পরিচ্ছেদঃ ২৬৯২. ধন-সম্পদের পরীক্ষা থেকে বেঁচে থাকা সম্পর্কে। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তা'আলার বাণীঃ “তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি পরীক্ষা (৮ঃ ২৮)
৫৯৯৫। আবূ নুয়াইম (রহঃ) ... আব্বাস ইবনু সাহল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন। আমি ইবনুল যুবায়র (রাঃ) কে মক্কায় মিম্বরের উপর তার খুতবার মধ্যে বলতে শুনেছি। তিনি বলেছেনঃ হে লোকেরা! নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রায়ই বলতেন যে, যদি আদম সন্তানকে স্বর্ণে পরিপূর্ণ একটা উপত্যকা মাল দেয়া হয়, তথাপিও সে এ রকম দ্বিতীয়টার জন্য আকাঙ্ক্ষিত হয়ে থাকবে। আর তাকে এরকম দ্বিতীয়টা যদি দেয়া হয়, তাহলে সে তৃতীয় আরও একটার জন্য আকাঙ্ক্ষা করতে থাকবে। মানুষের পেট মাটি ছাড়া কিছুই ভরভে পারে না। তবে যে ব্যাক্তি তওবা করে, আল্লাহ তা’আলা তার তওবা কবুল করেন।
باب مَا يُتَّقَى مِنْ فِتْنَةِ الْمَالِ وَقَوْلِ اللَّهِ تَعَالَى: {إِنَّمَا أَمْوَالُكُمْ وَأَوْلاَدُكُمْ فِتْنَةٌ}
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ الْغَسِيلِ، عَنْ عَبَّاسِ بْنِ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ، قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ الزُّبَيْرِ، عَلَى الْمِنْبَرِ بِمَكَّةَ فِي خُطْبَتِهِ يَقُولُ يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَقُولُ " لَوْ أَنَّ ابْنَ آدَمَ أُعْطِيَ وَادِيًا مَلأً مِنْ ذَهَبٍ أَحَبَّ إِلَيْهِ ثَانِيًا، وَلَوْ أُعْطِيَ ثَانِيًا أَحَبَّ إِلَيْهِ ثَالِثًا، وَلاَ يَسُدُّ جَوْفَ ابْنِ آدَمَ إِلاَّ التُّرَابُ، وَيَتُوبُ اللَّهُ عَلَى مَنْ تَابَ ".
Narrated Sahl bin Sa`d:
I heard Ibn Az-Zubair who was on the pulpit at Mecca, delivering a sermon, saying, "O men! The Prophet used to say, "If the son of Adam were given a valley full of gold, he would love to have a second one; and if he were given the second one, he would love to have a third, for nothing fills the belly of Adam's son except dust. And Allah forgives he who repents to Him." Ubai said, "We considered this as a saying from the Qur'an till the Sura (beginning with) 'The mutual rivalry for piling up of worldly things diverts you..' (102.1) was revealed."
পরিচ্ছেদঃ ৮১/১০. ধন-সম্পদের পরীক্ষা থেকে রক্ষা পাওয়া।
৬৪৩৮. ’আব্বাস ইবনু সাহল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন। আমি ইবনুয্ যুবায়র (রাঃ)-কে মক্কায় মিম্বারের উপর তার খুত্বার মধ্যে বলতে শুনেছি। তিনি বলেছেনঃ হে লোকেরা! নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেন, যদি বানী আদমকে স্বর্ণে ভরা এক উপত্যকা মাল দেয়া হয়, তথাপিও সে দ্বিতীয়টার জন্য লালায়িত হয়ে থাকবে। আর তাকে দ্বিতীয়টি যদি দেয়া হয়, তাহলে সে তৃতীয়টার জন্য লালায়িত থাকবে। বানী আদমের পেট মাটি ছাড়া ভরতে পারে না। তবে যে তওবা করবে, আল্লাহ্ তার তওবা কবূল করবেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৯৮৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৯৯৫)
بَاب مَا يُتَّقَى مِنْ فِتْنَةِ الْمَالِ
أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمٰنِ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ الْغَسِيلِ عَنْ عَبَّاسِ بْنِ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ الزُّبَيْرِ عَلَى الْمِنْبَرِ بِمَكَّةَ فِي خُطْبَتِهِ يَقُولُ يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَقُولُ لَوْ أَنَّ ابْنَ آدَمَ أُعْطِيَ وَادِيًا مَلْئًا مِنْ ذَهَبٍ أَحَبَّ إِلَيْهِ ثَانِيًا وَلَوْ أُعْطِيَ ثَانِيًا أَحَبَّ إِلَيْهِ ثَالِثًا وَلاَ يَسُدُّ جَوْفَ ابْنِ آدَمَ إِلاَّ التُّرَابُ وَيَتُوبُ اللهُ عَلَى مَنْ تَابَ.
Narrated Sahl bin Sa`d:
I heard Ibn Az-Zubair who was on the pulpit at Mecca, delivering a sermon, saying, "O men! The Prophet used to say, "If the son of Adam were given a valley full of gold, he would love to have a second one; and if he were given the second one, he would love to have a third, for nothing fills the belly of Adam's son except dust. And Allah forgives he who repents to Him." Ubai said, "We considered this as a saying from the Qur'an till the Sura (beginning with) 'The mutual rivalry for piling up of worldly things diverts you..' (102.1) was revealed."
পরিচ্ছেদঃ যেই হাদীস অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, আবূ হুমাইদের হাদীসটি হয়তো ত্রুটিপূর্ণ
১৮৬৩. আব্বাস বিন সাহল বিন সা‘দ আস সা‘ঈদী থেকে বর্ণিত, তিনি বর্ণনা করেন যে, তিনি একটি মাজলিসে ছিলেন যাতে তার বাবা উপস্থিত ছিলেন। তার বাবা সাহাবীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। মাজলিসে আরো উপস্থিত ছিলেন আবূ হুরাইরা, আবূ উসাইদ, আবূ হুমাইদ আস সা‘ঈদী আনসারী প্রমুখ সাহাবী। তাঁরা সালাতের আলোচনা করছিলেন। তখন আবূ হুমাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু, তিনি বলেন, “আমি আপনাদের মাঝে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সালাতের বিষয়ে সবচেয়ে বেশি অবগত।” তখন অন্যান্য সাহাবীগণ বলেন, “তবে আপনি আমাদেরকে (রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সালাতের বিষয়) দেখিয়ে দিন।”
আব্বাস বিন সাহল বিন সা‘দ আস সা‘ঈদী বলেন, “অতঃপর তিনি সালাত আদায় করার জন্য দাঁড়ালেন, আর তারা তা প্রত্যক্ষ করছিলেন। তিনি তাকবীর দিয়ে শুরু করলেন এবং হাত কাঁধ বরাবর উত্তোলন করলেন। তারপর রুকূ‘ করার জন্য তাকবীর দিলেন এবং কাঁধ বরাবর দুই হাত উত্তোলন করলেন। তারপর তিনি হাঁটুতে দুই হাত স্থাপন করলেন, তিনি পিঠকে উঁচু করেননি, আবার নিচুও করেননি। তারপর তিনি রুকূ‘ থেকে মাথা উত্তোলন করেন এবং বলেন, , سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ اللَّهُمَّ رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ (আল্লাহ শ্রবণ করেন, যে তাঁর প্রশংসা করে। হে আল্লাহ, আমাদের প্রভু, আর আপনার জন্য সমস্ত প্রশংসা), তারপর রফ‘ঊল ইয়াদাইন করেন। তারপর বলেন ‘আল্লাহু আকবার’ এবং সাজদা করেন। তিনি সাজদা অবস্থায় দুই হাতের তালু, দুই হাঁটু ও দুই পায়ের অগ্রভাগের উপর স্থাপিত হন। তারপর তিনি তাকবীর দেন এবং বসেন কিন্তু তাওয়ার্রুক করেননি। তারপর আরেক রাকা‘আত পড়ে নেন এবং অনুরুপভাবে তাকবীর দেন। তারপর দুই রাকা‘আতের পর বসেন, অতঃপর যখন তিনি দাঁড়ানোর ইচ্ছা করেন, তখন তিনি তাকবীর দেন। তারপর পরের দুই রাকা‘আত সালাত আদায় করেন। তারপর যখন সালাম ফেরান, তখন ডান দিকে সালাম ফেরান এই বলে, سَلَامٌ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللَّهِ (আপনাদের উপর আল্লাহর রহমত ও সালাম বর্ষিত হোক) এবং বাম দিকে সালাম ফেরান এই বলে , سَلَامٌ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللَّهِ (আপনাদের উপর আল্লাহর রহমত ও সালাম বর্ষিত হোক)।
হাসান বিন হুর্র বলেন, “আমাকে ইসা তাশাহ্হুদের বৈঠকের বিষয়ে হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, বাম হাত বাম উরুর উপর আর ডান হাত ডান উরুর উপর রাখবে। তারপর দু‘আ করার সময় এক আঙ্গুলের মাধ্যমে ইশারা করবে।”[1]
আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “এই হাদীসটি মুহাম্মাদ বিন আমর বিন আতা শ্রবণ করেছেন আবূ হুমাইদ সা‘ঈদী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে, তিনি হাদীসটি আব্বাস বিন সাহল বিন সা‘দ আস সা‘ঈদী থেকে, তিনি তার বাবা থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। কাজেই হাদীসটির দুটো সানাদই সহীহ।”
হাদীসটিকে আল্লামা শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ হাসান বলেছেন। আল্লামা নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে যঈফ বলেছেন। (যঈফ আবূ দাঊদ: ১১৮)
ذِكْرُ خَبَرٍ قَدْ يُوهِمُ غَيْرَ الْمُتَبَحِّرِ فِي صِنَاعَةِ الْحَدِيثِ أَنَّ خَبَرَ أَبِي حُمَيْدٍ الَّذِي ذكرناه معلول
1863 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ مَوْلَى ثَقِيفٍ قَالَ: حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ شُجَاعٍ السَّكُونِيُّ قَالَ: حَدَّثَنَا أَبِيُ قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ قَالَ: حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ الْحُرِّ قَالَ: حَدَّثَنِي عِيسَى بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَالِكٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ عَطَاءٍ أَحَدُ بَنِي مَالِكٍ عَنْ عَبَّاسِ بْنِ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ السَّاعِدِيِّ: أَنَّهُ كَانَ فِي مَجْلِسٍ كَانَ فِيهِ أَبُوهُ - وَكَانَ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - وَفِي الْمَجْلِسِ أَبُو هُرَيْرَةَ وَأَبُو أُسَيْدٍ وَأَبُو حُمَيْدٍ السَّاعِدِيُّ مِنَ الْأَنْصَارِ وَأَنَّهُمْ تَذَاكَرُوا الصَّلَاةَ فَقَالَ أَبُو حُمَيْدٍ: أَنَا أَعْلَمُكُمْ بِصَلَاةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالُوا: فَأَرِنَا قَالَ: فَقَامَ يُصَلِّي وَهُمْ يَنْظُرُونَ فَبَدَأَ يُكَبِّرُ وَرَفَعَ يَدَيْهِ حِذَاءَ الْمَنْكِبَيْنِ ثُمَّ كَبَّرَ لِلرُّكُوعِ فَرَفَعَ يَدَيْهِ أَيْضًا ثُمَّ أَمْكَنَ يَدَيْهِ مِنْ رُكْبَتَيْهِ غَيْرَ مُقْنِعٍ وَلَا مُصَوِّبٍ ثُمَّ رَفَعَ رَأْسَهُ وَقَالَ: سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ اللَّهُمَّ رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ ثُمَّ رَفَعَ يَدَيْهِ ثُمَّ قَالَ: اللَّهُ أَكْبَرُ فَسَجَدَ فَانْتَصَبَ عَلَى كَفَّيْهِ وَرُكْبَتَيْهِ وَصُدُورِ قَدَمَيْهِ وَهُوَ سَاجِدٌ ثُمَّ كَبَّرَ فَجَلَسَ وَتَوَرَّكَ إِحْدَى رِجْلَيْهِ وَنَصَبَ قَدَمَهُ الْأُخْرَى ثُمَّ كَبَّرَ فَسَجَدَ الْأُخْرَى فَكَبَّرَ فَقَامَ وَلَمْ يَتَوَرَّكْ ثُمَّ عَادَ فَرَكَعَ الرَّكْعَةَ الْأُخْرَى وَكَبَّرَ كَذَلِكَ ثُمَّ جَلَسَ بَعْدَ الرَّكْعَتَيْنِ حَتَّى إِذَا هُوَ أَرَادَ أَنْ يَنْهَضَ لِلْقِيَامِ كَبَّرَ ثُمَّ رَكَعَ الرَّكْعَتَيْنِ الْأَخِيرَتَيْنِ فَلَمَّا سلَّم سلَّم عَنْ يَمِينِهِ: سَلَامٌ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وسلَّم عَنْ شِمَالِهِ: سَلَامٌ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللَّهِ.
قَالَ الْحَسَنُ بْنُ الْحُرِّ: وَحَدَّثَنِي عِيسَى أَنَّ مِمَّا حَدَّثَهُ أَيْضًا فِي الْمَجْلِسِ فِي التَّشَهُّدِ: أَنْ يَضَعَ يَدَهُ الْيُسْرَى عَلَى فَخِذِهِ الْيُسْرَى وَيَضَعَ يَدَهُ الْيُمْنَى عَلَى فَخِذِهِ الْيُمْنَى ثُمَّ يُشير في الدعاء بإصبع واحدة
الراوي : عَبَّاس بْن سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ السَّاعِدِيّ | المحدث : العلامة ناصر الدين الألباني | المصدر : التعليقات الحسان على صحيح ابن حبان
الصفحة أو الرقم: 1863 | خلاصة حكم المحدث: ضعيف ـ ((ضعيف أبي داود)) (118).
قَالَ أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: سَمِعَ هَذَا الْخَبَرَ مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ عَطَاءٍ عَنْ أَبِي حُمَيْدٍ السَّاعِدِيِّ وَسَمِعَهُ مِنْ عَبَّاسِ بْنِ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ السَّاعِدِيِّ عَنْ أَبِيهِ فَالطَّرِيقَانِ جَمِيعًا مَحْفُوظَانِ.
পরিচ্ছেদঃ মুসল্লী ব্যক্তির জন্য জরুরী হলো রুকূ‘ করা, রুকূ‘ থেকে মাথা উত্তোলন করার সময় রফ‘উল ইয়াদাইন করা, যেমন সালাতের শুরুতে রফ‘উল ইয়াদাইন করা হয়
১৮৬৮. আব্বাস বিন সাহল বিন সা‘দ আস সা‘ইদী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “একবার আবূ হুমাইদ, সাহল বিন সা‘দ, মুহাম্মাদ বিন মাসলামা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুম একত্রিত হন। অতঃপর তাঁরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সালাতের বিষয়ে আলোচনা করেন। তখন আবূ হুমাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “আমি আপনাদের মাঝে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সালাতের বিষয়ে সবচেয়ে বেশি অবগত। নিশ্চয়ই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সালাতে দাঁড়ান, অতঃপর তাকবীর দেন এবং রফ‘উল ইয়াদাইন করেন। তারপর আবার রফ‘উল ইয়াদাইন করেন, যখন রুকূ‘ করার জন্য তাকবীর দেন। তারপর রুকূ‘ করেন এবং তাঁর দুই হাতকে হাঁটুর উপর স্থাপন করেন যেন তিনি হাঁটুকে আকড়ে ধরে আছেন। এসময় তিনি তাঁর দুই হাতকে ধনুক আকৃতির করতেন এবং হাতকে দুই পার্শ্ব থেকে দূরে রাখেন। তিনি রুকূ‘তে পিঠ সোজা করতেন; পিঠকে উঁচু করতেন না আবার নিচুও করেননি। তারপর তিনি দাঁড়ান এবং রফ‘উল ইয়াদাইন করেন। তারপর এমনভাবে সোজা হয়ে দাঁড়ান যে, তাঁর প্রত্যেকটি হাড় স্বস্থানে ফিরে যায়। তারপর তিনি সাজদা করেন, তিনি তাঁর নাক ও কপাল মাটিতে রাখেন, দুই হাতকে দুই পার্শ্ব থেকে দূরে রাখেন এবং দুই হাতের তালূ দুই কাঁধ বরাবর রাখেন। তারপর সাজদা থেকে মাথা উত্তোলন করেন (এবং এমন সোজা হয়ে বসেন যে) তাঁর প্রতিটি হাড় স্বস্থানে ফিরে যায়। এভাবে তা সম্পন্ন করেন। তারপর তিনি বাম পা বিছিয়ে তার উপর বসেন, আর ডান পায়ের অগ্রভাগ কিবলামূখী করেন। তিনি বৈঠকে ডান হাতের তালূকে ডান হাঁটুর উপর আর বাম হাতের তালূকে বাম হাঁটুর উপর রাখেন এবং তর্জনী অঙ্গুলীর মাধ্যমে ইশারা করেন।”[1]
হাদীসটিকে আল্লামা শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ সহীহ বলেছেন। আল্লামা নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৭২৩)
ذِكْرُ الْبَيَانِ بِأَنَّ عَلَى الْمُصَلِّي رَفْعَ الْيَدَيْنِ عِنْدَ إِرَادَتِهِ الرُّكُوعَ وَبَعْدَ رَفْعِهِ رَأْسَهُ مِنْهُ كَمَا يَرْفَعُهُمَا عِنْدَ ابْتِدَاءِ الصَّلَاةِ
1868 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ زُهَيْرٍ قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَامِرٍ الْعَقَدِيُّ قَالَ: حَدَّثَنَا فُلَيْحُ بْنُ سُلَيْمَانَ قَالَ: حَدَّثَنِي عَبَّاسُ بْنُ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ السَّاعِدِيُّ قَالَ: اجْتَمَعَ أَبُو حُمَيْدٍ السَّاعِدِيُّ وَأَبُو أُسَيْدٍ السَّاعِدِيُّ وَسَهْلُ بْنُ سَعْدٍ وَمُحَمَّدُ بْنُ مَسْلَمَةَ فَذَكَرُوا صَلَاةَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ أَبُو حُمَيْدٍ: أَنَا أَعْلَمُكُمْ بِصَلَاةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَامَ فَكَبَّرَ وَرَفَعَ يَدَيْهِ ثُمَّ رَفَعَ يَدَيْهِ حِينَ كَبَّرَ لِلرُّكُوعِ ثُمَّ رَكَعَ فَوَضَعَ يَدَيْهِ عَلَى رُكْبَتَيْهِ كَالْقَابِضِ عَلَيْهِمَا فَوَتَرَ يَدَيْهِ فَنَحَّاهُمَا عَنْ جَنْبَيْهِ وَلَمْ يُصوب رَأْسَهُ وَلَمْ يُقنعه ثُمَّ قَامَ فَرَفَعَ يَدَيْهِ فَاسْتَوَى حَتَّى رَجَعَ كُلُّ عُضْوٍ إِلَى مَوْضِعِهِ ثُمَّ سَجَدَ أَمْكَنَ أَنْفَهُ وَجَبْهَتَهُ وَنَحَّى يَدَيْهِ عَنْ جَنْبَيْهِ وَوَضَعَ كَفَّيْهِ حَذْوَ مَنْكِبَيْهِ ثُمَّ رَفَعَ رَأْسَهُ حَتَّى رَجَعَ كُلُّ عُضْوٍ فِي مَوْضِعِهِ حَتَّى فَرَغَ ثُمَّ جَلَسَ فَافْتَرَشَ رِجْلَهُ الْيُسْرَى وَأَقْبَلَ بِصَدْرِ الْيُمْنَى عَلَى قِبْلَتِهِ وَوَضَعَ كَفَّهُ الْيُمْنَى عَلَى رُكْبَتِهِ الْيُمْنَى وَكَفَّهُ الْيُسْرَى عَلَى رُكْبَتِهِ الْيُسْرَى وَأَشَارَ بأصبعه السبابة.
الراوي : عَبَّاسُ بْنُ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ السَّاعِدِيُّ | المحدث : العلامة ناصر الدين الألباني | المصدر : التعليقات الحسان على صحيح ابن حبان
الصفحة أو الرقم: 1868 | خلاصة حكم المحدث: صحيح ـ ((صحيح أبي داود)) (723).