মুহাম্মদ ইবন আবদুল্লাহ্ ইবন সায়িব (রহঃ) থেকে বর্ণিত হাদিস পাওয়া গেছে 3 টি

পরিচ্ছেদঃ ১৩৩. কা'বায় সালাতের স্থান

২৯২১. আমর ইবন আলী (রহঃ) ... মুহাম্মদ ইবন আবদুল্লাহ্ ইবন সায়িব (রহঃ) তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণনা করেন যে, তিনি ইবন আব্বাস (রাঃ)-কে নিয়ে হাজরে আসওয়াদের সাথে মিলিত স্তম্ভের পাশের তৃতীয় অংশে, যে স্থানটি দরজার নিকটবর্তী সেখানে দাঁড় করালেন। তখন ইবন আব্বাস (রাঃ) বললেনঃ আপনি কি সংবাদ পাননি যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই স্থানে সালাত আদায় করেছেন? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। তারপর তিনি এগিয়ে গিয়ে সেখানে সালাত আদায় করলেন।

مَوْضِعُ الصَّلَاةِ مِنْ الْكَعْبَةِ

أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ قَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى قَالَ حَدَّثَنِي السَّائِبُ بْنُ عُمَرَ قَالَ حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ السَّائِبِ عَنْ أَبِيهِ أَنَّهُ كَانَ يَقُودُ ابْنَ عَبَّاسٍ وَيُقِيمُهُ عِنْدَ الشُّقَّةِ الثَّالِثَةِ مِمَّا يَلِي الرُّكْنَ الَّذِي يَلِي الْحَجَرَ مِمَّا يَلِي الْبَابَ فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ أَمَا أُنْبِئْتَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُصَلِّي هَاهُنَا فَيَقُولُ نَعَمْ فَيَتَقَدَّمُ فَيُصَلِّي


Muhammad bin Abdullah bin As-Saib narrated from his father that: he used to lead Ib Abbas and make him stand at the third side (of the Kabah next to the corner that is next to the stone, in between the stone and the door. Ibn Abbas said: "Have you head that the Messenger of Allah used to pray here?" He said: "Yes." So he went forward and prayed.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ মুহাম্মদ ইবন আবদুল্লাহ্ ইবন সায়িব (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১০. দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ - স্ত্রীদের সাথে সদ্ব্যবহার এবং তাদের প্রত্যেকের (স্বামী-স্ত্রীর) পারস্পরিক হক ও অধিকার সংক্রান্ত

৩২৬১-[২৪] আয়াস ইবনু ‘আব্দুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা আল্লাহ তা‘আলার বান্দীগণকে (স্ত্রীগণকে ক্রীতদাসীর ন্যায়) মেরো না। অতঃপর ‘উমার এসে বললেন, (আপনার নিষেধাজ্ঞার দরুন) স্বামীদের ওপর রমণীদের সীমা ছাড়িয়ে গেছে। এতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে (প্রয়োজনসাপেক্ষে) মারার অনুমতি দিলেন। এমতাবস্থায় রমণীগণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণীগণের নিকট পুনঃপুন এসে স্বামীদের (অত্যাচারের) ব্যাপারে অভিযোগ করতে লাগল। সুতরাং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, শুনে রাখ! আমার পরিবার-পরিজনের নিকট স্ত্রীগণ স্বামীদের অভিযোগ নিয়ে পুনঃপুন আসছে যে, তোমাদের মধ্যে (যারা স্ত্রীদেরকে এরূপে কষ্ট দেয়) তারা কোনক্রমেই ভালো মানুষ নয়। (আবূ দাঊদ, ইবনু মাজাহ ও দারিমী)[1]

وَعَنْ أَيَاسِ بْنِ عَبْدِ اللّٰهِ قَالَ : قَالَ رَسُوْلُ اللّٰهِ ﷺ : «لَا تَضْرِبُوْا إِمَاءِ اللّٰهِ» فَجَاءَ عُمَرُ إِلٰى رَسُوْلِ اللهِ ﷺ فَقَالَ : ذَئِرْنَ النِّسَاءُ عَلَى ازْوَاجِهِنَّ فَرَخَّصَ فِىْ ضَرْبِهِنَّ فَأَطَافَ بَالِ رَسُوْلِ اللّٰهِ ﷺ نِسَاءٌ كَثِيرٌ يَشْكُونَ أَزْوَاجَهُنَّ فَقَالَ رَسُوْلُ اللّٰهِ ﷺ : «لَقَدْ طَافَ بِاٰلِ مُحَمَّدٍ نِسَاءٌ كَثِيرٌ يَشْكُونَ أَزْوَاجَهُنَّ لَيْسَ أُولٰئِكَ بِخِيَارِكُمْ». رَوَاهُ أَبُوْ دَاودَ وَابْنُ مَاجَهْ وَالدَّارِمِىُّ

ব্যাখ্যা: জাহিলী যুগের নারীদেরকে তাদের স্বামীরা অমানসিকভাবে প্রহার করতো। ইসলাম এসে এই কর্ম বন্ধ করে নারীর মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করেছে। ইতিপূর্বে আলোচনা করা হয়েছে স্ত্রীকে প্রহার করতেই হলে তা যৎসামান্য, এরপরও বলা হয়েছে এটা কোনো ভদ্রচিত কাজ নয়।

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ‘‘তোমরা আল্লাহর বান্দীদের অর্থাৎ তোমাদের স্ত্রীদের প্রহার করো না।’’ তোমরা যেমন আল্লাহর বান্দা তারাও তেমনি আল্লাহর বান্দি। উভয়ের আদি পিতা আদম (আঃ) ও আদি মাতা হাওয়া (আঃ)। সুতরাং তাদের প্রতি সদাচারী হও। এতে নারীরা আস্কারা পেয়ে কিছুটা বাড়াবাড়ি শুরু করলে ‘উমার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে অভিযোগ করলেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনার নিষেধাজ্ঞায় স্ত্রীদের স্পর্ধা বেড়ে গেছে, তখন তিনি আবার প্রয়োজনে তাদের প্রহারের অনুমতি প্রদান করলেন। কয়েক দিনের মধ্যে নারীরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্ত্রীদের নিকট এসে অভিযোগ দিতে শুরু করলেন যে, তাদের স্বামীরা তাদের প্রহার করে। ফলে আল্লাহর রসূল এক যুগান্তকারী কথা বলে দিলেন যে, ‘‘যারা স্ত্রীকে প্রহার করে তারা কখনো ভালো মানুষ নয়।’’ অর্থাৎ ভদ্র ও সম্ভ্রান্ত মানুষের স্বভাব ও চরিত্র এটা নয় যে, কথায় কথায় স্ত্রীকে ধরে প্রহার করবে।

এটা অতীব ঘৃণিত ও ছোট লোকের কাজ। ইতিপূর্বে আলোচনা হয়েছে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্ত্রীদের প্রহারের যে অনুমতি দিয়েছিলেন সেটাও কুরআনের নির্দেশক্রমেই। কিন্তু মানুষ প্রয়োজনে জায়িয বিষয় নিয়ে অতীব বাড়াবাড়ি করে থাকে। এ হাদীস দ্বারা বুঝা যায়, স্ত্রীকে মারা বৈধ কিন্তু তা কোনো ক্রমেই ভদ্রচিত কাজ নয়, সুতরাং তাকে না মেরে তার খারাপ আচরণ চরিত্রের উপর ধৈর্যধারণ করা এবং তাকে ক্ষমা করাই সবচেয়ে উত্তম এবং অধিকতর সুন্দর। (মিরকাতুল মাফাতীহ; ‘আওনুল মা‘বূদ ৪র্থ খন্ড, হাঃ ১৭২)


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ মুহাম্মদ ইবন আবদুল্লাহ্ ইবন সায়িব (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৪০. রুকু-সিজদা এবং উভয়ের মধ্যে যে বাক্য যথেষ্ট তার বর্ণনা

১২৭৬(৪). আবু সাহল ইবনে যিয়াদ (রহঃ) ... মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল্লাহ (রহঃ) থেকে তার সনদে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যখন তোমাদের কেউ সিজদা করে তখন সে যেন মাটিতে তার হাঁটুদ্বয় রাখার পূর্বে তার দুই হাত রাখে এবং উটের মত না বসে।

بَابُ ذِكْرِ الرُّكُوعِ وَالسُّجُودِ ، وَمَا يُجْزِئُ فِيهِمَا

حَدَّثَنَا أَبُو سَهْلِ بْنُ زِيَادٍ ، ثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِسْحَاقَ ، ثَنَا أَبُو ثَابِتٍ مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ ، ثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بِإِسْنَادِهِ ، عَنِ النَّبِيِّ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - " إِذَا سَجَدَ أَحَدُكُمْ ، فَلْيَضَعْ يَدَيْهِ قَبْلَ رُكْبَتَيْهِ ، وَلَا يَبْرُكْ بُرُوكَ الْجَمَلِ


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
বর্ণনাকারীঃ মুহাম্মদ ইবন আবদুল্লাহ্ ইবন সায়িব (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ৩ পর্যন্ত, সর্বমোট ৩ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে