ أَبِي بَرْزَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ فِي مَغْزًى لَهُ فَأَفَاءَ اللَّهُ عَلَيْهِ فَقَالَ لأَصْحَابِهِ ‏"‏ هَلْ تَفْقِدُونَ مِنْ أَحَدٍ ‏"‏ ‏.‏ قَالُوا نَعَمْ فُلاَنًا وَفُلاَنًا وَفُلاَنًا ‏.‏ ثُمَّ قَالَ ‏"‏ هَلْ تَفْقِدُونَ مِنْ أَحَدٍ ‏"‏ ‏.‏ قَالُوا نَعَمْ فُلاَنًا وَفُلاَنًا وَفُلاَنًا ‏.‏ ثُمَّ قَالَ ‏"‏ هَلْ تَفْقِدُونَ مِنْ أَحَدٍ ‏"‏ ‏.‏ قَالُوا لاَ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ لَكِنِّي أَفْقِدُ جُلَيْبِيبًا فَاطْلُبُوهُ ‏"‏ ‏.‏ فَطُلِبَ فِي الْقَتْلَى فَوَجَدُوهُ إِلَى جَنْبِ سَبْعَةٍ قَدْ قَتَلَهُمْ ثُمَّ قَتَلُوهُ فَأَتَى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَوَقَفَ عَلَيْهِ فَقَالَ ‏"‏ قَتَلَ سَبْعَةً ثُمَّ قَتَلُوهُ هَذَا مِنِّي وَأَنَا مِنْهُ هَذَا مِنِّي وَأَنَا مِنْهُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَوَضَعَهُ عَلَى سَاعِدَيْهِ لَيْسَ لَهُ إِلاَّ سَاعِدَا النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ فَحُفِرَ لَهُ وَوُضِعَ فِي قَبْرِهِ ‏.‏ وَلَمْ يَذْكُرْ غَسْلاً ‏.‏


Abu Barza reported that Allah's Apostle (ﷺ) was there in a battlefield that Allah conferred upon him the spoils of war. He said to his Companions: Is anyone missing amongst you? They said: So and so and so. He again said: Is there anyone missing amongst you? They said: So and so and so. He then said: Is there anyone missing amongst you? They said: No. Thereupon he (the Holy Prophet) said: But I am missing Julaibib. They (his Companions) searched him amongst those who had been killed and they found him by the side of seven (dead bodies) whom he had killed and he had been killed (by the oppoments). Allah's Apostle (ﷺ) came there and stood (by his side) and said: He killed seven (persons). Then (his opponents) killed him. He is mine and I am his. He then placed him upon his hands and there was none else to lift but Allah's Apostle (ﷺ). Then the grave was dug for him and he was placed in the grave and no mention is made of a bath.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ বারযাহ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৫৭. উমানের অধিবাসীগনের ফযীলত

৬২৬৪। সাঈদ ইবন মানসুর (রহঃ) ... আবু বারযাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে কোন এক আরব গোত্রের কাছে পাঠালেন। তারা তাকে গালি গালাজ ও মারপিট করল। সে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে তাকে ঘটনা অবহিত করল। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যদি তুমি উমানের অধিবাসীদের কাছে যেতে তাহলে তারা তোমাকে গালি দিত না এবং প্রহারও করত না।

باب فَضْلِ أَهْلِ عُمَانَ ‏‏

حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ مَنْصُورٍ، حَدَّثَنَا مَهْدِيُّ بْنُ مَيْمُونٍ، عَنْ أَبِي الْوَازِعِ، جَابِرِ بْنِ عَمْرٍو الرَّاسِبِيِّ سَمِعْتُ أَبَا بَرْزَةَ، يَقُولُ بَعَثَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَجُلاً إِلَى حَىٍّ مِنْ أَحْيَاءِ الْعَرَبِ فَسَبُّوهُ وَضَرَبُوهُ فَجَاءَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَخْبَرَهُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لَوْ أَنَّ أَهْلَ عُمَانَ أَتَيْتَ مَا سَبُّوكَ وَلاَ ضَرَبُوكَ ‏"‏ ‏.‏


Abu Barza reported that Allah's Messenger (ﷺ) sent a person to a tribe amongst the tribes of Arabia. They reviled him and beat him. He came to Allah's Messenger (ﷺ) and narrated to him (the story of atrocities perpetrated upon him by the people of the tribe). Thereupon he (the Holy Prophet) said: If you were to come to the people of 'Uman, they would have neither reviled you nor beaten you.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ বারযাহ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২৪. চতুষ্পদ প্রাণী ইত্যাদিকে লা'নত করা নিষিদ্ধ

৬৩৭০। আবূ কামিল জাহদারী ফুযায়ল ইবনু হুসায়ন (রহঃ) ... আবূ বারযাহ আসলামী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার একটি বালিকা একটি উষ্ঠ্রীর উপর আরোহিত ছিল। সেটির উপরে তার গোত্রের কিছু মালামাল ছিল। হঠাৎ সে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে দেখতে পেল এবং তাদের জন্য রশি সংকীর্ণ হলে বলল,حَلْ اللَّهُمَّ الْعَنْهَا হাল (উট চালনার শব্দ) হে আল্লাহ! এর উপর লানত বর্ষণ করুন। রাবী বলেন, তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যে উটনীর উপর লানত করা হয়েছে, সেটি যেন আমাদের সঙ্গে না থাকে।

باب النَّهْىِ عَنْ لَعْنِ الدَّوَابِّ، وَغَيْرِهَا، ‏‏

حَدَّثَنَا أَبُو كَامِلٍ الْجَحْدَرِيُّ، فُضَيْلُ بْنُ حُسَيْنٍ حَدَّثَنَا يَزِيدُ، - يَعْنِي ابْنَ زُرَيْعٍ - حَدَّثَنَا التَّيْمِيُّ، عَنْ أَبِي عُثْمَانَ، عَنْ أَبِي بَرْزَةَ الأَسْلَمِيِّ، قَالَ بَيْنَمَا جَارِيَةٌ عَلَى نَاقَةٍ عَلَيْهَا بَعْضُ مَتَاعِ الْقَوْمِ إِذْ بَصُرَتْ بِالنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَتَضَايَقَ بِهِمُ الْجَبَلُ فَقَالَتْ حَلْ اللَّهُمَّ الْعَنْهَا ‏.‏ قَالَ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لاَ تُصَاحِبُنَا نَاقَةٌ عَلَيْهَا لَعْنَةٌ ‏"‏ ‏.‏


Abu Burza al-Aslami reported that a slave-girl was riding a dromedary and there was also the luggage of people upon it. that she suddenly saw Allah's Apostle (ﷺ). The way of the mountain was narrow and she said (to that dromedary): Go ahead (but that dromedary did not move). She (that slave-girl), out of anger, said: O Allah, let that (dromedary) be damned. Thereupon Allah's Apostle (ﷺ) said: Let the dromedary on which the curse has been invoked not proceed with us.


পরিচ্ছেদঃ ৩৬. রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু অপসারণ করার ফযীলত

৬৪৩৬। ইয়াহইয়াহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ... আবূ বারযাহ আসলামী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে বললাম, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমি জানিনা, হয়ত আপনি চলে যাবেন। আর আমি বেঁচে থাকব। কাজেই আমাকে এমন কিছু পাথেয় দিয়ে যান যা দ্বারা আল্লাহ আমাকে উপকৃত করবেন। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন এটি কররে, এটি করবে। আবূ বকর (রাঃ) তা বিস্মৃত হয়ে গেছেন ...... এবং রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে ফেলবে।

باب فَضْلِ إِزَالَةِ الأَذَى عَنِ الطَّرِيقِ، ‏ ‏

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ شُعَيْبِ بْنِ الْحَبْحَابِ، عَنْ أَبِي الْوَازِعِ، الرَّاسِبِيِّ عَنْ أَبِي بَرْزَةَ الأَسْلَمِيِّ، أَنَّ أَبَا بَرْزَةَ، قَالَ قُلْتُ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي لاَ أَدْرِي لَعَسَى أَنْ تَمْضِيَ وَأَبْقَى بَعْدَكَ فَزَوِّدْنِي شَيْئًا يَنْفَعُنِي اللَّهُ بِهِ ‏.‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ افْعَلْ كَذَا افْعَلْ كَذَا - أَبُو بَكْرٍ نَسِيَهُ - وَأَمِرَّ الأَذَى عَنِ الطَّرِيقِ ‏"‏ ‏.‏


Abu Barza reported that he said to Allah's Messenger (ﷺ): Allah's Messenger, I do not know whether I would survive after you, so confer upon me something by which Allah should benefit me. Thereupon Allah's Messenger (ﷺ) said: Do this and that and remove the troublesome things from the paths.


পরিচ্ছেদঃ ৩. নবী করিম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কর্তৃক নামায আদায়ের সময় এবং তিনি কিভাবে তা আদায় করতেন?

৩৯৮. হাফস ইবনু উমার .... আবূ বারযা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সূর্য পশ্চিমাকাশে হেলে পড়লে নাবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম যুহয়ের নামায আদায় করতেন এবং শেষপ্রান্তে যাওয়ার পর ফিরে আসা পর্যন্ত সূর্য অবশিষ্ট থাকত। রাবী বলেন, আমি মাগরিবের নামাযের সময়ের কথা ভুলে গিয়েছি এবং নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এশার নামায আদায়ের জন্য রাতের এক-তৃতীয়াশ পর্যন্ত অপেক্ষা করতেন। রাবী অন্য এক বর্ণনায় বলেন, রাতের অর্ধেক সময় পর্যন্ত। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এশার নামায আদায়ের পূর্বে ঘুমালে এবং পরে বাক্যালাপ অপছন্দ করতেন। অতঃপর তিনি ফজরের নামায এমন সময় আদায় করতেন যে, পরিচিত ব্যক্তি পার্শ্বে উপবিষ্ট থাকিলে তাকে চেনা যেত না। তিনি ফজরের নামাযে ৬০ হতে ১০০ আয়াত পর্যন্ত তিলাওয়াত করতেন। (বুখারী, মুসলিম, নাসাঈ, ইবনু মাজাহ, তিরমিযী)।

باب فِي وَقْتِ صَلاَةِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَكَيْفَ كَانَ يُصَلِّيهَا

حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي الْمِنْهَالِ، عَنْ أَبِي بَرْزَةَ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي الظُّهْرَ إِذَا زَالَتِ الشَّمْسُ وَيُصَلِّي الْعَصْرَ وَإِنَّ أَحَدَنَا لَيَذْهَبُ إِلَى أَقْصَى الْمَدِينَةِ وَيَرْجِعُ وَالشَّمْسُ حَيَّةٌ وَنَسِيتُ الْمَغْرِبَ وَكَانَ لاَ يُبَالِي تَأْخِيرَ الْعِشَاءِ إِلَى ثُلُثِ اللَّيْلِ ‏.‏ قَالَ ثُمَّ قَالَ إِلَى شَطْرِ اللَّيْلِ ‏.‏ قَالَ وَكَانَ يَكْرَهُ النَّوْمَ قَبْلَهَا وَالْحَدِيثَ بَعْدَهَا وَكَانَ يُصَلِّي الصُّبْحَ وَمَا يَعْرِفُ أَحَدُنَا جَلِيسَهُ الَّذِي كَانَ يَعْرِفُهُ وَكَانَ يَقْرَأُ فِيهَا مِنَ السِّتِّينَ إِلَى الْمِائَةِ ‏.‏


Abu Barzah reported: The Messenger of Allah (ﷺ) would offer the Zuhr prayer when the sun had passed the meridian; he would offer 'Asr prayer after which one of us would visit the skirts of Medina and return him while the sun was still bright; I forgot what he said about the Maghrib prayer; he did not fear postponing the Isha prayer until a third of night had passed, or he said: until the midnight had passed. He would dislike sleeping before it or talking after it. And he would offer the Fajr prayer when a man could recognize his neighbor whom he recognized well; and he would recite from sixty to a hundred verses during it.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ বারযাহ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২৩১. শরীআতের বিধান অনুসারে বিচারে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরকৃত ব্যক্তির জানাযার নামায পড়া সম্পর্কে।

৩১৭২. আবূ কামিল (রহঃ) .... আবূ বারযা আসলামী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাইয ইবন মালিক (রাঃ)-এর জানাযার নামায পড়েননি। তবে তিনি অন্যদের তার জানাযার নামায পড়তে নিষেধ করেননি।

باب الصَّلاَةِ عَلَى مَنْ قَتَلَتْهُ الْحُدُودُ

حَدَّثَنَا أَبُو كَامِلٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ أَبِي بِشْرٍ، حَدَّثَنِي نَفَرٌ، مِنْ أَهْلِ الْبَصْرَةِ عَنْ أَبِي بَرْزَةَ الأَسْلَمِيِّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَمْ يُصَلِّ عَلَى مَاعِزِ بْنِ مَالِكٍ وَلَمْ يَنْهَ عَنِ الصَّلاَةِ عَلَيْهِ ‏.‏


Narrated AbuBarzah al-Aslami: The Messenger of Allah (ﷺ) did not pray over Ma'iz ibn Malik, and he did not prohibit to pray over him.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ আবূ বারযাহ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২. নবী (ﷺ) এর মর্যাদাহানিকারী ব্যক্তির শাস্তি সম্পর্কে।

৪৩১২. মূসা ইব্‌ন ইসমাঈল (রহঃ) .... আবূ বারযা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একদা আমি আবু বকর (রাঃ) এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। তিনি কোন এক ব্যক্তির প্রতি খুবই রাগান্বিত হলে, আমি তাকে বলিঃ হে আল্লাহ্‌র রাসূলের খলীফা। আপনি আমাকে তার হত্যার অনুমতি দিন। আমার এ কথা শুনে তার ক্রোধ প্রশমিত হয় এবং তিনি উঠে তার গৃহে চলে যান। এরপর তিনি আমাকে ডেকে নিয়ে জিজ্ঞাসা করেনঃ তুমি কি বলেছিলে? তখন আমি বলিঃ আমি আপনার কাছে ঐ ব্যক্তির মস্তক দ্বিখন্ডিত করার অনুমতি চেয়েছিলাম। তিনি বলেনঃ যদি আমি তোমাকে এরূপ অনুমতি দিতাম, তবে কি তুমি তাকে হত্যা করতে? তখন আমি বলিঃ নিশ্চয়ই। তিনি বলেনঃ আল্লাহ্‌র শপথ! মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পর, আর কোন ব্যক্তির জন্য এরূপ করার অধিকার নেই।

باب الْحُكْمِ فِيمَنْ سَبَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم

حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ يُونُسَ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ هِلاَلٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ح وَحَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، وَنُصَيْرُ بْنُ الْفَرَجِ، قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ زُرَيْعٍ، عَنْ يُونُسَ بْنِ عُبَيْدٍ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ هِلاَلٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُطَرِّفٍ، عَنْ أَبِي بَرْزَةَ، قَالَ كُنْتُ عِنْدَ أَبِي بَكْرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَتَغَيَّظَ عَلَى رَجُلٍ فَاشْتَدَّ عَلَيْهِ فَقُلْتُ تَأْذَنُ لِي يَا خَلِيفَةَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَضْرِبُ عُنُقَهُ قَالَ فَأَذْهَبَتْ كَلِمَتِي غَضَبَهُ فَقَامَ فَدَخَلَ فَأَرْسَلَ إِلَىَّ فَقَالَ مَا الَّذِي قُلْتَ آنِفًا قُلْتُ ائْذَنْ لِي أَضْرِبْ عُنُقَهُ ‏.‏ قَالَ أَكُنْتَ فَاعِلاً لَوْ أَمَرْتُكَ قُلْتُ نَعَمْ ‏.‏ قَالَ لاَ وَاللَّهِ مَا كَانَتْ لِبَشَرٍ بَعْدَ مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ هَذَا لَفْظُ يَزِيدَ


AbuBarzah said: I was with AbuBakr. He became angry at a man and uttered hot words. I said: Do you permit me, Caliph of the Messenger of Allah (ﷺ), that I cut off his neck? These words of mine removed his anger; he stood and went in. He then sent for me and said: What did you say just now? I said: (I had said:) Permit me that I cut off his neck. He said: Would you do it if I ordered you? I said: Yes. He said: No, I swear by Allah, this is not allowed for any man after Muhammad (ﷺ). Abu Dawud said: This is Yazid's version.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ বারযাহ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২৭. ঈশার সালাতের পর কথাবার্তা বলা – সম্পর্কে।

৪৭৭৪. মুসাদ্দাদ (রহঃ) .... আবূ বারযা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈশার সালাতের আগে শয়ন করতে এবং এর পরে কথাবার্তা বলতে নিষেধ করেছেন। (যাতে ঈশার সালাত ও ফজরের সালাত কাযা না হয়।)

باب النَّهْىِ عَنِ السَّمَرِ، بَعْدَ الْعِشَاءِ

حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ عَوْفٍ، قَالَ حَدَّثَنِي أَبُو الْمِنْهَالِ، عَنْ أَبِي بَرْزَةَ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَنْهَى عَنِ النَّوْمِ قَبْلَهَا وَالْحَدِيثِ بَعْدَهَا ‏.‏


Abu Barzah said: the Messenger of Allah (ﷺ) forbade sleeping before the night prayer and talking after it.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ বারযাহ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৩১. মজলিসের কাফফারা সম্পর্কে।

৪৭৮৩. মুহাম্মদ ইবন হাতিম (রহঃ) .... আবূ বারযা আসলামী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কোন মজলিস থেকে উঠার ইচ্ছা করতেন, তখন তিনি এ দু'আ পাঠ করতেনঃ সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বি-হামদিকা, আশহাদু আন লা-ইলাহা ইল্লা আনতা আস্তাগফিরুকা ওয়া- আতুবু ইলায়কা।

তখন এক ব্যক্তি বলেঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনি এমন দু'আ পাঠ করলেনঃ যা ইতোপূর্বে আর কখনো পাঠ করেন নি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ এ দু'আ হলো মজলিসের কথাবার্তার ভুল-ত্রুটির জন্য কাফফারা স্বরূপ।

باب فِي كَفَّارَةِ الْمَجْلِسِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ الْجَرْجَرَائِيُّ، وَعُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، - الْمَعْنَى - أَنَّ عَبْدَةَ بْنَ سُلَيْمَانَ، أَخْبَرَهُمْ عَنِ الْحَجَّاجِ بْنِ دِينَارٍ، عَنْ أَبِي هَاشِمٍ، عَنْ أَبِي الْعَالِيَةِ، عَنْ أَبِي بَرْزَةَ الأَسْلَمِيِّ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ بِأَخَرَةٍ إِذَا أَرَادَ أَنْ يَقُومَ مِنَ الْمَجْلِسِ ‏"‏ سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوبُ إِلَيْكَ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ رَجُلٌ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّكَ لَتَقُولُ قَوْلاً مَا كُنْتَ تَقُولُهُ فِيمَا مَضَى ‏.‏ قَالَ ‏"‏ كَفَّارَةٌ لِمَا يَكُونُ فِي الْمَجْلِسِ ‏"‏ ‏.‏


Narrated AbuBarzah al-Aslami: When the Messenger of Allah (ﷺ) intended to get up from the assembly he used to say in the last. Glory be to Thee. O Allah, and I begin with praise of Thee, I testify that there is no god but Thou; I ask Thy pardon, and return to Thee in repentance. The man asked: Messenger of Allah! you utter the words now which you did not do in the past? He replied: (This is an) atonement for what takes place in the assembly.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ আবূ বারযাহ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৩৯. গীবত বা পরনিন্দা সম্পর্কে।

৪৮০২. উছমান ইবন আবূ শায়বা (রহঃ) .... আবূ বারযা আসলামী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ হে জনগণ! তোমরা যারা মুখে মুখে ঈমান এনেছ, কিন্তু অন্তরে এখনও ঈমান প্রবেশ করেনি, তোমরা মুসলমানদের গীবত করো না এবং তাদের ইযযাতও নষ্ট করো না। কেননা, যারা মুসলমানদের ইযযাত নষ্ট করতে চায়, আল্লাহ্‌ তাদের ইযযাত নষ্ট করেন। আর আল্লাহ্‌ যাকে অসম্মানিত করতে চান, তাকে তিনি তার ঘরেই অপদস্থ করেন।

باب فِي الْغِيبَةِ

حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا الأَسْوَدُ بْنُ عَامِرٍ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ عَيَّاشٍ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ جُرَيْجٍ، عَنْ أَبِي بَرْزَةَ الأَسْلَمِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يَا مَعْشَرَ مَنْ آمَنَ بِلِسَانِهِ وَلَمْ يَدْخُلِ الإِيمَانُ قَلْبَهُ لاَ تَغْتَابُوا الْمُسْلِمِينَ وَلاَ تَتَّبِعُوا عَوْرَاتِهِمْ فَإِنَّهُ مَنِ اتَّبَعَ عَوْرَاتِهِمْ يَتَّبِعِ اللَّهُ عَوْرَتَهُ وَمَنْ يَتَّبِعِ اللَّهُ عَوْرَتَهُ يَفْضَحْهُ فِي بَيْتِهِ ‏"‏ ‏.‏


Narrated AbuBarzah al-Aslami: The Prophet (ﷺ) said: O community of people, who believed by their tongue, and belief did not enter their hearts, do not back-bite Muslims, and do not search for their faults, for if anyone searches for their faults, Allah will search for his fault, and if Allah searches for the fault of anyone, He disgraces him in his house.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ আবূ বারযাহ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৪২/ ফজরের নামাযে ষাট থেকে একশত আয়াত পড়া।

৯৫১। মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈল ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ... আবূ বারযা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের সালাতে ষাট থেকে একশত আয়াত পাঠ করতেন।

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ حَدَّثَنَا يَزِيدُ، قَالَ أَنْبَأَنَا سُلَيْمَانُ التَّيْمِيُّ، عَنْ سَيَّارٍ، - يَعْنِي ابْنَ سَلاَمَةَ - عَنْ أَبِي بَرْزَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَقْرَأُ فِي صَلاَةِ الْغَدَاةِ بِالسِّتِّينَ إِلَى الْمِائَةِ ‏.‏


It was narrated from Abu Barzah that: The Messenger of Allah (ﷺ) used to recite between sixty and one hundred verses in Al-Ghadah (Subh) prayer.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ বারযাহ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৬. রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে মন্দ বলার শাস্তি

৪০৭২. আমর ইবন আলী (রহঃ) ... আবু বারযা আসালামী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি আবু বকর সিদ্দীক (রাঃ)-কে মন্দ বললে, আমি বললামঃ আমি কি তাকে হত্যা করবো? তিনি আমাকে ধমক দিয়ে বললেনঃ এই মর্যাদা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ব্যতীত আর কারো নেই।

الْحُكْمُ فِيمَنْ سَبَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ قَالَ حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ مُعَاذٍ قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ تَوْبَةَ الْعَنْبَرِيِّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ قُدَامَةَ بْنِ عَنَزَةَ عَنْ أَبِي بَرْزَةَ الْأَسْلَمِيِّ قَالَ أَغْلَظَ رَجُلٌ لِأَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ فَقُلْتُ أَقْتُلُهُ فَانْتَهَرَنِي وَقَالَ لَيْسَ هَذَا لِأَحَدٍ بَعْدَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ


It was narrated that Abu Barzah Al-Aslami said: "A man spoke harshly to Abu Bakr As-Siddiq, and I said: 'Shall I kill him?' He told me off, and said: 'That is not for anyone after the Messenger of Allah [SAW].'"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ বারযাহ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৭. এই হাদীস সম্পর্কে আ'মাশ থেকে বর্ণনাকারীদের মধ্যে শাব্দিক পার্থক্য

৪০৭৩. মুহাম্মদ ইবন ‘আলা (রহঃ) ... আবু মু'আবিয়া আমাশ থেকে, তিনি আমর ইবন মুররা থেকে, তিনি সালিম ইবন আবুল জা'দ থেকে এবং তিনি আবু বারযা (রাঃ) থেকে। তিনি বলেন, একদা আবু বকর (রাঃ) কারো উপর রাগান্বিত হলে, আমি বললামঃ হে আল্লাহর রাসূলের খলীফা! এ ব্যক্তি কে? তিনি বললেনঃ কেন? আমি বললামঃ আমি তার গর্দান উড়িয়ে দেব, যদি আপনি আমাকে একাজ করার নির্দেশ দেন। তিনি বললেনঃ যদি আমি ইচ্ছা করতাম, তবে তোমাকে আদেশ করতাম। আল্লাহর কসম! আমার কথার ভীষণতায় তার ক্রোধ দমিত হলো; পরে তিনি বললেনঃ মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পর কারো জন্য এই মর্যাদা নেই।

ذِكْرُ الِاخْتِلَافِ عَلَى الْأَعْمَشِ فِي هَذَا الْحَدِيثِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلَاءِ قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ عَنْ أَبِي بَرْزَةَ قَالَ تَغَيَّظَ أَبُو بَكْرٍ عَلَى رَجُلٍ فَقُلْتُ مَنْ هُوَ يَا خَلِيفَةَ رَسُولِ اللَّهِ قَالَ لِمَ قُلْتُ لِأَضْرِبَ عُنْقَهُ إِنْ أَمَرْتَنِي بِذَلِكَ قَالَ أَفَكُنْتَ فَاعِلًا قُلْتُ نَعَمْ قَالَ فَوَاللَّهِ لَأَذْهَبَ عِظَمُ كَلِمَتِيَ الَّتِي قُلْتُ غَضَبَهُ ثُمَّ قَالَ مَا كَانَ لِأَحَدٍ بَعْدَ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ


It was narrated that Abu Barzah said: "Abu Bakr got infuriated with a man, and I said: 'Who is he, O Khalifah of the Messenger of Allah?' He said: 'Why?' I said: 'So that I might strike his neck (killing him) if you tell me to.' He said: 'Would you really do that?' I said: 'Yes. By Allah,' the seriousness of what I said took away his anger. Then he said: 'That is not for anyone after Muhammad [SAW].'


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ বারযাহ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ২০ পর্যন্ত, সর্বমোট ৬৭ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে পাতা নাম্বারঃ 1 2 3 4 পরের পাতা »