আসওয়াদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত হাদিস পাওয়া গেছে 58 টি

পরিচ্ছেদঃ ৫৫০. সালাত শেষে ডান বা বাঁ দিকে ফিরে যাওয়া।

وَكَانَ أَنَسٌ يَنْفَتِلُ عَنْ يَمِينِهِ وَعَنْ يَسَارِهِ، وَيَعِيبُ عَلَى مَنْ يَتَوَخَّى، أَوْ مَنْ يَعْمِدُ الاِنْفِتَالَ عَنْ يَمِينِهِ

আনাস ইবন মালিক (রাঃ) কখনো ডান দিকে এবং কখনো বাঁ দিকে ফিরে যেতেন। নির্দিষ্ট করে ডান দিকে ফিরে যাওয়া দোষণীয় মনে করতেন।


৮১০। আবূল ওয়ালিদ (রহঃ) ... আসওয়াদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) বলেছেন, তোমাদের কেঊ যেন তার সালাত (নামায/নামাজ) এর কোন কিছু শয়তানের জন্য না করে। তা হল, শুধুমাত্র ডান দিকে ফিরানো জরুরী মনে করা। আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে অধিকাংশ সময়ই বাম দিকে ফিরতে দেখেছি।

باب الاِنْفِتَالِ وَالاِنْصِرَافِ عَنِ الْيَمِينِ، وَالشِّمَالِ

حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ، قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ سُلَيْمَانَ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنِ الأَسْوَدِ، قَالَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ لاَ يَجْعَلْ أَحَدُكُمْ لِلشَّيْطَانِ شَيْئًا مِنْ صَلاَتِهِ، يَرَى أَنَّ حَقًّا عَلَيْهِ أَنْ لاَ يَنْصَرِفَ إِلاَّ عَنْ يَمِينِهِ، لَقَدْ رَأَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَثِيرًا يَنْصَرِفُ عَنْ يَسَارِهِ‏.‏


Narrated `Abdullah: You should not give away a part of your prayer to Satan by thinking that it is necessary to depart (after finishing the prayer) from one's right side only; I have seen the Prophet (s) often leave from the left side.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আসওয়াদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৭২৯. যে ব্যক্তি রাতের প্রথমাংশে ঘুমিয়ে থাকে এবং শেষ অংশকে (ইবাদাত দ্বারা) প্রাণবন্ত রাখে।

وَقَالَ سَلْمَانُ لأَبِي الدَّرْدَاءِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا نَمْ. فَلَمَّا كَانَ مِنْ آخِرِ اللَّيْلِ قَالَ قُمْ. قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: صَدَقَ سَلْمَانُ

সালমান (রাঃ) আবূ দারদা (রাঃ)-কে (রাতের প্রথমাংশে) বললেন, (এখন) ঘুমিয়ে পড়, শেষ রাত হলে তিনি বললেন, (এখন) উঠে পড়। (বিষয়টি অবগত হয়ে) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেনঃ সালমান যথার্থ বলেছে।


১০৮০। আবূল ওয়ালীদ ও সুলাইমান (রহঃ) ... আসওয়াদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আয়িশা (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা করলাম, রাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সালাত (নামায/নামাজ) কেমন ছিল? তিনি বললেন, তিনি প্রথমাংশে ঘুমাতেন, শেষাংশে জেগে সালাত আদায় করতেন। এরপর তাঁর শয্যায় ফিরে যেতেন, মুয়ায্‌যিন আযান দিলে দ্রুত উঠে পড়তেন, তখন তাঁর প্রয়োজন থাকলে গোসল করতেন, অনথায় উযূ (ওজু/অজু/অযু) করে (মসজিদের দিকে) বেরিয়ে যেতেন।

باب مَنْ نَامَ أَوَّلَ اللَّيْلِ وَأَحْيَا آخِرَهُ

حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ،‏.‏ وَحَدَّثَنِي سُلَيْمَانُ، قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الأَسْوَدِ، قَالَ سَأَلْتُ عَائِشَةَ ـ رضى الله عنها ـ كَيْفَ صَلاَةُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِاللَّيْلِ قَالَتْ كَانَ يَنَامُ أَوَّلَهُ وَيَقُومُ آخِرَهُ، فَيُصَلِّي ثُمَّ يَرْجِعُ إِلَى فِرَاشِهِ، فَإِذَا أَذَّنَ الْمُؤَذِّنُ وَثَبَ، فَإِنْ كَانَ بِهِ حَاجَةٌ اغْتَسَلَ، وَإِلاَّ تَوَضَّأَ وَخَرَجَ‏.‏


Narrated Al-Aswad: I asked `Aisha "How is the night prayer of the Prophet?" She replied, "He used to sleep early at night, and get up in its last part to pray, and then return to his bed. When the Mu'adh-dhin pronounced the Adhan, he would get up. If he was in need of a bath he would take it; otherwise he would perform ablution and then go out (for the prayer)."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আসওয়াদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১১১৯. কষ্ট অনুপাতে ‘উমরার সাওয়াব

১৬৭২। মুসাদ্দাদ (রহঃ) ... আসওয়াদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! সাহাবীগণ ফিরছেন দু’টি নুসূক (অর্থাৎ হাজ্জ (হজ্জ) এবং ‘উমরা) পালন করে আর আমি ফিরছি একটি নুসূক (শুধু হাজ্জ (হজ্জ) আদায় করে। তাঁকে বলা হল, অপেক্ষা কর। পরে যখন তুমি পবিত্র হবে তখন তান’ঈমে গিয়ে ইহ্‌রাম বাঁধবে এরপর অমুক স্থানে আমাদের কাছে আসবে। এ’উমরা (এর সওয়াব) হবে তোমার খরচ বা কষ্ট অনুপাতে।

باب أَجْرِ الْعُمْرَةِ عَلَى قَدْرِ النَّصَبِ

حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ عَوْنٍ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ، وَعَنِ ابْنِ عَوْنٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، قَالاَ قَالَتْ عَائِشَةُ ـ رضى الله عنها ـ يَا رَسُولَ اللَّهِ يَصْدُرُ النَّاسُ بِنُسُكَيْنِ وَأَصْدُرُ بِنُسُكٍ فَقِيلَ لَهَا ‏ "‏ انْتَظِرِي، فَإِذَا طَهُرْتِ فَاخْرُجِي إِلَى التَّنْعِيمِ، فَأَهِلِّي ثُمَّ ائْتِينَا بِمَكَانِ كَذَا، وَلَكِنَّهَا عَلَى قَدْرِ نَفَقَتِكِ، أَوْ نَصَبِكِ ‏"‏‏.‏


Narrated Al-Aswad: That `Aisha said, "O Allah's Messenger (ﷺ)! The people are returning after performing the two Nusuks (i.e. Hajj and `Umra) but I am returning with one only?" He said, "Wait till you become clean from your menses and then go to at-Tan`im, assume Ihram (and after performing `Umra) join us at such-andsuch a place. But it (i.e. the reward if `Umra) is according to your expenses or the hardship (which you will undergo while performing it).


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আসওয়াদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৭০৬. ওয়াসিয়াত প্রসঙ্গে এবং নাবী (ﷺ)-এর বাণী, মানুষের অসীয়াত তার নিকট লিখিত থাকবে। আল্লাহ তাআলা বলেনঃ “তোমাদের কারো যখন মৃত্যুর সময় উপস্থিত হয়, সে যদি কিছু ধন-সম্পদ ত্যাগ করে যায়, তবে তা ন্যায্য পন্থায় তার পিতা-মাতা ও নিকটাত্মীয়দের জন্য ওয়াসীয়াত করার বিধান.... পক্ষপাতিত্ব পর্যন্ত”। (আল-বাক্বারা : ২:১৮০-১৮২) جَنَفًا অর্থ- ঝুঁকে যাওয়া, পক্ষপাতিত্ব করা مُتَجَانِفٌ ঐ ব্যক্তি, যে ঝুঁকে পড়ে, পক্ষপাতিত্ব করে।

২৫৫৪। আমর ইবনু যুরারা (রহঃ) ... আসওয়াদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, সাহাবীগণ আয়িশা (রাঃ) এর কাছে আলোচনা করলেন যে, আলী (রাঃ) নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ওয়াসী ছিলেন। আয়িশা (রাঃ) বলেন ‘তিনি কখন তাঁর প্রতি অসীয়াত করলেন? অথচ আমি তো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে আমার বুকে অথবা বলেছেন আমার কোলে হেলান দিয়ে রেখেছিলাম। তখন তিনি পানির তস্তুরি চাইলেন, তারপর আমার কোলে ঝুকে পড়লেন। আমি বুঝতেই পারিনি যে, তিনি ইন্তেকাল করেছেন। অতএব তাঁর প্রতি কখন অসীয়াত করলেন?

باب الْوَصَايَا وَقَوْلِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «وَصِيَّةُ الرَّجُلِ مَكْتُوبَةٌ عِنْدَهُ». وَقَوْلِ اللَّهِ تَعَالَى: {كُتِبَ عَلَيْكُمْ إِذَا حَضَرَ أَحَدَكُمُ الْمَوْتُ إِنْ تَرَكَ خَيْرًا الْوَصِيَّةُ لِلْوَالِدَيْنِ وَالأَقْرَبِينَ بِالْمَعْرُوفِ حَقًّا عَلَى الْمُتَّقِينَ فَمَنْ بَدَّلَهُ بَعْدَ مَا سَمِعَهُ فَإِنَّمَا إِثْمُهُ عَلَى الَّذِينَ يُبَدِّلُونَهُ إِنَّ اللَّهَ سَمِيعٌ عَلِيمٌ فَمَنْ خَافَ مِنْ مُوصٍ جَنَفًا أَوْ إِثْمًا فَأَصْلَحَ بَيْنَهُمْ فَلاَ إِثْمَ عَلَيْهِ إِنَّ اللَّهَ غَفُورٌ رَحِيمٌ}. جَنَفًا مَيْلاً، مُتَجَانِفٌ مَائِلٌ

حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ زُرَارَةَ، أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، قَالَ ذَكَرُوا عِنْدَ عَائِشَةَ أَنَّ عَلِيًّا ـ رضى الله عنهما ـ كَانَ وَصِيًّا‏.‏ فَقَالَتْ مَتَى أَوْصَى إِلَيْهِ وَقَدْ كُنْتُ مُسْنِدَتَهُ إِلَى صَدْرِي ـ أَوْ قَالَتْ حَجْرِي ـ فَدَعَا بِالطَّسْتِ، فَلَقَدِ انْخَنَثَ فِي حَجْرِي، فَمَا شَعَرْتُ أَنَّهُ قَدْ مَاتَ، فَمَتَى أَوْصَى إِلَيْهِ


Narrated Al-Aswad: In the presence of `Aisha some people mentioned that the Prophet (ﷺ) had appointed `Ali by will as his successor. `Aisha said, "When did he appoint him by will? Verily when he died he was resting against my chest (or said: in my lap) and he asked for a wash-basin and then collapsed while in that state, and I could not even perceive that he had died, so when did he appoint him by will?"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আসওয়াদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২৩৫১. আল্লাহর বাণীঃ মুনাফিকগণ তো জাহান্নামের নিন্মতম স্তরে থাকবে (৪ঃ ১৪৫) ইবনু ‘আববাস (রাঃ) أَسْفَلَ النَّارِ সম্বন্ধে পদের সঙ্গে পড়েছেন। نَفَقًا ভূগর্ভ, সুড়ঙ্গ।

৪২৪৭। উমর ইবনু হাফস (রহঃ) ... আসওয়াদ (রহঃ) বলেছেন, আমরা আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) এর মজলিশে ছিলাম, সেখানে হুযায়ফা আসলেন এবং আমাদের সম্মুখে দন্ডায়মান হয়ে সালাম দিলেন। এরপর বললেন, তোমাদের চেয়ে উত্তম গোত্রের উপরও মুনাফিকী এসেছিল পরীক্ষাসরূপ। আসওয়াদ বললেন, সুবহানাল্লাহ! অথচ আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘‘মুনাফিকগণ জাহান্নামের নিম্নতম স্তরে থাকবে’’ হুযায়ফা (রাঃ) এর সত্য প্রকাশে আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) হেসে উঠলেন। হুযায়ফা (রাঃ) মসজিদের এক কোনে গিয়ে বসলেন, আবদুল্লাহ (রাঃ) উঠে গেল তাঁর শাগরিদরাও চলে গেলেন। এরপর হুযায়ফা (রাঃ) আমার দিকে একটি পাথর টুকরো নিক্ষেপ করে আমাকে ডাকলেন। আমি তার নিকট গেলে তিনি বললেন, তাঁর নিছক হাশিতে আমি আশ্চর্য হলাম অথচ আমি যা বলেছি তা তিনি বুঝেছেন। এমন গোত্র যারা তোমাদের চেয়ে উত্তম তাদের উপর মুনাফিকী অবতরণ করা হয়েছিল। তারপর তারা তওবা করেছে এবং আল্লাহ তা‘আলা তাদের তওবা কবূল করেছেন।

باب إن المنافقين في الدرك الأسفل من النار وقال ابن عباس أسفل النار نفقا سربا

حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ حَفْصٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، قَالَ حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنِ الأَسْوَدِ، قَالَ كُنَّا فِي حَلْقَةِ عَبْدِ اللَّهِ فَجَاءَ حُذَيْفَةُ حَتَّى قَامَ عَلَيْنَا، فَسَلَّمَ ثُمَّ قَالَ لَقَدْ أُنْزِلَ النِّفَاقُ عَلَى قَوْمٍ خَيْرٍ مِنْكُمْ‏.‏ قَالَ الأَسْوَدُ سُبْحَانَ اللَّهِ، إِنَّ اللَّهَ يَقُولُ ‏(‏إِنَّ الْمُنَافِقِينَ فِي الدَّرَكِ الأَسْفَلِ مِنَ النَّارِ‏)‏ فَتَبَسَّمَ عَبْدُ اللَّهِ، وَجَلَسَ حُذَيْفَةُ فِي نَاحِيَةِ الْمَسْجِدِ، فَقَامَ عَبْدُ اللَّهِ فَتَفَرَّقَ أَصْحَابُهُ، فَرَمَانِي بِالْحَصَا، فَأَتَيْتُهُ فَقَالَ حُذَيْفَةُ عَجِبْتُ مِنْ ضَحِكِهِ، وَقَدْ عَرَفَ مَا قُلْتُ، لَقَدْ أُنْزِلَ النِّفَاقُ عَلَى قَوْمٍ كَانُوا خَيْرًا مِنْكُمْ، ثُمَّ تَابُوا فَتَابَ اللَّهُ عَلَيْهِمْ‏.‏


Narrated Al-Aswad: While we were sitting in a circle in `Abdullah's gathering, Hudhaifa came and stopped before us, and greeted us and then said, "People better than you became hypocrites." Al-Aswad said: I testify the uniqueness of Allah! Allah says: "Verily! The hypocrites will be in the lowest depths of the Fire." (4.145) On that `Abdullah smiled and Hudhaifa sat somewhere in the Mosque. `Abdullah then got up and his companions (sitting around him) dispersed. Hudhaifa then threw a pebble at me (to attract my attention). I went to him and he said, "I was surprised at `Abdullah's smile though he understood what I said. Verily, people better than you became hypocrite and then repented and Allah forgave them."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আসওয়াদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২০৫৬. পরিচ্ছেদ নাই

৪৯০৪। আবদুল্লাহ ইবনু রাজা (রহঃ) ... আসওয়াদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, আয়শা (রাঃ) বারীরাকে ক্রয় করতে চাইলেন। কিন্তু তার মালিকগণ ওলীর (অভিভাবকত্বের অধিকার) শর্ত ছাড়া বিক্রয় করতে সম্মত হল না। তিনি বিষয়টি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে তুলে ধরলে তিনি বললেনঃ তুমি তাকে ক্রয় কর এবং আযাদ করে দাও। কেননা, ওলীর অধিকার আযাদকারীর জন্যই সংরক্ষিত। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট কিছু গোশত আনা হল এবং বলা হল এ গোশত বারীরাকে সাদাকা করা হয়েছে। তিনি বললেনঃ তার জন্য সাদাকা বটে, তবে তা আমাদের জন্য হাদিয়া।

باب

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ رَجَاءٍ، أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ، عَنِ الْحَكَمِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، أَنَّ عَائِشَةَ، أَرَادَتْ أَنْ تَشْتَرِيَ، بَرِيرَةَ، فَأَبَى مَوَالِيهَا إِلاَّ أَنْ يَشْتَرِطُوا الْوَلاَءَ، فَذَكَرَتْ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ ‏"‏ اشْتَرِيهَا وَأَعْتِقِيهَا، فَإِنَّمَا الْوَلاَءُ لِمَنْ أَعْتَقَ ‏"‏‏.‏ وَأُتِيَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِلَحْمٍ فَقِيلَ إِنَّ هَذَا مَا تُصُدِّقَ عَلَى بَرِيرَةَ، فَقَالَ ‏"‏ هُوَ لَهَا صَدَقَةٌ، وَلَنَا هَدِيَّةٌ ‏"‏‏.


Narrated Al-Aswad: Aisha intended to buy Barira, but her masters stipulated that her wala wound be for them. Aisha mentioned that to the Prophet (ﷺ) who said (to `Aisha), "Buy and manumit her, for the wala is for the one who manumits." Once some me; was brought to the Prophet (ﷺ) and was said, "This meat was given in charity to Barira. " The Prophet (ﷺ) said, "It an object of charity for Barira and present for us."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আসওয়াদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২৩০৮. সাপ কিংবা বিচ্ছুর দংশনে ঝাড়-ফুঁক দেয়া

৫৩৩০। মূসা ইবনু ইসমাঈল (রহঃ) ... আবদুর রহমান ইবনুল আসওয়াদের পিতা আসওয়াদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন আমি আয়িশা (রাঃ) কে বিষাক্ত প্রানীর দংশনের কারণে ঝাড়-ফুঁক গ্রহনের ব্যাপার জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেনঃ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সব রকমের বিষাক্ত প্রানীর দংশনে ঝাড়-ফুঁক গ্রহনের জন্য অনুমতি দিয়েছেন।

باب رُقْيَةِ الْحَيَّةِ وَالْعَقْرَبِ

حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ الشَّيْبَانِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الأَسْوَدِ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ سَأَلْتُ عَائِشَةَ عَنِ الرُّقْيَةِ، مِنَ الْحُمَةِ فَقَالَتْ رَخَّصَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم الرُّقْيَةَ مِنْ كُلِّ ذِي حُمَةٍ‏.‏


Narrated Al-Aswad: I asked `Aisha about treating poisonous stings (a snake-bite or a scorpion sting) with a Ruqya. She said, "The Prophet (ﷺ) allowed the treatment of poisonous sting with Ruqya."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আসওয়াদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২৪৭২. মানুষ নিজ পরিবারে কী ভাবে চলবে

৫৬১৩। হাফস ইবনু উমর (রহঃ) ... আসওয়াদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আয়িশা (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করলামঃ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজ গৃহে কী কাজে রত থাকতেন? তিনি বললেনঃ সাধারন গৃহ-কর্মে ব্যস্ত থাকতেন। আর যখন সালাত (নামায/নামাজ) এর সময় হয়ে যেতো, তখন উঠে সালাতে চলে যেতেন।

باب كَيْفَ يَكُونُ الرَّجُلُ فِي أَهْلِهِ

حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنِ الْحَكَمِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، قَالَ سَأَلْتُ عَائِشَةَ مَا كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَصْنَعُ فِي أَهْلِهِ قَالَتْ كَانَ فِي مِهْنَةِ أَهْلِهِ، فَإِذَا حَضَرَتِ الصَّلاَةُ قَامَ إِلَى الصَّلاَةِ‏.‏


Narrated Al-Aswad: I asked `Aisha what did the Prophet (ﷺ) use to do at home. She replied. "He used to keep himself busy serving his family and when it was time for the prayer, he would get up for prayer."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আসওয়াদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২৮০১. কন্যাদের বর্তমানে ভগ্নি আসাবা হিসাবে উত্তরাধিকারিণী হয়

৬২৮৫। বিশর ইবনু খালিদ (রহঃ) ... আল আসওয়াদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যামানায় আমাদের মাঝে এ ফায়সালা দিয়েছিলেন যে, কন্যা পাবে সম্পত্তির অর্ধেক আর ভগ্নির জন্যও অর্ধেক। এরপর সনদস্থিত রাবী সুলায়মান বলেন, তিনি (আল আসওয়াদ) আমাদের এ ব্যাপারে মীমাংসা করেছিলেন। তবে عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم (রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যামানায়) কথাটি উল্লেখ করেনি।

باب مِيرَاثِ الأَخَوَاتِ مَعَ الْبَنَاتِ عَصَبَةً

حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ خَالِدٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ سُلَيْمَانَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، قَالَ قَضَى فِينَا مُعَاذُ بْنُ جَبَلٍ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم النِّصْفُ لِلاِبْنَةِ وَالنِّصْفُ لِلأُخْتِ‏.‏ ثُمَّ قَالَ سُلَيْمَانُ قَضَى فِينَا‏.‏ وَلَمْ يَذْكُرْ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم‏.‏


Narrated Al-Aswad: Mu`adh bin Jabal gave this verdict for us in the lifetime of Allah's Messenger (ﷺ). One-half of the inheritance is to be given to the daughter and the other half to the sister. Sulaiman said: Mu`adh gave a verdict for us, but he did not mention that it was so in the lifetime of Allah's Messenger (ﷺ).


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আসওয়াদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৫১. মুসল্লীর সামনে আড়াআড়ি শুয়ে থাকা

১০২৬। আমর আন-নাকিদ ও আবূ সাঈদ আল আশাজ্জ (রহঃ) ... আল আসওয়াদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আয়িশা (রাঃ)-এর সামনে আলোচনা হচ্ছিল যে, কুকুর, গাধা ও স্ত্রীলোক সামনে দিয়ে গেলে সালাত (নামায/নামাজ) ভঙ্গ হয়ে যায়। আয়িশা (রাঃ) বললেন, তোমরা আমাদের গাধা ও কুকুরের সমতুল্য গণ্য করছ? আল্লাহর কসম, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে সালাত আদায় করতে দেখেছি আর আমি তাঁর সামনে কিবলার দিকে তখন চৌকিতে শুয়ে থাকতাম। যখন ওঠার প্রয়োজন হতে তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সামনে বসা এবং রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে কষ্ট দেয়া আমি অপছন্দ করতাম। আমি চৌকির পায়ের দিক দিয়ে সরে পড়তাম।

باب الاِعْتِرَاضِ بَيْنَ يَدَىِ الْمُصَلِّي ‏

حَدَّثَنَا عَمْرٌو النَّاقِدُ، وَأَبُو سَعِيدٍ الأَشَجُّ قَالاَ حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ، ح قَالَ وَحَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ حَفْصِ بْنِ غِيَاثٍ، - وَاللَّفْظُ لَهُ - حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عَائِشَةَ، ‏.‏ قَالَ الأَعْمَشُ وَحَدَّثَنِي مُسْلِمٌ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَائِشَةَ، وَذُكِرَ، عِنْدَهَا مَا يَقْطَعُ الصَّلاَةَ الْكَلْبُ وَالْحِمَارُ وَالْمَرْأَةُ ‏.‏ فَقَالَتْ عَائِشَةُ قَدْ شَبَّهْتُمُونَا بِالْحَمِيرِ وَالْكِلاَبِ ‏.‏ وَاللَّهِ لَقَدْ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي وَإِنِّي عَلَى السَّرِيرِ بَيْنَهُ وَبَيْنَ الْقِبْلَةِ مُضْطَجِعَةً فَتَبْدُو لِي الْحَاجَةُ فَأَكْرَهُ أَنْ أَجْلِسَ فَأُوذِيَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَنْسَلُّ مِنْ عِنْدِ رِجْلَيْهِ ‏.‏


Masruq reported: It was mentioned before'A'isha that prayer is invalidated (in case of passing) of a dog, an ass and a woman (before the worshipper, when he is not screened). Upon this 'A'isha said: You likened us to the asses and the dogs. By Allah I saw the Messenger of Allah (ﷺ) saying prayer while I lay on the bedstead interposing between him and the Qibla. When I felt the need, I did not like to wit to front (of the Holy Prophet) and perturb the Messenger of Allah (ﷺ) and quietly moved out from under its (i. e. of the bedstead) legs.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আসওয়াদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৫. রুকুর সময় দুই হাত হাঁটুতে রাখা উত্তম হওয়া এবং তাতবীক রহিত হওয়া

১০৭৪। মুহাম্মাদ ইবনুল আলা আল-হামদানী, আবূ কুবায়র (রহঃ) ... আসওয়াদ ও আলকামা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তারা বলেন, আমরা দু’জনে আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ)-এর বাসগৃহে উপস্থিত হলাম। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, তোমাদের পিছনে যারা রয়েছে (অর্থাৎ শাসকগণ) তারা কি সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করেছেন? আমরা বললাম, না। তিনি বললেন, তাহলে ওঠ এবং সালাত আদায় কর (কেননা, সালাতের ওয়াক্ত হয়ে গেছে এবং আমীর ও শাসকদের অপেক্ষায় সালাত আদায়ে বিলম্ব করা যায় না) তিনি আমাদের আযান ও ইকামাতের আদেশ দিলেন না। আমরা তাঁর পিছনে দাঁড়াতে চাইলাম, তিনি আমাদের এক জনকে হাত ধরে ডান দিকে এনে দাঁড় করালেন এবং অন্য জনকে বাম দিকে। যখন তিনি রুকু করলেন, আমরা আমাদের দুই হাত হাটূর উপর রাখলাম। তিনি আমাদের হাত ধরে এবং হাতের দুই তালু জোড় করে দুই উরুর মাঝখানে রাখলেন।

সালাত শেষে বললেন, অচিরেই তোমাদের মধ্যে এমন এমন অমীরের আবির্ভাব ঘটবে যারা সালাতকে তার ওয়াক্ত হতে দেরী করে পড়বেন এবং (আসরের) সালাতকে এরূপ দেরী করে পড়বে যে, সূর্য অস্ত যাওয়ার উপক্রম হবে। অতএব, তোমরা যখন তাদের এরুপ করতে দেখবে তখন তোমরাও ওয়াক্তের ভিতরে সালাত আদায় করে নিবে। তারপর তাঁদের সাথে দ্বিতীয়বার নফল হিসাবে পড়বে। আর তোমরা যখন তিনজন হবে, তখন সবাই মিলে সালাত আদায় করবে (অর্থাৎ সবাই এক কাতারে দাঁড়াবে এবং ইমাম মাঝখানে থাকবে)। যখন তিনের অধিক হবে, তখন একজনকে ইমাম বানিয়ে নিবে (এবং তিনি সামনে দাঁড়াবেন)। আর যখন রুকু করবে, তখন দুই হাত উরুর উপর রেখে ঝুঁকে পড়বে এবং দুই হাতের তালূ জোড় করে (দুই উরুর মাঝে) রাখবে আমি যেন এখনও রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর এক হাতের আঙ্গুলগুলো আরেক হাতের আঙ্গূলের ফাঁকে ঢুকতে দেখতে পাচ্ছি। এই বলে তাদের দেখালেন।

باب النَّدْبِ إِلَى وَضْعِ الأَيْدِي عَلَى الرُّكَبِ فِي الرُّكُوعِ وَنَسْخِ التَّطْبِيقِ ‏

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ الْهَمْدَانِيُّ أَبُو كُرَيْبٍ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، وَعَلْقَمَةَ، قَالاَ أَتَيْنَا عَبْدَ اللَّهِ بْنَ مَسْعُودٍ فِي دَارِهِ فَقَالَ أَصَلَّى هَؤُلاَءِ خَلْفَكُمْ فَقُلْنَا لاَ ‏.‏ قَالَ فَقُومُوا فَصَلُّوا ‏.‏ فَلَمْ يَأْمُرْنَا بِأَذَانٍ وَلاَ إِقَامَةٍ - قَالَ - وَذَهَبْنَا لِنَقُومَ خَلْفَهُ فَأَخَذَ بِأَيْدِينَا فَجَعَلَ أَحَدَنَا عَنْ يَمِينِهِ وَالآخَرَ عَنْ شِمَالِهِ - قَالَ - فَلَمَّا رَكَعَ وَضَعْنَا أَيْدِيَنَا عَلَى رُكَبِنَا - قَالَ - فَضَرَبَ أَيْدِيَنَا وَطَبَّقَ بَيْنَ كَفَّيْهِ ثُمَّ أَدْخَلَهُمَا بَيْنَ فَخِذَيْهِ - قَالَ - فَلَمَّا صَلَّى قَالَ إِنَّهُ سَتَكُونُ عَلَيْكُمْ أُمَرَاءُ يُؤَخِّرُونَ الصَّلاَةَ عَنْ مِيقَاتِهَا وَيَخْنُقُونَهَا إِلَى شَرَقِ الْمَوْتَى فَإِذَا رَأَيْتُمُوهُمْ قَدْ فَعَلُوا ذَلِكَ فَصَلُّوا الصَّلاَةَ لِمِيقَاتِهَا وَاجْعَلُوا صَلاَتَكُمْ مَعَهُمْ سُبْحَةً وَإِذَا كُنْتُمْ ثَلاَثَةً فَصَلُّوا جَمِيعًا وَإِذَا كُنْتُمْ أَكْثَرَ مِنْ ذَلِكَ فَلْيَؤُمَّكُمْ أَحَدُكُمْ وَإِذَا رَكَعَ أَحَدُكُمْ فَلْيَفْرِشْ ذِرَاعَيْهِ عَلَى فَخِذَيْهِ وَلْيَجْنَأْ وَلْيُطَبِّقْ بَيْنَ كَفَّيْهِ فَلَكَأَنِّي أَنْظُرُ إِلَى اخْتِلاَفِ أَصَابِعِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَرَاهُمْ ‏.‏


Al-Aswad and 'Alqama reported: We came to the house of 'Abdullah b. Mas'ud. He said: Have these people said prayer behind you? We said: No. He said: Then stand up and say prayer. He neither ordered us to say Adhan nor Iqama. We went to stand behind him. He caught hold of our hands and mode one of us stand on his right hand and the other on his left side. When we bowed, we placed our hands on our knees. He struck our hands and put his hands together, palm to palm, then put them between his thighs. When he completed the prayer he said. There would soon come your Amirs, who would defer prayers from their appointed time and would make such delay that a little time is left before sunset. So when you see them doing so, say prayer at its appointed time and then say prayer along with them as (Nafl), and when you are three, pray together (standing in one row), and when you are more than three, appoint one amongst you as your Imam. And when any one of you bows he must place his hands upon hie thighs and kneel down. and putting his palms together place (them within his thighs). I perceive as if I am seeing the gap between the fingers of the Messenger of Allah (may peace he upon him).


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আসওয়াদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৭. যে সকল ওয়াক্তে সালাত আদায় করা নিষেধ

১৮১০। ইবনুল মূসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ... আসওয়াদ ও মাসরুক (রহঃ) বলেন, আমরা আয়িশা (রাঃ) এর সম্পর্কে সাক্ষ্য প্রদান করছি যে, তিনি বলেন, আমার নিকট পালাক্রমে অবস্থানের দিনটিতে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার গৃহে ঐ দু' রাক’আত অবশ্যই আদায় করতেন। অর্থাৎ আসরের পরের দু' রাকআত।

باب الأَوْقَاتِ الَّتِي نُهِيَ عَنِ الصَّلاَةِ، فِيهَا ‏.‏

وَحَدَّثَنَا ابْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ قَالَ ابْنُ الْمُثَنَّى حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الأَسْوَدِ، وَمَسْرُوقٍ، قَالاَ نَشْهَدُ عَلَى عَائِشَةَ أَنَّهَا قَالَتْ مَا كَانَ يَوْمُهُ الَّذِي كَانَ يَكُونُ عِنْدِي إِلاَّ صَلاَّهُمَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي بَيْتِي ‏.‏ تَعْنِي الرَّكْعَتَيْنِ بَعْدَ الْعَصْرِ ‏.‏


Aswad and Masruq reported: We bear testimony to the fact that 'A'isha said: Never was there a day that he (the Holy Prophet) was with me and he did not observe two rak'ahs of prayer in my house, i. e. two rak'ahs after the Asr.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আসওয়াদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১২. যার কামোদ্দীপনা জাগে না, সাওমের অবস্থায় স্ত্রীকে চুমু দেওয়া তার জন্য হারাম নয়

২৪৫০। মুহাম্মাদ ইবনুল মূসান্না (রহঃ) ... আসওয়াদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ও মাসরুক (রহঃ) আয়িশা (রাঃ) এর নিকট গেলাম এবং তাকে জিজ্ঞাসা করলাম যে, সাওম (রোযা/রোজা/সিয়াম/ছিয়াম) এর অবস্থায় রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি তাঁর স্ত্রীদেরকে স্পর্শ করতেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ করতেন। তবে তিনি তার প্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণে রাখার ব্যাপারে তোমাদের সকলের চেয়ে অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন ছিলেন অথবা বললেন, তোমাদের মধ্যে কে এমন আছে যে তার প্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম? এ ব্যাপারে আবূ আসিম সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।

باب بَيَانِ أَنَّ الْقُبْلَةَ فِي الصَّوْمِ لَيْسَتْ مُحَرَّمَةً عَلَى مَنْ لَمْ تُحَرِّكْ شَهْوَتَهُ ‏‏

وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ عَوْنٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، قَالَ انْطَلَقْتُ أَنَا وَمَسْرُوقٌ، إِلَى عَائِشَةَ - رضى الله عنها - فَقُلْنَا لَهَا أَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُبَاشِرُ وَهُوَ صَائِمٌ قَالَتْ نَعَمْ وَلَكِنَّهُ كَانَ أَمْلَكَكُمْ لإِرْبِهِ أَوْ مِنْ أَمْلَكِكُمْ لإِرْبِهِ ‏.‏ شَكَّ أَبُو عَاصِمٍ ‏.‏


Aswad reported: I and Masruq went to 'A'isha (Allah be pleased with her) and asked. her if the Messenger of Allah (ﷺ) embraced (his wives) while fasting. She said: Yes; but he had the greatest control over his desire among you: or he was one of those who had control over his desire.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আসওয়াদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২১. নযর লাগা, পার্শ্ব ঘা, বিষ ফোঁড়া, বিষাক্ত প্রানীর বিষক্রিয়া ও অসীব নযর থেকে (রক্ষা পাওয়ার জন্য) ঝার-ফুঁক করা মুস্তাহাব

৫৫২৯। আবূ বকর আবূ শায়বা (রহঃ) ... আসওয়াদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আয়িশা (রাঃ) কে ঝাড়-ফুঁক সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আনসারীদের একটি পরিবারকে যে কোন বিষধর প্রানীর বিষ থেকে মুক্তির জন্য ঝাড়-ফুঁক করা অনুমতি দিয়েছেন।

باب اسْتِحْبَابِ الرُّقْيَةِ مِنَ الْعَيْنِ وَالنَّمْلَةِ وَالْحُمَةِ وَالنَّظْرَةِ ‏‏

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، عَنِ الشَّيْبَانِيِّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، بْنِ الأَسْوَدِ عَنْ أَبِيهِ، قَالَ سَأَلْتُ عَائِشَةَ عَنِ الرُّقْيَةِ، فَقَالَتْ رَخَّصَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لأَهْلِ بَيْتٍ مِنَ الأَنْصَارِ فِي الرُّقْيَةِ مِنْ كُلِّ ذِي حُمَةٍ ‏.‏


'Abd al-Rahman b. al-Aswad reported on the authority of his father: I asked 'A'isha about incantation. She said: Allah's Messenger (ﷺ) had granted its sanction to the members of a family of the Ansar for incantation in curing every type of poison.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আসওয়াদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৪. মু'মিন ব্যক্তি কোন রোগ, দুশ্চিন্তা ইত্যাদিতে পতিত হলে এমন কি তার পায়ে কাঁটা বিধলে তার সাওয়াব

৬৩২৭। যুহায়র ইবনু হারব ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ... আসওয়াদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, কতিপয় কুরায়শী যুবক আয়িশা (রাঃ) এর কাছে গেল। তখন তিনি মিনায় অবস্থান করছিলেন। সে সময় তারা হাসছিল। আয়িশা (রাঃ) বললেন, কিসে তোমাদের হাসাচ্ছে? তারা বলল, অমুক ব্যক্তি তার রশির উপর পড়ে গেছে ফলে তার ঘাড় কিংবা চোখ নিষ্পিষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়। তিনি বললেন, তোমরা হেসো না। কেননা আমি শুনেছি, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে কোন মুসলমানের গায়ে কাটা বিদ্ধ হয় কিংবা তার চাইতে অধিক (কোন আঘাত লাগে), তার পরিবর্তে তার একটি মর্যাদা বৃদ্ধি পায় এবং তার একটি গোনাহ মাফ করে দেওয়া হয়।

باب ثَوَابِ الْمُؤْمِنِ فِيمَا يُصِيبُهُ مِنْ مَرَضٍ أَوْ حُزْنٍ أَوْ نَحْوِ ذَلِكَ حَتَّى الشَّوْكَةِ شاكها

حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، وَإِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، جَمِيعًا عَنْ جَرِيرٍ، قَالَ زُهَيْرٌ حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، قَالَ دَخَلَ شَبَابٌ مِنْ قُرَيْشٍ عَلَى عَائِشَةَ وَهِيَ بِمِنًى وَهُمْ يَضْحَكُونَ فَقَالَتْ مَا يُضْحِكُكُمْ قَالُوا فُلاَنٌ خَرَّ عَلَى طُنُبِ فُسْطَاطٍ فَكَادَتْ عُنُقُهُ أَوْ عَيْنُهُ أَنْ تَذْهَبَ ‏.‏ فَقَالَتْ لاَ تَضْحَكُوا فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ مَا مِنْ مُسْلِمٍ يُشَاكُ شَوْكَةً فَمَا فَوْقَهَا إِلاَّ كُتِبَتْ لَهُ بِهَا دَرَجَةٌ وَمُحِيَتْ عَنْهُ بِهَا خَطِيئَةٌ ‏"‏ ‏.‏


Aswad reported that some young men from the Quraish visited 'A'isha as she was in Mina and they were laughing. She said: What makes you laugh? They said: Such and such person stumbled against the rope of the tent and he was about to break his neck or lose his eyes. She said: Don't laugh for I heard Allah's Messenger (ﷺ) as saying: If a Muslim runs a thorn or (gets into trouble) severe than this, there is assured for him (a higher) rank and his sins are obliterated.


পরিচ্ছেদঃ ৩৮/ দুটি ঢিলা দ্বারা পবিত্রতা অর্জন করার অনুমতি

৪২। আহমদ ইবনু সুলায়মান (রহঃ) ... আসওয়াদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন (পায়খানার জন্য) ঢালু জমিতে আসেন এবং আমাকে তিনটি পাথর (ঢেলা) আনার জন্য হুকুম করেন। আমি দু’টি পাথর পেলাম। তৃতীয়টি খোঁজ করলাম। কিন্তু পেলাম না। কাজেই আমি একটি গোবরের টুকরা নিলাম এবং এগুলো নিয়ে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আসলাম। তিনি পাথর দু’টি নিলেন ও গোবর ফেলে দিলেন এবং বললেন, ইহা ‘রিকস’। আবূ আবদুর রহমান বলেনঃ ‘রিকস’ হল জ্বীনের খাদ্য।

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ سُلَيْمَانَ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، عَنْ زُهَيْرٍ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، قَالَ لَيْسَ أَبُو عُبَيْدَةَ ذَكَرَهُ وَلَكِنْ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الأَسْوَدِ عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ سَمِعَ عَبْدَ اللَّهِ، يَقُولُ أَتَى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم الْغَائِطَ وَأَمَرَنِي أَنْ آتِيَهُ بِثَلاَثَةِ أَحْجَارٍ فَوَجَدْتُ حَجَرَيْنِ وَالْتَمَسْتُ الثَّالِثَ فَلَمْ أَجِدْهُ فَأَخَذْتُ رَوْثَةً فَأَتَيْتُ بِهِنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَأَخَذَ الْحَجَرَيْنِ وَأَلْقَى الرَّوْثَةَ وَقَالَ ‏ "‏ هَذِهِ رِكْسٌ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ الرِّكْسُ طَعَامُ الْجِنِّ ‏.‏


'Abdur-Rahman bin Al-Aswad (narrated) from his father that he heard 'Abdullah say: "The Prophet (ﷺ) wanted to defecate, and he told me to bring him three stones. I found two stones and looked for a third, but I could not find any, so I picked up a piece of dung and brought them to the Prophet (ﷺ). He took the two stones and three away the dung and said: "This is Riks." Abu 'Abdur-Rahman (An-Nasai') said: Riks is the food of the jinn.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আসওয়াদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৩৬/ আসরের পর নামাযের অনুমতি প্রদান।

৫৭৬। মুহাম্মদ ইবনু কুদামা (রহঃ) ... আসওয়াদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আয়িশা (রাঃ) বলেছেনঃ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসরের পরে যখনই আমার কাছে আসতেন, দু’রাক’আত সালাত আদায় করতেন।

أَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ قُدَامَةَ، قَالَ حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مُغِيرَةَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، قَالَ قَالَتْ عَائِشَةُ رضى الله تعالى عنها مَا دَخَلَ عَلَىَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَعْدَ الْعَصْرِ إِلاَّ صَلاَّهُمَا ‏.‏


It was narrated that Al-Aswad said: 'Aishah said: "The Messenger of Allah (ﷺ) never entered upon me after 'Asr but he prayed them (the two Rak'ahs)."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আসওয়াদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৬/ আযানের শেষ বাক্য প্রসঙ্গে।

৬৫১। সুওসায়দ (রহঃ) ... আসওয়াদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ বিলাল (রাঃ)-এর আযানের শেষ বাক্যগুলো ছিলঃ

اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ

أَخْبَرَنَا سُوَيْدٌ، قَالَ أَنْبَأَنَا عَبْدُ اللَّهِ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، قَالَ كَانَ آخِرُ أَذَانِ بِلاَلٍ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ ‏.‏


It was narrated that Al-Aswad said: "The final words of the Adhan of Bilal were: 'Allahu Akbar, Allahu Akbar, Allahu Akbar; La ilaha illallah (Allah is the Greatest, Allah is the Greatest, there is none worthy of worship except Allah.)'"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আসওয়াদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৬/ আযানের শেষ বাক্য প্রসঙ্গে।

৬৫২। সুওয়ায়দ (রহঃ) ... আসওয়াদ (রহঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে। [অর্থাৎ বিলাল (রাঃ) এর আযানের শেষ বাক্য ছিল لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ]

أَخْبَرَنَا سُوَيْدٌ، قَالَ أَنْبَأَنَا عَبْدُ اللَّهِ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، مِثْلَ ذَلِكَ ‏.‏


(Another chain) from Ibrahim, from Al-Aswad, with similar narration.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আসওয়াদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২৭/ মসজিদে এক হাতের আঙ্গুল অন্য হাতে প্রবেশ করানো।

৭২০। ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ... আসওয়াদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি এবং আলকামা আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হলে তিনি আমাদের বললেন, এরা কি সালাত আদায় করেছে? আমরা বললাম, না। তিনি বললেন, উঠ, সালাত আদায় কর। আমরা তার পেছনে দাঁড়াতে মনস্থ করলাম। তিনি আমাদের একজনকে তার ডানদিকে এবং অন্যজনকে তাঁর বামদিকে দাঁড় করালেন। তিনি আযান ও ইকামত ব্যতিরেকে সালাত আদায় করলেন। পরে যখন রুকুতে গেলেন, তখন তাঁর অঙ্গুলির মধ্যে তশবীক করলেন এবং তা দুই হাটূর মধ্যস্থলে রাখলেন এবং বললেনঃ আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এরূপ করতে দেখেছি।

أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ أَنْبَأَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، قَالَ حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، قَالَ دَخَلْتُ أَنَا وَعَلْقَمَةُ، عَلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ فَقَالَ لَنَا أَصَلَّى هَؤُلاَءِ قُلْنَا لاَ ‏.‏ قَالَ قُومُوا فَصَلُّوا ‏.‏ فَذَهَبْنَا لِنَقُومَ خَلْفَهُ فَجَعَلَ أَحَدَنَا عَنْ يَمِينِهِ وَالآخَرَ عَنْ شِمَالِهِ فَصَلَّى بِغَيْرِ أَذَانٍ وَلاَ إِقَامَةٍ فَجَعَلَ إِذَا رَكَعَ شَبَّكَ بَيْنَ أَصَابِعِهِ وَجَعَلَهَا بَيْنَ رُكْبَتَيْهِ وَقَالَ هَكَذَا رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَعَلَ ‏.‏


It was narrated that Al-Aswad said: "Alqamah and I entered upon 'Abdullah bin Mas'ud and he said to us: 'Have these people prayed?' We said: 'No.' He said: 'Get up and pray.' So we went to stand behind him, and he put one of us on his right and the other on his left, and he prayed with no Adhan and no Iqamah. When he bowed he interlaced his fingers and placed his hands between his knees, and he said: 'I saw the Messenger of Allah (ﷺ) doing that.'"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আসওয়াদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ২০ পর্যন্ত, সর্বমোট ৫৮ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে পাতা নাম্বারঃ 1 2 3 পরের পাতা »