হিশাম ইবন হাসান (রহঃ) থেকে বর্ণিত হাদিস পাওয়া গেছে 14 টি

পরিচ্ছেদঃ ৪৮. জিহাদ অভিযানে অংশগ্রহণকারী মহিলাদের অনুদান রূপে কিছু দেয়া যাবে। তাদের জন্য গনীমতের নির্ধারিত অংশ নেই। শত্রুপক্ষের (অযোদ্ধা) শিশুদের হত্যা করা নিষিদ্ধ

৪৫৪০। আমর আন নাকিদ (রহঃ) ... হিশাম ইবনু হাসসান (রহঃ) এর সুত্রেও হাদীস বর্ণনা করেছেন।

باب النِّسَاءُ الْغَازِيَاتُ يُرْضَخُ لَهُنَّ وَلاَ يُسْهَمُ وَالنَّهْىُ عَنْ قَتْلِ صِبْيَانِ أَهْلِ الْحَرْبِ

وَحَدَّثَنَا عَمْرٌو النَّاقِدُ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ حَسَّانَ، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَهُ ‏.‏


A similar tradition has been narrated on the authority of Hisham b. Hassan through a different chain of transmitters.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ হিশাম ইবন হাসান (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৯৫. সালাতের সময় যদি মহিলার হায়েয হয় কিংবা পবিত্র হয়

৯০৫. হিশাম হতে বর্ণিত, হাসান রাহি. বলেন, কোনো মহিলা সালাতের ওয়াক্তে হায়েয হতে পবিত্র হলো, আর সে তখনও গোসল করেনি, যদিও সে গোসল করতে সক্ষম ছিল, সে এ সালাতের কাযা’ আদায় করবে।[1]

بَابُ الْمَرْأَةِ تَطْهُرُ عِنْدَ الصَّلَاةِ أَوْ تَحِيضُ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ عَوَّامٍ عَنْ هِشَامٍ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ إِذَا طَهُرَتْ الْمَرْأَةُ فِي وَقْتِ صَلَاةٍ فَلَمْ تَغْتَسِلْ وَهِيَ قَادِرَةٌ عَلَى أَنْ تَغْتَسِلَ قَضَتْ تِلْكَ الصَّلَاةَ
إسناده صحيح إلى الحسن


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ হিশাম ইবন হাসান (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৯৫. সালাতের সময় যদি মহিলার হায়েয হয় কিংবা পবিত্র হয়

৯১৩. হিশাম থেকে বর্ণিত, হাসান ও কাতাদা উভয়ে বলেন: যখন কোনো মহিলা সালাতকে নষ্ট করে (অলসতা করে সালাতের ওয়াক্তে তা আদায় না করে), এমনকি তার হায়েয এসে যায়, তবে পবিত্র হওয়ার পর তার উপর এ সালাতের কাযা আদায় করা জরুরী।[1]

بَابُ الْمَرْأَةِ تَطْهُرُ عِنْدَ الصَّلَاةِ أَوْ تَحِيضُ

أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ الزَّهْرَانِيُّ حَدَّثَنَا أَبُو شِهَابٍ عَنْ هِشَامٍ عَنْ الْحَسَنِ وَقَتَادَةَ قَالَا إِذَا ضَيَّعَتْ الْمَرْأَةُ الصَّلَاةَ حَتَّى تَحِيضَ فَعَلَيْهَا الْقَضَاءُ إِذَا طَهُرَتْ


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ হিশাম ইবন হাসান (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৯৭. গর্ভবতী মহিলা যখন রক্ত দেখে

৯৬৬. হিশাম থেকে বর্ণিত, হাসান রাহি. বলেন, সে যদি তেমনি স্রাব দেখে, যেমন সে দেখেছিল এর পূর্বে হায়েযের দিনগুলিতে, তবে সে সালাত পরিত্যাগ করবে। আর যদি তা দু’-একদিন ধরে হয়, তবে সে সালাত পরিত্যাগ করবে না।[1]

بَاب فِي الْحُبْلَى إِذَا رَأَتْ الدَّمَ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا عَبَّادُ هُوَ ابْنُ الْعَوَّامِ عَنْ هِشَامٍ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ إِنْ كَانَتْ تَرَاهُ كَمَا كَانَتْ تَرَاهُ قَبْلَ ذَلِكَ فِي أَقْرَائِهَا تَرَكَتْ الصَّلَاةَ وَإِنْ كَانَ إِنَّمَا هُوَ فِي الْيَوْمِ أَوْ الْيَوْمَيْنِ لَمْ تَدَعْ الصَّلَاةَ
إسناده صحيح


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ হিশাম ইবন হাসান (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৯৭. গর্ভবতী মহিলা যখন রক্ত দেখে

৯৭৫. হিশাম হতে বর্ণিত, হাসান রাহি. যে গর্ভবতী মহিলা রক্ত (নির্গত হতে) দেখে, তার সম্পর্কে হাসান রাহি. বলেন: সে ইসতিহাযাগ্রস্ত মহিলার স্থলাভিষিক্ত।[1]

بَاب فِي الْحُبْلَى إِذَا رَأَتْ الدَّمَ

أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ عَنْ هِشَامٍ عَنْ الْحَسَنِ فِي الْحَامِلِ تَرَى الدَّمَ قَالَ هِيَ بِمَنْزِلَةِ الْمُسْتَحَاضَةِ
إسناده صحيح


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ হিশাম ইবন হাসান (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১০০. কোনো মহিলা ‘জুনুবী’ হয়, এর পরপরই তার হায়েয আসে

৯৯৮. হিশাম রাহি. হাসান রাহি. হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।[1]

بَابُ الْمَرْأَةِ تَجْنُبُ ثُمَّ تَحِيضُ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ هِشَامٍ عَنْ الْحَسَنِ مِثْلَهُ
إسناده صحيح


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ হিশাম ইবন হাসান (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১০৯. হায়িযগ্রস্ত মহিলার পবিত্রতা লাভের পর গোসল করার পূর্বেই তার সাথে মিলিত হওয়া প্রসঙ্গে

১১১৮. হিশাম হতে বর্ণিত, এক মহিলা পবিত্রাবস্থা দেখতে পেয়েছে, এমতাবস্থায় সে গোসল করার পূর্বে তার স্বামী তার সাথে সহবাস করলো। এ সম্পর্কে হাসান রাহি. বলেন, সে তো গোসল করার পূর্ব পর্যন্ত হায়িযগ্রস্ত বলে গণ্য। আর সে লোকটির উপর কাফ্ফারা ওয়াজিব হবে। আর তার স্ত্রীর গোসল না করা পর্যন্ত সে তার স্ত্রীর নিকট প্রত্যাগমন করতে পারবে না।[1]

بَاب مُجَامَعَةِ الْحَائِضِ إِذَا طَهُرَتْ قَبْلَ أَنْ تَغْتَسِلَ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ عَنْ هِشَامٍ عَنْ الْحَسَنِ فِي الرَّجُلِ يَطَأُ امْرَأَتَهُ وَقَدْ رَأَتْ الطُّهْرَ قَبْلَ أَنْ تَغْتَسِلَ قَالَ هِيَ حَائِضٌ مَا لَمْ تَغْتَسِلْ وَعَلَيْهِ الْكَفَّارَةُ وَلَهُ أَنْ يُرَاجِعَهَا مَا لَمْ تَغْتَسِلْ


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ হিশাম ইবন হাসান (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১১১. যখন কোনো লোক তার হায়িযগ্রস্ত স্ত্রীর সাথে মিলিত হয়

১১৩৭. হিশাম হতে বর্ণিত, যে লোক তার হায়িযগ্রস্ত স্ত্রীর সাথে মিলিত হয়, তার সম্পর্কে মুহাম্মদ ইবনু সীরীন রাহি. বলেন, সে আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করবে।’[1]

بَاب إِذَا أَتَى الرَّجُلُ امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ هِشَامٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ فِي الَّذِي يَقَعُ عَلَى امْرَأَتِهِ وَهِيَ حَائِضٌ قَالَ يَسْتَغْفِرُ اللَّهَ


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ হিশাম ইবন হাসান (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৪৪. পরিচয়হীন (নবজাতক) সন্তানের মীরাছ সম্পর্কে

৩১৩৭. হিশাম (রহঃ) হতে বর্ণিত, হাসান ও ইবনু সীরীন (রহঃ) উভয়ে বলেন: প্রমাণ ব্যতীত পরিচয়হীন (নবজাতক) সন্তানের মীরাছ প্রদান করা হবে না।[1]

باب فِي مِيرَاثِ الْحَمِيلِ

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ عَنْ ابْنِ إِدْرِيسَ عَنْ هِشَامٍ عَنْ الْحَسَنِ وَابْنِ سِيرِينَ قَالَا لَا يُوَرَّثُ الْحَمِيلُ إِلَّا بِبَيِّنَةٍ


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ হিশাম ইবন হাসান (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২২. যদি কোনো ব্যক্তি অনুপস্থিত ব্যক্তির জন্য ওয়াসীয়াত করে

৩২৮৪. হিশাম হতে বর্ণিত, হাসান (রহঃ) বলেন, যদি কোনো ব্যক্তি অনুপস্থিত কোনো ব্যক্তির জন্য ওয়াসীয়াত করে, এরপর সে উপস্থিত হলে, তবে সে ইচ্ছে হলে কবুল করবে। আর যখন সে কবুল করবে, তখন আর তাকে ফিরিয়ে দিতে পারবে না।[1]

باب إِذَا أَوْصَى الرَّجُلُ إِلَى الرَّجُلِ وَهُوَ غَائِبٌ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَسْعَدَ حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ عَنْ هِشَامٍ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ إِذَا أَوْصَى الرَّجُلُ إِلَى الرَّجُلِ وَهُوَ غَائِبٌ فَإِذَا قَدِمَ فَإِنْ شَاءَ قَبِلَ فَإِذَا قَبِلَ لَمْ يَكُنْ لَهُ أَنْ يَرُدَّ


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ হিশাম ইবন হাসান (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২২. যদি কোনো ব্যক্তি অনুপস্থিত ব্যক্তির জন্য ওয়াসীয়াত করে

৩২৮৫. হিশাম হতে বর্ণিত, হাসান (রহঃ) বলেন, যদি কোনো ব্যক্তি অনুপস্থিত কোনো ব্যক্তির জন্য ওয়াসীয়াত করে, এরপর (সে উপস্থিত হলে) যখন তার নিকট (মৃত্যব্যক্তির) ওয়াসীয়াত পেশ করা হয়, আর সে কবুল করে, তবে সে আর তা ফিরিয়ে দিতে পারবে না।[1]

باب إِذَا أَوْصَى الرَّجُلُ إِلَى الرَّجُلِ وَهُوَ غَائِبٌ

حَدَّثَنَا الْوَضَّاحُ بْنُ يَحْيَى حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ عَنْ هِشَامٍ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ إِذَا أَوْصَى الرَّجُلُ إِلَى الرَّجُلِ فَعُرِضَتْ عَلَيْهِ الْوَصِيَّةُ وَكَانَ غَائِبًا فَقَبِلَ لَمْ يَكُنْ لَهُ أَنْ يَرْجِعَ


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ হিশাম ইবন হাসান (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৩৬. যিনি বলেন, তোমার নিকট তা পঠিত না হওয়া পর্যন্ত তুমি কোনো ওয়াসীয়াতের সাক্ষী হয়োনা

৩৩১৯. হিশাম হতে বর্ণিত, হাসান (রহঃ) বলেন, তোমার নিকট তা পঠিত না হওয়া পর্যন্ত তুমি কোনো ওয়াসীয়াতের সাক্ষী হয়োনা এবং আবার তোমার অপরিচিত কোনো ব্যক্তির পক্ষেও সাক্ষী হয়োনা।[1]

باب مَنْ قَالَ لَا تَشْهَدْ عَلَى وَصِيَّةٍ حَتَّى تُقْرَأَ عَلَيْكَ

أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ الْمُغِيرَةِ حَدَّثَنَا مَخْلَدٌ عَنْ هِشَامٍ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ لَا تَشْهَدْ عَلَى وَصِيَّةٍ حَتَّى تُقْرَأَ عَلَيْكَ وَلَا تَشْهَدْ عَلَى مَنْ لَا تَعْرِفُ


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ হিশাম ইবন হাসান (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৪৮. জিহাদ অভিযানে অংশগ্রহণকারী মহিলাদের জন্য গনীমাতের কোন অংশ নেই, তবে স্বেচ্ছায় তাদের কিছু দেয়া এবং শক্রপক্ষের শিশুদের হত্যা করা নিষিদ্ধ

৪৫৮৫-(.../...) 'আমর আন্‌ নাকিদ (রহঃ) ..... হিশাম ইবনু হাসসান (রহঃ)-ও এ সূত্রে হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৪০, ইসলামিক সেন্টার ৪৫৪৩)

باب النِّسَاءُ الْغَازِيَاتُ يُرْضَخُ لَهُنَّ وَلاَ يُسْهَمُ وَالنَّهْىُ عَنْ قَتْلِ صِبْيَانِ أَهْلِ الْحَرْبِ

وَحَدَّثَنَا عَمْرٌو النَّاقِدُ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ حَسَّانَ، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَهُ ‏.‏


A similar tradition has been narrated on the authority of Hisham b. Hassan through a different chain of transmitters.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ হিশাম ইবন হাসান (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৮০. মাথার চুল কামানো এবং ছোট করা সম্পর্কে

১৯৮২। হিশাম ইবনু হাসসান (রহ.) থেকে উপরোক্ত সনদে পূর্বের অনুরূপ হাদীস বর্ণিত। তাতে আরো আছে, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নাপিতকে বললেনঃ ডানদিক থেকে শুরু করো এবং তা মুন্ডন করো।[1]

সহীহ।

بَابُ الْحَلْقِ وَالتَّقْصِيرِ

حَدَّثَنَا عُبَيْدُ بْنُ هِشَامٍ أَبُو نُعَيْمٍ الْحَلَبِيُّ، وَعَمْرُو بْنُ عُثْمَانَ، الْمَعْنَى قَالَا: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ هِشَامِ بْنِ حَسَّانَ، بِإِسْنَادِهِ بِهَذَا قَالَ فِيهِ: قَالَ لِلْحَالِقِ: ابْدَأْ بِشِقِّي الْأَيْمَنِ فَاحْلِقْهُ
صحيح


The aforesaid tradition has also been transmitted by Hisham n. Hassan through a different chain of narrators. This version adds: He said to the barber: Start with the right side and shave it.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ হিশাম ইবন হাসান (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ১৪ পর্যন্ত, সর্বমোট ১৪ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে