লায়স (রহঃ) থেকে বর্ণিত হাদিস পাওয়া গেছে 11 টি

পরিচ্ছেদঃ ৭৮৬. কাফন পরানোর পর মৃত ব্যক্তির কাছে যাওয়া।

১১৭১। সায়ীদ ইবনু উফাইর (রহঃ) ... লায়স (রহঃ) সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আর নাফি' ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) উকাইল (রহঃ) সূত্রে বলেন-مَا يُفْعَلُ بِهِ তার সঙ্গে কি ব্যবহার করা হবে?* শু'য়াইব, আমর ইবনু দ্বীনার ও মা'মার (রহঃ) উকাইল (রহঃ)-এর অনুসরণ করেছেন।

باب الدُّخُولِ عَلَى الْمَيِّتِ بَعْدَ الْمَوْتِ إِذَا أُدْرِجَ فِي كَفَنِهِ

حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عُفَيْرٍ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، مِثْلَهُ‏.‏ وَقَالَ نَافِعُ بْنُ يَزِيدَ عَنْ عُقَيْلٍ، مَا يُفْعَلُ بِهِ وَتَابَعَهُ شُعَيْبٌ وَعَمْرُو بْنُ دِينَارٍ وَمَعْمَرٌ‏.‏


Narrated Al-Laith as above.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ লায়স (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১১. পাত্র আচ্ছাদিত করে রাখা অর্থাৎ ঢেকে রাখা, মশকের মুখ বন্ধ করা, দরজা বন্ধ করা ও এ সময়ে আল্লাহর নাম লওয়া, শয়নকালে বাতির আগুন নিভিয়ে দেয়া এবং মাগরিবের পর ছেলেমেয়ে ও গৃহপালিত জন্তুগুলোকে আটকে রাখা মুস্তাহাব

৫০৮৬। নাসর ইবনু আলী জাহযামী (রহঃ) ... লাইস ইবনু সা'দ (রহঃ) থেকে উক্ত সনদে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে তিনি বলেছেন, কেননা বছরে একটি দিন আছে, যে দিনে মহামারী নেমে আসে। বর্ণনাকারী হাদীসের শেষাংশে অধিক বলেছেন যে, লাইস বলেছেন, আমাদের মধ্যে অনারবরা “প্রথম কানূন”* এ বিষয়ে মতামত অবলম্বন করে।

باب استحباب تخمير الإِنَاءِ وَإِيكَاءِ السِّقَاءِ وَإِغْلاَقِ الأَبْوَابِ وَذِكْرِ اسْمِ اللَّهِ عَلَيْهَا وَإِطْفَاءِ السِّرَاجِ وَالنَّارِ عِنْدَ النَّوْمِ وَكَفِّ الصِّبْيَانِ وَالْمَوَاشِي بَعْدَ الْمَغْرِبِ

وَحَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ الْجَهْضَمِيُّ، حَدَّثَنِي أَبِي، حَدَّثَنَا لَيْثُ بْنُ سَعْدٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ ‏.‏ بِمِثْلِهِ غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ ‏ "‏ فَإِنَّ فِي السَّنَةِ يَوْمًا يَنْزِلُ فِيهِ وَبَاءٌ ‏"‏ ‏.‏ وَزَادَ فِي آخِرِ الْحَدِيثِ قَالَ اللَّيْثُ فَالأَعَاجِمُ عِنْدَنَا يَتَّقُونَ ذَلِكَ فِي كَانُونَ الأَوَّلِ ‏.‏


This hadith is reported on the authority of Laith b. Sa'd with the same chain of transmitters, but with a slight variation in wording (and that is that) he (the Holy Prophet) said: There is a day in a year when descends the pestilence; at the end of the hadith Laith said that the non Arabs save themselves from it in Kanun Awwal (this is the month of December).


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ লায়স (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১১৮. ইস্তেহাযাগ্রস্ত মহিলাদের উযু নষ্টের পর উযু করা সম্পর্কে।

৩০৬. আব্দুল মালেক ইবনু শুআয়ব ..... লাইছ (রহঃ) রবীআর সূত্রে বর্ণনা করেন যে, ইস্তেহাযাগ্রস্ত মহিলাদের প্রত্যেক নামাযের পূর্বে উযূ (ওজু/অজু/অযু) করার প্রয়োজন নাই। তবে রক্ত প্রবাহিত হওয়া ব্যতিরেকে যে সমস্ত কারণে উযূ নষ্ট হয়- এরূপ কিছু হলে পুনরায় উযূ করতে হবে। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, এটা মালিক ইবনু আনাসের অভিমত।

باب مَنْ لَمْ يَذْكُرِ الْوُضُوءَ إِلاَّ عِنْدَ الْحَدَثِ

حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ شُعَيْبٍ، حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنَا اللَّيْثُ، عَنْ رَبِيعَةَ، أَنَّهُ كَانَ لاَ يَرَى عَلَى الْمُسْتَحَاضَةِ وُضُوءًا عِنْدَ كُلِّ صَلاَةٍ إِلاَّ أَنْ يُصِيبَهَا حَدَثٌ غَيْرُ الدَّمِ فَتَوَضَّأُ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ هَذَا قَوْلُ مَالِكٍ يَعْنِي ابْنَ أَنَسٍ ‏.‏

حكم : صحيح (الألباني


Rabi'ah said: Umm Habibah daughter of Jahsh had a prolonged flow of blood. The Prophet (ﷺ) commander her to refrain (from prayer) during her menstrual period; then she should wash and pray. If she sees anything (which renders ablution void) she should perform ablution and pray. Abu Dawud said: This is the view held by Malik b. Anas. Grade : Sahih (Al-Albani)


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ লায়স (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২১০. শহীদের গোসল দিতে হবে কিনা?

৩১২৫. সুলায়মান ইবন দাঊদ মাহরী (রহঃ) .... লায়ছ উপরোক্ত হাদীছের অর্থে হাদীছ বর্ণনা করে বলেনঃ তিনি উহুদ যুদ্ধের শহীদদের দু-দু ব্যক্তিদের একই কাপড়ে দাফন করেন।

باب فِي الشَّهِيدِ يُغَسَّلُ

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ الْمَهْرِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، عَنِ اللَّيْثِ، بِهَذَا الْحَدِيثِ بِمَعْنَاهُ قَالَ يَجْمَعُ بَيْنَ الرَّجُلَيْنِ مِنْ قَتْلَى أُحُدٍ فِي ثَوْبٍ وَاحِدٍ ‏.‏


The tradition mentioned above has also been transmitted by al-Laith through a different chain of the same effect. This version adds: He combined two persons from among the martyrs of Uhud in one garment.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ লায়স (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৬৪/৫৪. পরিচ্ছেদ নাই।

৪৩০০. লায়স [ইবনু সা‘দ (রহ.)] বলেছেন, ইউনুস আমার কাছে ইবনু শিহাব থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু সালাবাহ ইবনু সু‘আয়র (রাঃ) আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আর মক্কা বিজয়ের বছর নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর মুখমন্ডল মাসহ করেছিলেন। [৬৩৫৬] (আধুনিক প্রকাশনীঃ অনুচ্ছেদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ অনুচ্ছেদ)

بَاب

وَقَالَ اللَّيْثُ حَدَّثَنِيْ يُوْنُسُ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ أَخْبَرَنِيْ عَبْدُ اللهِ بْنُ ثَعْلَبَةَ بْنِ صُعَيْرٍ وَكَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم قَدْ مَسَحَ وَجْهَهُ عَامَ الْفَتْحِ.


Narrated `Abdullah bin Tha`laba bin Su`air whose face was rubbed by the Prophet during the year of the Conquest (of Makkah).


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ লায়স (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৬৬/১৫. কুরআন মাজীদ তিলাওয়াতের সময় প্রশান্তি নেমে আসে ও মালায়িকাহ অবতীর্ণ হয়।

৫০১৮. লায়স (রহ.) উসাইদ ইবনু হুযায়র (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, একদা রাত্রে তিনি সুরা বাকারা পাঠ করছিলেন। তখন তাঁর ঘোড়াটি তারই পাশে বাঁধা ছিল। হঠাৎ ঘোড়াটি ভীত হয়ে লাফ দিয়ে উঠল এবং ছুটাছুটি শুরু করল। যখন পাঠ বন্ধ করলেন তখনই ঘোড়াটি শান্ত হল। আবার পাঠ শুরু করলেন। ঘোড়াটি আগের মত করল। যখন পাঠ বন্ধ করলেন ঘোড়াটি শান্ত হল। আবার পাঠ আরম্ভ করলে ঘোড়াটি আগের মত করতে লাগল। এ সময় তার পুত্র ইয়াহইয়া ঘোড়াটির নিকটে ছিল। তার ভয় হচ্ছিল যে, ঘোড়াটি তার পুত্রকে পদদলিত করবে। তখন তিনি পুত্রকে টেনে আনলেন এবং আকাশের দিকে তাকিয়ে কিছু দেখতে পেলেন। পরদিন সকালে তিনি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে উক্ত ঘটনা বললেন। ঘটনা শুনে নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে ইবনু হুদায়র (রাঃ)! তুমি যদি পাঠ করতে, হে ইবনু হুদায়র (রাঃ)! তুমি যদি পাঠ করতে।

ইবনু হুযায়র আরয করলেন, আমার ছেলেটি ঘোড়ার নিকট থাকায় আমি ভয় পেয়ে গেলাম হয়ত বা ঘোড়াটি তাকে পদদলিত করবে, সুতরাং আমি আমার মাথা উপরে উঠাতেই মেঘের মত কিছু দেখলাম, যা আলোর মত ছিল। আমি যখন বাইরে এলাম তখন আর কিছু দেখ্লাম না। তখন নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি কি জান, ওটা কী ছিল? বললেন, না। তখন নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তারা ছিল মালায়িকাহ। তোমার তিলাওয়াত শুনে তোমার কাছে এসেছিল। তুমি যদি সকাল পর্যন্ত তিলাওয়াত করতে তারাও ততক্ষণ পর্যন্ত এখানে অবস্থান করত এবং লোকেরা তাদেরকে দেখতে পেত। এরপর হাদীসের অন্য একটি সনদ বর্ণিত হয়েছে। [মুসলিম ৬/৩৬, হাঃ ৭৯৬, আহমাদ ১১৭৬৬] (আধুনিক প্রকাশনীঃ অনুচ্ছেদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ অনুচ্ছেদ)

بَاب : نُزُوْلِ السَّكِيْنَةِ وَالْمَلَائِكَةِ عِنْدَ قِرَاءَةِ الْقُرْآنِ.

وَقَالَ اللَّيْثُ حَدَّثَنِيْ يَزِيْدُ بْنُ الْهَادِ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيْمَ عَنْ أُسَيْدِ بْنِ حُضَيْرٍ قَالَ بَيْنَمَا هُوَ يَقْرَأُ مِنْ اللَّيْلِ سُوْرَةَ الْبَقَرَةِ وَفَرَسُهُ مَرْبُوْطَةٌ عِنْدَهُ إِذْ جَالَتْ الْفَرَسُ فَسَكَتَ فَسَكَتَتْ فَقَرَأَ فَجَالَتْ الْفَرَسُ فَسَكَتَ وَسَكَتَتْ الْفَرَسُ ثُمَّ قَرَأَ فَجَالَتْ الْفَرَسُ فَانْصَرَفَ وَكَانَ ابْنُهُ يَحْيَى قَرِيْبًا مِنْهَا فَأَشْفَقَ أَنْ تُصِيْبَهُ فَلَمَّا اجْتَرَّهُ رَفَعَ رَأْسَهُ إِلَى السَّمَاءِ حَتَّى مَا يَرَاهَا فَلَمَّا أَصْبَحَ حَدَّثَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ اقْرَأْ يَا ابْنَ حُضَيْرٍ اقْرَأْ يَا ابْنَ حُضَيْرٍ قَالَ فَأَشْفَقْتُ يَا رَسُوْلَ اللهِ أَنْ تَطَأَ يَحْيَى وَكَانَ مِنْهَا قَرِيْبًا فَرَفَعْتُ رَأْسِيْ فَانْصَرَفْتُ إِلَيْهِ فَرَفَعْتُ رَأْسِيْ إِلَى السَّمَاءِ فَإِذَا مِثْلُ الظُّلَّةِ فِيْهَا أَمْثَالُ الْمَصَابِيْحِ فَخَرَجَتْ حَتَّى لَا أَرَاهَا قَالَ وَتَدْرِيْ مَا ذَاكَ قَالَ لَا قَالَ تِلْكَ الْمَلَائِكَةُ دَنَتْ لِصَوْتِكَ وَلَوْ قَرَأْتَ لَأَصْبَحَتْ يَنْظُرُ النَّاسُ إِلَيْهَا لَا تَتَوَارَى مِنْهُمْ قَالَ ابْنُ الْهَادِ وَحَدَّثَنِيْ هَذَا الْحَدِيْثَ عَبْدُ اللهِ بْنُ خَبَّابٍ عَنْ أَبِيْ سَعِيْدٍ الْخُدْرِيِّ عَنْ أُسَيْدِ بْنِ حُضَيْرٍ.


Narrated Usaid bin Hudair: That while he was reciting Surat Al-Baqara (The Cow) at night, and his horse was tied beside him, the horse was suddenly startled and troubled. When he stopped reciting, the horse became quiet, and when he started again, the horse was startled again. Then he stopped reciting and the horse became quiet too. He started reciting again and the horse was startled and troubled once again. Then he stopped reciting and his son, Yahya was beside the horse. He was afraid that the horse might trample on him. When he took the boy away and looked towards the sky, he could not see it. The next morning he informed the Prophet who said, "Recite, O Ibn Hudair! Recite, O Ibn Hudair!" Ibn Hudair replied, "O Allah's Messenger (ﷺ)! My son, Yahya was near the horse and I was afraid that it might trample on him, so I looked towards the sky, and went to him. When I looked at the sky, I saw something like a cloud containing what looked like lamps, so I went out in order not to see it." The Prophet (ﷺ) said, "Do you know what that was?" Ibn Hudair replied, "No." The Prophet (ﷺ) said, "Those were Angels who came near to you for your voice and if you had kept on reciting till dawn, it would have remained there till morning when people would have seen it as it would not have disappeared.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ লায়স (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৬৮/৭. যে ব্যক্তি তার স্ত্রীকে বলল- ‘‘তুমি আমার জন্য হারাম।’’

68/6. بَاب إِذَا قَالَ فَارَقْتُكِ أَوْ سَرَّحْتُكِ أَوِ الْخَلِيَّةُ أَوِ الْبَرِيَّةُ أَوْ مَا عُنِيَ بِهِ الطَّلاَقُ فَهُوَ عَلٰى نِيَّتِهِ.

৬৮/৬. অধ্যায়ঃ যে তার স্ত্রীকে) বলল- ‘আমি তোমাকে পৃথক করলাম’, বা ‘আমি তোমাকে বিদায় দিলাম’, বা ‘তুমি মুক্ত বা বন্ধনহীন’ অথবা এমন কোন বাক্য উচ্চারণ করল যা দ্বারা তালাক উদ্দেশ্য হয়। তবে তা তার নিয়্যাতের উপর নির্ভর করবে।

وَقَوْلُ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ: (وَسَرِّحُوهُنَّ سَرَاحًا جَمِيلاً) وَقَالَ: (وَأُسَرِّحْكُنَّ سَرَاحًا جَمِيلاً) وَقَالَ: (فَإِمْسَاكٌ بِمَعْرُوفٍ أَوْ تَسْرِيحٌ بِإِحْسَانٍ) وَقَالَ: (أَوْ فَارِقُوهُنَّ بِمَعْرُوفٍ)
وَقَالَتْ عَائِشَةُ قَدْ عَلِمَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّ أَبَوَيَّ لَمْ يَكُونَا يَأْمُرَانِي بِفِرَاقِهِ.

মহান আল্লাহর বাণীঃ ‘‘তাদেরকে সৌজন্যের সঙ্গে বিদায় দাও’’- সূরাহ আহযাব ৩৩/৪৯)।

তিনি আরও বলেন- ‘‘আমি তোমাদেরকে সৌজন্যের সঙ্গে বিদায় দিচ্ছি’’- সূরাহ আহযাব ৩৩/২৮)। আরও বলেন- ‘‘হয়ত উত্তম পন্থায় রেখে দিবে নতুবা উত্তমরূপে ছেড়ে দিবে’’- সূরাহ আল-বাক্বারাহ ২/২২৯)।

আরও বলেন, ‘‘অথবা তাদেরকে সৌজন্যের সঙ্গে বিচ্ছিন্ন করে দাও’’- সূরাহ আত্-তালাক ৬৫/২)।

আর ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেনঃ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জানতেন আমার মা-বাপ আমাকে তাঁর সঙ্গে বিচ্ছেদের আদেশ দিবেন না।


وَقَالَ الْحَسَنُ نِيَّتُه“ وَقَالَ أَهْلُ الْعِلْمِ إِذَا طَلَّقَ ثَلاَثًا فَقَدْ حَرُمَتْ عَلَيْهِ فَسَمَّوْه“ حَرَامًا بِالطَّلاَقِ وَالْفِرَاقِ وَلَيْسَ هٰذَا كَالَّذِي يُحَرِّمُ الطَّعَامَ لِأَنَّه“ لاَ يُقَالُ لِطَعَامِ الْحِلِّ حَرَامٌ وَيُقَالُ لِلْمُطَلَّقَةِ حَرَامٌ وَقَالَ فِي الطَّلاَقِ ثَلاَثًا لاَ تَحِلُّ لَه“ حَتّٰى تَنْكِحَ زَوْجًا غَيْرَهُ.

হাসান (রহ.) বলেন, তবে তা তার নিয়্যাত অনুযায়ী হবে। ‘আলিমগণ বলেন, যদি কেউ তার স্ত্রীকে তিন তালাক দেয়, তবে সে স্ত্রী তার জন্য হারাম হয়ে যাবে। তাঁরা এটাকে হারাম নামে আখ্যায়িত করেছেন, যা তালাক বা বিচ্ছেদ দ্বারা সম্পন্ন হয়। তবে এ হারাম করাটা তেমন নয়, যেমন কেউ খাদ্যকে হারাম ঘোষণা করল; কেননা হালাল খাদ্যকে হারাম বলা যায় না। কিন্তু তালাকপ্রাপ্তাকে হারাম বলা যায়। আবার তিন তালাকপ্রাপ্তা সম্বন্ধে বলেছেন, সে স্ত্রী অন্যস্বামীর সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া ব্যতীত প্রথম স্বামীর জন্য বৈধ হবে না।


৫২৬৪. লায়স (রহ.) নাফি' থেকে বর্ণনা করেছেন যে, ইবনু ‘উমার (রাঃ)-কে তিন তালাক প্রদানকারী সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলতেনঃ যদি তুমি একবার বা দু’বার দিতে! কেননা নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে এরূপ করার নির্দেশ দিয়েছেন। তাই স্ত্রীকে তিন তালাক দিলে সে হারাম হয়ে যাবে, যতক্ষণ না সে স্ত্রী তোমাকে ছাড়া অন্য স্বামীকে বিয়ে করে। [৪৯০৮] আধুনিক প্রকাশনী- অনুচ্ছেদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- অনুচ্ছেদ)

بَاب مَنْ قَالَ لامْرَأَتِه„ أَنْتِ عَلَيَّ حَرَامٌ

وَقَالَ اللَّيْثُ حَدَّثَنِي نَافِعٌ قَالَ كَانَ ابْنُ عُمَرَ إِذَا سُئِلَ عَمَّنْ طَلَّقَ ثَلاَثًا قَالَ لَوْ طَلَّقْتَ مَرَّةً أَوْ مَرَّتَيْنِ فَإِنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَمَرَنِي بِهٰذَا فَإِنْ طَلَّقْتَهَا ثَلاَثًا حَرُمَتْ حَتّٰى تَنْكِحَ زَوْجًا غَيْرَكَ.


Nafi' said: When Ibn 'Umar was asked about person who had given three divorces, he said, "Would that you gave one or two divorces, for the Prophet (ﷺ) ordered me to do so. If you give three divorces then she cannot be lawful for you until she has married another husband (and is divorced by him)."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ লায়স (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৬৮/২৪. ইশারার মাধ্যমে ত্বলাক্ব ও অন্যান্য কাজ।

৫২৯৯. লায়স (রহ.) বলেন, জা’ফর ইবনু রাবী’আ, ‘আবদুর রহমান ইবনু হুরমুয থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)-এর কাছে শুনেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ বখিল ও দাতা ব্যক্তির উদাহরণ হচ্ছে এমন দু’ব্যক্তির মত, যাদের পরিধানে বুক থেকে গলার হাড় পর্যন্ত লৌহ-নির্মিত পোশাক রয়েছে। দানকারী যখনই কিছু দান করে, তখনই তার শরীরের পোশাকটি বড় ও প্রশস্ত হতে থাকে, এমনকি এটা তার আঙ্গুল ও অন্যান্য অঙ্গগুলোকে ঢেকে ফেলে। অন্যদিকে, বখিল যখনই দান করার ইচ্ছা করে, তখনই তার পোশাকে তার কণ্ঠনালীর প্রতিটি অংশ সংকুচিত হয়ে যায়। সে প্রশস্ত করার চেষ্টা করলেও সেটা প্রশস্ত হয় না। এ কথা বলে তিনি নিজের আঙ্গুল দ্বারা কণ্ঠনালীর প্রতি ইশারা করলেন। আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮০৩)

بَاب الإِشَارَةِ فِي الطَّلاَقِ وَالأُمُورِ

وَقَالَ اللَّيْثُ حَدَّثَنِي جَعْفَرُ بْنُ رَبِيعَةَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمٰنِ بْنِ هُرْمُزَ سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم مَثَلُ الْبَخِيلِ وَالْمُنْفِقِ كَمَثَلِ رَجُلَيْنِ عَلَيْهِمَا جُبَّتَانِ مِنْ حَدِيدٍ مِنْ لَدُنْ ثَدْيَيْهِمَا إِلٰى تَرَاقِيهِمَا فَأَمَّا الْمُنْفِقُ فَلاَ يُنْفِقُ شَيْئًا إِلاَّ مَادَّتْ عَلٰى جِلْدِه„ حَتّٰى تُجِنَّ بَنَانَه“ وَتَعْفُوَ أَثَرَه“ وَأَمَّا الْبَخِيلُ فَلاَ يُرِيدُ يُنْفِقُ إِلاَّ لَزِمَتْ كُلُّ حَلْقَةٍ مَوْضِعَهَا فَهُوَ يُوسِعُهَا فَلاَ تَتَّسِعُ وَيُشِيرُ بِإِصْبَعِه„ إِلٰى حَلْقِهِ.


Narrated Abu Huraira: Allah's Messenger (ﷺ) said, The example of a miser and a generous person is like that of two persons wearing iron cloaks from the breast upto the neck When the generous person spends, the iron cloak enlarges and spread over his skin so much so that it covers his fingertips and obliterates his tracks. As for the miser, as soon as he thinks of spending every ring of the iron cloak sticks to its place (against his body) and he tries to expand it, but it does not expand. The Prophet (ﷺ) pointed with his hand towards his throat.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ লায়স (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৭৬/৫৭. গাধীর দুধ প্রসঙ্গে

৫৭৮১. লায়স আরো বলেছেন যে, ইউনুস (রহ.) ইবনু শিহাব (রহ.) থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন যে, আমি এ হাদীসের বর্ণনাকারী (আবূ ইদরীস)-কে জিজ্ঞেস করেছি যে, গাধীর দুগ্ধ, হিংস্র প্রাণীর পিত্তের রস এবং উটের পেশাব পান করা বা তা দিয়ে অযু বৈধ কিনা? তিনি বলেছেনঃ আগেকার মুসলিমগণ উটের প্রস্রাবের সাহায্যে চিকিৎসার কাজ করতেন এবং এটা তারা কোন পাপ মনে করতেন না। আর গাধীর দুগ্ধ সম্পর্কে কথা হলোঃ গাধার গোশত খাওয়ার নিষেধাজ্ঞা আমাদের কাছে পৌঁছেছে, কিন্তু তার দুগ্ধের ব্যাপারে আদেশ বা নিষেধ কিছুই আমাদের কাছে পৌঁছেনি। আর হিংস্র প্রাণীর পিত্তরস সম্পর্কে ইবনু শিহাব (রহ.) আবূ ইদরীস খাওলানী (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যাবতীয় নখরওয়ালা হিংস্র প্রাণী খেতে নিষেধ করেছেন। [৫৫৩০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৫৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৫২)

بَاب أَلْبَانِ الأُتُنِ

وَزَادَ اللَّيْثُ قَالَ حَدَّثَنِي يُونُسُ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ قَالَ وَسَأَلْتُه“ هَلْ نَتَوَضَّأُ أَوْ نَشْرَبُ أَلْبَانَ الأُتُنِ أَوْ مَرَارَةَ السَّبُعِ أَوْ أَبْوَالَ الإِبِلِ قَالَ قَدْ كَانَ الْمُسْلِمُونَ يَتَدَاوَوْنَ بِهَا فَلاَ يَرَوْنَ بِذ‘لِكَ بَأْسًا فَأَمَّا أَلْبَانُ الأُتُنِ فَقَدْ بَلَغَنَا أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صلى الله عليه وسلم نَهٰى عَنْ لُحُومِهَا وَلَمْ يَبْلُغْنَا عَنْ أَلْبَانِهَا أَمْرٌ وَلاَ نَهْيٌ.
وَأَمَّا مَرَارَةُ السَّبُعِ قَالَ ابْنُ شِهَابٍ أَخْبَرَنِي أَبُو إِدْرِيسَ الْخَوْلاَنِيُّ أَنَّ أَبَا ثَعْلَبَةَ الْخُشَنِيَّ أَخْبَرَه“ أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صلى الله عليه وسلم نَهٰى عَنْ أَكْلِ كُلِّ ذِي نَابٍ مِنْ السَّبُعِ.


Al-Laith said: Narrated Yunus: I asked Ibn Shihab, "May we perform the ablution with the milk of she-asses or drink it, or drink the bile of wild animals or urine of camels?" He replied, "The Muslims used to treat themselves with that and did not see any harm in it. As for the milk of she-asses, we have learnt that Allah's Messenger (ﷺ) forbade the eating of their meat, but we have not received any information whether drinking of their milk is allowed or forbidden." As for the bile of wild animals, Ibn Shihab said, "Abu Idris Al-Khaulani told me that Allah's Messenger (ﷺ) forbade the eating of the flesh of every wild beast having fangs . "


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ লায়স (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৮৬/২৬. যে এমন কোন অপরাধ করল যা হদ-এর সীমার মধ্যে নয় এবং সে ইমামকে জানালো। তবে তাওবাহর পর তাকে কোন শাস্তি দেয়া হবে না, যখন সে ফতোয়া জানার জন্য আসে।

৬৮২২. লায়স (রহ.)-এর সূত্রে ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, এক লোক নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে মসজিদে আসল। তখন সে বলল, আমি ধ্বংস হয়ে গেছি। তিনি বললেনঃ তা কার সঙ্গে? সে বলল, আমি রমাযানের ভিতর আমার স্ত্রীর সঙ্গে সহবাস করে ফেলেছি। তখন তিনি তাকে বললেনঃ তুমি সদাকাহ কর। সে বলল, আমার কাছে কিছুই নেই। সে বসে থাকল। এমন সময় এক লোক একটি গাধা হাঁকিয়ে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এল। আর তার সঙ্গে ছিল খাদ্যদ্রব্য। ‘আবদুর রহমান (রহ.) বলেন, আমি জানি না, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে কী আসল? অতঃপর তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ ধ্বংসপ্রাপ্ত লোকটি কোথায়? সে বলল, এই তো আমি। তিনি বললেনঃ এগুলো নিয়ে সদাকাহ করে দাও। সে বলল, আমার চেয়ে অধিক অভাবী লোকদের (ভিতর সাদকা করব)? আমার পরিবারের কাছে সামান্য খাবারও নেই। তিনি বললেনঃ তাহলে তোমরাই খাও। [১৯৩৫; মুসলিম ১৩/১৪, হাঃ ১১১২](আধুনিক প্রকাশনী- ৬৩৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৩৬৪)

بَاب مَنْ أَصَابَ ذَنْبًا دُونَ الْحَدِّ فَأَخْبَرَ الإِمَامَ فَلاَ عُقُوبَةَ عَلَيْهِ بَعْدَ التَّوْبَةِ إِذَا جَاءَ مُسْتَفْتِيًا

وَقَالَ اللَّيْثُ عَنْ عَمْرِو بْنِ الْحَارِثِ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمٰنِ بْنِ الْقَاسِمِ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ الزُّبَيْرِ عَنْ عَبَّادِ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ الزُّبَيْرِ عَنْ عَائِشَةَ أَتَى رَجُلٌ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فِي الْمَسْجِدِ قَالَ احْتَرَقْتُ قَالَ مِمَّ ذَاكَ قَالَ وَقَعْتُ بِامْرَأَتِي فِي رَمَضَانَ قَالَ لَهُ تَصَدَّقْ قَالَ مَا عِنْدِي شَيْءٌ فَجَلَسَ وَأَتَاهُ إِنْسَانٌ يَسُوقُ حِمَارًا وَمَعَهُ طَعَامٌ قَالَ عَبْدُ الرَّحْمٰنِ مَا أَدْرِي مَا هُوَ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ أَيْنَ الْمُحْتَرِقُ فَقَالَ هَا أَنَا ذَا قَالَ خُذْ هَذَا فَتَصَدَّقْ بِهِ قَالَ عَلَى أَحْوَجَ مِنِّي مَا لِأَهْلِي طَعَامٌ قَالَ فَكُلُوهُ قَالَ أَبُو عَبْد اللهِ الْحَدِيثُ الأَوَّلُ أَبْيَنُ قَوْلُهُ أَطْعِمْ أَهْلَكَ.


Narrated 'Aisha: A man came to the Prophet (ﷺ) in the mosque and said, "I am burnt (ruined)!" The Prophet (ﷺ) asked him, "With what (what have you done)?" He said, "I have had sexual relation with my wife in the month of Ramadan (while fasting)." The Prophet (ﷺ) said to him, "Give in charity." He said, "I have nothing." The man sat down, and in the meantime there came a person driving a donkey carrying food to the Prophet (ﷺ) ..... (The sub-narrator, 'Abdur Rahman added: I do not know what kind of food it was). On that the Prophet (ﷺ) said, "Where is the burnt person?" The man said, "Here I am." The Prophet (ﷺ) said to him, "Take this (food) and give it in charity (to someone)." The man said, "To a poorer person than l? My family has nothing to eat." Then the Prophet (ﷺ) said to him, "Then eat it yourselves."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ লায়স (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৩২. ক্বিনতার এর পরিমাণ

৩৫০৯. লাইছ হতে বর্ণিত, মুজাহিদ (রহঃ) বলেন, ‘ক্বিনতার’ হলো চল্লিশ হাজার মিছকাল পরিমাণ।[1]

باب كَمْ يَكُونُ الْقِنْطَارُ

حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنْ لَيْثٍ عَنْ مُجَاهِدٍ قَالَ الْقِنْطَارُ سَبْعُونَ أَلْفَ مِثْقَالٍ


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ লায়স (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ১১ পর্যন্ত, সর্বমোট ১১ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে