আল-লুলু ওয়াল মারজান ৮/ ঈদাইন বা দু’ ঈদের সালাত (كتاب صلاة العدين)
৫০৫

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই।

৫০৫. ইবনু আব্বাস (রাঃ) বর্ণনা করেছেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আবূ বকর, উমার ও উসমান (রাঃ)-এর সঙ্গে ঈদুল ফিতরে উপস্থিত ছিলাম। তাঁরা খুতবার পূর্বে সালাত আদায় করতেন, পরে খুতবাহ দিতেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বের হলেন, আমি যেন দেখতে পাচ্ছি তিনি হাতের ইঙ্গিতে (লোকদের) বসিয়ে দিচ্ছেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরআনের এ আয়াত পাঠ করলেনঃ (يَأَيُّهَا النَّبيُّ إِذَا جَاءَكَ الْمُؤمِنَاتُ يُبَايِعْنَكَ) “হে নবী! যখন ঈমানদার মহিলাগণ আপনার নিকট এ শর্তে বায়’আত করতে আসেন .... (মুমতাহিনাঃ ১২)। এ আয়াত শেষ করে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের জিজ্ঞেস করলেন, তোমরা এ বায়আতের উপর আছ? তাঁদের মধ্যে একজন মহিলা বলল, হ্যাঁ, সে ছাড়া আর কেউ এর জবাব দিল না। হাসান (রহঃ) জানেন না, সে মহিলা কে? অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা সাদাকাহ কর। সে সময় বিলাল একা তাঁর কাপড় প্রসারিত করে বললেন, আমার মা-বাপ আপনাদের জন্য কুরবান হোক, আসুন, আপনারা দান করুন। তখন নারীগণ তাঁদের ছোট-বড় আংটিগুলো বিলাল (রাঃ)-এর কাপড়ের মধ্যে ফেলতে লাগলেন।

حديث ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: شَهِدْتُ الْفِطْرَ مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَبِي بَكْرٍ وَعُمَرَ وَعُثْمَانَ يُصَلُّونَهَا قَبْلَ الْخُطْبَةِ، ثَمَّ يُخْطَبُ بَعْد

خَرَجَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَأَنِّي أَنْظُرُ إِلَيْهِ حينَ يُجْلِسُ بِيَدِهِ، ثُمَّ أَقْبَلَ يَشُقُّهُمْ، حَتَّى جَاءَ النِّسَاءَ، مَعَهُ بِلاَلٌ فَقَالَ: (يَأَيُّهَا النَّبيُّ إِذَا جَاءَكَ الْمُؤمِنَاتُ يُبَايِعْنَكَ) الآيَةَ ثُمَّ قَالَ حينَ فَرَغَ مِنْهَا: آنْتُنَّ عَلَى ذلِكِ فَقَالَتِ امْرَأَةٌ وَاحِدَةٌ مِنْهُنَّ، لَمْ يُجِبْهُ غَيْرُهَا: نَعَمْ قَالَ: فَتَصَدَّقْنَ فَبَسَطَ بِلاَلٌ ثَوْبَهُ، ثُمَّ قَالَ: هَلُمَّ لَكُنَّ فِدَاءً أَبِي وَأُمِّي فَيُلْقِينَ الْفَتَخَ وَالْخَوَاتِيمَ فِي ثَوْبِ بِلاَلٍ

حديث ابن عباس قال: شهدت الفطر مع النبي صلى الله عليه وسلم وابي بكر وعمر وعثمان يصلونها قبل الخطبة، ثم يخطب بعد خرج النبي صلى الله عليه وسلم كاني انظر اليه حين يجلس بيده، ثم اقبل يشقهم، حتى جاء النساء، معه بلال فقال: (يايها النبي اذا جاءك المومنات يبايعنك) الاية ثم قال حين فرغ منها: انتن على ذلك فقالت امراة واحدة منهن، لم يجبه غيرها: نعم قال: فتصدقن فبسط بلال ثوبه، ثم قال: هلم لكن فداء ابي وامي فيلقين الفتخ والخواتيم في ثوب بلال

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
৮/ ঈদাইন বা দু’ ঈদের সালাত (كتاب صلاة العدين)
৫০৬

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই।

৫০৬. জাবির ইবনু ’আবদুল্লাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদুল ফিতরের দিন দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করলেন, পরে খুতবাহ দিলেন। খুতবাহ শেষে নেমে নারীদের নিকট আসলেন এবং তাঁদের নসীহত করলেন। তখন তিনি বিলাল (রাযি.)-এর হাতের উপর ভর দিয়ে ছিলেন এবং বিলাল (রাযি.) তাঁর কাপড় প্রসারিত করে ধরলেন। এতে নারীগণ দান সামগ্রী ফেলতে লাগলেন।

حديث جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ، قَالَ: قَامَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمَ الْفِطْرِ فَصَلَّى، فَبَدَأَ بِالصَّلاَةِ، ثُمَّ خَطَبَ، فَلَمَّا فَرَغَ نَزَلَ فَأَتَى النِّسَاءَ فَذَكَّرَهُنَّ، وَهُوَ يَتَوَكَّأُ عَلَى يَدِ بِلاَلٍ، وَبِلاَلٌ بَاسِطٌ ثَوْبَهُ، يُلْقِي فِيهِ النِّسَاءُ الصَّدَقَةَ

حديث جابر بن عبد الله، قال: قام النبي صلى الله عليه وسلم يوم الفطر فصلى، فبدا بالصلاة، ثم خطب، فلما فرغ نزل فاتى النساء فذكرهن، وهو يتوكا على يد بلال، وبلال باسط ثوبه، يلقي فيه النساء الصدقة

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
৮/ ঈদাইন বা দু’ ঈদের সালাত (كتاب صلاة العدين)
৫০৭

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই।

৫০৭. ইবনু ’আব্বাস (রাযি.) ও জাবির ইবনু ’আবদুল্লাহ (রাযি.) বলেন, ঈদুল ফিতরের সালাতে কিংবা ঈদুল আযহার সালাতে আযান দেয়া হত না।

حديث ابْنِ عَبَّاسٍ وَجَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ قَالاَ: لَمْ يَكُنْ يُؤَذَّنُ يَوْمَ الْفِطْرِ وَلاَ يَوْمَ الأَضْحَى

حديث ابن عباس وجابر بن عبد الله قالا: لم يكن يوذن يوم الفطر ولا يوم الاضحى

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
৮/ ঈদাইন বা দু’ ঈদের সালাত (كتاب صلاة العدين)
৫০৮

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই।

৫০৮. রাবী বলেন, আমাকে ’আতা (রহ.) বলেছেন যে, ইবনু যুবায়র (রাযি.) এর বায়’আত গ্রহণের প্রথম দিকে ইবনু ’আব্বাস (রাযি.) এ বলে লোক পাঠালেন যে, ঈদুল ফিতরের সালাতে আযান দেয়া হতো না। এবং খুতবাহ দেয়া হতো সালাতের পরে।

حديث ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّهُ أَرْسَلَ إِلَى ابْنِ الزُّبَيْرِ فِي أَوَّلِ مَا بُويِعَ لَهُ، إِنَّهُ لَمْ يَكُنْ يُؤَذَّنُ بِالصَّلاَةِ يَوْمَ الْفِطْرِ، وَإِنَّمَا الْخُطْبَةُ بَعْدَ الصَّلاَةِ

حديث ابن عباس، انه ارسل الى ابن الزبير في اول ما بويع له، انه لم يكن يوذن بالصلاة يوم الفطر، وانما الخطبة بعد الصلاة

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
৮/ ঈদাইন বা দু’ ঈদের সালাত (كتاب صلاة العدين)
৫০৯

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই।

৫০৯. ইবনু ’উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ বকর এবং ’উমার (রাযি.) উভয় ঈদের সালাত খুতবার পূর্বে আদায় করতেন।

حديث ابْنِ عُمَرَ: قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَأَبُو بَكْرٍ وَعُمَرَ، يُصَلُّونَ الْعِيدَيْنِ قَبْلَ الْخُطْبَةِ

حديث ابن عمر: قال: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم، وابو بكر وعمر، يصلون العيدين قبل الخطبة

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
৮/ ঈদাইন বা দু’ ঈদের সালাত (كتاب صلاة العدين)
৫১০

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই।

৫১০. আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাযি.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার দিন ঈদগাহে যেতেন এবং সেখানে তিনি প্রথম যে কাজ শুরু করতেন তা হল সালাত। আর সালাত শেষ করে তিনি লোকদের দিকে মুখ করে দাঁড়াতেন এবং তাঁরা তাঁদের কাতারে বসে থাকতেন। তিনি তাঁদের নসীহত করতেন, উপদেশ দিতেন এবং নির্দেশ দান করতেন। যদি তিনি কোন সেনাদল পাঠাবার ইচ্ছে করতেন, তবে তাদের আলাদা করে নিতেন। অথবা যদি কোন বিষয়ে নির্দেশ জারী করার ইচ্ছে করতেন তবে তা জারি করতেন। অতঃপর তিনি ফিরে যেতেন। আবূ সা’ঈদ (রাযি.) বলেন, লোকেরা বরাবর এ নিয়মই অনুসরণ করে আসছিল।

অবশেষে যখন মারওয়ান মদীনার আমীর হলেন, তখন ঈদুল আযহা বা ঈদুল ফিতরের উদ্দেশে আমি তাঁর সঙ্গে বের হলাম। আমরা যখন ঈদগাহে পৌঁছলাম তখন সেখানে একটি মিম্বার দেখতে পেলাম, সেটি কাসীর ইবনু সাল্ত (রাযি.) তৈরি করেছিলেন। মারওয়ান সালাত আদায়ের পূর্বেই এর উপর আরোহণ করতে উদ্যত হলেন। আমি তাঁর কাপড় টেনে ধরলাম। কিন্তু তিনি কাপড় ছাড়িয়ে খুতবাহ দিলেন। আমি তাকে বললাম, আল্লাহর কসম! তোমরা (রাসূলের সুন্নাত) পরিবর্তন করে ফেলেছ। সে বলল, হে আবূ সা’ঈদ! তোমরা যা জানতে, তা গত হয়ে গেছে। আমি বললাম, আল্লাহর কসম! আমি যা জানি, তা তার চেয়ে ভাল, যা আমি জানি না। সে তখন বলল, লোকজন সালাতের পর আমাদের জন্য বসে থাকে না, তাই আমি খুতবাহ সালাতের পূর্বেই দিয়েছি।

حديث أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ: كَانَ رَسُول اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَخْرُجُ يَوْمَ الْفِطْرِ وَالأَضْحَى إِلَى الْمُصَلَّى، فَأَوَّلُ شَيْءٍ يَبْدأُ بِهِ الصَّلاَةُ، ثُمَّ يَنْصَرِفُ فَيَقُومُ مُقَابِلَ النَّاسِ، وَالنَّاسُ جُلُوسٌ عَلَى صُفُوفِهِمْ، فَيَعِظُهُمْ وَيُوصِيهِمْ وَيَأْمُرُهُمْ، فَإِنْ كَانَ يُريدُ أَنْ يَقْطَعَ بَعْثًا، قَطَعَهُ؛ أَوْ يَأْمُرَ بِشَيْءٍ، أَمَرَ بِهِ؛ ثُمَّ يَنْصَرِف
قَالَ أَبُو سَعِيدٍ: فَلَمْ يَزَلِ النَّاسُ عَلَى ذلِكَ حَتَّى خَرَجْتُ مَعَ مَرْوَانَ، وَهُوَ أَميرُ الْمَديِنةِ، فِي أَضْحًى أَوْ فِطْرٍ، فَلَمَّا أَتَيْنَا الْمُصَلَّى إِذَا مِنْبَرٌ بَنَاهُ كَثيرُ بْنُ الصَّلْتِ، فَإِذَا مَرْوَانُ يُريدُ أَنْ يَرْتَقِيَهُ قَبْلَ أَنْ يُصَلِّيَ، فَجَبَذْتُ بِثَوْبِهِ، فَجَبَذَنِي، فَارْتَفَعَ فَخَطَبَ قَبْلَ الصَّلاَةِ؛ فَقُلْتُ لَهُ: غَيَّرْتُمْ وَاللهِ فَقَالَ: أَبَا سَعِيدٍ قَدْ ذَهَبَ مَا تَعْلَمُ؛ فَقُلْتُ: مَا أَعْلَمُ، وَاللهِ خَيْرٌ مِمَّا لاَ أَعْلَمُ، فَقَالَ: إِنَّ النَّاسَ لَمْ يَكُونُوا يَجْلِسُونَ لَنَا بَعْدَ الصَّلاَةِ فَجَعَلْتُهَا قَبْلَ الصَّلاَةِ

حديث ابي سعيد الخدري، قال: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يخرج يوم الفطر والاضحى الى المصلى، فاول شيء يبدا به الصلاة، ثم ينصرف فيقوم مقابل الناس، والناس جلوس على صفوفهم، فيعظهم ويوصيهم ويامرهم، فان كان يريد ان يقطع بعثا، قطعه؛ او يامر بشيء، امر به؛ ثم ينصرف قال ابو سعيد: فلم يزل الناس على ذلك حتى خرجت مع مروان، وهو امير المدينة، في اضحى او فطر، فلما اتينا المصلى اذا منبر بناه كثير بن الصلت، فاذا مروان يريد ان يرتقيه قبل ان يصلي، فجبذت بثوبه، فجبذني، فارتفع فخطب قبل الصلاة؛ فقلت له: غيرتم والله فقال: ابا سعيد قد ذهب ما تعلم؛ فقلت: ما اعلم، والله خير مما لا اعلم، فقال: ان الناس لم يكونوا يجلسون لنا بعد الصلاة فجعلتها قبل الصلاة

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
৮/ ঈদাইন বা দু’ ঈদের সালাত (كتاب صلاة العدين)
৫১১

পরিচ্ছেদঃ ৮/১. দু' ঈদে ঈদের মাঠে মহিলাদের গমন এবং পুরুষ থেকে দূরে থেকে খুবাহ শ্ৰবণ করার বর্ণনা।

৫১১. উম্মু ’আতিয়্যাহ (রাযি.) হতে রিওয়ায়াত হয়েছে, তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদের দিবসে ঋতুবতী এবং পর্দানশীন নারীদের বের করে আনার আদেশ দিলেন, যাতে তারা মুসলিমদের জামা’আত ও দু’আয় অংশ গ্রহণ করতে পারে। অবশ্য ঋতুবতী নারীগণ সালাতের জায়গা হতে দূরে অবস্থান করবে। এক মহিলা বললেনঃ হে আল্লাহর রসূল! আমাদের কারো কারো ওড়না নেই। তিনি বললেনঃ তার সাথীর উচিত তাকে নিজের ওড়না পরিয়ে দেয়া।

ذكر إباحة خروج النساء في العيدين إلى المصلى وشهود الخطبة مفارقات للرجال

حديث أُمِّ عَطِيَّةَ قَالَتْ: أُمِرْنَا أَنْ نُخْرِجَ الْحُيَّضَ، يَوْمَ الْعِيدَيْنِ، وَذَوَاتِ الْخُدُورِ، فَيَشْهَدْنَ جَمَاعَةَ الْمُسْلِمِينَ وَدَعْوَتَهُمْ، وَيَعْتَزِلُ الحُيَّضُ عَنْ مُصَلاَّهُن
قَالَتِ امْرَأَةٌ: يَا رَسُولَ اللهِ إِحْدَانَا لَيْسَ لَهَا جِلْبَابٌ، قَالَ: لِتُلْبِسْهَا صَاحِبَتُهَا مِنْ جِلْبَابِهَا

حديث ام عطية قالت: امرنا ان نخرج الحيض، يوم العيدين، وذوات الخدور، فيشهدن جماعة المسلمين ودعوتهم، ويعتزل الحيض عن مصلاهن قالت امراة: يا رسول الله احدانا ليس لها جلباب، قال: لتلبسها صاحبتها من جلبابها

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
৮/ ঈদাইন বা দু’ ঈদের সালাত (كتاب صلاة العدين)
৫১২

পরিচ্ছেদঃ ৮/৪. ঈদের দিনে খেলাধূলার ব্যাপারে ছাড় দেয়া হয়েছে যেগুলোতে অপরাধ নেই।

৫১২. ’আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, (একদিন আমার ঘরে) আবূ বকর (রাযি.) এলেন তখন আমার নিকট আনসারী দু’টি মেয়ে বু’আস যুদ্ধের দিন আনসারীগণ পরস্পর যা বলেছিলেন সে সম্পর্কে গান গাইছিল। তিনি বলেন, তারা কোন পেশাধারী গায়িকা ছিল না। আবূ বকর (রাযি.) বললেন, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ঘরে শয়তানী বাদ্যযন্ত্র। আর এটি ছিল ঈদের দিন। তখন আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে আবূ বকর! প্রত্যেক জাতির জন্যই আনন্দ উৎসব রয়েছে আর এ হলো আমাদের আনন্দ।

الرخصة في اللعب الذي لا معصية فيه في أيام العيد

حديث عَائِشَةَ قَالَتْ: دَخَلَ أَبُو بَكْرٍ، وَعِنْدَي جَارِيَتَانِ مِنْ جَوَارِي الأَنْصَارِ، تُغَنِّيَانِ بِمَا تَقَاوَلَتِ الأَنْصَارُ يَوْمَ بُعَاثَ قَالَتْ: وَلَيْسَتَا بِمُغَنِّيَتَيْن
فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ: أَمَزَاميرُ الشَّيْطَانِ فِي بَيْتِ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَذلِكَ فِي يَوْمِ عيدٍ، فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: يَا أَبَا بَكْرٍ إِنَّ لِكُلِّ قَوْمٍ عيدًا وَهذَا عيدُنَا

حديث عاىشة قالت: دخل ابو بكر، وعندي جاريتان من جواري الانصار، تغنيان بما تقاولت الانصار يوم بعاث قالت: وليستا بمغنيتين فقال ابو بكر: امزامير الشيطان في بيت رسول الله صلى الله عليه وسلم وذلك في يوم عيد، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: يا ابا بكر ان لكل قوم عيدا وهذا عيدنا

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
৮/ ঈদাইন বা দু’ ঈদের সালাত (كتاب صلاة العدين)
৫১৩

পরিচ্ছেদঃ ৮/৪. ঈদের দিনে খেলাধূলার ব্যাপারে ছাড় দেয়া হয়েছে যেগুলোতে অপরাধ নেই।

৫১৩. ’আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার নিকট এলেন তখন আমার নিকট দু’টি মেয়ে বু’আস যুদ্ধ সংক্রান্ত গান গাইছিল। তিনি বিছানায় শুয়ে পড়লেন এবং চেহারা অন্যদিকে ফিরিয়ে রাখলেন। এ সময় আবূ বকর (রাযি.) এসে আমাকে ধমক দিয়ে বললেন, শয়তানী বাদ্যযন্ত্র (দফ) বাজানো হচ্ছে (তাও আবার) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট! তখন আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর দিকে মুখ ফিরিয়ে বললেন, ওকে ছেড়ে দাও। অতঃপর তিনি যখন অন্য দিকে ফিরলেন তখন আমি তাদের ইঙ্গিত দিলাম এবং তারা বের হয়ে গেল।

আর ঈদের দিন সুদানীরা বর্শা ও ঢালের দ্বারা খেলা করত। আমি নিজে (একবার) আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করেছিলাম অথবা তিনি নিজেই বলেছিলেন, তুমি কি তাদের খেলা দেখতে চাও? আমি বললাম, হ্যাঁ, অতঃপর তিনি আমাকে তাঁর পিছনে এমনভাবে দাঁড় করিয়ে দিলেন যে, আমার গাল ছিল তাঁর গালের সাথে লাগান। তিনি তাদের বললেন, তোমরা যা করছিলে তা করতে থাক, হে বনূ আরফিদা। পরিশেষে আমি যখন ক্লান্ত হয়ে পড়লাম, তখন তিনি আমাকে বললেন, তোমার কি (দেখা) শেষ হয়েছে? আমি বললাম, হ্যাঁ, তিনি বললেন, তা হলে চলে যাও।

الرخصة في اللعب الذي لا معصية فيه في أيام العيد

حديث عَائِشَةَ قَالَتْ: دَخَلَ عَلَيَّ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَعِنْدِي جَارِيَتَانِ تُغَنِّيَانِ بِغِنَاءِ بُعَاثَ، فَاضْطَجَعَ عَلَى الْفِرَاشِ وَحَوَّلَ وَجْهَهُ، وَدَخَلَ أَبُو بَكْرٍ، فَانْتَهَرَني، وَقَالَ: مِزْمَارَةُ الشَّيْطَانِ عِنْدَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَأَقْبَلَ عَلَيْهِ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: دَعْهُمَا فَلَمَّا غَفَلَ غَمَزْتُهُمَا فَخَرَجَتَاوَكَانَ يَوْمَ عيدٍ يَلْعَبُ فِيهِ السُّودَانُ بِالدَّرَقِ وَالْحِرَابِ، فَإِمَّا سَأَلْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَإِمَّا قَالَ: تَشْتَهِينَ تَنْظُرِينَ فَقُلْتُ: نَعَمْ فَأَقَامَنِي وَرَاءَهُ، خَدِّي عَلَى خَدِّهِ، وَهُوَ يَقُولُ: دُونَكُمْ يَا بَنِي أَرْفِدَةَ حَتَّى إِذَا مَلِلْتُ قَالَ: حَسْبُكِ قُلْتُ: نَعَمْ قَالَ: فَاذْهَبِي

حديث عاىشة قالت: دخل علي رسول الله صلى الله عليه وسلم، وعندي جاريتان تغنيان بغناء بعاث، فاضطجع على الفراش وحول وجهه، ودخل ابو بكر، فانتهرني، وقال: مزمارة الشيطان عند النبي صلى الله عليه وسلم، فاقبل عليه رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال: دعهما فلما غفل غمزتهما فخرجتاوكان يوم عيد يلعب فيه السودان بالدرق والحراب، فاما سالت النبي صلى الله عليه وسلم، واما قال: تشتهين تنظرين فقلت: نعم فاقامني وراءه، خدي على خده، وهو يقول: دونكم يا بني ارفدة حتى اذا مللت قال: حسبك قلت: نعم قال: فاذهبي

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
৮/ ঈদাইন বা দু’ ঈদের সালাত (كتاب صلاة العدين)
৫১৪

পরিচ্ছেদঃ ৮/৪. ঈদের দিনে খেলাধূলার ব্যাপারে ছাড় দেয়া হয়েছে যেগুলোতে অপরাধ নেই।

৫১৪. আবূ হুরায়রাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার একদল হাবশী নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট বর্শা নিয়ে খেলা করছিলেন। এমন সময় ’উমার (রাযি.) সেখানে এলেন এবং হাতে কংকর তুলে নিয়ে তাদের দিকে নিক্ষেপ করলেন। তখন আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে ’উমার! তাদের করতে দাও।

الرخصة في اللعب الذي لا معصية فيه في أيام العيد

حديث أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه قَالَ: بَيْنَا الْحَبَشَةُ يَلْعَبُونَ عِنْدَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِحِرَابِهِمْ، دَخَلَ عُمَرُ فَأَهْوَى إِلَى الْحَصَى فَحَصَبَهُمْ بِهَا، فَقَالَ: دَعْهُمْ يَا عُمَرُ

حديث ابي هريرة رضي الله عنه قال: بينا الحبشة يلعبون عند النبي صلى الله عليه وسلم بحرابهم، دخل عمر فاهوى الى الحصى فحصبهم بها، فقال: دعهم يا عمر

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
৮/ ঈদাইন বা দু’ ঈদের সালাত (كتاب صلاة العدين)
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ১০ পর্যন্ত, সর্বমোট ১০ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে