১৮৮৭

পরিচ্ছেদঃ কোন ব্যক্তি যখন কোন সালাতে ত্রুটি করে, তখন তার আমলনামায় কিছু সালাতের কমতি লিপিবদ্ধ করা হয়

১৮৮৭. আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “একবার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মাসজিদে প্রবেশ করেন, অতঃপর এক ব্যক্তি মাসজিদে প্রবেশ করে সালাত আদায় করেন। তারপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে বসেন। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বলেন, “তুমি ফিরে যাও এবং সালাত আদায় করো। কেননা তুমি সালাত আদায় করনি।” এভাবে তিনি তিনবার এরকম করেন। অতঃপর সে ব্যক্তি বলেন, “ঐ সত্তার কসম, যিনি আপনাকে হক সহ পাঠিয়েছেন, আমি এর চেয়ে ভালো সালাত আদায় করতে জানি না। কাজেই আপনি আমাকে শিক্ষা দিন (আমি কিভাবে সালাত আদায় করবো)।” রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “যখন তুমি সালাতে দাঁড়াবে, তখন তাকবীর দিবে এবং কুর‘আন থেকে যা তোমার জন্য সহজ হয়, তা পাঠ করবে।তারপর রুকূ‘ করবে, এমনকি রুকূ‘ অবস্থায় প্রশান্ত হবে। তারপর রুকূ‘ থেকে মাথা উত্তোলন করবে এমনকি সোজা হয়ে দাঁড়াবে। তারপর সাজদা করবে এমনকি সাজদায় প্রশান্ত হবে। তারপর মাথা ‍উত্তোলন করবে এমনকি বসা অবস্থায় প্রশান্ত হবে। পুরো সালাতেই তুমি এরকমই করবে।”[1]

আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বাণী “কুর‘আন থেকে যা তোমার জন্য সহজ হয়, তা পাঠ করবে” এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো সূরা ফাতিহা পাঠ করা এবং তাঁর বাণী “তুমি ফিরে যাও এবং সালাত আদায় করো। কেননা তুমি সালাত আদায় করনি” এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো সালাত আদায়কারী সেই সাহাবীর সালাতকে নাকচ করা, কেননা সালাতে তার উপর যা আদায় করা ফরজ ছিল, তা আদায়ে কমতি ছিল; এর দ্বারা এটা উদ্দেশ্য নয় যে, সে সালাত আদায় করেনি। সুতরাং তার কর্ম যখন পরিপূর্ণ অবস্থা থেকে কমতি ছিল, তখন তার ব্যাপারে তিনি পুরো সালাতকেই নাকচ করে দিয়েছেন।”

ذِكْرُ الْبَيَانِ بِأَنَّ الْمَرْءَ يُكتب لَهُ بَعْضُ صَلَاتِهِ إِذَا قصَّر فِي الْبَعْضِ الْآخَرِ

1887 - أَخْبَرَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي مَعْشَرٍ قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ قَالَ: حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ قَالَ: حَدَّثَنِي سَعِيدُ بْنُ أَبِي سَعِيدٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ دَخَلَ الْمَسْجِدَ فَدَخَلَ رَجُلٌ فَصَلَّى ثُمَّ جَاءَ فَجَلَسَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: (ارْجِعْ فَصَلِّ فَإِنَّكَ لَمْ تُصَلِّ) حَتَّى فَعَلَ ذَلِكَ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ فَقَالَ الرَّجُلُ: وَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ مَا أَعْرِفُ غَيْرَ هَذَا فعلِّمني قَالَ: (إِذَا قُمْتُ إِلَى الصَّلَاةِ فَكَبِّرْ وَاقْرَأْ مَا تَيَسَّرَ مَعَكَ مِنَ الْقُرْآنِ ثُمَّ ارْكَعْ حَتَّى تَطْمَئِنَّ رَاكِعًا ثُمَّ ارْفَعْ حَتَّى تَعْتَدِلَ قَائِمًا ثُمَّ اسْجُدْ حَتَّى تَطْمَئِنَّ سَاجِدًا ثُمَّ ارْفَعْ حَتَّى تَطْمَئِنَّ جالساً وافعل ذلك في صلاتك كلها) الراوي : أَبُو هُرَيْرَةَ | المحدث : العلامة ناصر الدين الألباني | المصدر : التعليقات الحسان على صحيح ابن حبان الصفحة أو الرقم: 1887 | خلاصة حكم المحدث: صحيح ـ ((الإرواء)) (1/ 321/289)، ((صحيح أبي داود)) (802) قَالَ أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: قَوْلُهُ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: (وَاقْرَأْ مَا تَيَسَّرَ مَعَكَ مِنَ الْقُرْآنِ) يُرِيدُ فَاتِحَةَ الْكِتَابِ وَقَوْلُهُ: (ارْجِعْ فَصَلِّ فَإِنَّكَ لَمْ تُصَلِّ) نَفَى الصَّلَاةَ عَنْ هَذَا الْمُصَلِّي لِنَقْصِهِ عَنْ حَقِيقَةِ إِتْيَانِ مَا كَانَ عَلَيْهِ مِنْ فَرْضِهَا لَا أَنَّهُ لَمْ يُصَلِّ فَلَمَّا كَانَ فِعْلُهُ نَاقِصًا عَنْ حَالَةِ الْكَمَالِ نَفَى عَنْهُ الِاسْمَ بِالْكُلِّيَّةِ.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ