আমর ইবন আবাসা (রাঃ) থেকে বর্ণিত হাদিস পাওয়া গেছে 25 টি

পরিচ্ছেদঃ ৩০৪. সূর্য উপরে থাকতেই তা আদায়ের অনুমতি সম্পর্কে।

১২৭৭. আর-রবী ইবন নাফে (রহঃ) .... আমর ইবন আনবাসা আস-সুলামী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! রাতের কোন অংশে আল্লাহ পাক দু’আ অধিক কবুল করেন? তিনি বলেনঃ রাতের শেষাংশে। অতএব তখন তুমি তোমার ইচ্ছামত নামায আদায় করবে। কেননা ঐ সময়ের নামাযে বিশেষ ফেরেশতারা উপস্থিত হয়ে তা তাদের নিকট রক্ষিত আমলনামায় লিপিবদ্ধ করে নেয় এবং তারা ফজরের সূর্য উঠা পর্যন্ত উপস্থিত থাকে। অতঃপর তুমি সূর্য উঠা পর্যন্ত অপেক্ষা করবে এবং এর পরিমাণ হল, এক বা দুই তীরের সমান। কেননা সূর্য শয়তানের দুই শিংয়ের মাঝখান দিয়ে উদিত হয় এবং ঐ সময় কাফিররা শয়তানের পূজা করে। অতঃপর তোমার ইচ্ছানুযায়ী নামায আদায় করবে। কেননা প্রত্যেক নামাযের সময়ই ফেরেশতারা দফতরসহ উপস্থিত হয়ে থাকে এবং ঠিক দ্বিপ্রহরের পূর্ব পর্যন্ত নামায আদায় করা যায়।

অতঃপর সূর্য পশ্চিমাকাশে ঢলে না যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবে। কেননা এই সময় জাহান্নামের আগুন প্রবলভাবে উদ্দীপিত হতে থাকে এবং এর দরজাসমূহ উন্মুক্ত করে দেয়া হয়। অতঃপর সূর্য পশ্চিমাকাশে ঢলে যাওয়ার পর তুমি তোমার খুশীমত আসরের পূর্ব পর্যন্ত নামায আদায় করতে পার। কেননা প্রত্যেক নামাযের সময় ফেরেশাতার হাযির হয়ে থাকে। আসরের ফরয নামায আদায়ের পর হতে সূর্যাস্ত পর্যন্ত কোনরূপ নামায পড়া থেকে বিরত থাকবে। কেননা শয়তানের দুই শিংয়ের মধ্যবর্তী স্থান দিয়ে সূর্য অস্তচলে যায় এবং কাফিররা ঐ সময় শয়তানের পূজা করে থাকে। অতঃপর রাবী দীর্ঘ হাদীছ বর্ণনা করেন।

রাবী আব্বাস ইবন সালিম (রহঃ) বলেন, আবু সালামা (রহঃ) ... আবু উমামা (রাঃ) হতে আমার নিকট ঐরূপ হাদীছ বর্ণনা করেছেন। তবে অনিচ্ছাকৃতভাবে যদি আমার বর্ণনায় কোন ভুলত্রুটি হয়ে থাকে সেজন্য আমি আল্লাহর নিকটে তওবা ও ক্ষমা প্রার্থনা করছি। (তিরমিযী, মুসলিম)

باب مَنْ رَخَّصَ فِيهِمَا إِذَا كَانَتِ الشَّمْسُ مُرْتَفِعَةً

حَدَّثَنَا الرَّبِيعُ بْنُ نَافِعٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُهَاجِرِ، عَنِ الْعَبَّاسِ بْنِ سَالِمٍ، عَنْ أَبِي سَلاَّمٍ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ عَبَسَةَ السُّلَمِيِّ، أَنَّهُ قَالَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَىُّ اللَّيْلِ أَسْمَعُ قَالَ ‏ "‏ جَوْفُ اللَّيْلِ الآخِرُ فَصَلِّ مَا شِئْتَ فَإِنَّ الصَّلاَةَ مَشْهُودَةٌ مَكْتُوبَةٌ حَتَّى تُصَلِّيَ الصُّبْحَ ثُمَّ أَقْصِرْ حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ فَتَرْتَفِعَ قِيْسَ رُمْحٍ أَوْ رُمْحَيْنِ فَإِنَّهَا تَطْلُعُ بَيْنَ قَرْنَىْ شَيْطَانٍ وَتُصَلِّي لَهَا الْكُفَّارُ ثُمَّ صَلِّ مَا شِئْتَ فَإِنَّ الصَّلاَةَ مَشْهُودَةٌ مَكْتُوبَةٌ حَتَّى يَعْدِلَ الرُّمْحُ ظِلَّهُ ثُمَّ أَقْصِرْ فَإِنَّ جَهَنَّمَ تُسْجَرُ وَتُفْتَحُ أَبْوَابُهَا فَإِذَا زَاغَتِ الشَّمْسُ فَصَلِّ مَا شِئْتَ فَإِنَّ الصَّلاَةَ مَشْهُودَةٌ حَتَّى تُصَلِّيَ الْعَصْرَ ثُمَّ أَقْصِرْ حَتَّى تَغْرُبَ الشَّمْسُ فَإِنَّهَا تَغْرُبُ بَيْنَ قَرْنَىْ شَيْطَانٍ وَيُصَلِّي لَهَا الْكُفَّارُ ‏"‏ ‏.‏ وَقَصَّ حَدِيثًا طَوِيلاً قَالَ الْعَبَّاسُ هَكَذَا حَدَّثَنِي أَبُو سَلاَّمٍ عَنْ أَبِي أُمَامَةَ إِلاَّ أَنْ أُخْطِئَ شَيْئًا لاَ أُرِيدُهُ فَأَسْتَغْفِرُ اللَّهَ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ ‏.‏


Narrated Amr ibn Anbasah as-Sulami: I asked: Messenger of Allah, in which part of night the supplication is more likely to be accepted? He replied: In the last part: Pray as much as you like, for the prayer is attended by the angels and it is recorded till you offer the dawn prayer; then stop praying when the sun is rising till it has reached the height of one or two lances, for it rises between the two horns of the Devil, and the infidels offer prayer for it (at that time). Then pray as much as you like, because the prayer is witnessed and recorded till the shadow of a lance be- comes equal to it. Then cease prayer, for at that time the Hell-fire is heated up and doors of Hell are opened. When the sun declines, pray as much as you like, for the prayer is witnessed till you pray the afternoon prayer; then cease prayer till the sun sets, for it sets between the horns of the Devil, and (at that time) the infidels offer prayer for it. He narrated a lengthy tradition. Abbas said: AbuSalam narrated this tradition in a similar manner from AbuUmamah. If I have made a mistake unintentionally, I beg pardon of Allah and repent to Him.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আমর ইবন আবাসা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৫৫. যে সম্পদ কাফিরদের থেকে হস্তগত হয়, তা থেকে নেতার নিজের জন্য কিছু নেওয়া।

২৭৪৬. ওয়ালীদ ইবন ‘উতবায়া (রহঃ) .... আমর ইবন আবাসা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একদা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গণীমতের মাল হিসাবে প্রাপ্ত একটা উটকে (সুতরা হিসাবে) সামনে রেখে আমাদের সঙ্গে সালাত আদায় করলেন। অতঃপর তিনি সালাতের সালাম ফিরাবার পর উটের পার্শ্বদেশের একটি পশম নিয়ে বললেনঃ আমার জন্য তোমাদের গণীমতের মাল হতে খুমুস ব্যতীত এই পশম বরাবরও নেওয়া হালাল নয়। আর এই ‘খুমুস’ও অবশেষে তোমাদের কল্যাণের জন্যই ব্যয় হয়।

باب فِي الإِمَامِ يَسْتَأْثِرُ بِشَىْءٍ مِنَ الْفَىْءِ لِنَفْسِهِ

حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ عُتْبَةَ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْعَلاَءِ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا سَلاَّمٍ الأَسْوَدَ، قَالَ سَمِعْتُ عَمْرَو بْنَ عَبَسَةَ، قَالَ صَلَّى بِنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلَى بَعِيرٍ مِنَ الْمَغْنَمِ فَلَمَّا سَلَّمَ أَخَذَ وَبَرَةً مِنْ جَنْبِ الْبَعِيرِ ثُمَّ قَالَ ‏ "‏ وَلاَ يَحِلُّ لِي مِنْ غَنَائِمِكُمْ مِثْلُ هَذَا إِلاَّ الْخُمُسَ وَالْخُمُسُ مَرْدُودٌ فِيكُمْ ‏"‏ ‏.‏


Narrated Amr ibn Abasah: The Messenger of Allah (ﷺ) led us in prayer facing a camel which had been taken in booty, and when he had given the salutation, he took a hair from the camel's side and said: I have no right as much as this of your booty, but only to the fifth. and the fifth is returned to you.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আমর ইবন আবাসা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৪. কিরুপ গোলাম আযাদ করা উত্তম।

৩৯২৫. আব্দুল ওয়াহাব ইবন নাজদা (রহঃ) .... আমর ইবন আবাসা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এরূপ বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি কোন মু’মিন দাসীকে আযাদ করে দেবে, সে তার জন্য দোযখের আগুন থেকে মুক্তির কারণ হবে।

باب أَىِّ الرِّقَابِ أَفْضَلُ

حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ نَجْدَةَ، حَدَّثَنَا بَقِيَّةُ، حَدَّثَنَا صَفْوَانُ بْنُ عَمْرٍو، حَدَّثَنِي سُلَيْمُ بْنُ عَامِرٍ، عَنْ شُرَحْبِيلَ بْنِ السِّمْطِ، أَنَّهُ قَالَ لِعَمْرِو بْنِ عَبَسَةَ حَدِّثْنَا حَدِيثًا، سَمِعْتَهُ مِنْ، رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ مَنْ أَعْتَقَ رَقَبَةً مُؤْمِنَةً كَانَتْ فِدَاءَهُ مِنَ النَّارِ ‏"‏ ‏.‏


Amr ibn Abasah, said that Marrah ibn Ka'b said: I heard the Messenger of Allah (ﷺ) say: If anyone emancipates a Muslim slave, that will be his ransom from Jahannam.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আমর ইবন আবাসা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৩৫/ আসরের পর নামায আদায় করা নিষিদ্ধ।

৫৭৩। আমর ইবনু মানসুর (রহঃ) ... আমর ইবনু আবাসা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি জিজ্ঞাসা করলাম, ইয়া রাসুলাল্লাহ! এমন কোনো সময় আছে কি, যে সময় অন্য সময়ের তুলনায় আল্লাহ তা’আলার নৈকট্যলাভের বেশি উপযোগী? অথবা এমন কোন মুহূর্ত আছে কি, সেই সময়ের যিকর কাম্য? তিনি বললেন, হ্যাঁ, রাতের শেষার্ধে আল্লাহ তা’আলা বান্দার অতি নিকটবর্তী হন। সক্ষম হলে তুমিও সে মুহুর্তে আল্লাহর জিকিরকারীদের অন্তর্ভুক্ত হবে। কারণ ঐ মুহুর্তের সালাতে ফেরেশতাগণ শামিল থাকেন এবং প্রত্যক্ষ করেন, আর এ অবস্থা সূর্যোদয় পর্যন্ত থাকে।

সুর্য শয়তানের দুই শিঙের মাঝখান দিয়ে উদিত হয়, আর তা কাফিরদের ইবাদতের সময়। কাজেই ঐ সময় সালাত আদায় করা থেকে বিরত থাকবে, যতক্ষণ না এক বল্লম বরাবর সুর্য উপরে ওঠে এবং তার উদয়কালীন আলোকরশ্মি দূরীভূত হয়। আবার যোহরের সালাতে ফেরেশতাগণ শামিল হন এবং প্রত্যক্ষ করেন। দ্বিপ্রহরের সুর্য বর্শার মত সোজা না হওয়া পর্যন্ত।

কেননা তা এমন একটি সময় যে সময়ে জাহান্নামের দরজা খুলে দেওয়া হয় এবং আরো প্রজ্জ্বলিত করা হয়। তখন ছায়া ঝুঁকে না পড়া পর্যন্ত সালাত আদায় করবে না। আবার আসরের সালাতে ফেরেশতাগণ শামিল হন এবং প্রত্যক্ষ করেন যাবৎ না সুর্য অস্ত যায়। কেননা সুর্য শয়তানের দুই শিংয়ের মাঝখানে অস্ত যায় আর তা কাফিরদের ইবাদতের সময়।

أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ مَنْصُورٍ، قَالَ أَنْبَأَنَا آدَمُ بْنُ أَبِي إِيَاسٍ، قَالَ حَدَّثَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، قَالَ حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ صَالِحٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي أَبُو يَحْيَى، سُلَيْمُ بْنُ عَامِرٍ وَضَمْرَةُ بْنُ حَبِيبٍ وَأَبُو طَلْحَةَ نُعَيْمُ بْنُ زِيَادٍ قَالُوا سَمِعْنَا أَبَا أُمَامَةَ الْبَاهِلِيَّ، يَقُولُ سَمِعْتُ عَمْرَو بْنَ عَبَسَةَ، يَقُولُ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ هَلْ مِنْ سَاعَةٍ أَقْرَبُ مِنَ الأُخْرَى أَوْ هَلْ مِنْ سَاعَةٍ يُبْتَغَى ذِكْرُهَا قَالَ ‏ "‏ نَعَمْ إِنَّ أَقْرَبَ مَا يَكُونُ الرَّبُّ عَزَّ وَجَلَّ مِنَ الْعَبْدِ جَوْفُ اللَّيْلِ الآخِرِ فَإِنِ اسْتَطَعْتَ أَنْ تَكُونَ مِمَّنْ يَذْكُرُ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ فِي تِلْكَ السَّاعَةِ فَكُنْ فَإِنَّ الصَّلاَةَ مَحْضُورَةٌ مَشْهُودَةٌ إِلَى طُلُوعِ الشَّمْسِ فَإِنَّهَا تَطْلُعُ بَيْنَ قَرْنَىِ الشَّيْطَانِ وَهِيَ سَاعَةُ صَلاَةِ الْكُفَّارِ فَدَعِ الصَّلاَةَ حَتَّى تَرْتَفِعَ قِيدَ رُمْحٍ وَيَذْهَبَ شُعَاعُهَا ثُمَّ الصَّلاَةُ مَحْضُورَةٌ مَشْهُودَةٌ حَتَّى تَعْتَدِلَ الشَّمْسُ اعْتِدَالَ الرُّمْحِ بِنِصْفِ النَّهَارِ فَإِنَّهَا سَاعَةٌ تُفْتَحُ فِيهَا أَبْوَابُ جَهَنَّمَ وَتُسْجَرُ فَدَعِ الصَّلاَةَ حَتَّى يَفِيءَ الْفَىْءُ ثُمَّ الصَّلاَةُ مَحْضُورَةٌ مَشْهُودَةٌ حَتَّى تَغِيبَ الشَّمْسُ فَإِنَّهَا تَغِيبُ بَيْنَ قَرْنَىْ شَيْطَانٍ وَهِيَ صَلاَةُ الْكُفَّارِ ‏"‏ ‏


Abu Yahya Sulaim bin 'Amir, Damrah bin Habib and Abu Talhah Nu'aim bin Ziyad said: "We heard Abu Umamah Al-Bahili say: 'I heard 'Amrah bin 'Abasah say: I said: 'O Messenger of Allah, is there any moment which brings one close to Allah than another, or any moment that should be sought out for remembering Allah? He said: 'Yes, the closest that the Lord is to His slave is in the last part of the night, so if you can be among those who remember Allah at that time, then do so. For prayer is attended and witnessed (by the angels) until the sun rises, then it rises between the two horns of the Shaitan, that is the time when the disbelievers pray, so do not pray until the sun had risen to the height of a spear and its rays have disappeared. Then prayer is attended and witness (by the angels) until the sun is directly overhead at midday, and that is the time when the gates of Hell are opened and it is stoked up. So do not pray until the shadows appear. Then prayer is attended and witnessed (by angels) until the sun sets, and it sets between the horns of a Shaitan, and that is the time when the disbelievers pray.'"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আমর ইবন আবাসা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৪০। ফজরের পূর্ব পর্যন্ত নফল নামাযের অনুমতি প্রদান।

৫৮৫। হাসান ইবনু ইসমাঈল ইবনু সুলায়মান আইয়্যুব ইবনু মুহাম্মদ (রহঃ) ... আমর ইবনু আবাসা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বললাম, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আপনার উপর কে ঈমান এনেছিলেন? উত্তরে বললেন, একজন আযাদ পুরুষ আর একজন কৃতদাস [আবূ বকর ও বিলাল (রাঃ)]। জিজ্ঞাসা করলাম, এমন কোন সময় আছে কি যাতে অন্য সময়ের তুলনায় আল্লাহ পাকের অধিক নৈকট্য লাভ করা যায়? উত্তরে বললেনঃ হ্যাঁ। রাত্রের শেষার্ধে, ফজর পড়ার পূর্ব পর্যন্ত যা মনে চায়, পড়। তারপর সূর্যোদয় হওয়া এবং লালিমা কেটে রৌদ্র প্রখর না হওয়া পর্যন্ত বিরত থাকবে।

(রাবী) আইয়্যুব বলেন, যতক্ষণ সুর্যকে ঢালের মত মনে হয় এবং সূর্যের কিরণ ছড়িয়ে না পড়ে, ততক্ষণ পর্যন্ত বিরত থাকবে। তারপর খুঁটি তার মূল ছায়ার উপর অবস্থান না করা পর্যন্ত (দ্বি-প্রহরের পূর্ব পর্যন্ত) যা মনে চায়, আদায় কর। তারপর সুর্য না হেলা পড়ন্ত বিরত থাক। কেননা দ্বি-প্রহরে জাহান্নামের অগ্নি অধিক প্রজ্জ্বলিত করা হয়। তারপর আসরের পূর্ব পর্যন্ত যা মনে চায়, আদায় কর। আবার সূর্যাস্ত পর্যন্ত বিরত থাক। কেননা সূর্যের অস্ত এবং উদয় উভয়ই শয়তানের দুই শিংয়ের মাঝখান দিয়ে হয়।

أَخْبَرَنِي الْحَسَنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ سُلَيْمَانَ، وَأَيُّوبُ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ أَيُّوبُ حَدَّثَنَا وَقَالَ، حَسَنٌ أَخْبَرَنِي شُعْبَةُ، عَنْ يَعْلَى بْنِ عَطَاءٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ طَلْقٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْبَيْلَمَانِيِّ، عَنْ عَمْرِو بْنِ عَبَسَةَ، قَالَ أَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَنْ أَسْلَمَ مَعَكَ قَالَ ‏"‏ حُرٌّ وَعَبْدٌ ‏"‏ ‏.‏ قُلْتُ هَلْ مِنْ سَاعَةٍ أَقْرَبُ إِلَى اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ مِنْ أُخْرَى قَالَ ‏"‏ نَعَمْ جَوْفُ اللَّيْلِ الآخِرُ فَصَلِّ مَا بَدَا لَكَ حَتَّى تُصَلِّيَ الصُّبْحَ ثُمَّ انْتَهِ حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ وَمَا دَامَتْ ‏"‏ ‏.‏ وَقَالَ أَيُّوبُ فَمَا دَامَتْ ‏"‏ كَأَنَّهَا حَجَفَةٌ حَتَّى تَنْتَشِرَ ثُمَّ صَلِّ مَا بَدَا لَكَ حَتَّى يَقُومَ الْعَمُودُ عَلَى ظِلِّهِ ثُمَّ انْتَهِ حَتَّى تَزُولَ الشَّمْسُ فَإِنَّ جَهَنَّمَ تُسْجَرُ نِصْفَ النَّهَارِ ثُمَّ صَلِّ مَا بَدَا لَكَ حَتَّى تُصَلِّيَ الْعَصْرَ ثُمَّ انْتَهِ حَتَّى تَغْرُبَ الشَّمْسُ فَإِنَّهَا تَغْرُبُ بَيْنَ قَرْنَىْ شَيْطَانٍ وَتَطْلُعُ بَيْنَ قَرْنَىْ شَيْطَانٍ ‏"‏ ‏.‏


It was narrated that 'Amr bin 'Abasah said: "I came to the Messenger of Allah, who became Muslim with you?' He said: 'Free men and slaves.' I said: 'Is there any moment which brings one closer to Allah than another?' He said: 'Yes, the last part of the night, so pray as much as you want until you pray Subh, then stop until the sun has risen until and it looks like a shield and (its shinning)spreads. Then pray as much as you want until an object's shadow is at its shortest, then stop until the sun passes its zenith, for Hell is stoked at midday. Then pray 'Asr, then stop until you pray 'Asr, then stop until the sun has set, for it sets between the horns of a Shaitan and rises between the horns of a Shaitan.'" [1] [1] Similar has been recorded by Muslim.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আমর ইবন আবাসা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১/ মসজিদ নির্মাণ করার ফযিলত প্রসঙ্গে।

৬৮৯। আমর ইবনু উসমান (রহঃ) ... আমর ইবনু আবাসা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি একটি মসজিদ নির্মান করবে, যাতে আল্লাহকে স্মরণ করা হবে, আল্লাহ তা’আলা জান্নাতে তার জন্য একখানা ঘর নির্মাণ করবেন।

أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عُثْمَانَ، قَالَ حَدَّثَنَا بَقِيَّةُ، عَنْ بَحِيرٍ، عَنْ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ، عَنْ كَثِيرِ بْنِ مُرَّةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ عَبَسَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ مَنْ بَنَى مَسْجِدًا يُذْكَرُ اللَّهُ فِيهِ بَنَى اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ لَهُ بَيْتًا فِي الْجَنَّةِ ‏"‏ ‏.‏


It was narrated from 'Amr bin 'Abasah that the Messenger of Allah (ﷺ) said: "Whoever builds a Masjid in which Allah is remembered, Allah, (the Mighty and Sublime) will build for him a house in Paradise."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আমর ইবন আবাসা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২৬. যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় তীর নিক্ষেপ করে- তার সওয়াব

৩১৪৭. মুহাম্মাদ ইবন আবদুল আ'লা (রহঃ) ... আবু নুজাইহ সালামী (আমর ইবন আবাসা) (রাঃ) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় কাফিরদের দিকে একটি তীর নিক্ষেপ করলো, এটি তার জন্য জান্নাতে একটি স্তর লাভের কারণ হবে। অতএব আমি সেদিন ষোলটি তীর নিক্ষেপ করি। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে আরও বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় একটি তীর ছুঁড়বে, তা হবে গোলাম আযাদ করার সমতুল্য।

ثَوَابُ مَنْ رَمَى بِسَهْمٍ فِي سَبِيلِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْأَعْلَى قَالَ حَدَّثَنَا خَالِدٌ قَالَ حَدَّثَنَا هِشَامٌ قَالَ حَدَّثَنَا قَتَادَةُ عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ عَنْ مَعْدَانَ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ عَنْ أَبِي نَجِيحٍ السَّلَمِيِّ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ مَنْ بَلَغَ بِسَهْمٍ فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَهُوَ لَهُ دَرَجَةٌ فِي الْجَنَّةِ فَبَلَّغْتُ يَوْمَئِذٍ سِتَّةَ عَشَرَ سَهْمًا قَالَ وَسَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ مَنْ رَمَى بِسَهْمٍ فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَهُوَ عِدْلُ مُحَرَّرٍ


It was narrated that Abu Najih As-Sulami said: "I heard the Messenger of Allah (ﷺ) say: 'Whoever shoots an arrow in the cause of Allah and it hits the target, it will raise him one level in Paradise.' That day I shot sixteen arrows that hit their targets." He said: "And I heard the Messenger of Allah (ﷺ) say: 'Whoever shoots an arrow in the cause of Allah, it is equal to the reward of freeing a slave.'"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আমর ইবন আবাসা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১/৬. পবিত্রতা অর্জনের প্রতিফল

৩/২৮৩। আমর ইবনু আবাসাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ বান্দা যখন উযূ (ওজু/অজু/অযু) করে এবং তার উভয় হাত ধৌত করে, তখন তার দু হাত থেকে তার গুনাহসমূহ নির্গত হয়ে যায়। যখন সে তার মুখমন্ডল ধৌত করে তখন তার মুখমন্ডল থেকে তার গুনাহসমূহ নির্গত হয়ে যায়। যখন সে তার উভয় হাত ধৌত করে এবং তার মাথা মাসহ করে, তখন তার দু হাত ও মাথা থেকে তার গুনাহসমূহ নির্গত হয়ে যায়। এরপর যখন সে তার পদদ্বয় ধৌত করে তখন তার পদদ্বয় থেকে তার গুনাহসমূহ নির্গত হয়ে যায়।

بَاب ثَوَابِ الطُّهُورِ

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَمُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ، مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ يَعْلَى بْنِ عَطَاءٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ طَلْقٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْبَيْلَمَانِيِّ، عَنْ عَمْرِو بْنِ عَبَسَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ إِنَّ الْعَبْدَ إِذَا تَوَضَّأَ فَغَسَلَ يَدَيْهِ خَرَّتْ خَطَايَاهُ مِنْ يَدَيْهِ فَإِذَا غَسَلَ وَجْهَهُ خَرَّتْ خَطَايَاهُ مِنْ وَجْهِهِ فَإِذَا غَسَلَ ذِرَاعَيْهِ وَمَسَحَ بِرَأْسِهِ خَرَّتْ خَطَايَاهُ مِنْ ذِرَاعَيْهِ وَرَأْسِهِ فَإِذَا غَسَلَ رِجْلَيْهِ خَرَّتْ خَطَايَاهُ مِنْ رِجْلَيْهِ ‏"‏ ‏.‏


It was narrated that 'Amr bin 'Abasah said: "The Messenger of Allah said: 'When a person performs ablution and washes his hands, his sins exit through his hands. When he washes his face, his sins exit through his face. When he washes his forearms and wipes his head, his sins exit though his forearms and head. When he washes his feet, his sins exit through his feet.'"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আমর ইবন আবাসা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৫/১৪৮. যে সকল সময়ে সলাত পড়া মাকরূহ।

১/১২৫১। আমর ইবনু আবাসা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে জিজ্ঞেস করলাম, এমন কোন সময় আছে কি, যা আল্লাহ্‌র নিকট অন্য সময়ের তুলনায় অধিক প্রিয়? তিনি বলেনঃ হ্যাঁ, মধ্য রাত। অতএব তুমি পারলে তখন থেকে ভোর হওয়ার পুর্ব পর্যন্ত সময়ের মধ্যে সালাত (নামায/নামাজ) পড়ো; অতঃপর (ফজরের সালাত পড়ে) সূর্য উদিত হয়ে তা কিছুটা উপরে না উঠা পর্যন্ত বিরত থাক।

অতঃপর তুমি পারলে খুঁটি তার ছায়ার উপর স্থির হওয়ার পূর্ব (দ্বিপ্রহর) পর্যন্ত সালাত আদায় করতে পারো। অতঃপর সূর্য ঢলে না পড়া পর্যন্ত (সালাত পড়া থেকে) বিরত থাকো। কেননা ঠিক দুপুরে জাহান্নামকে উত্তপ্ত করা হয়। অতঃপর তুমি পারলে তোমার আসরের সালাত পড়ার পূর্ব পর্যন্ত সালাত আদায় করতে পারো। অতঃপর সূর্যাস্তের পূর্ব পর্যন্ত বিরত থাকো। কেননা তা শয়তানের দু শিং-এর মধ্যখান দিয়ে অস্ত যায় ও উদিত হয়।

بَاب مَا جَاءَ فِي السَّاعَاتِ الَّتِي تُكْرَهُ فِيهَا الصَّلَاةُ

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ يَعْلَى بْنِ عَطَاءٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ طَلْقٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْبَيْلَمَانِيِّ، عَنْ عَمْرِو بْنِ عَبَسَةَ، قَالَ أَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ فَقُلْتُ هَلْ مِنْ سَاعَةٍ أَحَبُّ إِلَى اللَّهِ مِنْ أُخْرَى قَالَ ‏ "‏ نَعَمْ جَوْفُ اللَّيْلِ الأَوْسَطُ فَصَلِّ مَا بَدَا لَكَ حَتَّى يَطْلُعَ الصُّبْحُ ثُمَّ انْتَهِ حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ وَمَا دَامَتْ كَأَنَّهَا حَجَفَةٌ حَتَّى تَنْتَشِرَ ثُمَّ صَلِّ مَا بَدَا لَكَ حَتَّى يَقُومَ الْعَمُودُ عَلَى ظِلِّهِ ثُمَّ انْتَهِ حَتَّى تَزُولَ الشَّمْسُ فَإِنَّ جَهَنَّمَ تُسْجَرُ نِصْفَ النَّهَارِ ثُمَّ صَلِّ مَا بَدَا لَكَ حَتَّى تُصَلِّيَ الْعَصْرَ ثُمَّ انْتَهِ حَتَّى تَغْرُبَ الشَّمْسُ فَإِنَّهَا تَغْرُبُ بَيْنَ قَرْنَىِ الشَّيْطَانِ وَتَطْلُعُ بَيْنَ قَرْنَىِ الشَّيْطَانِ ‏"‏ ‏.‏


It was narrated that ‘Amr bin ‘Abasah said: “I came to the Messenger of Allah (ﷺ) and said: ‘Is there any time that is more beloved to Allah than another?’ He said: ‘Yes, the middle of the night, so pray as much as you want until dawn comes. Then refrain from praying until the sun has risen, and as long as it looks like a shield until it becomes apparent. Then pray as much as you want until a pole stands on its shadow (i.e., noon), then refrain from praying until it has crossed the zenith, for Hell is heated up at midday. Then pray as much as you want until you pray ‘Asr, then refrain from praying until the sun has set, for it sets between the two horns of Satan and it rises between the two horns of Satan.’”


হাদিসের মানঃ সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]
বর্ণনাকারীঃ আমর ইবন আবাসা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৫/১৮২. রাতের কোন্ সময় অধিক উত্তম?

১/১৩৬৪। আমর ইবনু আবাসা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বললাম, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আপনার সাথে কে কে ইসলাম গ্রহণ করেছেন? তিনি বলেনঃ স্বাধীন ও ক্রীতদাস। আমি বললাম, এমন কোন সময় আছে কি যা অপর সময়ের তুলনায় আল্লাহ্‌র নিকটতর (নৈকট্য লাভের উত্তম সময়)? তিনি বলেনঃ হ্যাঁ। রাতের মধ্যভাগ।

بَاب مَا جَاءَ فِي أَيِّ سَاعَاتِ اللَّيْلِ أَفْضَلُ

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَمُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ الْوَلِيدِ، قَالُوا حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ يَعْلَى بْنِ عَطَاءٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ طَلْقٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْبَيْلَمَانِيِّ، عَنْ عَمْرِو بْنِ عَبَسَةَ، قَالَ أَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏.‏ فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَنْ أَسْلَمَ مَعَكَ قَالَ ‏"‏ حُرٌّ وَعَبْدٌ ‏"‏ ‏.‏ قُلْتُ هَلْ مِنْ سَاعَةٍ أَقْرَبُ إِلَى اللَّهِ مِنْ أُخْرَى قَالَ ‏"‏ نَعَمْ جَوْفُ اللَّيْلِ الأَوْسَطُ ‏"‏ ‏.‏


It was narrated that ‘Amr bin ‘Abasah said: “I came to the Messenger of Allah (ﷺ) and said: ‘O Messenger of Allah, who became a Muslim with you?’ He said: ‘A free man and a slave.’ I said: ‘Is there any hour of the night that is closer to Allah than another?’ He said: ‘Yes, the last half of the night.’”


হাদিসের মানঃ শা'জ
বর্ণনাকারীঃ আমর ইবন আবাসা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৮/১৫. মহান আল্লাহর পথে জিহাদ করা

৩/২৭৯৪। আমর ইবনে আবাসা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! কোন্ জিহাদ উত্তম? তিনি বলেনঃ যে যুদ্ধে মুজাহিদের রক্ত প্রবাহিত হয় এবং তার ঘোড়াও আহত হয়।

بَاب الْقِتَالِ فِي سَبِيلِ اللهِ سُبْحَانَهُ وَتَعَالَى

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا يَعْلَى بْنُ عُبَيْدٍ، حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ دِينَارٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ ذَكْوَانَ، عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ عَبَسَةَ، قَالَ أَتَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَىُّ الْجِهَادِ أَفْضَلُ قَالَ ‏ "‏ مَنْ أُهْرِيقَ دَمُهُ وَعُقِرَ جَوَادُهُ ‏"‏ ‏.‏


It was narrated that ‘Amr bin ‘Abasah said: “I came to the Prophet (ﷺ) and said: ‘O Messenger of Allah, which Jihad is best?’ He said: ‘(That of a man) whose blood is shed and his horse is wounded.’”


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আমর ইবন আবাসা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৮/১৯. আল্লাহর রাস্তায় তীরন্দাজী

২/২৮১২। ‘আমর ইবনে ‘আবাসা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি শত্রুবাহিনীর প্রতি একটি তীর নিক্ষেপ করলো, অতঃপর তা শত্রুবাহিনী পর্যন্ত গিয়ে পৌছে লক্ষ্যে আঘাত হানুক বা লক্ষ্যভ্রষ্ট হোক, তা একটি গোলাম আযাদ করার সমান।

بَاب الرَّمْيِ فِي سَبِيلِ اللهِ

حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ عَبَسَةَ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ مَنْ رَمَى الْعَدُوَّ بِسَهْمٍ فَبَلَغَ سَهْمُهُ الْعَدُوَّ أَصَابَ أَوْ أَخْطَأَ فَيَعْدِلُ رَقَبَةً ‏"‏ ‏.‏


It was narrated that ‘Amr bin ‘Abasah said: “I heard the Messenger of Allah (ﷺ) say: ‘Whoever shoots an arrow at the enemy and his arrow reaches the enemy, whether it hits him or not, that is equivalent to him freeing a slave.’”


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আমর ইবন আবাসা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ আল্লাহ্‌র পথে থেকে যার কিছু পরিমাণ চুলও সাদা হয়।

১৬৪১। ইসহাক ইবনু মানসুর (রহঃ) ... আমর ইবনু আবাসা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহর পথে যে ব্যক্তির সামান্য চুলও সাদা হবে তার জন্য কিয়ামতের দিন বিশেষ প্রকারের নূর হবে। সহীহ, তা'লীকুর রাগীব ২/১৭১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৬৩৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এ হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব। হায়ওয়া ইবনু শুরায়হ (রহঃ) হলেন, ইবনু ইয়াযীদ হিমসী।

باب مَا جَاءَ فِي فَضْلِ مَنْ شَابَ شَيْبَةً فِي سَبِيلِ اللَّهِ ‏‏

حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ الْمَرْوَزِيُّ، أَخْبَرَنَا حَيْوَةُ بْنُ شُرَيْحٍ الْحِمْصِيُّ، عَنْ بَقِيَّةَ، عَنْ بَحِيرِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ، عَنْ كَثِيرِ بْنِ مُرَّةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ عَبَسَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ مَنْ شَابَ شَيْبَةً فِي سَبِيلِ اللَّهِ كَانَتْ لَهُ نُورًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ ‏.‏ وَحَيْوَةُ بْنُ شُرَيْحِ ابْنُ يَزِيدَ الْحِمْصِيُّ ‏.‏


Narrated Amr bin 'Abasah: That the Messenger of Allah (ﷺ) said: "Whoever develops some gray hair in the cause of Allah, it shall be a light for him in the Day of Judgement. [Abu 'Eisa said:] This Hadith is Hasan Sahih Gharib. As for Haiwah bin Shuraih, (the remainder of his name is) Ibn Yazid Al-Himsi.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আমর ইবন আবাসা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৩৫৭৯. আবদুল্লাহ ইবন আবদুর রহমান (রহঃ) ...... আমর ইবন আবাসা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছেন যে, রাতের শেষভাগেই বান্দা তার রব্বের সর্বাধিক নৈকট্যলাভ করে। সেইক্ষণে যদি তুমি আল্লাহর যিকরকারীদের একজন হতে সক্ষম হও, তবে তা হবে।

সহীহ, তা'লীকুর রাগীব ২/২৭৬, মিশকাত ১২২৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫৭৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]

হাদীসটি এই সূত্রে হাসান-সাহীহ-গারীব।

باب

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ عِيسَى، حَدَّثَنِي مَعْنٌ، حَدَّثَنِي مُعَاوِيَةُ بْنُ صَالِحٍ، عَنْ ضَمْرَةَ بْنِ حَبِيبٍ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا أُمَامَةَ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ يَقُولُ حَدَّثَنِي عَمْرُو بْنُ عَبَسَةَ، أَنَّهُ سَمِعَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ أَقْرَبُ مَا يَكُونُ الرَّبُّ مِنَ الْعَبْدِ فِي جَوْفِ اللَّيْلِ الآخِرِ فَإِنِ اسْتَطَعْتَ أَنْ تَكُونَ مِمَّنْ يَذْكُرُ اللَّهَ فِي تِلْكَ السَّاعَةِ فَكُنْ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ ‏.‏


Abu Umamah [may Allah be pleased with him] said: `Amr bin `Abasah reported to me that he heard the Prophet (ﷺ) say: “The closest that the Lord is to a worshipper is during the last part of the night, so if you are able to be of those who remember Allah in that hour, then do so.”


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আমর ইবন আবাসা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৯. আল্লাহ্‌ তায়ালার রাস্তায় যে লোক বুড়ো হয়েছে তার সাওয়াব

১৬৩৫। আমর ইবনু আবাসা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ্ তা'আলার পথে যে লোক বুড়ো হয়েছে, তার জন্য কিয়ামাতের দিন একটি আলোকবর্তিকা থাকবে।

সহীহ, তা’লীকুর রাগীব (২/১৭১)

এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ গারীব বলেছেন। হাইওয়া ইবনু শুরাইহু হচ্ছেন ইয়ামীদ আল-হিমসী-এর ছেলে।

باب مَا جَاءَ فِي فَضْلِ مَنْ شَابَ شَيْبَةً فِي سَبِيلِ اللَّهِ ‏‏

حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ الْمَرْوَزِيُّ، أَخْبَرَنَا حَيْوَةُ بْنُ شُرَيْحٍ الْحِمْصِيُّ، عَنْ بَقِيَّةَ، عَنْ بَحِيرِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ، عَنْ كَثِيرِ بْنِ مُرَّةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ عَبَسَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ مَنْ شَابَ شَيْبَةً فِي سَبِيلِ اللَّهِ كَانَتْ لَهُ نُورًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ ‏.‏ وَحَيْوَةُ بْنُ شُرَيْحِ ابْنُ يَزِيدَ الْحِمْصِيُّ ‏.‏


Narrated Amr bin 'Abasah: That the Messenger of Allah (ﷺ) said: "Whoever develops some gray hair in the cause of Allah, it shall be a light for him in the Day of Judgement. [Abu 'Eisa said:] This Hadith is Hasan Sahih Gharib. As for Haiwah bin Shuraih, (the remainder of his name is) Ibn Yazid Al-Himsi.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আমর ইবন আবাসা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ

৩৩৮৫-[৪] ‘আমর ইবনু ‘আবাসাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ তা‘আলার জিকির-আয্কারের (তথা সলাত, কুরআন তিলাওয়াত, খুৎবা ইত্যাদি) উদ্দেশে মসজিদ নির্মাণ করল। তার জন্য জান্নাতে একটি (বৃহদাকার) গৃহ নির্মিত হবে। আর যে ব্যক্তি কোনো মুসলিম গোলাম মুক্ত করবে, তার বিনিময় তার জন্য জাহান্নাম হতে মুক্তিপণ হিসেবে পরিগণিত হবে। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে (জিহাদ, ‘ইলম অর্জন, দা‘ওয়াত-তাবলীগে ব্যস্ততায়) বয়োপ্রাপ্ত হয়েছে, তার বিনিময় তার জন্য কিয়ামত দিবসে জ্যোতি হবে। (শারহুস্ সুন্নাহ্)[1]

وَعَنْ عَمْرِو بْنِ عَبَسَةَ أَنَّ النَّبِىَّ ﷺ قَالَ : «مَنْ بَنٰى مَسْجِدًا لِيُذْكَرَ اللّٰهُ فِيهِ بُنِىَ لَه بَيْتٌ فِى الْجَنَّةِ وَمَنْ أَعْتَقَ نَفْسًا مُسْلِمَةً كَانَتْ فِدْيَتَه مِنْ جَهَنَّمَ. وَمَنْ شَابَ شَيْبَةً فِىْ سَبِيلِ اللّٰهِ كَانَتْ لَه نُوْرًا يَوْم الْقِيَامَةِ». رَوَاهُ فِىْ شَرْحِ السُّنَّةِ

ব্যাখ্যা: মিরকাতুল মাফাতীহে আছে, (بُنِىَ لَه بَيْتٌ فِى الْجَنَّةِ) জান্নাতের মধ্যে একখানা ঘর তৈরি করা হবে তথা জান্নাতে মসজিদের স্থানের পরিমাপের চেয়ে অনেক বড় ঘর বানানো হবে।

(وَمَنْ شَابَ شَيْبَةً فِىْ سَبِيلِ اللّٰهِ) ‘‘যে বার্ধক্য হবে আল্লাহর পথে’’ যুদ্ধের ময়দানে অথবা হজে/হজ্জে অথবা ‘ইলম অর্জনের অথবা ইসলামে বা অন্য বর্ণনা দ্বারা প্রমাণিত।

আর অন্য বর্ণনায়, ‘আলী হতে আহমাদ, বুখারী, মুসলিম ও তিরমিযী হতে এ শব্দে «مَنْ بَنٰى مَسْجِدًا يَبْتَغِي بِه وَجْهَ اللّٰهِ بَنَى اللّٰهُ لَه مِثْلَه فِي الْجَنَّةِ» যে ব্যক্তি মসজিদে বানালো শুধু যা দ্বারা আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনা করে আল্লাহ অনুরূপ জাহান্নামে তার জন্য ঘর বানাবেন।

আর ‘আব্বাস (রাঃ)-এর বর্ণনায় এসেছে, مَنْ بَنٰى لِلّٰهِ مَسْجِدًا وَلَوْ كَمِفْحَصِ قَطَاةٍ لِبَيْضِهَا بَنَى اللّٰهُ لَه بَيْتًا فِي الْجَنَّةِ যে ব্যক্তি আল্লাহর জন্য মসজিদ বানায় যদি তা ডিম পড়ার মতো স্থান হয় আল্লাহ তা‘আলা তার জন্য জান্নাতে ঘর বানাবেন। (মিরকাতুল মাফাতীহ)


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আমর ইবন আবাসা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৭. দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ - গনীমাতের সম্পদ বণ্টন এবং তা আত্মসাৎ করা

৪০২৬-[৪২] ‘আমর ইবনু ‘আবাসাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গনীমাতের একটি উটকে (সুতরাহ্ হিসেবে) সামনে রেখে আমাদেরকে নিয়ে সলাত আদায় করলেন। সালাম ফিরিয়ে উটটির পাঁজরের চুলগুচ্ছ ধরে বললেনঃ গনীমাতের এ সম্পদ হতে এক-পঞ্চমাংশ ব্যতীত এ চুলগুচ্ছ পরিমাণও রাখার অধিকার তোমাদের কারো নেই। আর সে এক-পঞ্চমাংশও তোমাদের মধ্যে বিতরণ করা হবে। (আবূ দাঊদ)[1]

وَعَنْ عَمْرِو بْنِ عَبَسَةَ قَالَ : صَلّٰى بِنَا رَسُوْلُ اللّٰهِ ﷺ إِلٰى بَعِيرٍ مِنَ الْمَغْنَمِ فَلَمَّا سَلَّمَ أَخَذَ وَبَرَةً مِنْ جَنْبِ الْبَعِيرِ ثُمَّ قَالَ : «وَلَا يَحِلُّ لِىْ مِنْ غَنَائِمِكُمْ مِثْلُ هٰذَا إِلَّا الْخُمُسُ وَالْخُمُسُ مَرْدُوْدٌ فِيكُمْ». رَوَاهُ أَبُوْ دَاودَ

ব্যাখ্যা: উটকে সামনে রেখে সলাত আদায়ের কারণ হলো উটকে সুতরাহ্ বানানো। পশম ধরে দেখানোর উদ্দেশ্য হলো পশমের মতো সামান্য বস্তুও বণ্টনবিহীন আমার জন্য হালাল নয়। গনীমাতের চার অংশ তোমাদেরই মাত্র এক অংশ আমি পাবো, তাও আমি ওটা তোমাদের মধ্যেই বণ্টন করে দেই।

‘আল্লামা শাওকানী (রহঃ) বলেনঃ ইমাম পাঁচ ভাগের এক অংশ নিবে বাকী পাঁচ ভাগের চার অংশ যুদ্ধে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে বণ্টন করে দিবে। ইমামের পাঁচ ভাগের এক অংশও তার নিজের একার নয় বরং ওটা কিতাবুল্লাহর বিধান মোতাবেক মুসলিমদের মাঝে বণ্টন করা ওয়াজিব। (‘আওনুল মা‘বূদ ৫ম খন্ড, হাঃ ২৭৫২)


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আমর ইবন আবাসা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৬১. ফাই থেকে ইমাম নিজের জন্য কিছু রাখবে

২৭৫৫। ‘আমর ইবনু ‘আবাসাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (সুতরাহ স্বরূপ) গানীমাতের একটি উটকে সামনে রেখে আমাদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন। সালাম ফিরিয়ে তিনি উটের পার্শ্বদেশের একটি পশম নিয়ে বললেনঃ এক পঞ্চমাংশ- ছাড়া তোমাদের গানীমাত থেকে আমার জন্য এতটুকুও বৈধ নয়। আর এই এক-পঞ্চমাংশও তোমাদের কল্যাণে ব্যয় করা হয়।[1]

بَابٌ فِي الْإِمَامِ يَسْتَأْثِرُ بِشَيْءٍ مِنَ الفَيْءِ لِنَفْسِهِ

حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ عُتْبَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْعَلَاءِ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا سَلَّامٍ الْأَسْوَدَ، قَالَ: سَمِعْتُ عَمْرَو بْنَ عَبَسَةَ، قَالَ: صَلَّى بِنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَى بَعِيرٍ مِنَ المَغْنَمِ، فَلَمَّا سَلَّمَ أَخَذَ وَبَرَةً مِنْ جَنْبِ الْبَعِيرِ، ثُمَّ قَالَ: وَلَا يَحِلُّ لِي مِنْ غَنَائِمِكُمْ مِثْلُ هَذَا إِلَّا الْخُمُسُ، وَالْخُمُسُ مَرْدُودٌ فِيكُمْ

صحيح


Narrated Amr ibn Abasah: The Messenger of Allah (ﷺ) led us in prayer facing a camel which had been taken in booty, and when he had given the salutation, he took a hair from the camel's side and said: I have no right as much as this of your booty, but only to the fifth. and the fifth is returned to you.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আমর ইবন আবাসা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ আল্লাহর দয়ার আশা রাখার গুরুত্ব

(৪৭০) আবূ নাজীহ আমর ইবনে আবাসাহ (রাঃ) বলেন, জাহেলিয়াতের (প্রাগৈসলামিক) যুগ থেকেই আমি ধারণা করতাম যে, লোকেরা পথভ্রষ্টতার উপর রয়েছে এবং এরা কোন ধর্মেই নেই, আর ওরা প্রতিমা পূজা করছে। অতঃপর আমি এক ব্যক্তির ব্যাপারে শুনলাম যে, তিনি মক্কায় অনেক আজব আজব খবর বলছেন। সুতরাং আমি আমার সওয়ারীর উপর বসে তাঁর কাছে এসে দেখলাম যে, তিনি আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, তিনি গুপ্তভাবে (ইসলাম প্রচার করছেন), আর তাঁর সম্প্রদায় (মুশরিকরা) তাঁর প্রতি (দুর্ব্যবহার করে) দুঃসাহসিকতা প্রদর্শন করছে। সুতরাং আমি বিচক্ষণতার সাথে কাজ নিলাম। পরিশেষে আমি মক্কায় তাঁর কাছে প্রবেশ করলাম।

অতঃপর আমি তাঁকে বললাম, আপনি কি? তিনি বললেন, আমি নবী। আমি বললাম, নবী কি? তিনি বললেন, আমাকে মহান আল্লাহ প্রেরণ করেছেন। আমি বললাম, কি নির্দেশ দিয়ে প্রেরণ করেছেন? তিনি বললেন, জ্ঞাতিবন্ধন অক্ষুণ্ণ রাখা, মূর্তি ভেঙ্গে ফেলা, আল্লাহকে একক উপাস্য মানা এবং তাঁর সাথে কাউকে শরীক না করার নির্দেশ দিয়ে। আমি বললাম, এ কাজে আপনার সঙ্গে কে আছে? তিনি বললেন, একজন স্বাধীন মানুষ এবং একজন কৃতদাস। তখন তাঁর সঙ্গে আবূ বাকর ও বিলাল (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) ছিলেন। আমি বললাম, ‘আমিও আপনার অনুগত। তিনি বললেন, তুমি এখন এ কাজ কোন অবস্থাতেই করতে পারবে না। তুমি কি আমার অবস্থা ও লোকেদের অবস্থা দেখতে পাও না? অতএব তুমি (এখন) বাড়ি ফিরে যাও। অতঃপর যখন তুমি আমার জয়ী ও শক্তিশালী হওয়ার সংবাদ পাবে, তখন আমার কাছে এসো।

সুতরাং আমি আমার পরিবার পরিজনের নিকট চলে গেলাম এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (পরিশেষে) মদীনা চলে এলেন, আর আমি স্বপরিবারেই ছিলাম। অতঃপর আমি খবরাখবর নিতে আরম্ভ করলাম এবং যখন তিনি মদীনায় আগমন করলেন, তখন আমি (তাঁর ব্যাপারে) লোকেদেরকে জিজ্ঞাসা করতে লাগলাম। অবশেষে আমার পরিবারের কিছু লোক মদীনায় এল। আমি বললাম, ঐ লোকটার অবস্থা কি, যিনি (মক্কা ত্যাগ করে) মদীনা এসেছেন? তারা বলল, লোকেরা তার দিকে ধাবমান। তাঁর সম্প্রদায় তাঁকে হত্যা করার ইচ্ছা করেছিল; কিন্তু তারা তা করতে সক্ষম হয়নি।

অতঃপর আমি মদীনা এসে তাঁর খিদমতে হাযির হলাম। তারপর আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আপনি আমাকে চিনতে পারছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, তুমি তো ঐ ব্যক্তি, যে মক্কায় আমার সাথে সাক্ষাৎ করেছিল। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহ তা‘আলা আপনাকে যা শিক্ষা দিয়েছেন এবং যা আমার অজানা—তা আমাকে বলুন? আমাকে নামায সম্পর্কে বলুন? তিনি বললেন, তুমি ফজরের নামায পড়। তারপর সূর্য এক বল্লম বরাবর উঁচু হওয়া পর্যন্ত বিরত থাকো। কারণ তা শয়তানের দু’ শিং-এর মধ্যভাগে উদিত হয় (অর্থাৎ, এ সময় শয়তানরা ছড়িয়ে পড়ে) এবং সে সময় কাফেররা তাকে সিজদা করে।

পুনরায় তুমি নামায পড়। কেননা, নামাযে ফিরিশতা সাক্ষী ও উপস্থিত হন, যতক্ষণ না ছায়া বল্লমের সমান হয়ে যায়। অতঃপর নামায থেকে বিরত হও। কেননা, তখন জাহান্নামের আগুন উস্কানো হয়। অতঃপর যখন ছায়া বাড়তে আরম্ভ করে, তখন নামায পড়। কেননা, এ নামাযে ফিরিশতা সাক্ষী ও উপস্থিত হন। পরিশেষে তুমি আসরের নামায পড়। অতঃপর সূর্য ডোবা পর্যন্ত নামায পড়া থেকে বিরত থাকো। কেননা, সূর্য শয়তানের দু’ শিঙ্গের মধ্যে অস্ত যায় (অর্থাৎ, এ সময় শয়তানরা ছড়িয়ে পড়ে) এবং তখন কাফেররা তাকে সিজদাহ করে।

পুনরায় আমি বললাম, হে আল্লাহর নবী! আপনি আমাকে ওযূ সম্পর্কে বলুন? তিনি বললেন, তোমাদের মধ্যে যে কেউ পানি নিকটে করে (হাত ধোওয়ার পর) কুল্লি করে এবং নাকে পানি নিয়ে ঝেড়ে পরিষ্কার করে, তার চেহারা, তার মুখ এবং নাকের গুনাহসমূহ ঝরে যায়। অতঃপর সে যখন আল্লাহর আদেশ অনুযায়ী তার চেহারা ধোয়, তখন তার চেহারার পাপরাশি তার দাড়ির শেষ প্রান্তের পানির সাথে ঝরে যায়। অতঃপর সে যখন তার হাত দু’খানি কনুই পর্যন্ত ধোয়, তখন তার হাতের পাপরাশি তার আঙ্গুলের পানির সাথে ঝরে যায়।

অতঃপর সে যখন তার মাথা মাসাহ করে, তখন তার মাথার পাপরাশি চুলের ডগার পানির সাথে ঝরে যায়। অতঃপর সে যখন তার পা দু’খানি গাঁট পর্যন্ত ধোয়, তখন তার পায়ের পাপরাশি তার আঙ্গুলের পানির সাথে ঝরে যায়। অতঃপর সে যদি দাঁড়িয়ে গিয়ে নামায পড়ে, আল্লাহর প্রশংসা ও তাঁর মাহাত্ম্য বর্ণনা করে—যার তিনি যোগ্য এবং অন্তরকে আল্লাহ তা‘আলার জন্য খালি করে, তাহলে সে ঐ দিনকার মত নিষ্পাপ হয়ে বেরিয়ে আসে, যেদিন তার মা তাকে প্রসব করেছিল।

তারপর আমর ইবনে আবাসাহ (রাঃ) এ হাদীসটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবী আবূ উমামার (রাঃ) নিকট বর্ণনা করলেন। আবূ উমামাহ (রাঃ) তাঁকে বললেন, হে আমর ইবনে আবাসাহ! তুমি যা বলছ তা চিন্তা করে বল! একবার ওযূ করলেই কি এই ব্যক্তিকে এতটা মর্যাদা দেওয়া হবে?

আমর বললেন, হে আবূ উমামাহ! আমার বয়স ঢের হয়েছে, আমার হাড় দুর্বল হয়ে গেছে এবং আমার মৃত্যুও নিকটবর্তী। (ফলে এ অবস্থায়) আল্লাহ তা‘আলা অথবা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রতি মিথ্যা আরোপ করার আমার কী প্রয়োজন আছে? যদি আমি এটি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট থেকে একবার, দু’বার, তিনবার এমনকি সাতবার পর্যন্ত না শুনতাম, তাহলে কখনই তা বর্ণনা করতাম না। কিন্তু আমি তাঁর নিকট এর চেয়েও অধিকবার শুনেছি।

وَعَنْ أَبيْ نَجِيحٍ عَمرِو بنِ عَبَسَةَ السُّلَمِيِّ قَالَ : كُنْتُ وأنَا في الجاهِلِيَّةِ أظُنُّ أنَّ النَّاسَ عَلَى ضَلاَلَةٍ وَأَنَّهُمْ لَيْسُوا عَلَى شَيْءٍ وَهُمْ يَعْبُدُونَ الأَوْثَانَ فَسَمِعْتُ بِرَجُلٍ بِمَكَّةَ يُخْبِرُ أخْبَاراً فَقَعَدْتُ عَلَى رَاحِلَتِي فَقَدِمْتُ عَلَيهِ فإِذَا رَسُولُ اللهِ ﷺ مُسْتَخْفِياً جُرَءَاءُ عَلَيهِ قَومُهُ فَتَلَطَّفَتُ حَتَّى دَخَلْتُ عَلَيهِ بِمَكَّةَ فَقُلْتُ لَهُ : مَا أنْتَ ؟ قَالَ أَنَا نَبيٌّ قُلْتُ : وَمَا نَبِيٌّ ؟ قَالَ أرْسَلَنِي الله قُلْتُ : وَبِأَيِّ شَيْء أرْسَلَكَ ؟ قَالَ أَرْسَلَنِي بِصِلَةِ الأرْحَامِ وَكَسْرِ الأَوْثَانِ وَأنْ يُوَحَّدَ اللهُ لاَ يُشْرَكُ بِهِ شَيْء قُلْتُ : فَمَنْ مَعَكَ عَلَى هَذَا ؟ قَالَ حُرٌّ وَعَبْدٌ وَمَعَهُ يَوْمَئذٍ أَبُو بَكرٍ وَبِلاَلٌ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا قُلْتُ : إنّي مُتَّبِعُكَ قَالَ إنَّكَ لَنْ تَسْتَطيعَ ذلِكَ يَومَكَ هَذَا ألا تَرَى حَالي وحالَ النَّاسِ ؟ وَلَكِنِ ارْجعْ إِلَى أهْلِكَ فَإِذَا سَمِعْتَ بِي قَدْ ظَهرْتُ فَأتِنِي قَالَ : فَذَهَبْتُ إِلَى أهْلِي وقَدِمَ رَسُولُ اللهِ ﷺ المَدِينَةَ حَتَّى قَدِمَ نَفَرٌ مِنْ أهْلِي المَدِينَةَ فَقُلتُ : مَا فَعَلَ هَذَا الرَّجُلُ الَّذِي قَدِمَ المَدِينَةَ ؟ فَقَالُوْا : النَّاس إلَيهِ سِرَاعٌ وَقَدْ أَرَادَ قَومُهُ قَتْلَهُ فلَمْ يَسْتَطِيعُوا ذلِكَ فقَدِمْتُ المَدِينَةَ فَدَخَلْتُ عَلَيهِ فَقُلتُ : يَا رَسُولَ اللهِ أَتَعْرِفُني ؟ قَالَ نَعَمْ أنْتَ الَّذِي لَقَيْتَنِي بمكّةَ قَالَ : فَقُلتُ : يَا رَسُولَ اللهِ أخْبِرنِي عَمَّا عَلَّمَكَ الله وأَجْهَلُهُ أخْبِرْنِي عَن الصَّلاَةِ ؟ قَالَ صَلِّ صَلاَةَ الصُّبْحِ ثُمَّ اقْصُرْ عَن الصَّلاَةِ حَتَّى تَرْتَفِعَ الشَّمْسُ قِيدَ رُمْحٍ فَإنَّهَا تَطْلُعُ حِينَ تَطلُعُ بَيْنَ قَرْنَيْ شَيطَان وَحينَئذٍ يَسجُدُ لَهَا الكُفَّارُ ثُمَّ صَلِّ فَإنَّ الصَلاَةَ مَشْهُودَةٌ مَحْضُورةٌ حَتَّى يَسْتَقِلَّ الظِّلُّ بالرُّمْحِ ثُمَّ اقْصُرْ عَن الصَّلاةِ فَإنَّهُ حينئذ تُسْجَرُ جَهَنَّمُ فإذَا أقْبَلَ الفَيْءُ فَصَلِّ فَإنَّ الصَّلاةَ مَشْهُودَةٌ مَحضُورَةٌ حَتَّى تُصَلِّي العَصرَ ثُمَّ اقْصرْ عَن الصَّلاةِ حَتَّى تَغْرُبَ الشَّمْسُ فإنَّهَا تَغْرُبُ بينَ قَرْنَيْ شَيطَانٍ وَحِينَئذٍ يَسْجُدُ لَهَا الكُفّارُ قَالَ : فَقُلتُ : يَا نَبيَّ اللهِ فَالوُضُوءُ حَدِّثنِي عَنهُ ؟ فَقَالَ مَا مِنْكُمْ رَجُلٌ يُقَرِّبُ وَضُوءَهُ فَيَتَمَضْمَضُ وَيسْتَنْشِقُ فَيَسْتَنْثِرُ إلاَّ خَرَّتْ خَطَايَا وَجْهِهِ مِنْ أطْرَافِ لِحْيَتِهِ مَعَ المَاءِ ثُمَّ يَغْسِلُ يَدَيهِ إِلَى المِرفقَيْن إلاَّ خَرَّتْ خَطَايَا يَدَيْهِ مِنْ أنَامِلِهِ مَعَ الماءِ ثُمَّ يَمْسَحُ رَأسَهُ إلاَّ خَرَّتْ خَطَايَا رَأسِهِ مِن أطْرَافِ شَعْرِهِ مَعَ الماَءِ ثُمَّ يَغسِلُ قَدَمَيهِ إِلَى الكَعْبَيْنِ إلاَّ خَرَّتْ خَطَايَا رِجلَيْهِ مِنْ أنَاملِهِ مَعَ الماَءِ فَإنْ هُوَ قَامَ فَصَلَّى فَحَمِدَ الله تَعَالَى وَأَثنَى عَلَيهِ ومَجَّدَهُ بالَّذِي هُوَ لَهُ أهْلٌ وَفَرَّغَ قَلبَهُ للهِ تَعَالَى إلاَّ انْصَرفَ مِنْ خَطِيئَتِهِ كَهَيئَتِه يَومَ وَلَدَتهُ أُمُّهُ فَحَدَّثَ عَمرُو بنُ عَبَسَةَ بِهَذَا الحَدِيثِ أَبَا أُمَامَةَ صَاحِبَ رَسُولِ اللهِ ﷺ فَقَالَ لَهُ أَبُو أُمَامَة : يَا عَمْرَو بنَ عَبَسَةَ انْظُر مَا تقولُ! فِي مَقَامٍ وَاحِدٍ يُعْطَى هَذَا الرَّجُلُ ؟ فَقَالَ عَمْرٌو : يَا أَبَا أُمَامَةَ لَقَد كَبُرَتْ سِنّي وَرَقَّ عَظمِي وَاقْتَرَبَ أجَلِي وَمَا بِي حَاجَةٌ أنْ أكْذِبَ عَلَى اللهِ تَعَالَى وَلاَ عَلَى رَسُولِ اللهِ ﷺ لَوْ لَمْ أسمعه مِنْ رَسُولِ اللهِ ﷺ إلاَّ مَرَّةً أَوْ مَرَّتَينِ أَوْ ثَلاثاً – حَتَّى عَدَّ سَبْعَ مَرَّات – مَا حَدَّثْتُ أبَداً بِهِ وَلكنِّي سَمِعتُهُ أكثَرَ مِن ذَلِكَ رواه مسلم


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আমর ইবন আবাসা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ নফল নামাযের নিষিদ্ধ সময়

(৮৯৯) আমর বিন আবাসাহ (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বলেছেন, তুমি ফজরের নামায পড়। তারপর সূর্য এক বল্লম বরাবর উঁচু হওয়া পর্যন্ত বিরত থাকো। কারণ তা শয়তানের দুই শিং-এর মধ্যভাগে উদিত হয় (অর্থাৎ, এ সময় শয়তানরা ছড়িয়ে পড়ে) এবং সে সময় কাফেররা তাকে সিজদা করে। পুনরায় তুমি নামায পড়। কেননা, নামাযে ফিরিশতা সাক্ষী ও উপস্থিত হন, যতক্ষণ না ছায়া বল্লমের সমান হয়ে যায়। অতঃপর নামায থেকে বিরত হও। কেননা, তখন জাহান্নামের আগুন উস্কানো হয়। অতঃপর যখন ছায়া বাড়তে আরম্ভ করে, তখন নামায পড়। কেননা, এ নামাযে ফিরিশতা সাক্ষী ও উপস্থিত হন। পরিশেষে তুমি আসরের নামায পড়। অতঃপর সূর্য ডোবা পর্যন্ত নামায পড়া থেকে বিরত থাকো। কেননা, সূর্য শয়তানের দুই শিঙের মধ্যে অস্ত যায় এবং তখন কাফেররা তাকে সিজদাহ করে।

عَن عَمْرِو بْنِ عَبَسَة أنَّ رسول الله ﷺ قَالَ له صَلِّ صَلاَةَ الصُّبْحِ ثُمَّ أَقْصِرْ عَن الصَّلاَةِ حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ حَتَّى تَرْتَفِعَ فَإِنَّهَا تَطْلُعُ حِينَ تَطْلُعُ بَيْنَ قَرْنَىْ شَيْطَانٍ وَحِينَئِذٍ يَسْجُدُ لَهَا الْكُفَّارُ ثُمَّ صَلِّ فَإِنَّ الصَّلاَةَ مَشْهُودَةٌ مَحْضُورَةٌ حَتَّى يَسْتَقِلَّ الظِّلُّ بِالرُّمْحِ ثُمَّ أَقْصِرْ عَن الصَّلاَةِ فَإِنَّ حِينَئِذٍ تُسْجَرُ جَهَنَّمُ فَإِذَا أَقْبَلَ الْفَىْءُ فَصَلِّ فَإِنَّ الصَّلاَةَ مَشْهُودَةٌ مَحْضُورَةٌ حَتَّى تُصَلِّىَ الْعَصْرَ ثُمَّ أَقْصِرْ عَن الصَّلاَةِ حَتَّى تَغْرُبَ الشَّمْسُ فَإِنَّهَا تَغْرُبُ بَيْنَ قَرْنَىْ شَيْطَانٍ وَحِينَئِذٍ يَسْجُدُ لَهَا الْكُفَّارُ


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আমর ইবন আবাসা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ২০ পর্যন্ত, সর্বমোট ২৫ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে পাতা নাম্বারঃ 1 2 পরের পাতা »