শাহর ইবনু হাওশাব (রহঃ) থেকে বর্ণিত হাদিস পাওয়া গেছে 12 টি

পরিচ্ছেদঃ ৪২. ইকামতের জবাবে যা বলতে হবে।

৫২৮. সুলায়মান ইবনু দাউদ ..... শাহর ইবনু হাওসাব থেকে আবূ উমামা (রাঃ) অথবা নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অন্য কোন সাহাবীর সূত্রে বর্ণিত। বিলাল (রাঃ) ইকামত দেওয়ার সময় যখন কাদ কামাতিস সালাহ্ বললেন তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আকামাহাল্লাহু ওয়া আদমাহা। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইকামতের অপরাপর শব্দগুলির জবাবে উমার (রাঃ) বর্ণিত আযানের অনুরূপ শব্দগুলি উচ্চারণ করলেন।

باب مَا يَقُولُ إِذَا سَمِعَ الإِقَامَةَ

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ الْعَتَكِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ ثَابِتٍ، حَدَّثَنِي رَجُلٌ، مِنْ أَهْلِ الشَّامِ عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ، أَوْ عَنْ بَعْضِ، أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّ بِلاَلاً أَخَذَ فِي الإِقَامَةِ فَلَمَّا أَنْ قَالَ قَدْ قَامَتِ الصَّلاَةُ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أَقَامَهَا اللَّهُ وَأَدَامَهَا ‏"‏ ‏.‏ وَقَالَ فِي سَائِرِ الإِقَامَةِ كَنَحْوِ حَدِيثِ عُمَرَ - رضى الله عنه - فِي الأَذَانِ ‏.‏


Narrated AbuUmamah, or one of the Companion of the Prophet: Bilal began the Iqamah, and when he said: "The time for prayer has come," the Prophet (ﷺ) said: "May Allah establish it and cause it to continue."


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ শাহর ইবনু হাওশাব (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই।

৩৯৪২. আবূ কামিল (রহঃ) .... শাহর ইবন হাওশাব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একদা আমি উম্মু সালামা (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা করি, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিম্নোক্ত আয়াতটি কিভাবে তিলাওয়াত করতেন? (إِنَّهُ عَمَلٌ غَيْرُ صَالِحٍ) এভাবে তিলাওয়াত করতেন কি? তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পড়তেনঃ (إِنَّهُ عَمِلَ غَيْرَ صَالِحٍ)।

حَدَّثَنَا أَبُو كَامِلٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ، - يَعْنِي ابْنَ الْمُخْتَارِ - حَدَّثَنَا ثَابِتٌ، عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ، قَالَ سَأَلْتُ أُمَّ سَلَمَةَ كَيْفَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم يَقْرَأُ هَذِهِ الآيَةَ ‏(‏ إِنَّهُ عَمَلٌ غَيْرُ صَالِحٍ ‏)‏ فَقَالَتْ قَرَأَهَا ‏(‏ إِنَّهُ عَمِلَ غَيْرَ صَالِحٍ ‏)‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَرَوَاهُ هَارُونُ النَّحْوِيُّ وَمُوسَى بْنُ خَلَفٍ عَنْ ثَابِتٍ كَمَا قَالَ عَبْدُ الْعَزِيزِ ‏.‏


Narrated Umm Salamah, Ummul Mu'minin: Shahr ibn Hawshab said: I asked Umm Salamah: How did the Messenger of Allah (ﷺ) read this verse: "For his conduct is unrighteous (innahu 'amalun ghayru salih". She replied: He read it: "He acted unrighteously" (innahu 'amila ghayra salih). Abu Dawud said: This tradition has been transmitted by Harun al-Nahwi and Musa b. Khalaf from Thabit as reported by the narrator 'Abd al-Aziz.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ শাহর ইবনু হাওশাব (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ মোজায় মাসহ করা।

৯৪. শাহর ইবনু হাওশাব (রহঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেনঃ আমি জারীর ইবনু আবদিল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু কে উযূ (ওজু/অজু/অযু) করতে দেখেছি। তিনি তাঁর মোযার উপর মাসেহ করেছেন। তখন তাঁকে এই বিষয়ে আমি জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেনঃ আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে উযূ (ওজু/অজু/অযু) করতে দেখেছি। তিনি মোযায় মাসেহ করেছেন। আমি তখন জারীর’কে বললামঃ সূরা মাই'দা নাযিল হবার আগে না পরে তিনি তা করেছেন? জারীর বললেনঃ আমি তো সূরা মাইদা নাযিলের পরেই ইসলাম গ্রহণ করেছি। - ইরওয়া ১/১৩৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৯৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]

কুতায়বা .... শাহর ইবনু হাওশাবের সূত্রে জারীর রাদিয়াল্লাহু আনহ থেকে এই হাদিসটি রিওয়ায়াত করেছেন। বাকিয়্যা (রহঃ) তাঁর সনদে জারীর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে এই হাদিসটি বর্ণনা করেছেন। এই হাদিসটি স্বব্যাখ্যায়িত। মোযায় মাসেহ করার কথা যারা অস্বীকার করেন তাদের কেউ কেউ এর ব্যাখ্যা দেন যে, সূরা মাইদার হুকুম নাযিল হওয়ার পূর্বে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মোযায় মাসেহ করেছেন। জারীর রাদিয়াল্লাহু আনহ বর্ণিত এই হাদিসটি কারণে এই ধরানের ব্যাখ্যার কোন অবকাশ থাকেনা। কেননা, তিনি স্পষ্ট উল্লেখ করেছেন যে, মাইদার আয়াত নাযিল হওয়ার পর তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে মোযায় মাসেহ করতে দেখছেন।

باب فِي الْمَسْحِ عَلَى الْخُفَّيْنِ

وَيُرْوَى عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ، قَالَ رَأَيْتُ جَرِيرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ تَوَضَّأَ وَمَسَحَ عَلَى خُفَّيْهِ فَقُلْتُ لَهُ فِي ذَلِكَ فَقَالَ رَأَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم تَوَضَّأَ وَمَسَحَ عَلَى خُفَّيْهِ ‏.‏ فَقُلْتُ لَهُ أَقَبْلَ الْمَائِدَةِ أَمْ بَعْدَ الْمَائِدَةِ فَقَالَ مَا أَسْلَمْتُ إِلاَّ بَعْدَ الْمَائِدَةِ ‏.‏ حَدَّثَنَا بِذَلِكَ قُتَيْبَةُ حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ زِيَادٍ التِّرْمِذِيُّ عَنْ مُقَاتِلِ بْنِ حَيَّانَ عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ عَنْ جَرِيرٍ ‏.‏ قَالَ وَرَوَى بَقِيَّةُ عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَدْهَمَ عَنْ مُقَاتِلِ بْنِ حَيَّانَ عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ عَنْ جَرِيرٍ ‏.‏ وَهَذَا حَدِيثٌ مُفَسِّرٌ لأَنَّ بَعْضَ مَنْ أَنْكَرَ الْمَسْحَ عَلَى الْخُفَّيْنِ تَأَوَّلَ أَنَّ مَسْحَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم عَلَى الْخُفَّيْنِ كَانَ قَبْلَ نُزُولِ الْمَائِدَةِ وَذَكَرَ جَرِيرٌ فِي حَدِيثِهِ أَنَّهُ رَأَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم مَسَحَ عَلَى الْخُفَّيْنِ بَعْدَ نُزُولِ الْمَائِدَةِ ‏.‏


It has been related from Sahr bin Hawshah that he said: "I saw Jarir bin 'Abdullah performing Wudu and he wiped over his Khuff. I asked him about that. He replied, 'I saw 'I saw Allah's Messenger performing Wudu and he wiped over his Khuff.' So I said to him, before Surah AI-Ma'idah (was revealed) or after AI-Ma'idah?' So he replied, 'I did not acceot Islam until after Al-Ma'idah.'" Qutaibah narrated this to us; (saying) Khalid bin Ziyad At-Tirmidhi narrated it to us, from Muqatil bin Hayyan, from Shahr bin Hawshah, from Jarir. He said: Baqiyyah related it from Ibrahim bin Adham from Muqatil bin Hayyan, from Shahr bin Hawshah, from Jarir. This Hadith is explanatory, because some who dislike wiping over the Khuff give the interpretation that the Prophet's wiping over the two Khuff was before the revelation of Sural Al-Ma'idah. But in his Hadlth, Jarir mentions that he saw the Prophet wiping over his Khuff after the revelation of Surat Al-Ma'idah.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ শাহর ইবনু হাওশাব (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৩৫২২. আবূ মূসা আনসারী (রহঃ) ... শাহর ইবন হাওশাব (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেনঃ আমি উম্মু সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহা কে বললামঃ হে উম্মুল মুমিনীন! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন আপনার কাছে অবস্থান করতেন তখন অধিকাংশ সময় তিনি কি দুয়া করতেন? তিনি বললেনঃ তাঁর অধিকাংশ দু’আ ছিলঃ

يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَى دِينِكَ

(উচ্চারণঃ ইয়া মুকাল্লিবাল কুলূব ছাব্বিত কালবী আলা দীনিকা)

অর্থঃ হে অন্তর পরিবর্তনকারি! আমার অন্তর তুমি তোমার দীনে সুদৃঢ় রাখ।

তিনি বলেনঃ আমি বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনি অধিকাংশ সময় এই দু’আ কেন করেন যে, ইয়া মুকাল্লিবাল কুলূব ছাব্বিত কালবী আলা দীনিকা? তিনি বললেনঃ হে উম্মু সালামা! এমন কোন মানুষ নেই যার অন্তর আল্লহ ত’আলার অঙ্গুলীসমূহের দুই অঙ্গুলের মাঝে নেই। যাকে তিনি ইচ্ছা তাকে তিনি দিনের উপর কায়েম রাখেন, যাকে ইচ্ছা তিনি সরিয়ে দেন।

রাবি মুআয (রহঃ) এই আয়াতটি তিলাওয়াত করলেনঃ

ربَّنَا لاَ تُزِغْ قُلُوبَنَا بَعْدَ إِذْ هَدَيْتَنَا

হে আমাদের রব্ব! হেদায়তের পর তুমি আমাদের অন্তর বক্র করে দিও না। (আল-ইমরান ৩ঃ ৮)।

সহীহ, যিলালুল জান্নাহ ২২৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৫২২ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এই বিষয়ে আয়িশা, নাওওয়াস ইবন সামআন, আনাস, জাবির, আবদুল্লাহ ইবন আমর, নুআম ইবন য়াম্মার (রাঃ) থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। হাদীসটি হাসান।

باب

حَدَّثَنَا أَبُو مُوسَى الأَنْصَارِيُّ، حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ مُعَاذٍ، عَنْ أَبِي كَعْبٍ، صَاحِبِ الْحَرِيرِ حَدَّثَنِي شَهْرُ بْنُ حَوْشَبٍ، قَالَ قُلْتُ لأُمِّ سَلَمَةَ يَا أُمَّ الْمُؤْمِنِينَ مَا كَانَ أَكْثَرُ دُعَاءِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا كَانَ عِنْدَكِ قَالَتْ كَانَ أَكْثَرُ دُعَائِهِ ‏"‏ يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَى دِينِكَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَتْ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا لأَكْثَرِ دُعَائِكَ يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَى دِينِكَ قَالَ ‏"‏ يَا أُمَّ سَلَمَةَ إِنَّهُ لَيْسَ آدَمِيٌّ إِلاَّ وَقَلْبُهُ بَيْنَ أُصْبُعَيْنِ مِنْ أَصَابِعِ اللَّهِ فَمَنْ شَاءَ أَقَامَ وَمَنْ شَاءَ أَزَاغَ ‏"‏ ‏.‏ فَتَلاَ مُعَاذٌ ‏:‏ ‏(‏ ربَّنَا لاَ تُزِغْ قُلُوبَنَا بَعْدَ إِذْ هَدَيْتَنَا ‏)‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عَائِشَةَ وَالنَّوَّاسِ بْنِ سَمْعَانَ وَأَنَسٍ وَجَابِرٍ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو وَنُعَيْمِ بْنِ هَمَّارٍ ‏.‏ قَالَ وَهَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ ‏.‏


Shahr bin Hawshab said: “I said to Umm Salamah: ‘O Mother of the Believers! What was the supplication that the Messenger of Allah (ﷺ) said most frequently when he was with you?” She said: ‘The supplication he said most frequently was: “O Changer of the hearts, make my heart firm upon Your religion (Yā Muqallibal-qulūb, thabbit qalbī `alā dīnik).’” She said: ‘So I said: “O Messenger of Allah, why do you supplicate so frequently: ‘O Changer of the hearts, make my heart firm upon Your religion.’ He said: ‘O Umm Salamah! Verily, there is no human being except that his heart is between Two Fingers of the Fingers of Allah, so whomsoever He wills He makes steadfast, and whomever He wills He causes to deviate.’”


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ শাহর ইবনু হাওশাব (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৭০. মোজার উপর মাসিহ করা

৯৪। শাহার ইবনু হাওশাব হতে বর্ণিত; তিনি বলেনঃ আমি জারীর ইবনু আবদুল্লাহকে ওযু করতে এবং মোজার উপর মসিহ করতে দেখলাম। আমি এ ব্যাপারে তার দৃষ্টি আকর্ষণ করলাম। তিনি বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ওযু করতে এবং মোজার উপর মাসিহ করতে দেখেছি। আমি (শাহর) তাকে (জারীরকে) প্রশ্ন করলাম, সেটা কি সূরা মাইদা অবতীর্ণ হওয়ার আগে না পরে? তিনি বললেন, আমি তো সূরা মাইদা অবতীর্ণ হওয়ার পরেই ইসলাম গ্রহণ করেছি। --সহীহ। ইরওয়া— (১/১৩৭)।

এ হাদীসটি কুতাইবা বর্ণনা করেছেন খালিদ ইবনু যিয়াদ আত-তিরমিয়ী হতে তিনি মুক্বাতিল হতে তিনি শাহর ইবনু হাওশাব হতে তিনি জারীর হতে। আর বাকিয়্যাহ্ বর্ণনা করেছেন ইবরাহীম ইবনু আদহাম হতে তিনি মুক্বাতিল ইবনু হাইয়্যান হতে। তিনি শাহর ইবনু হাওশাব হতে তিনি জারীর হতে। এ হাদীস কুরআনের আয়াতের ব্যাখ্যা পেশ করছে। কেননা একদল লোক মোজার উপর মাসিহ করা অসঙ্গত মনে করেন। তারা এ ব্যাখ্যায় বলেন, সূরা মায়িদাহ অবতীর্ণ হওয়ার আগে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম মোজার উপর মাসিহ করেছিলেন। অথচ হাদীসের রাবী জারীর (রাঃ) উল্লেখ করেছেন, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সূরা মায়িদাহ অবতীর্ণ হওয়ার পরই মোজার উপর মসিহ করতে দেখেছেন (তাই এ হাদীস যেন ওযু সম্পর্কিত আয়াতের ব্যাখ্যা)।

باب فِي الْمَسْحِ عَلَى الْخُفَّيْنِ

وَيُرْوَى عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ، قَالَ رَأَيْتُ جَرِيرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ تَوَضَّأَ وَمَسَحَ عَلَى خُفَّيْهِ فَقُلْتُ لَهُ فِي ذَلِكَ فَقَالَ رَأَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم تَوَضَّأَ وَمَسَحَ عَلَى خُفَّيْهِ ‏.‏ فَقُلْتُ لَهُ أَقَبْلَ الْمَائِدَةِ أَمْ بَعْدَ الْمَائِدَةِ فَقَالَ مَا أَسْلَمْتُ إِلاَّ بَعْدَ الْمَائِدَةِ ‏.‏ حَدَّثَنَا بِذَلِكَ قُتَيْبَةُ حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ زِيَادٍ التِّرْمِذِيُّ عَنْ مُقَاتِلِ بْنِ حَيَّانَ عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ عَنْ جَرِيرٍ ‏.‏ قَالَ وَرَوَى بَقِيَّةُ عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَدْهَمَ عَنْ مُقَاتِلِ بْنِ حَيَّانَ عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ عَنْ جَرِيرٍ ‏.‏ وَهَذَا حَدِيثٌ مُفَسِّرٌ لأَنَّ بَعْضَ مَنْ أَنْكَرَ الْمَسْحَ عَلَى الْخُفَّيْنِ تَأَوَّلَ أَنَّ مَسْحَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم عَلَى الْخُفَّيْنِ كَانَ قَبْلَ نُزُولِ الْمَائِدَةِ وَذَكَرَ جَرِيرٌ فِي حَدِيثِهِ أَنَّهُ رَأَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم مَسَحَ عَلَى الْخُفَّيْنِ بَعْدَ نُزُولِ الْمَائِدَةِ ‏.‏


It has been related from Sahr bin Hawshah that he said: "I saw Jarir bin 'Abdullah performing Wudu and he wiped over his Khuff. I asked him about that. He replied, 'I saw 'I saw Allah's Messenger performing Wudu and he wiped over his Khuff.' So I said to him, before Surah AI-Ma'idah (was revealed) or after AI-Ma'idah?' So he replied, 'I did not acceot Islam until after Al-Ma'idah.'" Qutaibah narrated this to us; (saying) Khalid bin Ziyad At-Tirmidhi narrated it to us, from Muqatil bin Hayyan, from Shahr bin Hawshah, from Jarir. He said: Baqiyyah related it from Ibrahim bin Adham from Muqatil bin Hayyan, from Shahr bin Hawshah, from Jarir. This Hadith is explanatory, because some who dislike wiping over the Khuff give the interpretation that the Prophet's wiping over the two Khuff was before the revelation of Sural Al-Ma'idah. But in his Hadlth, Jarir mentions that he saw the Prophet wiping over his Khuff after the revelation of Surat Al-Ma'idah.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ শাহর ইবনু হাওশাব (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৭৯. সূরা আল-মায়িদাহ অবতীর্ণ হওয়ার পর মুজার উপর মাসাহ

৬১১। শাহর ইবনু হাওশাব হতে বর্ণিত; তিনি বলেনঃ আমি জারীর ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ)-কে ওযু করতে ও মোজার উপর মসাহ করতে দেখলাম। ও তাকে এ বিষয়ে সিজ্ঞেস করলাম। তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ওযু করতে ও মোজার উপর মাসাহ করতে দেখেছি। আমি তাকে বললাম, এটা কি সূরা আল-মায়িদাহ অবতীর্ণ হওয়ার পূর্বে না পরে? তিনি বললেনঃ আমি তো মায়িদাহ অবতীর্ণ হওয়ার পরেই মুসলমান হয়েছি। —সহীহ। ইরওয়া— (১/১৩৭)।

باب مَا ذُكِرَ فِي مَسْحِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بَعْدَ نُزُولِ الْمَائِدَةِ

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ زِيَادٍ، عَنْ مُقَاتِلِ بْنِ حَيَّانَ، عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ، قَالَ رَأَيْتُ جَرِيرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ تَوَضَّأَ وَمَسَحَ عَلَى خُفَّيْهِ قَالَ فَقُلْتُ لَهُ فِي ذَلِكَ فَقَالَ رَأَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم تَوَضَّأَ فَمَسَحَ عَلَى خُفَّيْهِ ‏.‏ فَقُلْتُ لَهُ أَقَبْلَ الْمَائِدَةِ أَمْ بَعْدَ الْمَائِدَةِ قَالَ مَا أَسْلَمْتُ إِلاَّ بَعْدَ الْمَائِدَةِ ‏.‏


Shahr bin Hawshab said: "I saw Jarir bin Abdullah performing Wudu and wiping over his Khuff." He said: "So I asked him: 'What is that?' He said: 'I saw the Prophet performing Wudu and he wiped over his Khuff.' So I said to him: 'Before Al-Ma'idah or after Al-Ma'idah?' He said: 'I did not accept Islam until after Al-Ma'idah.'"]


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ শাহর ইবনু হাওশাব (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৯০. (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বেশী বেশী যে দু’আ পাঠ করতেন)

৩৫২২। শাহর ইবনু হাওশাব (রাহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, উম্মু সালামাহ (রাযিঃ)-কে আমি বললাম, হে উম্মুল মু'মিনীন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনার কাছে অবস্থানকালে অধিকাংশ সময় কোন দু'আটি পাঠ করতেন? তিনি বললেন, তিনি অধিকাংশ সময় এ দু'আ পাঠ করতেনঃ

“হে মনের পরিবর্তনকারী! আমার অন্তরকে তোমার দ্বীনের উপর স্থির রাখ"।

উম্মু সালামাহ (রাযিঃ) বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি অধিকাংশ সময় “হে মনের পরিবর্তনকারী! আমার মনকে তোমার দ্বীনের উপর স্থির রাখ” দু'আটি কেন পাঠ করেন? তিনি বললেনঃ হে উম্মু সালামাহ! এরূপ কোন মানুষ নেই যার মন আল্লাহ তা'আলার দুই আঙ্গুলের মধ্যবর্তীতে অবস্থিত নয়। যাকে ইচ্ছা তিনি (দ্বীনের উপর) স্থির রাখেন এবং যাকে ইচ্ছা (দ্বীন হতে) বিপথগামী করে দেন।

তারপর অধঃস্তন বর্ণনাকারী মুআয (রহঃ) কুরআনের এ আয়াত তিলাওয়াত করেন (অনুবাদ) “হে আমাদের রব! আমাদেরকে সঠিক পথে পরিচালিত করার পর তুমি আমাদের অন্তরসমূহকে বাকা করে দিও না”।

সহীহঃ যিলালুল জান্নাহ (হাঃ ২২৩)।

এ অনুচ্ছেদে আয়িশাহ, নাওয়াস ইবনু সাম্'আন, আনাস, জাবির, আবদুল্লাহ ইবনু আমর ও নু'আইম ইবনু হাম্মার (রাযিঃ) কর্তৃকও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান।

باب

حَدَّثَنَا أَبُو مُوسَى الأَنْصَارِيُّ، حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ مُعَاذٍ، عَنْ أَبِي كَعْبٍ، صَاحِبِ الْحَرِيرِ حَدَّثَنِي شَهْرُ بْنُ حَوْشَبٍ، قَالَ قُلْتُ لأُمِّ سَلَمَةَ يَا أُمَّ الْمُؤْمِنِينَ مَا كَانَ أَكْثَرُ دُعَاءِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا كَانَ عِنْدَكِ قَالَتْ كَانَ أَكْثَرُ دُعَائِهِ ‏"‏ يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَى دِينِكَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَتْ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا لأَكْثَرِ دُعَائِكَ يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَى دِينِكَ قَالَ ‏"‏ يَا أُمَّ سَلَمَةَ إِنَّهُ لَيْسَ آدَمِيٌّ إِلاَّ وَقَلْبُهُ بَيْنَ أُصْبُعَيْنِ مِنْ أَصَابِعِ اللَّهِ فَمَنْ شَاءَ أَقَامَ وَمَنْ شَاءَ أَزَاغَ ‏"‏ ‏.‏ فَتَلاَ مُعَاذٌ ‏:‏ ‏(‏ ربَّنَا لاَ تُزِغْ قُلُوبَنَا بَعْدَ إِذْ هَدَيْتَنَا ‏)‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عَائِشَةَ وَالنَّوَّاسِ بْنِ سَمْعَانَ وَأَنَسٍ وَجَابِرٍ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو وَنُعَيْمِ بْنِ هَمَّارٍ ‏.‏ قَالَ وَهَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ ‏.‏


Shahr bin Hawshab said: “I said to Umm Salamah: ‘O Mother of the Believers! What was the supplication that the Messenger of Allah (ﷺ) said most frequently when he was with you?” She said: ‘The supplication he said most frequently was: “O Changer of the hearts, make my heart firm upon Your religion (Yā Muqallibal-qulūb, thabbit qalbī `alā dīnik).’” She said: ‘So I said: “O Messenger of Allah, why do you supplicate so frequently: ‘O Changer of the hearts, make my heart firm upon Your religion.’ He said: ‘O Umm Salamah! Verily, there is no human being except that his heart is between Two Fingers of the Fingers of Allah, so whomsoever He wills He makes steadfast, and whomever He wills He causes to deviate.’”


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ শাহর ইবনু হাওশাব (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৮৪. মুস্তাহাযাহ (রক্ত প্রদরের রোগিণী)-এর গোসল সম্পর্কে

৮২০. শাহর ইবনু হাওশাব বলেন, আমি ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমাকে ইসতিহাযাহগ্রস্ত মহিলা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন: যে কয়টা দিন ধরে তার হায়েয হতো, সে সেই কয়টা দিন পরিমাণ সময় অপেক্ষা করবে, এবং তার উপর সালাত আদায় করা হারাম। তারপর সে যেন গোসল করে এবং সালাত আদায় করে সেই সময় পর্যন্ত যতক্ষণ না তার (পূণরায়) হায়েয হয়। (হায়েয হলে) তখন তার উপর সালাত আদায় হারাম। এরপর সে যেন গোসল করে। আর ওটি শয়তানের পক্ষ হতে। সে তাদের দু’জনের একজনকে কাফির বানাতে চায়।[1]

بَابٌ فِي غُسْلِ الْمُسْتَحَاضَةِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ بَهْرَامَ عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ قَالَ سُئِلَ ابْنُ عَبَّاسٍ عَنْ الْمَرْأَةِ تُسْتَحَاضُ قَالَ تَنْتَظِرُ قَدْرَ مَا كَانَتْ تَحِيضُ فَلْتُحَرِّمْ الصَّلَاةَ ثُمَّ لِتَغْتَسِلْ وَلْتُصَلِّ حَتَّى إِذَا كَانَ أَوَانُهَا الَّذِي تَحِيضُ فِيهِ فَلْتُحَرِّمْ الصَّلَاةَ ثُمَّ لِتَغْتَسِلْ فَإِنَّمَا ذَاكَ مِنْ الشَّيْطَانِ يُرِيدُ أَنْ يُكْفِرَ إِحْدَاهُنَّ
إسناده حسن من أجل شهر بن حوشب


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ শাহর ইবনু হাওশাব (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৬. সকল বাণীর উপর আল্লাহর কালাম (বাণী)-এর মর্যাদা

৩৩৯৬. শাহর ইবনু হাওশাব হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “সৃষ্টিকুলের কালামের উপর আল্লাহর কালামের মর্যাদা সেরূপ যেরূপ সকল সৃষ্টি উপর আল্লাহর মর্যাদা।”[1]

باب فَضْلِ كَلَامِ اللَّهِ عَلَى سَائِرِ الْكَلَامِ

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ أَشْعَثَ الْحُدَّانِيِّ عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَضْلُ كَلَامِ اللَّهِ عَلَى كَلَامِ خَلْقِهِ كَفَضْلِ اللَّهِ عَلَى خَلْقِهِ


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ শাহর ইবনু হাওশাব (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২১. সুরাহ ইয়াসীনের ফযীলত

৩৪৫৮. শাহর ইবনু হাওশাব হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন: “যে ব্যক্তি সকালে সুরাহ ইয়াসীন পাঠ করবে, সন্ধ্যা পর্যন্ত তার দিনটি সহজ-সাবলীল করা হবে এবং যে ব্যক্তি রাতের প্রারম্ভে (সন্ধ্যায়) সুরাহ ইয়াসীন পাঠ করবে, সকাল পর্যন্ত তার রাতটি সহজ-সাবলীল করা হবে ।”[1]

باب فِي فَضْلِ يس

حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ زُرَارَةَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ حَدَّثَنَا رَاشِدٌ أَبُو مُحَمَّدٍ الْحِمَّانِيُّ عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ قَالَ قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ مَنْ قَرَأَ يس حِينَ يُصْبِحُ أُعْطِيَ يُسْرَ يَوْمِهِ حَتَّى يُمْسِيَ وَمَنْ قَرَأَهَا فِي صَدْرِ لَيْلِهِ أُعْطِيَ يُسْرَ لَيْلَتِهِ حَتَّى يُصْبِحَ


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ শাহর ইবনু হাওশাব (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ কুরআনের কিরআত ও পাঠের নিয়ম

৩৯৮৩। শাহর ইবনু হাওশাব (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি উম্মু সালামাহ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই আয়াত কিভাবে পড়তেনঃ (إِنَّهُ عَمَلٌ غَيْرُ صَالِحٍ)? তিনি বললেন, তিনি এই আয়াত এভাবে পড়তেন(إِنَّهُ عَمِلَ غَيْرَ صَالِحٍ)।[1]

সহীহ।

حَدَّثَنَا أَبُو كَامِلٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ يَعْنِي ابْنَ الْمُخْتَارِ، حَدَّثَنَا ثَابِتٌ، عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ، قَالَ: سَأَلْتُ أُمَّ سَلَمَةَ: كَيْفَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقْرَأُ هَذِهِ الْآيَةَ (إِنَّهُ عَمَلٌ غَيْرُ صَالِحٍ) [هود: ٤٦]؟ فَقَالَتْ: قَرَأَهَا (إِنَّهُ عَمِلَ غَيْرَ صَالِحٍ) قَالَ أَبُو دَاوُدَ: وَرَوَاهُ هَارُونُ النَّحْوِيُّ، وَمُوسَى بْنُ خَلَفٍ، عَنْ ثَابِتٍ، كَمَا قَالَ عَبْدُ الْعَزِيزِ

صحيح


Narrated Umm Salamah, Ummul Mu'minin: Shahr ibn Hawshab said: I asked Umm Salamah: How did the Messenger of Allah (ﷺ) read this verse: "For his conduct is unrighteous (innahu 'amalun ghayru salih". She replied: He read it: "He acted unrighteously" (innahu 'amila ghayra salih). Abu Dawud said: This tradition has been transmitted by Harun al-Nahwi and Musa b. Khalaf from Thabit as reported by the narrator 'Abd al-Aziz.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ শাহর ইবনু হাওশাব (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ দু‘আর গুরুত্ব ও মাহাত্ম্য এবং নবী (ﷺ) এর কতিপয় দু‘আর নমুনা

(৩৬৬৬) শাহর ইবনে হাওশাব হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি উম্মে সালামাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহা) কে বললাম, হে মু’মিন জননী! আল্লাহর রসূল যখন আপনার নিকট অবস্থান করতেন, তখন কোন্ দু‘আ তিনি অধিক মাত্রায় পাঠ করতেন? তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অধিকাংশ এই দু‘আ পড়তেন, ‘ইয়া মুক্বাল্লিবাল ক্বুলূবি সাব্বিত ক্বালবী আলা দীনিক।’ অর্থাৎ, হে হৃদয়সমূহকে বিবর্তনকারী! আমার হৃদয়কে তোমার দ্বীনের উপর প্রতিষ্ঠিত রাখ।

وَعَنْ شَهْرِ بنِ حَوشَبٍ قَالَ : قُلْتُ لأُمِّ سَلَمَةَ رَضِيَ اللهُ عَنهَا يَا أُمَّ المُؤمِنِينَ مَا كَانَ أَكثَرُ دُعَاءِ رَسُولِ اللهِ ﷺ إِذَا كَانَ عِنْدَكِ ؟ قَالَتْ : كَانَ أَكْثَرُ دُعَائِهِ يَا مُقَلِّبَ القُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَى دِينِكَ رواه الترمذي وقال حديث حسن


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ শাহর ইবনু হাওশাব (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ১২ পর্যন্ত, সর্বমোট ১২ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে