মুহাম্মদ ইবন জাহাশ (রাঃ) থেকে বর্ণিত হাদিস পাওয়া গেছে 4 টি

পরিচ্ছেদঃ ৯৮. দেনা সম্পর্কে কঠোর সতর্কবাণী

৪৬৮৪. আলী ইবন হুজর (রহঃ) ... মুহাম্মদ ইবন জাহাশ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট বসছিলাম। এমন সময় তিনি আকাশের দিকে তাঁর মাথা উঠান, তারপর তাঁর হাত ললাটের উপর স্থাপন করে বলেনঃ সুবহানাল্লাহ্! কী কঠোরতা অবতীর্ণ হলো! আমরা ভয়ে নির্বাক হয়ে গেলাম। পরদিন আমি জিজ্ঞাসা করলামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! ঐ কঠোরতা কী ছিল, যা অবতীর্ণ হয়েছে? রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যার নিয়ন্ত্রণে আমার প্রাণ তাঁর কসম! যদি কোন ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় শহীদ হয়, আবার জীবন লাভ করে; আবার শহীদ হয় এবং আবার জীবিত হয়, পরে আবার শহীদ হয়, আর তার উপর কর্জ থাকে, তবে তার পক্ষ হতে সে কর্জ আদায় না হওয়া পর্যন্ত সে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না।

التَّغْلِيظُ فِي الدَّيْنِ

أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ عَنْ إِسْمَعِيلَ قَالَ حَدَّثَنَا الْعَلَاءُ عَنْ أَبِي كَثِيرٍ مَوْلَى مُحَمَّدِ بْنِ جَحْشٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جَحْشٍ قَالَ كُنَّا جُلُوسًا عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَرَفَعَ رَأْسَهُ إِلَى السَّمَاءِ ثُمَّ وَضَعَ رَاحَتَهُ عَلَى جَبْهَتِهِ ثُمَّ قَالَ سُبْحَانَ اللَّهِ مَاذَا نُزِّلَ مِنْ التَّشْدِيدِ فَسَكَتْنَا وَفَزِعْنَا فَلَمَّا كَانَ مِنْ الْغَدِ سَأَلْتُهُ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا هَذَا التَّشْدِيدُ الَّذِي نُزِّلَ فَقَالَ وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَوْ أَنَّ رَجُلًا قُتِلَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ ثُمَّ أُحْيِيَ ثُمَّ قُتِلَ ثُمَّ أُحْيِيَ ثُمَّ قُتِلَ وَعَلَيْهِ دَيْنٌ مَا دَخَلَ الْجَنَّةَ حَتَّى يُقْضَى عَنْهُ دَيْنُهُ


It was narrated that Muhammad bin Jahsh said: "We were sitting with the Messenger of Allah when he raised his head toward the sky, and put his palm on his forehead, then he said: 'Subhan Allah, what a stern warning has been revealed! We fell silent and were scared. The following day I asked him: 'O Messenger of Allah, what is this stern warning that has been revealed? He said: 'By the One in Whose hand is my soul, if a man were to be killed in the cause of Allah then brought back to life, then killed, but he owed a debt, he would not enter paradise until his debt was paid off."


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ মুহাম্মদ ইবন জাহাশ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৯. তৃতীয় অনুচ্ছেদ - দেউলিয়া (দারিদ্র্য) হওয়া এবং ঋণীকে অবকাশ দান

২৯২৯-[৩১] মুহাম্মাদ ইবনু ‘আব্দুল্লাহ ইবনু জাহশ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন আমরা মসজিদের সামনে খোলা জায়গায় বসাছিলাম, যেখানে জানাযা রাখা হতো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের মধ্যে বসে ছিলেন। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আকাশের দিকে চোখ উঠিয়ে তাকালেন, অতঃপর দৃষ্টিকে অবনত করে কপালের উপর হাত রেখে বললেন, সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! কী কঠোরতম (আয়াত) অবতীর্ণ হলো!

বর্ণনাকারী বলেন, আমরা একদিন একরাত নিশ্চুপই রইলাম; এ সময়ের মধ্যে সব ভালোই দেখলাম। মুহাম্মাদ বলেন, পরবর্তী দিন ভোর হলে আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে জিজ্ঞেস করলাম, কি কঠোরতা অবতীর্ণ হয়েছে? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, ঋণের বিষয়ে কঠোরতা অবতীর্ণ হয়েছে। ঐ আল্লাহর কসম, যাঁর হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ! কোনো লোক আল্লাহর পথে শহীদ হয়ে পুনরায় জীবন লাভ করেছে, আবার শহীদ হয়ে পুনরায় জীবন লাভ করেছে, আবার শহীদ হয়ে পুনরুজ্জীবিত হয়েছে এবং তার ওপর ঋণ থাকায় সে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। যতক্ষণ পর্যন্ত না তার ঋণ পরিশোধ করা হয়। (আহমাদ ও শারহুস্ সুন্নাহ্)[1]

وَعَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللّٰهِ بْنِ جَحْشٍ قَالَ : كُنَّا جُلُوسًا بِفِنَاءِ الْمَسْجِدِ حَيْثُ يُوضَعُ الْجَنَائِز وَرَسُوْلُ اللهِ ﷺ جَالِسٌ بَيْنَ ظَهْرَيْنَا فَرَفَعَ رَسُوْلُ اللّٰهِ ﷺ بَصَرَه قِبَلَ السَّمَاءِ فَنَظَرَ ثُمَّ طَأْطَأَ بَصَرَه وَوَضَعَ يَدَه عَلٰى جَبْهَتِه قَالَ : «سُبْحَانَ اللهِ سُبْحَانَ اللهِ مَا نَزَلَ مِنَ التَّشْدِيدِ؟» قَالَ : فَسَكَتْنَا يَوْمَنَا وَلَيْلَتَنَا فَلَمْ نَرَ إِلَّا خَيْرًا حَتّٰى أَصْبَحْنَا قَالَ مُحَمَّدٌ : فَسَأَلْتُ رَسُوْلُ اللّٰهِ ﷺ : مَا التَّشْدِيدُ الَّذِىْ نَزَلَ؟ قَالَ : «فِى الدَّيْنِ وَالَّذِىْ نَفْسُ مُحَمَّدٍ بِيَدِه لَوْ أَنَّ رَجُلًا قُتِلَ فِىْ سَبِيلِ اللّٰهِ ثُمَّ عَاشَ ثُمَّ قُتِلَ فِىْ سَبِيلِ اللّٰهِ ثُمَّ عَاشَ ثُمَّ قُتِلَ فِىْ سَبِيلِ اللّٰهِ ثُمَّ عَاشَ وَعَلَيْهِ دَيْنٌ مَا دَخَلَ الْجَنَّةَ حَتّٰى يُقْضٰى دَيْنُه». رَوَاهُ أَحْمَدُ وَفِىْ شَرْحِ السُّنَّةِ نَحْوَه

ব্যাখ্যা: ‘আল্লামা ত্বীবী (রহঃ) বলেনঃ এখানে উদ্দেশ্য হলো, ঋণগ্রস্ত ব্যক্তিকে কিয়ামতের দিন ঋণ পরিশোধ করতে হবে এবং তিনি বলেন, আমার জীবনে ঋণের ব্যাপারে এত কঠোর কথা আমি কখনো পাইনি। (মিরকাতুল মাফাতীহ)


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ মুহাম্মদ ইবন জাহাশ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১. দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ - (বিবাহের প্রস্থাবিত) পাত্রী দেখা ও সতর (পর্দা) প্রসঙ্গে

৩১১৪-[১৭] মুহাম্মাদ ইবনু জাহশ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মা‘মার নামক এক সাহাবীর পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন ঐ সময়ে তাঁর উরু খোলা ছিল। (এটা দেখে) তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁকে বললেন, হে মা‘মার! তোমার উরুদ্বয় ঢেকে রাখ, কেননা উরুদ্বয় সতরের অন্তর্ভুক্ত। (শারহুস্ সুন্নাহ্)[1]

وَعَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جَحْشٍ قَالَ : مَرَّ رَسُوْلِ اللّٰهِ ﷺ عَلٰى مَعْمَرٍ وَفَخِذَاهُ مَكْشُوْفَتَانِ قَالَ : «يَا مَعْمَرُ! غَطِّ فَخِذَيْكَ فَإِنَّ الْفَخِذَيْنِ عَوْرَةٌ». رَوَاهُ فِىْ شَرْحِ السُّنَّةِ


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ মুহাম্মদ ইবন জাহাশ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ঋণ দেওয়া, পরিশোধ নেওয়া, পাওনাদারের পাওনা আদায়

(২৪৩০) মুহাম্মাদ বিন জাহশ (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সুবহানাল্লাহ! ঋণের ব্যাপারে কী কঠিনতাই না অবতীর্ণ হয়েছে! সেই সত্তার কসম, যাঁর হাতে আমার প্রাণ আছে! যদি কোন ব্যক্তি আল্লাহর পথে জিহাদে মৃত্যুবরণ করে, অতঃপর জীবিত হয়ে পুনরায় জিহাদে মৃত্যুবরণ করে, অতঃপর আবার জীবিত হয়ে আবারও শহীদ হয়, আর সে ঋণগ্রস্ত হয় -তাহলে ঐ ঋণ পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত সে জান্নাতে প্রবেশাধিকার লাভ করতে সক্ষম হবে না।

عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جَحَشٍ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ سُبْحَانَ اللهِ مَاذَا أَنْزَلَ مِنَ التَّشْدِيْدِ فِى الدَّيْنِ، وَالَّذِى نَفْسِى بِيَدِهِ لَوْ أَنَّ رَجُلاً قُتِلَ فِى سَبِيلِ اللهِ ثُمَّ أُحْيِىَ ثُمَّ قُتِلَ مَرَّتَيْنِ وَعَلَيْهِ دَيْنٌ مَا دَخَلَ الْجَنَّةَ حَتّٰـى يُقْضَى عَنْهُ دَيْنُهُ


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ মুহাম্মদ ইবন জাহাশ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ৪ পর্যন্ত, সর্বমোট ৪ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে