পরিচ্ছেদঃ মুসল্লী ব্যক্তি সালাতের কোন তাশাহহুদ পাঠ করবে তার বিবরণ
১৯৪৭. আব্দুল্লাহ বিন মাস‘উদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমরা জানতাম না যে, আমরা সালাতে কী বলবো, তখন আমরা বলতাম “আল্লাহর উপর শান্তি বর্ষিত হোক, জিবরীল আলাইহিস সালামের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক, মীকাঈল আলাইহিস সালামের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক।” তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের তাশাহহুদ শিক্ষা দেন এবং বলেন, “নিশ্চয়ই আল্লাহ নিজেই শান্তিদাতা। কাজেই তোমরা যখন দ্বিতীয় রাকা‘আতে বসবে, তখন বলবে, التَّحِيَّاتُ لِلَّهِ وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّبَاتُ السَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ السَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ محمداً عبده ورسوله (সমস্ত অভিবাদন, সালাত ও পবিত্র জিনিস আল্লাহর জন্য। হে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আপনার প্রতি বর্ষিত হোক আল্লাহর রহমত, বরকত ও সালাত। শান্তি বর্ষিত হোক আমাদের উপর এবং আল্লাহর সৎবান্দাদের উপর। -আবূ ওয়াইল আব্দুল্লাহ বিন মাস‘উদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু মারফত বর্ণিত হাদীসে বলেন, যখন তুমি এরকম বলবে, তখন আল্লাহর প্রত্যেক নৈকট্যশীল ফেরেস্তা, প্রেরিত নাবী এবং সৎ বান্দাদের কাছে পৌঁছে যাবে- আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন মা‘বূদ নেই আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর বান্দা ও রাসূল)।”[1]
হাদীসটিকে আল্লামা শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। আল্লামা নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৮৮৯)
ذِكْرُ وَصْفِ مَا يتشهَّد الْمَرْءُ بِهِ فِي جُلُوسِهِ مِنْ صَلَاتِهِ
1947 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مُحَمَّدٍ الدَّغُولِيُّ قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ قَالَ: أَخْبَرَنَا الثَّوْرِيُّ عَنْ مَنْصُورٍ وَالْأَعْمَشِ وَأَبِي هَاشِمٍ عَنْ أَبِي وَائِلٍ وَعَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنِ الْأَسْوَدِ وَأَبِي الْأَحْوَصِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ: كُنَّا لَا نَدْرِي مَا نَقُولُ فِي الصَّلَاةِ نَقُولُ: السَّلَامُ عَلَى جِبْرِيلَ السَّلَامُ عَلَى مِيكَائِيلَ فعلَّمنا النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَقَالَ: (إِنَّ اللَّهَ هُوَ السَّلَامُ فَإِذَا جَلَسْتُمْ فِي الرَّكْعَتَيْنِ فَقُولُوا: التَّحِيَّاتُ لِلَّهِ وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّبَاتُ السَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ السَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ) - قَالَ أَبُو وَائِلٍ فِي حَدِيثِهِ عن عبد الله:
(إذا قُلتها أصابت كل مَلَكٍ مُقرَّب وَنَبِيٍّ مُرْسَلٍ وَعَبْدٍ صَالِحٍ) - أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ محمداً عبده ورسوله)
الراوي : عَبْد اللَّهِ | المحدث : العلامة ناصر الدين الألباني | المصدر : التعليقات الحسان على صحيح ابن حبان
الصفحة أو الرقم: 1947 | خلاصة حكم المحدث: صحيح ـ ((صحيح أبي داود)) (889)
পরিচ্ছেদঃ মুসল্লী ব্যক্তি সালাতের কোন তাশাহহুদ পাঠ করবে তার বিবরণ
১৯৪৮. আব্দুল্লাহ বিন মাস‘উদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমরা জানতাম না যে, আমরা প্রত্যেক দুই রাকা‘আতের বৈঠকে কী বলবো, তবে আমরা আল্লাহর বড়ত্ব, পবিত্রতা ঘোষনা ও তাঁর প্রশংসা করতাম। আর নাবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে কল্যাণের সমস্ত চাবিকাঠি ও কল্যাণের সন্নিবেশকারী বিষয় শিক্ষা দেওয়া হয়েছিল। তিনি আমাদের বলেন, “যখন তোমরা প্রত্যেক দ্বিতীয় রাকা‘আতে বসবে, তখন বলবে, التَّحِيَّاتُ لِلَّهِ وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّبَاتُ السَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ السَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ محمداً عبده ورسوله (সমস্ত অভিবাদন, সালাত ও পবিত্র জিনিস আল্লাহর জন্য। হে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আপনার প্রতি বর্ষিত হোক আল্লাহর রহমত, বরকত ও সালাত। শান্তি বর্ষিত হোক আমাদের উপর এবং আল্লাহর সৎবান্দাদের উপর। -আবূ ওয়াইল আব্দুল্লাহ বিন মাস‘উদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু মারফত বর্ণিত হাদীসে বলেন, যখন তুমি এরকম বলবে, তখন আল্লাহর প্রত্যেক নৈকট্যশীল ফেরেস্তা, প্রেরিত নাবী এবং সৎ বান্দাদের কাছে পৌঁছে যাবে- আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন মা‘বূদ নেই আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর বান্দা ও রাসূল)।
তারপর তোমরা তোমাদের যে দু‘আ ভালো লাগে, তার মাধ্যমে দু‘আ করবে।”[1]
আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, প্রত্যেক দ্বিতীয় রাকা‘আতে বসার যে নির্দেশ, তা ফরয নির্দেশক আদেশ। আর তাঁর পিছনের মুসল্লীদের প্রথম বৈঠক তরক করার কাজটি তাঁর কর্তৃক অস্বীকার না করা প্রমাণ করে যে, প্রথম বৈঠকটি মানদূব (যা পালন করা বাঞ্ছনীয়, তবে না পালন করলে গোনাহ হয় না) আর শেষ বৈঠক ফরয হওয়ার বৈশিষ্ট্যের উপর বহাল থাকলো।”
হাদীসটিকে আল্লামা শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ বলেছেন। আল্লামা নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ৮৮৯)
ذِكْرُ وَصْفِ مَا يتشهَّد الْمَرْءُ بِهِ فِي جُلُوسِهِ مِنْ صَلَاتِهِ
1948 - أَخْبَرَنَا الْفَضْلُ بْنُ الْحُبَابِ الْجُمَحِيُّ قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ وَمُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ قَالَا: أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو إِسْحَاقَ قَالَ: أَخْبَرَنَا أَبُو الْأَحْوَصِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ: كُنَّا لَا نَدْرِي مَا نَقُولُ فِي كُلِّ رَكْعَتَيْنِ إِلَّا أَنْ نُسَبِّحَ ونُكَبِّر ونَحْمد رَبَّنَا وَإِنَّ مُحَمَّدًا صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عُلِّمَ فَوَاتِحَ الْخَيْرِ وَخَوَاتِمَهُ أَوْ قَالَ جَوَامِعَهُ وَإِنَّهُ قَالَ لَنَا: (إِذَا قَعَدْتُمْ فِي كُلِّ رَكْعَتَيْنِ فَقُولُوا: التَّحِيَّاتُ لِلَّهِ وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّبَاتُ السَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ السَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ ثُمَّ ليتَخَيَّرْ مِنَ الدُّعَاءِ مَا أَعْجَبَهُ فلْيَدْعُ به ربه)
الراوي : عَبْد اللَّهِ | المحدث : العلامة ناصر الدين الألباني | المصدر : التعليقات الحسان على صحيح ابن حبان
الصفحة أو الرقم: 1948 | خلاصة حكم المحدث: صحيح ـ ((صحيح أبي داود)) (889)
قَالَ أَبُو حَاتِمٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: الْأَمْرُ بِالْجُلُوسِ فِي كُلِّ رَكْعَتَيْنِ أَمْرُ فَرْضٍ دلَّ فِعْلُهُ مَعَ تَرْكِ الْإِنْكَارِ عَلَى مَنْ خَلْفَهُ عَلَى أَنَّ الْجُلُوسَ الْأَوَّلَ نَدْبٌ وَبَقِيَ الْآخَرُ عَلَى حَالَتِهِ فَرْضًا.