মুস‘আব ইবনু সা‘দ (রহঃ) থেকে বর্ণিত হাদিস পাওয়া গেছে 60 টি

পরিচ্ছেদঃ ৫০৯. রুকূ’তে হাঁটুর উপর হাত রাখা। আবূ হুমাইদ (রা.) তাঁর সঙ্গীদের সামনে বলেছেন, নবী (ﷺ) (রুকূ’র সময়) দু’হাত দিয়ে উভয় হাঁটুতে ভর দিতেন।

৭৫৪। আবূল ওয়ালীদ (রহঃ) ... মুসআব ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একবার আমি আমার পিতার পাশে দাঁড়িয়ে সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করলাম। এবং (রুকু’র সময়) দু’হাত জোড় করে উভয় উরুর মাঝে রাখলাম। আমার পিতা আমাকে এরূপ করতে নিষেধ করলেন এবং বললেন, পূর্বে আমরা এরূপ করতাম; পরে আমাদেরকে এ থেকে নিষেধ করা হয়েছে এবং হাত হাঁটুর উপর রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

باب وَضْعِ الأَكُفِّ عَلَى الرُّكَبِ فِي الرُّكُوعِ وَقَالَ أَبُو حُمَيْدٍ فِي أَصْحَابِهِ أَمْكَنَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَدَيْهِ مِنْ رُكْبَتَيْهِ.

حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ، قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي يَعْفُورٍ، قَالَ سَمِعْتُ مُصْعَبَ بْنَ سَعْدٍ، يَقُولُ صَلَّيْتُ إِلَى جَنْبِ أَبِي فَطَبَّقْتُ بَيْنَ كَفَّىَّ ثُمَّ وَضَعْتُهُمَا بَيْنَ فَخِذَىَّ، فَنَهَانِي أَبِي وَقَالَ كُنَّا نَفْعَلُهُ فَنُهِينَا عَنْهُ، وَأُمِرْنَا أَنْ نَضَعَ أَيْدِيَنَا عَلَى الرُّكَبِ‏.‏


Narrated Mus`ab bin Sa`d: I offered prayer beside my father and approximated both my hands and placed them in between the knees. My father told me not to do so and said, "We used to do the same but we were forbidden (by the Prophet) to do it and were ordered to place the hands on the knees."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ মুস‘আব ইবনু সা‘দ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৮১৬. দুর্বল ও সৎ লোকদের (দু‘আয়) উসিলায় যুদ্ধে সাহায্য চাওয়া।

وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ أَخْبَرَنِي أَبُو سُفْيَانَ قَالَ لِي قَيْصَرُ سَأَلْتُكَ أَشْرَافُ النَّاسِ اتَّبَعُوهُ أَمْ ضُعَفَاؤُهُمْ فَزَعَمْتَ ضُعَفَاؤُهُمْ وَهُمْ أَتْبَاعُ الرُّسُلِ

ইবন আব্বাস (রাঃ) বলেন যে, আবু সুফইয়ান (রাঃ) আমার কাছে বর্ণনা করেছেন যে, রোম সম্রাট কায়সার আমাকে বললেন, আমি তোমাকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম তার অনুসরন করছে প্রভাবশালী লোক, না তাদের মধ্যে দুর্বলরা? তুমি বলেছ যে, তাদের মধ্যকার দুর্বলরা– এরাই রাসুলদের অনুসারী হয়।


২৬৯৬। সুলাইমান ইবনু হারব (রহঃ) ... মুসআব ইবনু সা’দ (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন সা’দ (রাঃ) এর ধারণা ছিল অন্যদের চাইতে তাঁর মর্যাদা বেশী। তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমরা দুর্বলদের উসিলায়ই সাহায্য ও রিযক প্রাপ্ত হচ্ছো।

باب مَنِ اسْتَعَانَ بِالضُّعَفَاءِ وَالصَّالِحِينَ فِي الْحَرْبِ

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ طَلْحَةَ، عَنْ طَلْحَةَ، عَنْ مُصْعَبِ بْنِ سَعْدٍ، قَالَ رَأَى سَعْدٌ ـ رضى الله عنه ـ أَنَّ لَهُ فَضْلاً عَلَى مَنْ دُونَهُ، فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ هَلْ تُنْصَرُونَ وَتُرْزَقُونَ إِلاَّ بِضُعَفَائِكُمْ ‏"‏‏.‏


Narrated Mus`ab bin Sa`d: Once Sa`d (bin Abi Waqqas) thought that he was superior to those who were below him in rank. On that the Prophet (ﷺ) said, "You gain no victory or livelihood except through (the blessings and invocations of) the poor amongst you."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ মুস‘আব ইবনু সা‘দ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২২৪২. গাযওয়ায়ে তাবুক- আর তা কষ্টের যুদ্ধ

৪০৭৪। মুসাদ্দাদ (রহঃ) ... মুসআব ইবনু সা’দ তাঁর পিতা (আবূ ওয়াক্কাস) (রাঃ) থেকে বর্ননা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাবুক যুদ্ধাভিযানে রওয়ানা হন। আর আলী (রাঃ) কে খলীফা মনোনীত করেন। আলী (রাঃ) বলেন, আপনি কি আমাকে শিশু ও মহিলাদের মধ্যে ছেড়ে যাচ্ছেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি কি এ কথায় রাযী নও যে, তুমি আমার কাছে সে মর্যাদায় অধিষ্ঠিত হবে যেমন হারুন (আলাইহিস সালাম) মূসা (আলাইহিস সালাম) এর পক্ষ থেকে অধিষ্ঠিত ছিলেন। তবে এতোটুকু পার্থক্য যে, (তিনি নাবী ছিলেন আর) আমার পরে আর কোন নাবী নেই। আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, শু’বা (রহঃ) আমাকে হাকাম (রহঃ) থেকে বর্ননা করেন যে, তিনি বলেন, আমি মুসআব (রহঃ) থেকে শুনেছি।

باب غَزْوَةُ تَبُوكَ، وَهْىَ غَزْوَةُ الْعُسْرَةِ

حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ شُعْبَةَ، عَنِ الْحَكَمِ، عَنْ مُصْعَبِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَرَجَ إِلَى تَبُوكَ، وَاسْتَخْلَفَ عَلِيًّا فَقَالَ أَتُخَلِّفُنِي فِي الصِّبْيَانِ وَالنِّسَاءِ قَالَ ‏ "‏ أَلاَ تَرْضَى أَنْ تَكُونَ مِنِّي بِمَنْزِلَةِ هَارُونَ مِنْ مُوسَى إِلاَّ أَنَّهُ لَيْسَ نَبِيٌّ بَعْدِي ‏"‏‏.‏ وَقَالَ أَبُو دَاوُدَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنِ الْحَكَمِ سَمِعْتُ مُصْعَبًا‏.‏


Narrated Sa`d: Allah's Messenger (ﷺ) set out for Tabuk. appointing `Ali as his deputy (in Medina). `Ali said, "Do you want to leave me with the children and women?" The Prophet (ﷺ) said, "Will you not be pleased that you will be to me like Aaron to Moses? But there will be no prophet after me."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ মুস‘আব ইবনু সা‘দ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ আল্লাহ তা’আলার বাণীঃ বল, আমি কি তোমাদের সংবাদ দিব কর্মে ক্ষতিগ্রস্তদের?

৪৩৬৯। মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ... মূসাআব (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আমার পিতাকে[১] জিজ্ঞেস করলাম, قُلْ هَلْ نُنَبِّئُكُمْ بِالأَخْسَرِينَ أَعْمَالاً‏ এ আয়াতে যাদের সম্পর্কে বলা হয়েছে, তারা ‘হারুরি’ [২] গ্রামের অধিবাসী। তিনি বললেন, না। তারা হল ইহুদি ও খ্রিষ্টান। কেননা ইহুদিরা মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছিল এবং খ্রিষ্টানরা জান্নাতকে অস্বীকার করত এবং বলত, সেখানে কোন খাদ্য পানীয় নেই। আর হারুরিরা হচ্ছে, যারা আল্লাহর সাথে ওয়াদা করার পরও তা ভঙ্গ করে। সা’দ তাদের বলতেন ফাসিক।

باب قل هل ننبئكم بالأخسرين أعمالا

حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَمْرٍو، عَنْ مُصْعَبٍ، قَالَ سَأَلْتُ أَبِي ‏(‏قُلْ هَلْ نُنَبِّئُكُمْ بِالأَخْسَرِينَ أَعْمَالاً‏)‏ هُمُ الْحَرُورِيَّةُ قَالَ لاَ، هُمُ الْيَهُودُ وَالنَّصَارَى، أَمَّا الْيَهُودُ فَكَذَّبُوا مُحَمَّدًا صلى الله عليه وسلم وَأَمَّا النَّصَارَى كَفَرُوا بِالْجَنَّةِ وَقَالُوا لاَ طَعَامَ فِيهَا وَلاَ شَرَابَ، وَالْحَرُورِيَّةُ الَّذِينَ يَنْقُضُونَ عَهْدَ اللَّهِ مِنْ بَعْدِ مِيثَاقِهِ، وَكَانَ سَعْدٌ يُسَمِّيهِمُ الْفَاسِقِينَ‏.‏


Narrated Mus`ab: I asked my father, "Was the Verse:-- 'Say: (O Muhammad) Shall We tell you the greatest losers in respect of their deeds?'(18.103) revealed regarding Al-Haruriyya?" He said, "No, but regarding the Jews and the Christians, for the Jews disbelieved Muhammad and the Christians disbelieved in Paradise and say that there are neither meals nor drinks therein. Al- Hururiyya are those people who break their pledge to Allah after they have confirmed that they will fulfill it, and Sa`d used to call them 'Al-Fasiqin (evildoers who forsake Allah's obedience).


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ মুস‘আব ইবনু সা‘দ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২৬৫০. কবরের আযাব হতে আল্লাহর আশ্রয় চাওয়া

৫৯২৫। আদম (রহঃ) ... মুসআব (রহঃ) বর্ণনা করেন, সা'দ (রাঃ) পাঁচটি জিনিস থেকে আল্লাহর আশ্রয় চাইতে নির্দেশ দিতেন এবং তিনি এগুলো নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে উল্লেখ করতেন। তিনি এগুলো থেকে আল্লাহর আশ্রয় চাইতে এ দুআ পড়তে নির্দেশ দিতেনঃ ইয়া আল্লাহ! আমি কৃপণতা থেকে আপনার আশ্রয় চাচ্ছি। আমি কাপুরষতা থেকে আপনার আশ্রয় চাচ্ছি, আমি অবহেলিত বার্ধক্যে উপনীত হওয়া থেকে আপনার আশ্রয় চাচ্ছি, আর আমি দুনিয়ার ফিতনা অর্থাৎ দাজ্জালের ফিতনা থেকেও আপনার আশ্রয় চাচ্ছি এবং আমি কবরের আযাব থেকেও আপনার আশ্রয় চাচ্ছি।

باب التَّعَوُّذِ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ

حَدَّثَنَا آدَمُ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ، عَنْ مُصْعَبٍ، كَانَ سَعْدٌ يَأْمُرُ بِخَمْسٍ وَيَذْكُرُهُنَّ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ كَانَ يَأْمُرُ بِهِنَّ ‏ "‏ اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْبُخْلِ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ الْجُبْنِ، وَأَعُوذُ بِكَ أَنْ أُرَدَّ إِلَى أَرْذَلِ الْعُمُرِ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الدُّنْيَا يَعْنِي فِتْنَةَ الدَّجَّالِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ ‏"‏‏.‏


Narrated Mus`ab: Sa`d used to recommend five (statements) and mentioned that the Prophet (ﷺ) I used to recommend it. (It was) "O Allah! I seek refuge with You from miserliness; and seek refuge with You from cowardice; and seek refuge with You from being sent back to geriatric old age; and I seek refuge with You from the affliction of this world (i.e., the affliction of Ad-Dajjal etc.); and seek refuge with You from the punishment of the grave."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ মুস‘আব ইবনু সা‘দ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২. সালাত আদায়ের জন্য তাহারাতের (পবিত্রতার) আবশ্যিকতা

৪২৮। সাঈদ ইবনু মানসূর, কুতায়বা ইবনু সাঈদ ও আবূ কামিল জাহদারী (রহঃ) ... মুসআব ইবনু সা’দ (রহঃ) থেকে তিনি বর্ণিত। বলেন, আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) অসুস্থ ইবনু আমিরকে দেখতে গিয়েছিলেন। তখন ইবনু আমির তাকে বললেন, হে ইবনু উমর! আপনি কি আমার জন্য আল্লাহর কাছে দুআ করেন না? ইবনু উমর (রাঃ) বললেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে, তাহারাত ব্যতিরেকে সালাত (নামায/নামাজ) কবুল হয় না। খিয়ানতের সম্পদ থেকে সাদাকা কবুল হয় না। আর তুমিতো ছিলে বসরার শাসনকর্তা।

باب وُجُوبِ الطَّهَارَةِ لِلصَّلاَةِ ‏‏

حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ مَنْصُورٍ، وَقُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، وَأَبُو كَامِلٍ الْجَحْدَرِيُّ - وَاللَّفْظُ لِسَعِيدٍ - قَالُوا حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ، عَنْ مُصْعَبِ بْنِ سَعْدٍ، قَالَ دَخَلَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ عَلَى ابْنِ عَامِرٍ يَعُودُهُ وَهُوَ مَرِيضٌ فَقَالَ أَلاَ تَدْعُو اللَّهَ لِي يَا ابْنَ عُمَرَ ‏.‏ قَالَ إِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ لاَ تُقْبَلُ صَلاَةٌ بِغَيْرِ طُهُورٍ وَلاَ صَدَقَةٌ مِنْ غُلُولٍ ‏"‏ ‏.‏ وَكُنْتَ عَلَى الْبَصْرَةِ ‏.‏


It was narrated from Simak bin Harb, that Mus'ab bin Sa'd said: '" 'Abdullah bin 'Umar came to visit Ibn 'Amir when he was sick and he said: 'Won't you supplicate to Allah for me, O Ibn 'Umar ?' He said: 'I heard the Messenger of Allah (ﷺ) say: "No Salat is accepted without Wudu' (purification), and no charity (is accepted) that comes from Ghulul [1] " and you were the governor of Al-Basrah.' " [1] Goods pilfered from the spoils of war prior to their authorized distribution.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ মুস‘আব ইবনু সা‘দ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৫. রুকুর সময় দুই হাত হাঁটুতে রাখা উত্তম হওয়া এবং তাতবীক রহিত হওয়া

১০৭৭। কুতায়বা ইবনু সাঈদ ও আবূ কামিল আল জাহদারী (রহঃ) ... মূসআব ইবনু সা’দ (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, আমি আমার পিতার পার্শ্বে দাঁড়িয়ে সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করলাম এবং (রুকু করাকালীন) আমার দুই হাত দুই হাঁটুর মাঝখানে রাখলাম। তিনি ইশারা করে আমাকে আমার দুই হাতের তালু আমার দুই হাঁটুর উপর রাখতে বললেন। আমি দ্বিতীয়বার ঐরুপ করলাম। আবার আমার হাতের উপর হাত মারলেন এবং বললেন, আমাদের এরূপ করতে নিষেধ করা হয়েছে আর হাতের তালূ দুই হাঁটুর উপর রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

باب النَّدْبِ إِلَى وَضْعِ الأَيْدِي عَلَى الرُّكَبِ فِي الرُّكُوعِ وَنَسْخِ التَّطْبِيقِ ‏

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، وَأَبُو كَامِلٍ الْجَحْدَرِيُّ - وَاللَّفْظُ لِقُتَيْبَةَ - قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ أَبِي يَعْفُورٍ، عَنْ مُصْعَبِ بْنِ سَعْدٍ، قَالَ صَلَّيْتُ إِلَى جَنْبِ أَبِي قَالَ وَجَعَلْتُ يَدَىَّ بَيْنَ رُكْبَتَىَّ فَقَالَ لِي أَبِي اضْرِبْ بِكَفَّيْكَ عَلَى رُكْبَتَيْكَ ‏.‏ قَالَ ثُمَّ فَعَلْتُ ذَلِكَ مَرَّةً أُخْرَى فَضَرَبَ يَدَىَّ وَقَالَ إِنَّا نُهِينَا عَنْ هَذَا وَأُمِرْنَا أَنْ نَضْرِبَ بِالأَكُفِّ عَلَى الرُّكَبِ ‏.‏


Mus'ab b. Sa'd reported: I said prayer by the side of my father and placed my hands between my knees. My father said to me: Place your hands on your knees. I repeated that (the previous act) for the second time, and he struck at my hands and said: We have been forbidden to do so and have been commanded to place our palms on the knees.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ মুস‘আব ইবনু সা‘দ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৫. রুকুর সময় দুই হাত হাঁটুতে রাখা উত্তম হওয়া এবং তাতবীক রহিত হওয়া

১০৭৯। আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বা (রহঃ) ... মুস’আব ইবনু সা’দ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনা, আমি রুকু করার সময় দুই হাত এরুপ করলাম অর্থাৎ দুই হাত জোড় করে দুই উরুর মাঝখানে রাখলেন। আমার পিতা বললেন, আমরা প্রথমে এরুপ করতাম, কিন্তু পরে আমাদের হাটূর উপর হাত রাখতে আদেশ করা হয়েছে।

باب النَّدْبِ إِلَى وَضْعِ الأَيْدِي عَلَى الرُّكَبِ فِي الرُّكُوعِ وَنَسْخِ التَّطْبِيقِ ‏

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي خَالِدٍ، عَنِ الزُّبَيْرِ بْنِ عَدِيٍّ، عَنْ مُصْعَبِ بْنِ سَعْدٍ، قَالَ رَكَعْتُ فَقُلْتُ بِيَدَىَّ هَكَذَا - يَعْنِي طَبَّقَ بِهِمَا وَوَضَعَهُمَا بَيْنَ فَخِذَيْهِ - فَقَالَ أَبِي قَدْ كُنَّا نَفْعَلُ هَذَا ثُمَّ أُمِرْنَا بِالرُّكَبِ ‏.‏


Ibn Sa'd reported: I bowed and my hands were in this state, i. e. they were put together, palm to palm, and were placed between his thighs. My father said: We used to do like this but were later on commanded to place them on the knees.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ মুস‘আব ইবনু সা‘দ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৫. রুকুর সময় দুই হাত হাঁটুতে রাখা উত্তম হওয়া এবং তাতবীক রহিত হওয়া

১০৮০। হাকাম ইবনু মূসা (রহঃ) ... মুস’আব ইবনু সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আমার পিতার পার্শ্বে দাঁড়িয়ে সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করছিলাম। যখন রুকুতে গেলাম, তখন এক হাতের আঙ্গুল আরেক হাতে আঙ্গুলের ফাঁকে ঢুকিয়ে উভয় হাত মাঝখানে রাখলাম। তিনি আমার হাতে মারলেন এবং সালাত শেষ করে বললেন, প্রথমে আমরা এরুপ করতাম। কিন্তু আমাদের হাঁটুর উপর রাখার আদেশ দেয়া হয়।

باب النَّدْبِ إِلَى وَضْعِ الأَيْدِي عَلَى الرُّكَبِ فِي الرُّكُوعِ وَنَسْخِ التَّطْبِيقِ ‏

حَدَّثَنِي الْحَكَمُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي خَالِدٍ، عَنِ الزُّبَيْرِ بْنِ عَدِيٍّ، عَنِ مُصْعَبِ بْنِ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ، قَالَ صَلَّيْتُ إِلَى جَنْبِ أَبِي فَلَمَّا رَكَعْتُ شَبَّكْتُ أَصَابِعِي وَجَعَلْتُهُمَا بَيْنَ رُكْبَتَىَّ فَضَرَبَ يَدَىَّ فَلَمَّا صَلَّى قَالَ قَدْ كُنَّا نَفْعَلُ هَذَا ثُمَّ أُمِرْنَا أَنْ نَرْفَعَ إِلَى الرُّكَبِ ‏.‏


Mus'ab b. Sa'd b. Abu Waqqas reported: I said prayer by the side of my father. When I bowed I intertwined my fingers and placed them between my knees. He struck my hands. When he completed the prayer he said: We used to do that but then were commanded to lift (our palms) to the knees.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ মুস‘আব ইবনু সা‘দ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১. এক-তৃতীয়াংশের ওসিয়্যাত

৪০৬৬। যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ... মুসআব ইবনু সা’দ (রহঃ) তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমি একবার পিড়িত হয়ে পড়ি এবং নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট সংবাদ পাঠাই। (তিনি আসলেন) আমি বললাম, আমার সম্পত্তি যে রূপে ইচ্ছা বন্টন করার অনুমতি দান করুন। তিনি অসম্মতি জানালেন। আমি বললাম, তা হলে অর্ধেক? তিনি তাও অস্বীকার করলেন। আমি বললাম, তাহলে এক-তৃতীয়াংশ? রাবী বলেন, এক-তৃর্তীয়াংশ বলার পর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নীরব থাকেন। রাবী বলেন, এরপর থেকে এক তৃতীয়াংশ বৈধ সাব্যস্ত হয়।

باب الْوَصِيَّةِ بِالثُّلُثِ ‏‏

وَحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنَا سِمَاكُ، بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنِي مُصْعَبُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ مَرِضْتُ فَأَرْسَلْتُ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقُلْتُ دَعْنِي أَقْسِمْ مَالِي حَيْثُ شِئْتُ فَأَبَى ‏.‏ قُلْتُ فَالنِّصْفُ فَأَبَى ‏.‏ قُلْتُ فَالثُّلُثُ قَالَ فَسَكَتَ بَعْدَ الثُّلُثِ ‏.‏ قَالَ فَكَانَ بَعْدُ الثُّلُثُ جَائِزًا ‏.‏


Mus'ab b. Sa'd reported on the authority of his father. I was ailing. I sent message to Allah's Apostle (ﷺ) saying: Permit me to give away my property as I like. He refused. I (again) said: (Permit me) to give away half. He (again refused). I (again said): Then one-third. He (the Holy Prophet) observed silence after (I had asked permission to give away) one-third. He (the narrater) said: It was then that endowment of one-third became permissible.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ মুস‘আব ইবনু সা‘দ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১. এক-তৃতীয়াংশের ওসিয়্যাত

৪০৬৮। কাসিম ইবনু যাকারিয়া (রহঃ) ... মুসআব ইবনু সা’দ (রাঃ) এর সুত্রে তার পিতা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার অসুস্থতায় আমাকে দেখতে এলেন। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, আমি কি আমার সমস্ত সম্পদ ওসিয়াত করে যাব। তিনি বললেন, না। আমি বললাম, তা হলে অর্ধেক? তিনি বললেন, না। আমি বললাম, তবে এক তৃতীয়াংশ? তিনি বললেন, হ্যাঁ এবং বললেন এক-তৃতীয়াংশও অনেক।

باب الْوَصِيَّةِ بِالثُّلُثِ ‏‏

وَحَدَّثَنِي الْقَاسِمُ بْنُ زَكَرِيَّاءَ، حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ، عَنْ زَائِدَةَ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ، بْنِ عُمَيْرٍ عَنْ مُصْعَبِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ عَادَنِي النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَقُلْتُ أُوصِي بِمَالِي كُلِّهِ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ لاَ ‏"‏ ‏.‏ قُلْتُ فَالنِّصْفُ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ لاَ ‏"‏ ‏.‏ فَقُلْتُ أَبِالثُّلُثِ فَقَالَ ‏"‏ نَعَمْ وَالثُّلُثُ كَثِيرٌ ‏"‏ ‏.‏


Ibn Sa'd reported his father as saying: Allah's Apostle (ﷺ) visited me during my illness. I said: I am willing away the whole of my property. He said: No. I said: Then half? He said: No. I said: Should I will away one-third? He said: Yes, and even one-third is enough.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ মুস‘আব ইবনু সা‘দ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১২. গনীমতের মাল

৪৪০৬। কুতায়বা ইবনু সাঈদ (রহঃ) ... মুসআব ইবনু সা’দ (রাঃ) তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, আমার পিতা যুদ্ধলব্ধ সম্পদের এক পঞ্চমাংশ হতে কিছু বস্তু নিয়ে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে বলেন, এটি আমাকে দান করুন। তিনি অস্বীকার করেন। তখন আল্লাহ এই আয়াত নাযিল করেনঃ “তারা আপনার কাছে যুদ্ধলব্ধ দ্রব্য সম্ভার সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করে, আপনি বলে দিন, যুদ্ধলব্ধ দ্রব্য সম্ভার আল্লাহ ও রাসূলের ... শেষ পর্যন্ত। [সূরা আনফালঃ ১]

باب الأَنْفَالِ ‏‏

وَحَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ سِمَاكٍ، عَنْ مُصْعَبِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ أَخَذَ أَبِي مِنَ الْخُمْسِ سَيْفًا فَأَتَى بِهِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ هَبْ لِي هَذَا ‏.‏ فَأَبَى فَأَنْزَلَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ ‏(‏ يَسْأَلُونَكَ عَنِ الأَنْفَالِ قُلِ الأَنْفَالُ لِلَّهِ وَالرَّسُولِ‏)‏


A hadith has been narrated by Mus'ab b. Sa'd who heard it from his father as saying: My father took a sword from Khums and brought it to the Prophet (ﷺ) and said: Grant it to me. He refused. At this Allah revealed (the Qur'anic verse):" They ask thee concerning the spoils of war. Say: The spoils of war are for Allah and the Apostle" (viii. 1).


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ মুস‘আব ইবনু সা‘দ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৫. সা'দ ইবন আবু ওয়াক্কাস (রাঃ) এর ফযীলত

৬০২০। আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বা ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ... মুসআব ইবনু সা’দ (রাঃ) তার পিতা থেকে বর্ণিত যে, তাঁর সম্পর্কে কুরআনের কিছু আয়াত অবতীর্ণ হলো। তিনি বলেন, তাঁর মা শপথ করে ফেলেছে যে, যতক্ষন তিনি ইসলামকে অস্বীকার না করবেন ততক্ষন তার সাথে কথা বলবে না খাবেও না, পানও করবে না। সে বললো, আল্লাহ তায়ালা তোকে আদেশ করেছেন, পিতামাতার কথা মানতে। আর আমি তোর মা। আমি তোকে এ আদেশ করছি। মা তিন দিন পর্যন্ত কিছু খেলেন না। কষ্টে সে বেহুশ হয়ে গেলে উমারাহ নামক তার এক ছেলে তাকে পানি পান করালো। মা সা’দর উপর বদদু’আ করতে লাগলো। তখন আল্লাহ তা’আলা কুরআন শরীফে এ আয়াত অবতীর্ণ করলেনঃ আমি মানুষকে নির্দেশ দিয়েছি তার পিতামাতার প্রতি সদ্ব্যব্যাবহার করতে। তবে ওরা যদি তোমার উপর বল প্রয়োগ করে, আমার সাথে এমন কিছু শরীক করতে যার সম্পর্কে তোমার কোন জ্ঞান নেই, তুমি তাদের মেনো না।” (২৯ঃ ৮) আর পৃথিবীতে তাদের সাথে বসবাস করবে সদ্ভাবে।” (৩১ঃ ১৫)

সা’দ বলেন, একবার রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাতে বিপূল পরিমাণ যুদ্ধলব্ধ সস্পদ আসলো। এতে একটি তলোয়ারও ছিল। আমি সেটা নিয়ে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এলাম, বললাম এ তলোয়ারটি আমায় দান করুন। আর আমার অবস্থা তো আপনি জানেনই। তিনি বললেন এটা যেখান থেকে নিয়েছ সেখানেই রেখে দাও। আমি গেলাম এবং ইচ্ছে করলাম যে, এটাকে ভাণ্ডারে রেখে দেই; কিন্তু আমার মন আমাকে ধিক্কার দিল। অমনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে ফিরে এলাম। বললাম, আমায় এটা দান করুন তিনি উচু আওয়াযে বললেন, এটা যেখানে থেকে এনেছ সেখানে রেখে দাও। তখন আল্লাহ তা’আলা অবতীর্ণ করলেনঃ তারা আপনাকে যুদ্ধ লব্ধ মাল সম্পর্কে প্রশ্ন করে।” (৮ঃ ১)।

তিনি বলেন, অসুস্থ হয়ে আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে আসতে বললাম, তিনি আসলেন। আমি বললাম, আমাকে অনুমতি দান করতন, আমি যাকে ইচ্ছা তাকে আমার ধন-মাল বণ্টন করে দিয়ে দিই। তিনি অস্বীকৃতি জানালেন। আমি বললাম, আচ্ছা অর্ধেক (ধন-মাল বণ্টন করি)। তিনি তাও অস্বীকৃতি জানালেন। আমি বললাম আচ্ছা তবে এক-তৃতীয়াংশ (মাল দিয়ে দেই)। তিনি চুপ হয়ে রইলেন। পরবর্তীতে এক-তৃতীয়াংশ ধন-সম্পদ দান করাই অনুমোদিত হলো।

সা’দ বলেন একবার আমি আনসার ও মুহাজিরদের কিছু লোকের কাছে গেলাম। তারা আমাকে বললো, এসো, তোমায় আমরা আহার করাবো এবং মদ পান করাবো। এ ঘটনা মদ হারাম হওয়ার পুর্বের। আমি তাদের কাছে একটি বাগানে গেলাম। সেখানে উটের মাথার গোশত ভুনা হয়েছিল আর মদের একটা মশক ছিল। আমি তাদের সাথে গোশত খেলাম এবং মদ পান করলাম। সেখানে মুহাজির ও আনসারদের আলোচনা উঠলে আমি বললাম, মুহাজিররা আনসারদের চেয়ে উত্তম। এক লোক মাথার একটি চেয়াল (এর হাড়) দিয়ে আমাকে আঘাত করলো। আমার নাকে যখম হয়ে গেলো। আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে তা অবহিত করলাম। তখন আল্লাহ তা’আলা আমার সম্পর্কে আয়াত নাযিল করলেনঃ “মদ, জুয়া, মুর্তি (পূজার বেদী) ও ভাগ্য নির্ণায়ক শর ঘৃণ্য বস্তু শয়তানের কাজ (৫ঃ ৯০)।

باب فِي فَضْلِ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ رضى الله عنه ‏‏

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنَا سِمَاكُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنِي مُصْعَبُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ نَزَلَتْ فِيهِ آيَاتٌ مِنَ الْقُرْآنِ - قَالَ - حَلَفَتْ أُمُّ سَعْدٍ أَنْ لاَ تُكَلِّمَهُ أَبَدًا حَتَّى يَكْفُرَ بِدِينِهِ وَلاَ تَأْكُلَ وَلاَ تَشْرَبَ ‏.‏ قَالَتْ زَعَمْتَ أَنَّ اللَّهَ وَصَّاكَ بِوَالِدَيْكَ وَأَنَا أُمُّكَ وَأَنَا آمُرُكَ بِهَذَا ‏.‏ قَالَ مَكَثَتْ ثَلاَثًا حَتَّى غُشِيَ عَلَيْهَا مِنَ الْجَهْدِ فَقَامَ ابْنٌ لَهَا يُقَالُ لَهُ عُمَارَةُ فَسَقَاهَا فَجَعَلَتْ تَدْعُو عَلَى سَعْدٍ فَأَنْزَلَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ فِي الْقُرْآنِ هَذِهِ الآيَةَ ‏(‏ وَوَصَّيْنَا الإِنْسَانَ بِوَالِدَيْهِ حُسْنًا‏)‏ ‏(‏ وَإِنْ جَاهَدَاكَ عَلَى أَنْ تُشْرِكَ بِي‏)‏ وَفِيهَا ‏(‏ وَصَاحِبْهُمَا فِي الدُّنْيَا مَعْرُوفًا‏)‏ قَالَ وَأَصَابَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم غَنِيمَةً عَظِيمَةً فَإِذَا فِيهَا سَيْفٌ فَأَخَذْتُهُ فَأَتَيْتُ بِهِ الرَّسُولَ صلى الله عليه وسلم فَقُلْتُ نَفِّلْنِي هَذَا السَّيْفَ فَأَنَا مَنْ قَدْ عَلِمْتَ حَالَهُ ‏.‏ فَقَالَ ‏"‏ رُدُّهُ مِنْ حَيْثُ أَخَذْتَهُ ‏"‏ ‏.‏ فَانْطَلَقْتُ حَتَّى إِذَا أَرَدْتُ أَنْ أُلْقِيَهُ فِي الْقَبَضِ لاَمَتْنِي نَفْسِي فَرَجَعْتُ إِلَيْهِ فَقُلْتُ أَعْطِنِيهِ ‏.‏ قَالَ فَشَدَّ لِي صَوْتَهُ ‏"‏ رُدُّهُ مِنْ حَيْثُ أَخَذْتَهُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَأَنْزَلَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ ‏(‏ يَسْأَلُونَكَ عَنِ الأَنْفَالِ‏)‏ قَالَ وَمَرِضْتُ فَأَرْسَلْتُ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَأَتَانِي فَقُلْتُ دَعْنِي أَقْسِمْ مَالِي حَيْثُ شِئْتُ ‏.‏ قَالَ فَأَبَى ‏.‏ قُلْتُ فَالنِّصْفَ ‏.‏ قَالَ فَأَبَى ‏.‏ قُلْتُ فَالثُّلُثَ ‏.‏ قَالَ فَسَكَتَ فَكَانَ بَعْدُ الثُّلُثُ جَائِزًا ‏.‏ قَالَ وَأَتَيْتُ عَلَى نَفَرٍ مِنَ الأَنْصَارِ وَالْمُهَاجِرِينَ فَقَالُوا تَعَالَ نُطْعِمْكَ وَنَسْقِيكَ خَمْرًا ‏.‏ وَذَلِكَ قَبْلَ أَنْ تُحَرَّمَ الْخَمْرُ - قَالَ - فَأَتَيْتُهُمْ فِي حَشٍّ - وَالْحَشُّ الْبُسْتَانُ - فَإِذَا رَأْسُ جَزُورٍ مَشْوِيٌّ عِنْدَهُمْ وَزِقٌّ مِنْ خَمْرٍ - قَالَ - فَأَكَلْتُ وَشَرِبْتُ مَعَهُمْ - قَالَ - فَذُكِرَتِ الأَنْصَارُ وَالْمُهَاجِرُونَ عِنْدَهُمْ فَقُلْتُ الْمُهَاجِرُونَ خَيْرٌ مِنَ الأَنْصَارِ - قَالَ - فَأَخَذَ رَجُلٌ أَحَدَ لَحْيَىِ الرَّأْسِ فَضَرَبَنِي بِهِ فَجَرَحَ بِأَنْفِي فَأَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَخْبَرْتُهُ فَأَنْزَلَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ فِيَّ - يَعْنِي نَفْسَهُ - شَأْنَ الْخَمْرِ ‏(‏ إِنَّمَا الْخَمْرُ وَالْمَيْسِرُ وَالأَنْصَابُ وَالأَزْلاَمُ رِجْسٌ مِنْ عَمَلِ الشَّيْطَانِ‏)‏


Mus'ab b. Sa'd reported on the authority of his father that many verses of the Qur'an had been revealed in connection with him. His mother Umm Sa'd had taken oath that she would never talk with him until he abandoned his faith and she neither ate nor drank and said: Allah has commanded you to treat well your parents and I am your mother and I command you to do this. She passed three days in this state until she fainted because of extreme hunger and at that time her son whose name was Umara stood up and served her drink and she began to curse Sa'd that Allah, the Exalted and Glorions, revealed these verses of the Holy Qur'an:" And We have enjoined upon a person goodness to his parents but if they contend with thee to associate (others) with Me of which you have no knowledge, then obey them not" (xxix. 8) ; Treat thein with customary good in this world" (xxxi. 15). He also reported that there fell to the lot of Allah's Messenger (ﷺ) huge spoils of war and there was one sword in them. I picked that up and came to Allah's Messenger (ﷺ) and said: Bestow this sword upon me (as my share in the spoils of war) and you know my state. Thereupon he said: Return it to the place from where you picked it up. I went back until I decided to throw it in a store but my soul repulsed me so I came back and asked him to give that sword to me. He said in a loud voice to return it to the place from where I had picked it up. It was on this occasion that this verse was revealed:" They asked about the spoils of war" (viii. 1). He further said: I once fell ill and sent a message to Allah's Apostle (ﷺ). He visited me and I said to him: Permit me to distribute (in charity) my property as much as I like. He did not agree. I said: (Permit me to distribute) half of it. He did not agree. I said: (Permit me to distribute) the third part, whereupon he kept quiet and it was after this (that the distribution of one's property in charity) to the extent of one-third was held valid. He further said: I came to a group of persons of the Ansir and Muhajirin and they said: Come, so that we may serve you wine, and it was before the use of wine had been prohibited. I went to them in a garden and there had been with them the roasted head of a camel and a small water-skin containing wine. I ate and drank along with them and there came under discussion the Ansr (Helpers) and Muhajirin (immigrants). I said: The immigrants are better than the Ansar, that a person picked up a portion of the head (of the camel and struck me with it that my nose was injured. I came to Allah's Messenger (ﷺ) and informed him of the situation that Aliah, the Exalted and Glorious, revealed verses pertaining to wine:" Intoxicants and the games of chance and (sacrificing to) stones set up and (divining by) arrows are only an uncleanliness, the devil's work" (v. 90).


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ মুস‘আব ইবনু সা‘দ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৫. সা'দ ইবন আবু ওয়াক্কাস (রাঃ) এর ফযীলত

৬০২১। মুহাম্মদ ইবনু মুসান্না ও মুহাম্মদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ... মুসআব ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন তিনি বলেন আমার পিতার প্রসঙ্গে চারটি আয়াত অবতীর্ন হয়েছে। অতঃপর পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করলেন। শু’বা শুধু এটুকু কথা অধিক বলেছেন “সা’দ (রাঃ) বলেনঃ লোকেরা আমার মাকে খানা খাওয়ানোর সময় একটি কাঠি দিয়ে তার মুখ ফাঁকা করত, পরে তার মুখে খাদ্য দিতো।” এ বর্ণনায় এরূপ আছে, "সা’দর নাকে আঘাত করলো, এতে তার নাক ভেঙ্গে ফেটে গেলো। এরপর সব সময়ই তাঁর নাক ভাংগাই ছিল।"

باب فِي فَضْلِ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ رضى الله عنه ‏‏

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَمُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ، عَنْ مُصْعَبِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ قَالَ أُنْزِلَتْ فِيَّ أَرْبَعُ آيَاتٍ ‏.‏ وَسَاقَ الْحَدِيثَ بِمَعْنَى حَدِيثِ زُهَيْرٍ عَنْ سِمَاكٍ وَزَادَ فِي حَدِيثِ شُعْبَةَ قَالَ فَكَانُوا إِذَا أَرَادُوا أَنْ يُطْعِمُوهَا شَجَرُوا فَاهَا بِعَصًا ثُمَّ أَوْجَرُوهَا ‏.‏ وَفِي حَدِيثِهِ أَيْضًا فَضَرَبَ بِهِ أَنْفَ سَعْدٍ فَفَزَرَهُ وَكَانَ أَنْفُ سَعْدٍ مَفْزُورًا ‏.‏


This hadith has been transmitted on the authority of Simak and the hadith transmitted on the authority of Shu'ba (the words are): When they intended to feed her (Sa'd'. s mother), they opened her mouth with the help of a stick and then put the feed in her mouth, and in the same hadith the words are: He struck the nose of Sa'd and it was injured and Sa'd had (the mark) of wound on his nose.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ মুস‘আব ইবনু সা‘দ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১০. তাহলীল (لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ বলা), তাসবীহ (سُبْحَانَ اللَّه বলা) ও দু'আর ফযীলত

৬৬০৭। আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বা ও মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নূমায়র (রহঃ) ... মুসআব ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার পিতা আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন যে, তিনি বলেন, আমরা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে বসা ছিলাম। তখন তিনি বললেনঃ তোমাদের মধ্যে কেউ কি প্রতিদিন এক হাজার নেকী অর্জন করতে সক্ষম? তখন সেখানে উপবিষ্টদের মধ্য থেকে এক প্রশ্নকারী বলল, আমাদের কেউ কিভাবে এক হাজার নেকী অর্জন করতে পারবে? তিনি বললেনঃ যে একশ'বার তাসবীহ (سبحان الله ) পাঠ করলে তার জন্য এক হাজার নেকী লিপিবদ্ধ করা হবে (অথবা) এবং তার থেকে এক হাজার গুনাহ মিটিয়ে দেওযা হবে।

باب فَضْلِ التَّهْلِيلِ وَالتَّسْبِيحِ وَالدُّعَاءِ

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا مَرْوَانُ، وَعَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، عَنْ مُوسَى الْجُهَنِيِّ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، - وَاللَّفْظُ لَهُ - حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا مُوسَى الْجُهَنِيُّ، عَنْ مُصْعَبِ بْنِ سَعْدٍ، حَدَّثَنِي أَبِي قَالَ، كُنَّا عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ ‏"‏ أَيَعْجِزُ أَحَدُكُمْ أَنْ يَكْسِبَ كُلَّ يَوْمٍ أَلْفَ حَسَنَةٍ ‏"‏ ‏.‏ فَسَأَلَهُ سَائِلٌ مِنْ جُلَسَائِهِ كَيْفَ يَكْسِبُ أَحَدُنَا أَلْفَ حَسَنَةٍ قَالَ ‏"‏ يُسَبِّحُ مِائَةَ تَسْبِيحَةٍ فَيُكْتَبُ لَهُ أَلْفُ حَسَنَةٍ أَوْ يُحَطُّ عَنْهُ أَلْفُ خَطِيئَةٍ ‏"‏ ‏.‏


Mus'ab b. Sa'd reported that his father told him that he had been in the company of Allah's Messenger (ﷺ) that he said: Is one amongst you powerless to get one thousand virtues every day. Amongst those who had been sitting there, one asked: How one amongst us can get one thousand virtues every day? He said: Recite:" Hallowed be Allah" one hundred times for (by reciting them) one thousand virtues are recorded (to your credit) and one tbousand vices are blotted out.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ মুস‘আব ইবনু সা‘দ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৫৬. রুকু ও সিজদায় হাঁটুর উপর হাত রাখা।

৮৬৭. হাফছ ইবনে উমার (রহঃ) .... মুসআব ইবনে সা’দ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি আমার পিতার পাশে দণ্ডায়মান হয়ে আদায় করা কালে আমার হাতদুটি দুই হাঁটুর মাঝখানে রাখি। তা দেখে তিনি আমাকে এরূপ করতে নিষেধ করলেন। কিন্তু আমি পুনরায় এরূপ করায় তিনি আমাকে বলেন, তুমি আর এরূপ করোনা, কেননা একসময় আমারাও এরূপ করতাম; কিন্তু আমাদেরকে এরূপ করতে নিষেধ করা হয়েছে এবং আমাদের হাঁটুর উপর হাত রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। (বুখারী, মুসলিম, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ, তিরমিযী)।

بَابُ وَضْعِ الْيَدَيْنِ عَلَى الرُّكْبَتَيْنِ

حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي يَعْفُورٍ، - قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَاسْمُهُ وَقْدَانُ - عَنْ مُصْعَبِ بْنِ سَعْدٍ، قَالَ صَلَّيْتُ إِلَى جَنْبِ أَبِي فَجَعَلْتُ يَدَىَّ بَيْنَ رُكْبَتَىَّ فَنَهَانِي عَنْ ذَلِكَ، فَعُدْتُ فَقَالَ لاَ تَصْنَعْ هَذَا فَإِنَّا كُنَّا نَفْعَلُهُ فَنُهِينَا عَنْ ذَلِكَ وَأُمِرْنَا أَنْ نَضَعَ أَيْدِيَنَا عَلَى الرُّكَبِ ‏.‏


Mus’ab b sa’d said: I prayed by the side of my father. I put both of my hands between my knees(in bowing condition). He prohibited me from it. I then repeated; so he said: Do not do so, because we used to do so. But we were prohibited to do that, and commanded to put our hands on the knees.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ মুস‘আব ইবনু সা‘দ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৫০. গণমিতের মাল হতে কাউকে কিছু পুরস্কার হিসাবে দেওয়া।

২৭৩১. হান্নাদ ইবন সিরী (রহঃ) .... মুস'আব ইবন সা‘দ (রহঃ) তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেনঃ বদর-যুদ্ধের দিন আমি একখানি তরবারি নিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট হাযির হই এবং আমি বলিঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আজ দুশমনদের পক্ষ হতে আমার দিল ঠান্ডা হয়ে গেছে (অর্থাৎ তাদের আমি ইচ্ছামত নিধন করেছি)। তাই এ তরবারিখানা আমাকে দান করূন। তিনি বলেনঃ এ তরবারি আমারও নয় এবং তোমারও নয়। তখন আমি এ বলে ফিরে যাই যে, আজ এ তরবারি হয়ত এমন ব্যক্তির অংশে প্রদত্ত হবে যে, যুদ্ধক্ষেত্রে আমার মত কঠিন সংগ্রামে লিপ্ত হয়নি।

এমনসময় আমার কাছে একজন দূত এসে বললঃ চল, রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তোমাকে ডাকছেন। তখন আমি ধারণা করি যে, আমার এ কথাবর্তার ব্যাপারে হয়ত কোন আয়াত নাযিল হয়েছে। অতঃপর আমি আসলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বলেনঃ তুমি আমার নিকট এ তরবরিখানা চেযেছিলে কিন্তু তখন তা আমারও ছিল না এবং তোমারও ছিল না। এখন আল্লাহ্ তা‘আলা এটা আমাকে প্রদান করেছেন, তাই আমি এখন তা তোমাকে দান করছি। অতঃপর তিনি তিলাওয়াত করেনঃ তারা আপনাকে ‘আনফাল’ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। আপনি বলুন, তা আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূলের।

আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেনঃ ইবন মাস‘উদের কিরা‘আত হলোঃ অর্থাৎ ‘নফল’ বা অতিরিক্ত দান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে।

باب فِي النَّفْلِ

حَدَّثَنِي هَنَّادُ بْنُ السَّرِيِّ، عَنْ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ مُصْعَبِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ جِئْتُ إِلَى النَّبِي صلى الله عليه وسلم يَوْمَ بَدْرٍ بِسَيْفٍ فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ اللَّهَ قَدْ شَفَى صَدْرِي الْيَوْمَ مِنَ الْعَدُوِّ فَهَبْ لِي هَذَا السَّيْفَ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ إِنَّ هَذَا السَّيْفَ لَيْسَ لِي وَلاَ لَكَ ‏"‏ فَذَهَبْتُ وَأَنَا أَقُولُ يُعْطَاهُ الْيَوْمَ مَنْ لَمْ يُبْلِ بَلاَئِي ‏.‏ فَبَيْنَا أَنَا إِذْ جَاءَنِي الرَّسُولُ فَقَالَ أَجِبْ ‏.‏ فَظَنَنْتُ أَنَّهُ نَزَلَ فِيَّ شَىْءٌ بِكَلاَمِي فَجِئْتُ فَقَالَ لِي النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إِنَّكَ سَأَلْتَنِي هَذَا السَّيْفَ وَلَيْسَ هُوَ لِي وَلاَ لَكَ وَإِنَّ اللَّهَ قَدْ جَعَلَهُ لِي فَهُوَ لَكَ ثُمَّ قَرَأَ ‏(‏ يَسْأَلُونَكَ عَنِ الأَنْفَالِ قُلِ الأَنْفَالُ لِلَّهِ وَالرَّسُولِ ‏)‏ إِلَى آخِرِ الآيَةِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ قِرَاءَةُ ابْنِ مَسْعُودٍ يَسْأَلُونَكَ النَّفْلَ ‏.‏


Mus’ab bin Sa’d reported on the authority of his father (Sa’ad bin Abi Waqqas) “I brought a sword to the Prophet(ﷺ) on the day of the Badr and I said (to him) Apostle of Allaah(ﷺ) , Allaah has healed up my breast from the enemy today, so give me this sword. He said “This sword is neither mine nor yours. I then went away saying “today this will be given to a man who has not been put to trial like me. Meanwhile a messenger and came to me and said “Respond, I thought something was revealed about me owing to my speech. I came and the Prophet (ﷺ) said to me “You asked me for this sword, but this was neither mine nor yours. Now Allaah has given it to me, hence it is yours. He then recited “they ask thee concerning (things taken as) spoils of war. Say “(Such) spoils are at the disposal of Allaah and the Apostle. Abu Dawud said “According to the reading of the Qur’an of Ibn Mas’ud the verse goes. They ask thee concerning (things taken as ) spoils of war.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ মুস‘আব ইবনু সা‘দ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১১. নরম ব্যবহার সম্পর্কে।

৪৭৩৫. হাসান ইবন মুহাম্মদ (রহঃ) .... মুসআব ইবন সা’দ (রহঃ) তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আখিরাতের কাজ ব্যতীত, অন্যান্য কাজের জন্য তাড়াহুড়া না করাই উত্তম।

باب فِي الرِّفْقِ

حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الصَّبَّاحِ، حَدَّثَنَا عَفَّانُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ الأَعْمَشُ، عَنْ مَالِكِ بْنِ الْحَارِثِ، - قَالَ الأَعْمَشُ وَقَدْ سَمِعْتُهُمْ يَذْكُرُونَ، عَنْ مُصْعَبِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ الأَعْمَشُ - وَلاَ أَعْلَمُهُ إِلاَّ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ التُّؤَدَةُ فِي كُلِّ شَىْءٍ إِلاَّ فِي عَمَلِ الآخِرَةِ ‏"‏ ‏.‏


Narrated Sa'd: The Prophet (ﷺ) said: There is hesitation in everything except in the actions of the next world.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ মুস‘আব ইবনু সা‘দ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২/ (ক) (তাত্ববীক) রহিত হওয়া।

১০৩৫। কুতায়বা (রহঃ) ... মুসআব ইবনু সা'দ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আমার পিতার পাশে সালাত আদায় করলাম, আর আমি আমার উভয় হাত আমার হাঁটুদ্বয়ের মধ্যস্থলে রাখলাম। তখন তিনি আমাকে বললেন, তোমার উভয় হাতের তালু তোমার হাঁটুদ্বয়ের উপর রাখ। তিনি বলেন, তারপর আমি তা পুনরায় করলাম। এরপর তিনি আমার হাত ধরে বললেন, আমাদের এরূপ করতে নিষেধ করা হয়েছে এবং আমরা আদিষ্ট হয়েছি হাঁটুর উপর হাত রাখতে।

أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ أَبِي يَعْفُورٍ، عَنْ مُصْعَبِ بْنِ سَعْدٍ، قَالَ صَلَّيْتُ إِلَى جَنْبِ أَبِي وَجَعَلْتُ يَدَىَّ بَيْنَ رُكْبَتَىَّ فَقَالَ لِي اضْرِبْ بِكَفَّيْكَ عَلَى رُكْبَتَيْكَ ‏.‏ قَالَ ثُمَّ فَعَلْتُ ذَلِكَ مَرَّةً أُخْرَى فَضَرَبَ يَدِي وَقَالَ إِنَّا قَدْ نُهِينَا عَنْ هَذَا وَأُمِرْنَا أَنْ نَضْرِبَ بِالأَكُفِّ عَلَى الرُّكَبِ ‏.‏


It was narrated that Mus'ab bin Sa'd said: "I prayed beside my father and I put my hands between my knees, and he told me: 'Put your hands on your knees.' Then I did that again and he struck my hands and said: 'We were forbidden to do that, and we were commanded to put our hands on our knees.'"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ মুস‘আব ইবনু সা‘দ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২/ (ক) (তাত্ববীক) রহিত হওয়া।

১০৩৬। আমর ইবনু আলী (রহঃ) ... মুস’আব ইবনু সাদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রুকু করলাম এবং তাতে তাৎবিক (হাত দু'হাঁটুর মাঝে রাখা) করলাম। আমার পিতা বললেন, আমরা আগে এরূপ করতাম। তারপর আমরা আদিষ্ট হয়েছি হাটুতে হাত রাখতে।

أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ، قَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي خَالِدٍ، عَنِ الزُّبَيْرِ بْنِ عَدِيٍّ، عَنْ مُصْعَبِ بْنِ سَعْدٍ، قَالَ رَكَعْتُ فَطَبَّقْتُ فَقَالَ أَبِي إِنَّ هَذَا شَىْءٌ كُنَّا نَفْعَلُهُ ثُمَّ ارْتَفَعْنَا إِلَى الرُّكَبِ ‏.‏


It was narrated that Mus'ab bin Sa'd said: "I bowed and put my hands together, and my father said: 'This is something that we used to do, then we brought them up to our knees.'"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ মুস‘আব ইবনু সা‘দ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ২০ পর্যন্ত, সর্বমোট ৬০ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে পাতা নাম্বারঃ 1 2 3 পরের পাতা »