মুয়াত্তা মালিক ২৭. ফারায়েয অধ্যায় (كتاب الفرائض)
১০৭৪

পরিচ্ছেদঃ ১. সন্তানের মীরাস

মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের নিকট সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত মাসআলা এই, আমাদের শহরের আলিমগণকে মীরাসের অংশ বন্টন সম্পর্কে এই মতই পোষণ করিতে দেখিয়াছি, যখন ছেলেমেয়ের পিতা-মাতার মৃত্যু হয় এবং তাহার সম্পদ রাখিয়া যায়, তবে মেয়ের দ্বিগুণ মীরাস ছেলে পাইবে; যদি শুধু দুই মেয়ে কিংবা ততোধিক মেয়ে থাকে তবে পূর্ণ মালের দুই-তৃতীয়াংশ মেয়েগণ মীরাস পাইবে। যদি এক মেয়ে থাকে তবে অর্ধেক অংশ মীরাস পাইবে। আর যদি মৃত ব্যক্তির কোন যবিল ফুরুয (যাহাদিগকে হিস্যা কুরআন মজীদে নির্ধারিত আছে) থাকে এবং ছেলেমেয়েও বিদ্যমান থাকে তবে প্রথমত অংশীদারগণের হিস্যা আদায় করিয়া ছেলেমেয়েদিগকে পূর্ব বর্ণিত নিয়মে অংশ দিবে অর্থাৎ ছেলে পাইবে মেয়ের দ্বিগুণ। তবে পিতা যবিল ফুরূয হিসাবে এক-ষষ্ঠাংশ পাইবে অবশিষ্ট ওয়ারিশগণ বাকী পাঁচ হিস্যার দুই হিস্যা এক ছেলে এবং তিন হিস্যা তিন মেয়ে পাইবে।

মালিক (রহঃ) বলেন, যদি মৃতের পুত্র কন্যা কেহ না থাকে তবে নাতি এবং নাতনিগণ ওয়ারিস হইবে। নাতি-নাতনীদের হিস্যাও পুত্র-কন্যাদের হিস্যার মতো বন্টন করা হইবে, মীরাস পাওয়া না পাওয়ার ব্যাপারে তাহাদের হুকুম পুত্রদের মতো। তবে মৃতের একটি পুত্র ও নাতি থাকিলে নাতি ওয়ারিস হইবে না। মৃতের দুই অথবা ততোধিক কন্যা থাকিলেও নাতনিগণ ওয়ারিস হইব না। হ্যাঁ, যদি নাতনীদের সঙ্গে কোন নাতিও থাকে, মৃতের সঙ্গে তাহার সম্পর্ক কন্যাদের মতো অথবা তাহাদের তুলনায় কিছু দূর-সম্পৰ্কীয়। তবে যবিল ফুরূযের হিস্যা দেওয়ার পর কিছু মাল বাঁচিয়া থাকিলে তাহা কন্যাদের সমপর্যায়ের নাতি এবং নাতির তুলনায় উচ্চ অর্থাৎ নিকট সম্পৰ্কীয়া নাতনীগণ পাইবে এবং নাতনীর দ্বিগুণ নাতি পাইবে। যদি যবিল ফুরূযকে দেওয়ার পর অবশিষ্ট না থাকে তবে তাহারা কিছুই পাইবে না। যদি মৃতের একটি মেয়ে থাকে তবে সে অর্ধেক পাইবে। আর তাহার পুত্রের মেয়ে সন্তান অর্থাৎ তাহার নাতনী এক বা একাধিক হইলে ইহারা সকলেই মৃতের ওয়ারিস হিসাবে এক-ষষ্ঠাংশ পাইবে আর যদি নাতনীদের সঙ্গে নাতিও থাকে তবে নাতনীরা কিছুই পাইবে না, যদি যবিল ফুরূযকে দিয়া কিছু অবশিষ্ট থাকে তবে তাহা ঐ নাতির হিস্যা এবং তাহার সঙ্গে অন্য যে তাহার সমকক্ষ এবং তাহার উর্ধ্বের নাতনীরাও তাহার সঙ্গে হিস্যা পাইবে, পুরুষ মেয়ের দ্বিগুণ এই হিসাবে আর দূরবর্তীদের জন্য কোন অংশ নাই যবিল যুরুষকে দিয়া কিছু অবশিষ্ট না থাকিলে তাহাদের জন্য কিছুই নাই।

আর ইহা এইজন্য যে, আল্লাহ তা’আলা স্বীয় কিতাবে বলেনঃ

يُوصِيكُمُ اللَّهُ فِي أَوْلَادِكُمْ لِلذَّكَرِ مِثْلُ حَظِّ الْأُنثَيَيْنِ فَإِن كُنَّ نِسَاءً فَوْقَ اثْنَتَيْنِ فَلَهُنَّ ثُلُثَا مَا تَرَكَ وَإِن كَانَتْ وَاحِدَةً فَلَهَا النِّصْفُ

আল্লাহ তোমাদের সন্তান সম্বন্ধে নির্দেশ দিতেছেন, এক পুত্রের অংশ দুই কন্যার অংশের সমান, কিন্তু কেবল কন্যা দুই-এর অধিক থাকিলে তাহাদের জন্য পরিত্যক্ত সম্পত্তির দুই-তৃতীয়াংশ, আর এক কন্যা থাকিলে তাহাদের জন্য অর্ধাংশ । (সূরা নিসাঃ ১১)

মালিক (রহঃ) বলেনঃ আতরাফ অর্থাৎ দূরবর্তিগণ।

بَاب مِيرَاثِ الصُّلْبِ

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك الْأَمْرُ الْمُجْتَمَعُ عَلَيْهِ عِنْدَنَا وَالَّذِي أَدْرَكْتُ عَلَيْهِ أَهْلَ الْعِلْمِ بِبَلَدِنَا فِي فَرَائِضِ الْمَوَارِيثِ أَنَّ مِيرَاثَ الْوَلَدِ مِنْ وَالِدِهِمْ أَوْ وَالِدَتِهِمْ أَنَّهُ إِذَا تُوُفِّيَ الْأَبُ أَوْ الْأُمُّ وَتَرَكَا وَلَدًا رِجَالًا وَنِسَاءً فَلِلذَّكَرِ مِثْلُ حَظِّ الْأُنْثَيَيْنِ فَإِنْ كُنَّ نِسَاءً فَوْقَ اثْنَتَيْنِ فَلَهُنَّ ثُلُثَا مَا تَرَكَ وَإِنْ كَانَتْ وَاحِدَةً فَلَهَا النِّصْفُ فَإِنْ شَرِكَهُمْ أَحَدٌ بِفَرِيضَةٍ مُسَمَّاةٍ وَكَانَ فِيهِمْ ذَكَرٌ بُدِئَ بِفَرِيضَةِ مَنْ شَرِكَهُمْ وَكَانَ مَا بَقِيَ بَعْدَ ذَلِكَ بَيْنَهُمْ عَلَى قَدْرِ مَوَارِيثِهِمْ وَمَنْزِلَةُ وَلَدِ الْأَبْنَاءِ الذُّكُورِ إِذَا لَمْ يَكُنْ وَلَدٌ كَمَنْزِلَةِ الْوَلَدِ سَوَاءٌ ذُكُورُهُمْ كَذُكُورِهِمْ وَإِنَاثُهُمْ كَإِنَاثِهِمْ يَرِثُونَ كَمَا يَرِثُونَ وَيَحْجُبُونَ كَمَا يَحْجُبُونَ فَإِنْ اجْتَمَعَ الْوَلَدُ لِلصُّلْبِ وَوَلَدُ الْابْنِ وَكَانَ فِي الْوَلَدِ لِلصُّلْبِ ذَكَرٌ فَإِنَّهُ لَا مِيرَاثَ مَعَهُ لِأَحَدٍ مِنْ وَلَدِ الْابْنِ فَإِنْ لَمْ يَكُنْ فِي الْوَلَدِ لِلصُّلْبِ ذَكَرٌ وَكَانَتَا ابْنَتَيْنِ فَأَكْثَرَ مِنْ ذَلِكَ مِنْ الْبَنَاتِ لِلصُّلْبِ فَإِنَّهُ لَا مِيرَاثَ لِبَنَاتِ الْابْنِ مَعَهُنَّ إِلَّا أَنْ يَكُونَ مَعَ بَنَاتِ الْابْنِ ذَكَرٌ هُوَ مِنْ الْمُتَوَفَّى بِمَنْزِلَتِهِنَّ أَوْ هُوَ أَطْرَفُ مِنْهُنَّ فَإِنَّهُ يَرُدُّ عَلَى مَنْ هُوَ بِمَنْزِلَتِهِ وَمَنْ هُوَ فَوْقَهُ مِنْ بَنَاتِ الْأَبْنَاءِ فَضْلًا إِنْ فَضَلَ فَيَقْتَسِمُونَهُ بَيْنَهُمْ لِلذَّكَرِ مِثْلُ حَظِّ الْأُنْثَيَيْنِ فَإِنْ لَمْ يَفْضُلْ شَيْءٌ فَلَا شَيْءَ لَهُمْ وَإِنْ لَمْ يَكُنْ الْوَلَدُ لِلصُّلْبِ إِلَّا ابْنَةً وَاحِدَةً فَلَهَا النِّصْفُ وَلِابْنَةِ ابْنِهِ وَاحِدَةً كَانَتْ أَوْ أَكْثَرَ مِنْ ذَلِكَ مِنْ بَنَاتِ الْأَبْنَاءِ مِمَّنْ هُوَ مِنْ الْمُتَوَفَّى بِمَنْزِلَةٍ وَاحِدَةٍ السُّدُسُ فَإِنْ كَانَ مَعَ بَنَاتِ الْابْنِ ذَكَرٌ هُوَ مِنْ الْمُتَوَفَّى بِمَنْزِلَتِهِنَّ فَلَا فَرِيضَةَ وَلَا سُدُسَ لَهُنَّ وَلَكِنْ إِنْ فَضَلَ بَعْدَ فَرَائِضِ أَهْلِ الْفَرَائِضِ فَضْلٌ كَانَ ذَلِكَ الْفَضْلُ لِذَلِكَ الذَّكَرِ وَلِمَنْ هُوَ بِمَنْزِلَتِهِ وَمَنْ فَوْقَهُ مِنْ بَنَاتِ الْأَبْنَاءِ لِلذَّكَرِ مِثْلُ حَظِّ الْأُنْثَيَيْنِ وَلَيْسَ لِمَنْ هُوَ أَطْرَفُ مِنْهُمْ شَيْءٌ فَإِنْ لَمْ يَفْضُلْ شَيْءٌ فَلَا شَيْءَ لَهُمْ وَذَلِكَ أَنَّ اللَّهَ تَبَارَكَ وَتَعَالَى قَالَ فِي كِتَابِهِ يُوصِيكُمُ اللَّهُ فِي أَوْلَادِكُمْ لِلذَّكَرِ مِثْلُ حَظِّ الْأُنْثَيَيْنِ فَإِنْ كُنَّ نِسَاءً فَوْقَ اثْنَتَيْنِ فَلَهُنَّ ثُلُثَا مَا تَرَكَ وَإِنْ كَانَتْ وَاحِدَةً فَلَهَا النِّصْفُ قَالَ مَالِك الْأَطْرَفُ هُوَ الْأَبْعَدُ

حدثني يحيى عن مالك الامر المجتمع عليه عندنا والذي ادركت عليه اهل العلم ببلدنا في فراىض المواريث ان ميراث الولد من والدهم او والدتهم انه اذا توفي الاب او الام وتركا ولدا رجالا ونساء فللذكر مثل حظ الانثيين فان كن نساء فوق اثنتين فلهن ثلثا ما ترك وان كانت واحدة فلها النصف فان شركهم احد بفريضة مسماة وكان فيهم ذكر بدى بفريضة من شركهم وكان ما بقي بعد ذلك بينهم على قدر مواريثهم ومنزلة ولد الابناء الذكور اذا لم يكن ولد كمنزلة الولد سواء ذكورهم كذكورهم واناثهم كاناثهم يرثون كما يرثون ويحجبون كما يحجبون فان اجتمع الولد للصلب وولد الابن وكان في الولد للصلب ذكر فانه لا ميراث معه لاحد من ولد الابن فان لم يكن في الولد للصلب ذكر وكانتا ابنتين فاكثر من ذلك من البنات للصلب فانه لا ميراث لبنات الابن معهن الا ان يكون مع بنات الابن ذكر هو من المتوفى بمنزلتهن او هو اطرف منهن فانه يرد على من هو بمنزلته ومن هو فوقه من بنات الابناء فضلا ان فضل فيقتسمونه بينهم للذكر مثل حظ الانثيين فان لم يفضل شيء فلا شيء لهم وان لم يكن الولد للصلب الا ابنة واحدة فلها النصف ولابنة ابنه واحدة كانت او اكثر من ذلك من بنات الابناء ممن هو من المتوفى بمنزلة واحدة السدس فان كان مع بنات الابن ذكر هو من المتوفى بمنزلتهن فلا فريضة ولا سدس لهن ولكن ان فضل بعد فراىض اهل الفراىض فضل كان ذلك الفضل لذلك الذكر ولمن هو بمنزلته ومن فوقه من بنات الابناء للذكر مثل حظ الانثيين وليس لمن هو اطرف منهم شيء فان لم يفضل شيء فلا شيء لهم وذلك ان الله تبارك وتعالى قال في كتابه يوصيكم الله في اولادكم للذكر مثل حظ الانثيين فان كن نساء فوق اثنتين فلهن ثلثا ما ترك وان كانت واحدة فلها النصف قال مالك الاطرف هو الابعد


Yahya related to me from Malik, "The generally agreed upon way of doing things among us and what I have seen the people of knowledge doing in our city about the fixed shares of inheritance of children from the mother or father when one or other of them dies is that if they leave male and female children, the male takes the portion of two females. If there are only females, and there are more than two, they get two thirds of what is left between them. If there is only one, she gets a half. If someone shares with the children, who has a fixed share and there are males among them, the reckoner begins with the ones with fixed shares. What remains after that is divided among the children according to their inheritance.

"When there are no children, grandchildren through sons have the same position as children, so that grandsons are like sons and grand-daughters are like daughters. They inherit as they inherit and they overshadow as they overshadow. If there are both children and grandchildren through sons, and there is a male among the children, then the grandchildren through sons do not share in the inheritance with him.

"If there is no surviving male among the children, and there are two or more daughters, the granddaughters through a son do not share in the inheritance with them unless there is a male who is in the same position as them in relation to the deceased, or further than them. His presence gives access to whatever is left over, if any, to whoever is in his position and whoever is above him of the granddaughters through sons. If something is left over, they divide it among them, and the male takes the portion of two females. If nothing is left over, they have nothing.

"If the only descendant is a daughter, she takes half, and if there are one or more grand-daughters through a son who are in the same position to the deceased, they share a sixth. If there is a male in the same position as the granddaughters through a son in relation to the deceased, they have no share and no sixth .

"If there is a surplus after the allotting of shares to the people with fixed shares, the surplus goes to the male and whoever is in his position and whoever is above him of the female descendants through sons. The male has the share of two females. The one who is more distant in relationship than grandchildren through sons has nothing. If there is no surplus, they have nothing. That is because Allah, the Blessed, the Exalted, said in His Book, 'Allah charges you about your children that the male has the like of the portion of two females. If there are more than two women they have two thirds of what is left. If there is one, she has a half.' (Sura 4 ayat 10)


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২৭. ফারায়েয অধ্যায় (كتاب الفرائض) 27/ Fara'id
১০৭৫

পরিচ্ছেদঃ ২. মিরাস বন্টনে স্বামীর অংশ স্ত্রী হইতে এবং স্ত্রীয় অংশ স্বামী হইতে কি পরিমাণ?

মালিক (রহঃ) বলেনঃ স্ত্রীর মৃত্যুর পর যদি তাহার কোন ছেলে কিংবা নাতি না থাকে তবে স্বামী অর্ধেক মালের মীরাস পাইবে। যদি কোন ছেলে অথবা ছেলের ঔরসজাত নাতি বা নাতনী বিদ্যমান থাকে তবে স্বামী এক-চতুর্থাংশ মীরাস পাইবে, তবে শর্ত এই মৃতের কোন ওসীয়্যত থাকিলে কিংবা কোন ঋণ থাকিলে তাহা পূর্বেই আদায় করতে হইবে। তদ্রুপ স্বামীর মৃত্যু হইলে যদি কোন ছেলে কিংবা নাতি না থাকে, তবে স্বামীর রাখিয়া যাওয়া সম্পদ হইতে স্ত্রী এক-চতুর্থাংশ পাইবে। আর যদি কোন ছেলে কিংবা নাতি-নাতনী থাকে, তবে স্ত্রী এক-অষ্টমাংশ মীরাস পাইবে। এ স্থলেও স্বামীর কোন ওসীয়্যত কিংবা ঋণ থাকিলে তাহা মীরাস বন্টনের পূর্বেই আদায় করিতে হইবে। কেননা আল্লাহ্ তা’আলা কুরআনুল কারীমে বলিয়াছেনঃ

وَلَكُمْ نِصْفُ مَا تَرَكَ أَزْوَاجُكُمْ إِن لَّمْ يَكُن لَّهُنَّ وَلَدٌ فَإِن كَانَ لَهُنَّ وَلَدٌ فَلَكُمُ الرُّبُعُ مِمَّا تَرَكْنَ مِن بَعْدِ وَصِيَّةٍ يُوصِينَ بِهَا أَوْ دَيْنٍ وَلَهُنَّ الرُّبُعُ مِمَّا تَرَكْتُمْ إِن لَّمْ يَكُن لَّكُمْ وَلَدٌ فَإِن كَانَ لَكُمْ وَلَدٌ فَلَهُنَّ الثُّمُنُ مِمَّا تَرَكْتُم مِّن بَعْدِ وَصِيَّةٍ تُوصُونَ بِهَا أَوْ دَيْنٍ

তোমাদের স্ত্রীদের পরিত্যক্ত সম্পত্তির অর্ধাংশ তোমাদের জন্য, যদি তাহাদের কোন সন্তান না থাকে এবং তাহাদের সন্তান থাকিলে তোমাদের জন্য তাহদের পরিত্যক্ত সম্পত্তির এক-চতুর্থাংশ ওসীয়্যত পালন এবং ঋণ পরিশোধের পর তোমাদের সন্তান না থাকিলে তাহাদের জন্য তোমাদের পরিত্যক্ত সম্পত্তির এক-চতুর্থাংশ আর তোমাদের সন্তান থাকিলে তাহদের জন্য তোমাদের পরিত্যক্ত সম্পত্তির এক-অষ্টমাংশ। তোমরা যাহা ওসীয়্যত করিবে তাহা দেওয়া ও ঋণ পরিশোধের পর। (সূরা নিসাঃ ১২)

بَاب مِيرَاثِ الرَّجُلِ مِنْ امْرَأَتِهِ وَالْمَرْأَةِ مِنْ زَوْجِهَا

قَالَ مَالِك وَمِيرَاثُ الرَّجُلِ مِنْ امْرَأَتِهِ إِذَا لَمْ تَتْرُكْ وَلَدًا وَلَا وَلَدَ ابْنٍ مِنْهُ أَوْ مِنْ غَيْرِهِ النِّصْفُ فَإِنْ تَرَكَتْ وَلَدًا أَوْ وَلَدَ ابْنٍ ذَكَرًا كَانَ أَوْ أُنْثَى فَلِزَوْجِهَا الرُّبُعُ مِنْ بَعْدِ وَصِيَّةٍ تُوصِي بِهَا أَوْ دَيْنٍ وَمِيرَاثُ الْمَرْأَةِ مِنْ زَوْجِهَا إِذَا لَمْ يَتْرُكْ وَلَدًا وَلَا وَلَدَ ابْنٍ الرُّبُعُ فَإِنْ تَرَكَ وَلَدًا أَوْ وَلَدَ ابْنٍ ذَكَرًا كَانَ أَوْ أُنْثَى فَلِامْرَأَتِهِ الثُّمُنُ مِنْ بَعْدِ وَصِيَّةٍ يُوصِي بِهَا أَوْ دَيْنٍ وَذَلِكَ أَنَّ اللَّهَ تَبَارَكَ وَتَعَالَى يَقُولُ فِي كِتَابِهِ وَلَكُمْ نِصْفُ مَا تَرَكَ أَزْوَاجُكُمْ إِنْ لَمْ يَكُنْ لَهُنَّ وَلَدٌ فَإِنْ كَانَ لَهُنَّ وَلَدٌ فَلَكُمْ الرُّبُعُ مِمَّا تَرَكْنَ مِنْ بَعْدِ وَصِيَّةٍ يُوصِينَ بِهَا أَوْ دَيْنٍ وَلَهُنَّ الرُّبُعُ مِمَّا تَرَكْتُمْ إِنْ لَمْ يَكُنْ لَكُمْ وَلَدٌ فَإِنْ كَانَ لَكُمْ وَلَدٌ فَلَهُنَّ الثُّمُنُ مِمَّا تَرَكْتُمْ مِنْ بَعْدِ وَصِيَّةٍ تُوصُونَ بِهَا أَوْ دَيْنٍ

قال مالك وميراث الرجل من امراته اذا لم تترك ولدا ولا ولد ابن منه او من غيره النصف فان تركت ولدا او ولد ابن ذكرا كان او انثى فلزوجها الربع من بعد وصية توصي بها او دين وميراث المراة من زوجها اذا لم يترك ولدا ولا ولد ابن الربع فان ترك ولدا او ولد ابن ذكرا كان او انثى فلامراته الثمن من بعد وصية يوصي بها او دين وذلك ان الله تبارك وتعالى يقول في كتابه ولكم نصف ما ترك ازواجكم ان لم يكن لهن ولد فان كان لهن ولد فلكم الربع مما تركن من بعد وصية يوصين بها او دين ولهن الربع مما تركتم ان لم يكن لكم ولد فان كان لكم ولد فلهن الثمن مما تركتم من بعد وصية توصون بها او دين


Malik said, "The inheritance of a husband from a wife when she leaves no children or grandchildren through sons is a half. If she leaves children or grandchildren through sons, male or female, by her present or previous husbands, the husband has a quarter after bequests or debts. The inheritance of a wife from a husband who does not leave children or grandchildren through sons is a quarter. If he leaves children or grandchildren through sons, male or female, the wife has an eighth after bequests and debts. That is because Allah, the Blessed, the Exalted! said in His Book, 'You have a half of what your wives leave if they have no children. If they have children, you have a fourth of what they leave after bequests and debts. They have a fourth of what you leave if you have no children. If you have children, they have an eighth after bequests or debts.' " (Sura4ayat 11).


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২৭. ফারায়েয অধ্যায় (كتاب الفرائض) 27/ Fara'id
১০৭৬

পরিচ্ছেদঃ ৩. সন্তানের পরিত্যক্ত সম্পত্তিতে পিতা-মাতায় মীরাস

মালিক (রহঃ) বলেন, আমাদের নিকট সর্বসম্মত মাসআলা এই— আমাদের শহরের আলিমগণকেও অনুরূপ মত পোষণ করিতে দেখিয়াছি যে, মৃত ব্যক্তি যদি ছেলে কিংবা পুত্রের ঔরসজাত নাতি রাখিয়া মারা যায়, তবে মৃতের পিতা এক-ষষ্ঠাংশ মীরাস পাইবে। আর যদি মৃতের ছেলে কিংবা নাতি না থাকে তবে যবিল ফুরূযের হিস্যা দেওয়ার পর যাহা অবশিষ্ট থাকে তাহা এক-ষষ্ঠাংশের সমান হউক কিংবা বেশি হউক তাহা পিতা পাইবে। যদি যবিল ফুরূযের হিস্যা দেওয়ার পর ষষ্ঠাংশ না থাকে তবে ষষ্ঠাংশ দেওয়ার ব্যবস্থা করিতে হইবে। মৃত ব্যক্তির যদি মাতা, ছেলেমেয়ে কিংবা ছেলের পক্ষের নাতি, নাতনী কিংবা দুই ভাই কিংবা ততোধিক ভাই থাকে, আপন ভাই কিংবা মাতৃপক্ষের ভাই কিংবা পিতৃপক্ষের ভাই কিংবা বোনসমূহ থাকে তবে মাতা এক-ষষ্ঠাংশ পাইবে। আর যদি উপরিউল্লিখিত কেহ না থাকে, তবে মাতা পূর্ণ এক-তৃতীয়াংশ পাইবে। হ্যাঁ, শুধু দুই অবস্থায় এক-তৃতীয়াংশ পাইবে না বরং অবশিষ্ট মালের এক-তৃতীয়াংশ পাইবে। এক অবস্থা এই যে, যদি মৃতের মাতা-পিতা বিদ্যমান থাকে এবং স্ত্রী থাকে তবে স্ত্রী এক-চতুর্থাংশ মাল পাইবে। এবং মাতা এক-তৃতীয়াংশ পাইবে।

দ্বিতীয় অবস্থা এই যে, মৃত ব্যক্তির যদি স্বামী এবং মাতা-পিতা থাকে তবে স্বামী অর্ধেক অংশ পাইবে এবং মাতা যাহা বাকী থাকে তাহার এক-তৃতীয়াংশ পাইবে। অর্থাৎ মাতা এক-ষষ্ঠাংশ এবং পিতা এক-ষষ্ঠাংশ পাইবে। কেননা তাহাই আল্লাহ্ তা’আলা স্বীয় কিতাবে ইরশাদ করিয়াছেনঃ

وَلِأَبَوَيْهِ لِكُلِّ وَاحِدٍ مِّنْهُمَا السُّدُسُ مِمَّا تَرَكَ إِن كَانَ لَهُ وَلَدٌ فَإِن لَّمْ يَكُن لَّهُ وَلَدٌ وَوَرِثَهُ أَبَوَاهُ فَلِأُمِّهِ الثُّلُثُ فَإِن كَانَ لَهُ إِخْوَةٌ فَلِأُمِّهِ السُّدُسُ

তাহার সন্তান থাকিলে তাহার পিতা-মাতা প্রত্যেকের জন্য পরিত্যক্ত সম্পত্তির এক-ষষ্ঠাংশ, সে নিঃসন্তান হইলে এবং শুধু পিতামাতাই উত্তরাধিকারী হইলে তাহার মাতার জন্য এক-তৃতীয়াংশ; তাহার ভাই-বোন থাকিলে মাতার জন্য এক-ষষ্ঠাংশ।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ ভাইসমূহের অর্থ দুই ভাই কিংবা ততোধিক ভাই অর্থ লওয়াও প্রচলিত সুন্নতরূপে গণ্য।

بَاب مِيرَاثِ الْأَبِ وَالْأُمِّ مِنْ وَلَدِهِمَا

قَالَ مَالِك الْأَمْرُ الْمُجْتَمَعُ عَلَيْهِ عِنْدَنَا الَّذِي لَا اخْتِلَافَ فِيهِ وَالَّذِي أَدْرَكْتُ عَلَيْهِ أَهْلَ الْعِلْمِ بِبَلَدِنَا أَنَّ مِيرَاثَ الْأَبِ مِنْ ابْنِهِ أَوْ ابْنَتِهِ أَنَّهُ إِنْ تَرَكَ الْمُتَوَفَّى وَلَدًا أَوْ وَلَدَ ابْنٍ ذَكَرًا فَإِنَّهُ يُفْرَضُ لِلْأَبِ السُّدُسُ فَرِيضَةً فَإِنْ لَمْ يَتْرُكْ الْمُتَوَفَّى وَلَدًا وَلَا وَلَدَ ابْنٍ ذَكَرًا فَإِنَّهُ يُبَدَّأُ بِمَنْ شَرَّكَ الْأَبَ مِنْ أَهْلِ الْفَرَائِضِ فَيُعْطَوْنَ فَرَائِضَهُمْ فَإِنْ فَضَلَ مِنْ الْمَالِ السُّدُسُ فَمَا فَوْقَهُ كَانَ لِلْأَبِ وَإِنْ لَمْ يَفْضُلْ عَنْهُمْ السُّدُسُ فَمَا فَوْقَهُ فُرِضَ لِلْأَبِ السُّدُسُ فَرِيضَةً وَمِيرَاثُ الْأُمِّ مِنْ وَلَدِهَا إِذَا تُوُفِّيَ ابْنُهَا أَوْ ابْنَتُهَا فَتَرَكَ الْمُتَوَفَّى وَلَدًا أَوْ وَلَدَ ابْنٍ ذَكَرًا كَانَ أَوْ أُنْثَى أَوْ تَرَكَ مِنْ الْإِخْوَةِ اثْنَيْنِ فَصَاعِدًا ذُكُورًا كَانُوا أَوْ إِنَاثًا مِنْ أَبٍ وَأُمٍّ أَوْ مِنْ أَبٍ أَوْ مِنْ أُمٍّ فَالسُّدُسُ لَهَا وَإِنْ لَمْ يَتْرُكْ الْمُتَوَفَّى وَلَدًا وَلَا وَلَدَ ابْنٍ وَلَا اثْنَيْنِ مِنْ الْإِخْوَةِ فَصَاعِدًا فَإِنَّ لِلْأُمِّ الثُّلُثَ كَامِلًا إِلَّا فِي فَرِيضَتَيْنِ فَقَطْ وَإِحْدَى الْفَرِيضَتَيْنِ أَنْ يُتَوَفَّى رَجُلٌ وَيَتْرُكَ امْرَأَتَهُ وَأَبَوَيْهِ فَلِامْرَأَتِهِ الرُّبُعُ وَلِأُمِّهِ الثُّلُثُ مِمَّا بَقِيَ وَهُوَ الرُّبُعُ مِنْ رَأْسِ الْمَالِ وَالْأُخْرَى أَنْ تُتَوَفَّى امْرَأَةٌ وَتَتْرُكَ زَوْجَهَا وَأَبَوَيْهَا فَيَكُونُ لِزَوْجِهَا النِّصْفُ وَلِأُمِّهَا الثُّلُثُ مِمَّا بَقِيَ وَهُوَ السُّدُسُ مِنْ رَأْسِ الْمَالِ وَذَلِكَ أَنَّ اللَّهَ تَبَارَكَ وَتَعَالَى يَقُولُ فِي كِتَابِهِ وَلِأَبَوَيْهِ لِكُلِّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا السُّدُسُ مِمَّا تَرَكَ إِنْ كَانَ لَهُ وَلَدٌ فَإِنْ لَمْ يَكُنْ لَهُ وَلَدٌ وَوَرِثَهُ أَبَوَاهُ فَلِأُمِّهِ الثُّلُثُ فَإِنْ كَانَ لَهُ إِخْوَةٌ فَلِأُمِّهِ السُّدُسُ فَمَضَتْ السُّنَّةُ أَنَّ الْإِخْوَةَ اثْنَانِ فَصَاعِدًا

قال مالك الامر المجتمع عليه عندنا الذي لا اختلاف فيه والذي ادركت عليه اهل العلم ببلدنا ان ميراث الاب من ابنه او ابنته انه ان ترك المتوفى ولدا او ولد ابن ذكرا فانه يفرض للاب السدس فريضة فان لم يترك المتوفى ولدا ولا ولد ابن ذكرا فانه يبدا بمن شرك الاب من اهل الفراىض فيعطون فراىضهم فان فضل من المال السدس فما فوقه كان للاب وان لم يفضل عنهم السدس فما فوقه فرض للاب السدس فريضة وميراث الام من ولدها اذا توفي ابنها او ابنتها فترك المتوفى ولدا او ولد ابن ذكرا كان او انثى او ترك من الاخوة اثنين فصاعدا ذكورا كانوا او اناثا من اب وام او من اب او من ام فالسدس لها وان لم يترك المتوفى ولدا ولا ولد ابن ولا اثنين من الاخوة فصاعدا فان للام الثلث كاملا الا في فريضتين فقط واحدى الفريضتين ان يتوفى رجل ويترك امراته وابويه فلامراته الربع ولامه الثلث مما بقي وهو الربع من راس المال والاخرى ان تتوفى امراة وتترك زوجها وابويها فيكون لزوجها النصف ولامها الثلث مما بقي وهو السدس من راس المال وذلك ان الله تبارك وتعالى يقول في كتابه ولابويه لكل واحد منهما السدس مما ترك ان كان له ولد فان لم يكن له ولد وورثه ابواه فلامه الثلث فان كان له اخوة فلامه السدس فمضت السنة ان الاخوة اثنان فصاعدا


Malik said, "The generally agreed on way of doing things among us about which there is no dispute and what I have seen the people of knowledge in our city doing is that when a father inherits from a son or a daughter and the deceased leaves children, or grandchildren through a son, the father has a fixed share of one sixth. If the deceased does leave any children or male grandchildren through a son, the apportioning begins with those with whom the father shares in the fixed shares. They are given their fixed shares. If a sixth or more is left over, the sixth and what is above it is given to the father, and if there is less than a sixth left, the father is given his sixth as a fixed share, (i.e. the other shares are adjusted.)

"The inheritance of a mother from her child, if her son or daughter dies and leaves children or male or female grandchildren through a son, or leaves two or more full or half siblings is a sixth. If the deceased does not leave any children or grandchildren through a son, or two or more siblings, the mother has a whole third except in two cases. One of them is if a man dies and leaves a wife and both parents. The wife has a fourth, the mother a third of what remains, (which is a fourth of the capital). The other is if a wife dies and leaves a husband and both parents. The husband gets half, and the mother a third of what remains, (which is a sixth of the capital). That is because Allah, the Blessed, the Exalted, says in His Book, 'His two parents each have a sixth of what he leaves if he has children. If he does not have children, and his parents inherit from him, his mother has a third. If he has siblings, the mother has a sixth.' (Sura 4 ayat 11). The sunna is that the siblings be two or more."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২৭. ফারায়েয অধ্যায় (كتاب الفرائض) 27/ Fara'id
১০৭৭

পরিচ্ছেদঃ ৪. মাতৃপক্ষীয় ভাইয়ের এবং বোনের মীরাসের বর্ণনা

মালিক (রহঃ) বলেন, আমাদের নিকট সর্বসম্মতিক্রমে নির্ধারিত মাসআলা এই যে, মৃত ব্যক্তির যদি কোন সন্তান থাকে কিংবা তাহার পিতা কিংবা দাদা (পিতামহ) জীবিত থাকে তবে মাতৃপক্ষের ভাই-বোন মীরাস হইতে বঞ্চিত (মাহরূম) হইবে। যদি উল্লিখিত ওয়ারিসগণ না থাকে তবে তাহারাও মীরাস পাইবে। যদি একজন আখিয়াফি ভাই কিংবা বোন থাকে তবে সে অর্ধেক মীরাস পাইবে। যদি দুইজন আখিয়াফি ভাই কিংবা বোন থাকে তবে প্রত্যেকে অর্ধেক অংশ পাইবে। যদি ততোধিক থাকে তবে এক-তৃতীয়াংশ সম্পদের সকলে মিলিয়া সমান সমান অংশ পাইবে এবং বোন ভাইয়ের সমান অংশই পাইবে। আল্লাহ্ তা’আলা স্বীয় কিতাবে বলেনঃ

وَإِن كَانَ رَجُلٌ يُورَثُ كَلَالَةً أَوِ امْرَأَةٌ وَلَهُ أَخٌ أَوْ أُخْتٌ فَلِكُلِّ وَاحِدٍ مِّنْهُمَا السُّدُسُ فَإِن كَانُوا أَكْثَرَ مِن ذَٰلِكَ فَهُمْ شُرَكَاءُ فِي الثُّلُثِ

যদি পিতা-মাতা ও সন্তানহীন কোন পুরুষ অথবা নারীর উত্তরাধিকারী থাকে তাহার এক বৈপিত্রেয় ভাই অথবা ভগ্নী তবে প্রত্যেকের জন্য এক-ষষ্ঠাংশ, তাহারা ইহার অধিক হইলে সকলে সমঅংশীদার হইবে এক-তৃতীয়াংশে। অর্থাৎ এইরূপ অবস্থায় পুরুষ ও স্ত্রীলোকে তফাৎ হইবে না, সকলে সমান অংশ পাইবে। (সূরা নিসাঃ ১২)

بَاب مِيرَاثِ الْإِخْوَةِ لِلْأُمِّ

قَالَ مَالِك الْأَمْرُ الْمُجْتَمَعُ عَلَيْهِ عِنْدَنَا أَنَّ الْإِخْوَةَ لِلْأُمِّ لَا يَرِثُونَ مَعَ الْوَلَدِ وَلَا مَعَ وَلَدِ الْأَبْنَاءِ ذُكْرَانًا كَانُوا أَوْ إِنَاثًا شَيْئًا وَلَا يَرِثُونَ مَعَ الْأَبِ وَلَا مَعَ الْجَدِّ أَبِي الْأَبِ شَيْئًا وَأَنَّهُمْ يَرِثُونَ فِيمَا سِوَى ذَلِكَ يُفْرَضُ لِلْوَاحِدِ مِنْهُمْ السُّدُسُ ذَكَرًا كَانَ أَوْ أُنْثَى فَإِنْ كَانَا اثْنَيْنِ فَلِكُلِّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا السُّدُسُ فَإِنْ كَانُوا أَكْثَرَ مِنْ ذَلِكَ فَهُمْ شُرَكَاءُ فِي الثُّلُثِ يَقْتَسِمُونَهُ بَيْنَهُمْ بِالسَّوَاءِ لِلذَّكَرِ مِثْلُ حَظِّ الْأُنْثَيَيْنِ وَذَلِكَ أَنَّ اللَّهَ تَبَارَكَ وَتَعَالَى يَقُولُ فِي كِتَابِهِ وَإِنْ كَانَ رَجُلٌ يُورَثُ كَلَالَةً أَوْ امْرَأَةٌ وَلَهُ أَخٌ أَوْ أُخْتٌ فَلِكُلِّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا السُّدُسُ فَإِنْ كَانُوا أَكْثَرَ مِنْ ذَلِكَ فَهُمْ شُرَكَاءُ فِي الثُّلُثِ فَكَانَ الذَّكَرُ وَالْأُنْثَى فِي هَذَا بِمَنْزِلَةٍ وَاحِدَةٍ

قال مالك الامر المجتمع عليه عندنا ان الاخوة للام لا يرثون مع الولد ولا مع ولد الابناء ذكرانا كانوا او اناثا شيىا ولا يرثون مع الاب ولا مع الجد ابي الاب شيىا وانهم يرثون فيما سوى ذلك يفرض للواحد منهم السدس ذكرا كان او انثى فان كانا اثنين فلكل واحد منهما السدس فان كانوا اكثر من ذلك فهم شركاء في الثلث يقتسمونه بينهم بالسواء للذكر مثل حظ الانثيين وذلك ان الله تبارك وتعالى يقول في كتابه وان كان رجل يورث كلالة او امراة وله اخ او اخت فلكل واحد منهما السدس فان كانوا اكثر من ذلك فهم شركاء في الثلث فكان الذكر والانثى في هذا بمنزلة واحدة


Malik said, "The generally agreed upon way of doing things among us is that maternal half-siblings do not inherit anything when there are children or grandchildren through sons, male or female. They do not inherit anything when there is a father or the father's father. They inherit in what is outside of that. If there is only one male or female, they are given a sixth. If there are two, each of them has a sixth. If there are more than that, they share in a third which is divided among them. The male does not have portion of two females. That is because Allah, the Blessed, the Exalted, says in His Book, 'If a man or woman has no direct heir, and he has a brother or sister, by the mother, each of them has a sixth. If there are more than two, they share equally in a third.' " (Sura 4 ayat 12).


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২৭. ফারায়েয অধ্যায় (كتاب الفرائض) 27/ Fara'id
১০৭৮

পরিচ্ছেদঃ ৫. সহোদর ভাই-বোনদের হিস্যা

মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের নিকট সর্বসম্মতিক্রমে নির্ধারিত মাসআলা এই যে, মৃত ব্যক্তির ছেলে কিংবা নাতি কিংবা পিতা জীবিত থাকিলে সহোদর ভাই-বোন মীরাস পাইবে না। আর যদি মৃত ব্যক্তির দাদা জীবিত না থাকে শুধু কন্যা বা নাতিন (পুত্রের কন্যা) থাকে তবে সহোদর ভাই-বোন ওয়ারিস হইবে; যবীল ফুরূযের হিস্যা দেওয়ার পর যাহা অবশিষ্ট থাকিবে তাহা সহোদর ভাই-বোন পাইবে। ভাই বোনের দ্বিগুণ পাইবে। যদি যবীল ফুরূযের হিস্যা দেওয়ার পর মাল না থাকে তবে তাহারা মাহরূম হইবে।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ মৃত ব্যক্তির বাপ ও দাদা যদি না থাকে, আর না ছেলে এবং নাতি থাকে, শুধু একজন সহোদর বোন থাকে, তবে সে অর্ধেক হিস্যা পাইবে। যদি দুই বোন কিংবা ততোধিক সহোদর বোন থাকে, তবে দুই-তৃতীয়াংশ পাইবে। যদি এই বোনদের সঙ্গে কোন ভাইও থাকে তবে বোনদের জন্য নির্দিষ্ট অংশ থাকিবে না, তাহারা যবীল ফুরূযদের অংশ প্রদান করিয়া আসাবা হইবে। যাহা অবশিষ্ট থাকে তাহা হইতে বোনেরা দ্বিগুণ এই হারে তাহারা পাইবে। শুধু এক অবস্থায় তাহদের জন্য কিছুই থাকিবে না, বরং বৈপিত্রেয় ভাই বোনদের সঙ্গে শরীক হইয়া যাইবে।

যেমন কোন মৃত স্ত্রীলোকের স্বামী বিদ্যমান আছে, মাতা আছে এবং বৈপিত্রেয় ভাই সকল আছে এবং সহোদর ভাই সকলও বিদ্যমান আছে। প্রথমত স্বামী অর্ধেক অংশ পাইবে। মাতা এক-ষষ্ঠাংশ এবং বৈপিত্রেয় ভাইয়ের এক-তৃতীয়াংশ পাওয়ার পর আর মাল অবশিষ্ট রহিল না। এমতাবস্থায় সহোদর ভাইগণ বৈপিত্রেয় ভাইদের সহিত এক-তৃতীয়াংশ হিস্যার শরীক হইবে। কেননা সকলের মাতা এক হওয়াতে সবাই তৃতীয়াংশে শরীক হইল। অংশের ভাগ এই হারে, ভাই বোনের দ্বিগুণ এ সম্বন্ধে আল্লাহ তা’আলা স্বীয় কিতাবে বলেনঃ

“যদি পিতা-মাতা সন্তানহীন কোন পুরুষ অথবা নারীর উত্তরাধিকারী থাকে তাহার এক বৈপিত্রেয় ভাই অথবা ভগ্নী তবে প্রত্যেকের জন্য এক-ষষ্ঠাংশ তাহারা ইহার অধিক হইলে সমঅংশীদার হইবে এক-তৃতীয়াংশে।” (সূরা নিসাঃ ১২)

بَاب مِيرَاثِ الْإِخْوَةِ لِلْأَبِ وَالْأُمِّ

قَالَ مَالِك الْأَمْرُ الْمُجْتَمَعُ عَلَيْهِ عِنْدَنَا أَنَّ الْإِخْوَةَ لِلْأَبِ وَالْأُمِّ لَا يَرِثُونَ مَعَ الْوَلَدِ الذَّكَرِ شَيْئًا وَلَا مَعَ وَلَدِ الْابْنِ الذَّكَرِ شَيْئًا وَلَا مَعَ الْأَبِ دِنْيَا شَيْئًا وَهُمْ يَرِثُونَ مَعَ الْبَنَاتِ وَبَنَاتِ الْأَبْنَاءِ مَا لَمْ يَتْرُكْ الْمُتَوَفَّى جَدًّا أَبَا أَبٍ مَا فَضَلَ مِنْ الْمَالِ يَكُونُونَ فِيهِ عَصَبَةً يُبْدَأُ بِمَنْ كَانَ لَهُ أَصْلُ فَرِيضَةٍ مُسَمَّاةٍ فَيُعْطَوْنَ فَرَائِضَهُمْ فَإِنْ فَضَلَ بَعْدَ ذَلِكَ فَضْلٌ كَانَ لِلْإِخْوَةِ لِلْأَبِ وَالْأُمِّ يَقْتَسِمُونَهُ بَيْنَهُمْ عَلَى كِتَابِ اللَّهِ ذُكْرَانًا كَانُوا أَوْ إِنَاثًا لِلذَّكَرِ مِثْلُ حَظِّ الْأُنْثَيَيْنِ فَإِنْ لَمْ يَفْضُلْ شَيْءٌ فَلَا شَيْءَ لَهُمْ قَالَ وَإِنْ لَمْ يَتْرُكْ الْمُتَوَفَّى أَبًا وَلَا جَدًّا أَبَا أَبٍ وَلَا وَلَدًا وَلَا وَلَدَ ابْنٍ ذَكَرًا كَانَ أَوْ أُنْثَى فَإِنَّهُ يُفْرَضُ لِلْأُخْتِ الْوَاحِدَةِ لِلْأَبِ وَالْأُمِّ النِّصْفُ فَإِنْ كَانَتَا اثْنَتَيْنِ فَمَا فَوْقَ ذَلِكَ مِنْ الْأَخَوَاتِ لِلْأَبِ وَالْأُمِّ فُرِضَ لَهُمَا الثُّلُثَانِ فَإِنْ كَانَ مَعَهُمَا أَخٌ ذَكَرٌ فَلَا فَرِيضَةَ لِأَحَدٍ مِنْ الْأَخَوَاتِ وَاحِدَةً كَانَتْ أَوْ أَكْثَرَ مِنْ ذَلِكَ وَيُبْدَأُ بِمَنْ شَرِكَهُمْ بِفَرِيضَةٍ مُسَمَّاةٍ فَيُعْطَوْنَ فَرَائِضَهُمْ فَمَا فَضَلَ بَعْدَ ذَلِكَ مِنْ شَيْءٍ كَانَ بَيْنَ الْإِخْوَةِ لِلْأَبِ وَالْأُمِّ لِلذَّكَرِ مِثْلُ حَظِّ الْأُنْثَيَيْنِ إِلَّا فِي فَرِيضَةٍ وَاحِدَةٍ فَقَطْ لَمْ يَكُنْ لَهُمْ فِيهَا شَيْءٌ فَاشْتَرَكُوا فِيهَا مَعَ بَنِي الْأُمِّ فِي ثُلُثِهِمْ وَتِلْكَ الْفَرِيضَةُ هِيَ امْرَأَةٌ تُوُفِّيَتْ وَتَرَكَتْ زَوْجَهَا وَأُمَّهَا وَإِخْوَتَهَا لِأُمِّهَا وَإِخْوَتَهَا لِأُمِّهَا وَأَبِيهَا فَكَانَ لِزَوْجِهَا النِّصْفُ وَلِأُمِّهَا السُّدُسُ وَلِإِخْوَتِهَا لِأُمِّهَا الثُّلُثُ فَلَمْ يَفْضُلْ شَيْءٌ بَعْدَ ذَلِكَ فَيَشْتَرِكُ بَنُو الْأَبِ وَالْأُمِّ فِي هَذِهِ الْفَرِيضَةِ مَعَ بَنِي الْأُمِّ فِي ثُلُثِهِمْ فَيَكُونُ لِلذَّكَرِ مِثْلُ حَظِّ الْأُنْثَى مِنْ أَجْلِ أَنَّهُمْ كُلَّهُمْ إِخْوَةُ الْمُتَوَفَّى لِأُمِّهِ وَإِنَّمَا وَرِثُوا بِالْأُمِّ وَذَلِكَ أَنَّ اللَّهَ تَبَارَكَ وَتَعَالَى قَالَ فِي كِتَابِهِ وَإِنْ كَانَ رَجُلٌ يُورَثُ كَلَالَةً أَوْ امْرَأَةٌ وَلَهُ أَخٌ أَوْ أُخْتٌ فَلِكُلِّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا السُّدُسُ فَإِنْ كَانُوا أَكْثَرَ مِنْ ذَلِكَ فَهُمْ شُرَكَاءُ فِي الثُّلُثِ فَلِذَلِكَ شُرِّكُوا فِي هَذِهِ الْفَرِيضَةِ لِأَنَّهُمْ كُلَّهُمْ إِخْوَةُ الْمُتَوَفَّى لِأُمِّهِ

قال مالك الامر المجتمع عليه عندنا ان الاخوة للاب والام لا يرثون مع الولد الذكر شيىا ولا مع ولد الابن الذكر شيىا ولا مع الاب دنيا شيىا وهم يرثون مع البنات وبنات الابناء ما لم يترك المتوفى جدا ابا اب ما فضل من المال يكونون فيه عصبة يبدا بمن كان له اصل فريضة مسماة فيعطون فراىضهم فان فضل بعد ذلك فضل كان للاخوة للاب والام يقتسمونه بينهم على كتاب الله ذكرانا كانوا او اناثا للذكر مثل حظ الانثيين فان لم يفضل شيء فلا شيء لهم قال وان لم يترك المتوفى ابا ولا جدا ابا اب ولا ولدا ولا ولد ابن ذكرا كان او انثى فانه يفرض للاخت الواحدة للاب والام النصف فان كانتا اثنتين فما فوق ذلك من الاخوات للاب والام فرض لهما الثلثان فان كان معهما اخ ذكر فلا فريضة لاحد من الاخوات واحدة كانت او اكثر من ذلك ويبدا بمن شركهم بفريضة مسماة فيعطون فراىضهم فما فضل بعد ذلك من شيء كان بين الاخوة للاب والام للذكر مثل حظ الانثيين الا في فريضة واحدة فقط لم يكن لهم فيها شيء فاشتركوا فيها مع بني الام في ثلثهم وتلك الفريضة هي امراة توفيت وتركت زوجها وامها واخوتها لامها واخوتها لامها وابيها فكان لزوجها النصف ولامها السدس ولاخوتها لامها الثلث فلم يفضل شيء بعد ذلك فيشترك بنو الاب والام في هذه الفريضة مع بني الام في ثلثهم فيكون للذكر مثل حظ الانثى من اجل انهم كلهم اخوة المتوفى لامه وانما ورثوا بالام وذلك ان الله تبارك وتعالى قال في كتابه وان كان رجل يورث كلالة او امراة وله اخ او اخت فلكل واحد منهما السدس فان كانوا اكثر من ذلك فهم شركاء في الثلث فلذلك شركوا في هذه الفريضة لانهم كلهم اخوة المتوفى لامه


Malik said, "The generally agreed on way of doing things among us is that full siblings do not inherit anything with sons nor anything with grandsons through a son, nor anything with the father. They do inherit with the daughters and the granddaughters through a son when the deceased does not leave a paternal grandfather. Any property that is left over, they are in it as paternal relations. One begins with the people who are allotted fixed shares. They are given their shares. If there is anything left over after that, it belongs to the full siblings. They divide it between themselves according to the Book of Allah, whether they are male or female. The male has a portion of two females. If there is nothing left over, they have nothing.

"If the deceased does not leave a father or a paternal grandfather or children or male or female grandchildren through a son, a single full sister gets a half. If there are two or more full sisters, they get two thirds. If there is a brother with them, sisters, whether one or more, do not have a fixed share. One begins with whoever shares in the fixed shares. They are given their shares. Whatever remains after that goes to the full siblings. The male has the portion of two females except in one case, in which the full siblings have nothing. They share in this case the third of the half-siblings by the mother. That case is when a woman dies and leaves a husband, a mother, half- siblings by her mother, and full siblings. The husband has a half. The mother has one sixth. The half-siblings by the mother have a third. Nothing is left after that, so the full siblings share in this case with the half-siblings by the mother in their third. The male has the portion of two females in as much as all of them are siblings of the deceased by the mother. They inherit by the mother. That is because Allah, the Blessed, the Exalted, said in His Book, 'If a man or a woman has no direct heir and he has a brother or a sister, each one of the two gets a sixth. If there are more than that, they share equally in the third. ' (Sura 4 ayat 12) . They therefore share in this case because all of them are siblings of the deceased by the mother."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২৭. ফারায়েয অধ্যায় (كتاب الفرائض) 27/ Fara'id
১০৭৯

পরিচ্ছেদঃ ৬. বৈমাত্রেয় ভাই-বোনদের মীরাস সম্বন্ধে

মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের নিকট সর্বসম্মতিক্রমে নির্ধারিত মাসআলা এই যে, মৃতের যদি সহোদর ভাই-বোন না থাকে তবে অর্থাৎ বৈমাত্রেয় ভাই সহোদর ভাই ও বৈমাত্রেয় বিমাতা ভাই-বোনগণ তাহাদের স্থলাভিষিক্ত হইবে। বোন সহোদর বোনের মত অংশ পাইবে। উহা এইরূপঃ একজন বৈমাত্রেয় ভাই থাকে তবে সে সম্পূর্ণ মাল পাইবে। যদি একজন বৈমাত্রেয় বোন থাকে তবে অর্ধেক মাল পাইবে। যদি দুই কিংবা ততোধিক বৈমাত্রেয় বোন থাকে তবে দুই-তৃতীয়াংশ মাল পাইবে। যদি ভাই বোন উভয়ই থাকে তবে বোনের দ্বিগুণ ভাই পাইবে। কিন্ত বৈমাত্রেয় ভাই-বোন বৈপিত্রেয় ভাই-বোনদের সহিত শরীক হইবে না। কেননা তাহাদের মাতা পৃথক, এক নয়।

যদি সহোদর বোনদের সহিত বৈমাত্রেয় বোনও থাকে এবং সহোদর কোন ভাইও থাকে তবে বৈমাত্রেয় বোনগণ মাহরূম (বঞ্চিত) হইয়া যাইবে। যদি সহোদর ভাই না থাকে শুধু একজন সহোদর বোন থাকে এবং বৈমাত্রেয় বোনগণ থাকে, তবে সহোদর বোন অর্ধেক অংশ পাইবে এবং বিমাতা বোনেরা ষষ্ঠাংশ পাইবে। যদি বিমাতা বোনদের সহিত কোন বিমাতা ভাইও থাকে তবে তাহার হিস্যা নির্দিষ্ট হইবে না। বরং যবীল ফুরুযকে হিস্যা দিয়া যাহা অবশিষ্ট থাকিবে তাহা বিমাতা ভাই-বোনগণ ভাইয়ের দ্বিগুণ হিস্যা দিয়া বন্টন করিয়া লইবে।

আর যদি কিছু অবশিষ্ট না থাকে তবে তাহারা মাহরূম হইয়া যাইবে। যদি সহোদর বোনগণ দুই কিংবা ততোধিক থাকে, তবে দুই-তৃতীয়াংশ পাইবে এবং বিমাতা বোনেরা মাহরুম হইয়া যাইবে। হ্যাঁ, যদি বিমাতা বোনদের সহিত তাহাদের কোন ভাই থাকে তবে ভাই তাহাদিগকে আসাবা বানাইবে। বৈপিত্রেয় ভাই-বোন যদি সদোহর ভাই-বোনদের সহিত হয়, কিংবা বৈমাত্রেয় ভাই বোনদের সহিত হয়, তবে একজন হইলে ষষ্ঠাংশ পাইবে, আর দুইজন বা আরো অধিক হইলে এক-তৃতীয়াংশ পাইবে। এমতাবস্থায় ভাই-বোন সমান সমান অংশ পাইবে, এখানে পুরুষ ও নারী এক পর্যায়ের গণ্য হইবে।

بَاب مِيرَاثِ الْإِخْوَةِ لِلْأَبِ

قَالَ مَالِك الْأَمْرُ الْمُجْتَمَعُ عَلَيْهِ عِنْدَنَا أَنَّ مِيرَاثَ الْإِخْوَةِ لِلْأَبِ إِذَا لَمْ يَكُنْ مَعَهُمْ أَحَدٌ مِنْ بَنِي الْأَبِ وَالْأُمِّ كَمَنْزِلَةِ الْإِخْوَةِ لِلْأَبِ وَالْأُمِّ سَوَاءٌ ذَكَرُهُمْ كَذَكَرِهِمْ وَأُنْثَاهُمْ كَأُنْثَاهُمْ إِلَّا أَنَّهُمْ لَا يُشَرَّكُونَ مَعَ بَنِي الْأُمِّ فِي الْفَرِيضَةِ الَّتِي شَرَّكَهُمْ فِيهَا بَنُو الْأَبِ وَالْأُمِّ لِأَنَّهُمْ خَرَجُوا مِنْ وِلَادَةِ الْأُمِّ الَّتِي جَمَعَتْ أُولَئِكَ قَالَ مَالِك فَإِنْ اجْتَمَعَ الْإِخْوَةُ لِلْأَبِ وَالْأُمِّ وَالْإِخْوَةُ لِلْأَبِ فَكَانَ فِي بَنِي الْأَبِ وَالْأُمِّ ذَكَرٌ فَلَا مِيرَاثَ لِأَحَدٍ مِنْ بَنِي الْأَبِ وَإِنْ لَمْ يَكُنْ بَنُو الْأَبِ وَالْأُمِّ إِلَّا امْرَأَةً وَاحِدَةً أَوْ أَكْثَرَ مِنْ ذَلِكَ مِنْ الْإِنَاثِ لَا ذَكَرَ مَعَهُنَّ فَإِنَّهُ يُفْرَضُ لِلْأُخْتِ الْوَاحِدَةِ لِلْأَبِ وَالْأُمِّ النِّصْفُ وَيُفْرَضُ لِلْأَخَوَاتِ لِلْأَبِ السُّدُسُ تَتِمَّةَ الثُّلُثَيْنِ فَإِنْ كَانَ مَعَ الْأَخَوَاتِ لِلْأَبِ ذَكَرٌ فَلَا فَرِيضَةَ لَهُنَّ وَيُبْدَأُ بِأَهْلِ الْفَرَائِضِ الْمُسَمَّاةِ فَيُعْطَوْنَ فَرَائِضَهُمْ فَإِنْ فَضَلَ بَعْدَ ذَلِكَ فَضْلٌ كَانَ بَيْنَ الْإِخْوَةِ لِلْأَبِ لِلذَّكَرِ مِثْلُ حَظِّ الْأُنْثَيَيْنِ وَإِنْ لَمْ يَفْضُلْ شَيْءٌ فَلَا شَيْءَ لَهُمْ فَإِنْ كَانَ الْإِخْوَةُ لِلْأَبِ وَالْأُمِّ امْرَأَتَيْنِ أَوْ أَكْثَرَ مِنْ ذَلِكَ مِنْ الْإِنَاثِ فُرِضَ لَهُنَّ الثُّلُثَانِ وَلَا مِيرَاثَ مَعَهُنَّ لِلْأَخَوَاتِ لِلْأَبِ إِلَّا أَنْ يَكُونَ مَعَهُنَّ أَخٌ لِأَبٍ فَإِنْ كَانَ مَعَهُنَّ أَخٌ لِأَبٍ بُدِئَ بِمَنْ شَرَّكَهُمْ بِفَرِيضَةٍ مُسَمَّاةٍ فَأُعْطُوا فَرَائِضَهُمْ فَإِنْ فَضَلَ بَعْدَ ذَلِكَ فَضْلٌ كَانَ بَيْنَ الْإِخْوَةِ لِلْأَبِ لِلذَّكَرِ مِثْلُ حَظِّ الْأُنْثَيَيْنِ وَإِنْ لَمْ يَفْضُلْ شَيْءٌ فَلَا شَيْءَ لَهُمْ وَلِبَنِي الْأُمِّ مَعَ بَنِي الْأَبِ وَالْأُمِّ وَمَعَ بَنِي الْأَبِ لِلْوَاحِدِ السُّدُسُ وَلِلْاثْنَيْنِ فَصَاعِدًا الثُّلُثُ لِلذَّكَرِ مِثْلُ حَظِّ الْأُنْثَى هُمْ فِيهِ بِمَنْزِلَةٍ وَاحِدَةٍ سَوَاءٌ

قال مالك الامر المجتمع عليه عندنا ان ميراث الاخوة للاب اذا لم يكن معهم احد من بني الاب والام كمنزلة الاخوة للاب والام سواء ذكرهم كذكرهم وانثاهم كانثاهم الا انهم لا يشركون مع بني الام في الفريضة التي شركهم فيها بنو الاب والام لانهم خرجوا من ولادة الام التي جمعت اولىك قال مالك فان اجتمع الاخوة للاب والام والاخوة للاب فكان في بني الاب والام ذكر فلا ميراث لاحد من بني الاب وان لم يكن بنو الاب والام الا امراة واحدة او اكثر من ذلك من الاناث لا ذكر معهن فانه يفرض للاخت الواحدة للاب والام النصف ويفرض للاخوات للاب السدس تتمة الثلثين فان كان مع الاخوات للاب ذكر فلا فريضة لهن ويبدا باهل الفراىض المسماة فيعطون فراىضهم فان فضل بعد ذلك فضل كان بين الاخوة للاب للذكر مثل حظ الانثيين وان لم يفضل شيء فلا شيء لهم فان كان الاخوة للاب والام امراتين او اكثر من ذلك من الاناث فرض لهن الثلثان ولا ميراث معهن للاخوات للاب الا ان يكون معهن اخ لاب فان كان معهن اخ لاب بدى بمن شركهم بفريضة مسماة فاعطوا فراىضهم فان فضل بعد ذلك فضل كان بين الاخوة للاب للذكر مثل حظ الانثيين وان لم يفضل شيء فلا شيء لهم ولبني الام مع بني الاب والام ومع بني الاب للواحد السدس وللاثنين فصاعدا الثلث للذكر مثل حظ الانثى هم فيه بمنزلة واحدة سواء


Malik said, "The generally agreed on wayof doing things among us is that when there are no full siblings with them, half-siblings by the father take the position of full siblings. Their males are like the males of the full siblings, and their females are like their females except in the case where the half-siblings by the mother and the full siblings share, because they are not offspring of the mother who joins these."

Malik said, "If there are both full siblings and half-siblings by the father and there is a male among the full siblings none of the half-siblings by the father have any inheritance. If there is one or more females in the full siblings and there is no male with them, the one full sister gets a half, and the half sister by the father gets a sixth, completing the two-thirds. If there is a male with the half-sisters by the father, they have no share. The people of fixed shares are given their shares and if there is something left after that it is divided between the half-siblings by the father. The male has the portion of two females. If there is nothing left over, they get nothing. If the full siblings consist of two or more females, they get two-thirds, and the half-sisters by the father get nothing with them unless there is a half-brother by the father with them. If there is a half-brother by the father with them, the people of fixed shares are given their shares and if there is something left over after that, it is divided between the half- siblings by the father. The male gets the portion of two females. If there is nothing left over, they get nothing. Half-siblings by the mother, full-siblings, and half-siblings by the father, each have a sixth (when they are onlyone). Two and more share a third. The male has the same portion as the female. They are in the same position in it."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২৭. ফারায়েয অধ্যায় (كتاب الفرائض) 27/ Fara'id
১০৮০

পরিচ্ছেদঃ ৭. দাদার (পিতামহের) অংশ

রেওয়ায়ত ১. মালিক (রহঃ) বলেনঃ মু’আবিয়া ইবন আবী সুফিয়ান যায়দ ইবন সাবিত (রহঃ)-কে দাদার মীরাস সম্বন্ধে প্রশ্ন করিয়া লিখিয়াছিলেন। যায়েদ উত্তরে লিখিলেন, তুমি দাদার মীরাস সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করিয়াছ, ইহা এমন একটি মাসআলা সেই সম্বন্ধে দুই খলীফা [উমর, উসমান (রাঃ)] ফয়সালা করার সময় আমি স্বয়ং ইহাতে উপস্থিত ছিলাম। মৃতের এক ভাই থাকিলে দাদাকে অর্ধেক অংশ দিতেন এবং দুই ভাই থাকিলে দাদার এক-তৃতীয়াংশ এবং অনেক ভাই-বোন থাকিলেও ঐ এক-তৃতীয়াংশই দাদাকে দিতেন, উহা হইতে কম দিতেন না।

بَاب مِيرَاثِ الْجَدِّ

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ مُعَاوِيَةَ بْنَ أَبِي سُفْيَانَ كَتَبَ إِلَى زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ يَسْأَلُهُ عَنْ الْجَدِّ فَكَتَبَ إِلَيْهِ زَيْدُ بْنُ ثَابِتٍ إِنَّكَ كَتَبْتَ إِلَيَّ تَسْأَلُنِي عَنْ الْجَدِّ وَاللَّهُ أَعْلَمُ وَذَلِكَ مِمَّا لَمْ يَكُنْ يَقْضِي فِيهِ إِلَّا الْأُمَرَاءُ يَعْنِي الْخُلَفَاءَ وَقَدْ حَضَرْتُ الْخَلِيفَتَيْنِ قَبْلَكَ يُعْطِيَانِهِ النِّصْفَ مَعَ الْأَخِ الْوَاحِدِ وَالثُّلُثَ مَعَ الْاثْنَيْنِ فَإِنْ كَثُرَتْ الْإِخْوَةُ لَمْ يُنَقِّصُوهُ مِنْ الثُّلُثِ

حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد انه بلغه ان معاوية بن ابي سفيان كتب الى زيد بن ثابت يساله عن الجد فكتب اليه زيد بن ثابت انك كتبت الي تسالني عن الجد والله اعلم وذلك مما لم يكن يقضي فيه الا الامراء يعني الخلفاء وقد حضرت الخليفتين قبلك يعطيانه النصف مع الاخ الواحد والثلث مع الاثنين فان كثرت الاخوة لم ينقصوه من الثلث


Yahya related to me from Malik from Yahya ibn Said that he had heard that Muawiya ibn Abi Sufyan wrote to Zayd ibn Thabit asking him about the grandfather. Zayd ibn Thabit wrote to him, "You have written to me asking me about the grandfather. Allah knows best. That is part of what is only determined by the amirs, i.e. the khalifs. I was present with two khalifs before you who gave the grandfather a half with one sibling, and a third with two. If there were more siblings, they did not decrease his third."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২৭. ফারায়েয অধ্যায় (كتاب الفرائض) 27/ Fara'id
১০৮১

পরিচ্ছেদঃ ৭. দাদার (পিতামহের) অংশ

রেওয়ায়ত ২. মালিক (রহঃ) বলেনঃ উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) দাদাকে এইরূপ হিস্যা দিতেন যেরূপ আজকাল লোকেরা দিয়া থাকে। মালিক (রহঃ) বলেন, সুলায়মান ইবন ইয়াসার হইতেও এইরূপ বর্ণিত আছে।

بَاب مِيرَاثِ الْجَدِّ

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ قَبِيصَةَ بْنِ ذُؤَيْبٍ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ فَرَضَ لِلْجَدِّ الَّذِي يَفْرِضُ النَّاسُ لَهُ الْيَوْمَ

وحدثني عن مالك عن ابن شهاب عن قبيصة بن ذويب ان عمر بن الخطاب فرض للجد الذي يفرض الناس له اليوم


Yahya related to me from Malik from Ibn Shihab from Qabisa ibn Dhu'ayba that Umar ibn al-Khattab gave the grandfather "what people give him today."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২৭. ফারায়েয অধ্যায় (كتاب الفرائض) 27/ Fara'id
১০৮২

পরিচ্ছেদঃ ৭. দাদার (পিতামহের) অংশ

রেওয়ায়ত ৩. উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ), উসমান ইবন আফফান (রাঃ), যায়দ ইবন সাবিত (রাঃ) দাদাকে মৃতের ভাই-বোনের সহিত এক-তৃতীয়াংশ হিস্যা দিতেন।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের নিকট সর্বসম্মতিক্রমে নির্ধারিত মাসআলা এই যে, মৃতের পিতা জীবিত থাকিলে দাদা মাহরুম হইয়া যায় কিন্তু মৃতের ছেলে কিংবা নাতি বিদ্যমান থাকিলে দাদা যবিল ফুরূয হিসাবে ষষ্ঠাংশ পাইবে। যদি মৃতের ছেলে কিংবা নাতি না থাকে এবং সহোদর ভাই-বোন কিংবা বিমাতা ভাই-বোন না থাকে, তবে যবিল ফুরূয থাকিলে তাহাদের হিস্যা দিয়া যদি ষষ্ঠাংশ কিংবা ততোধিক মাল অবশিষ্ট থাকে তবে তাহা দাদা পাইবে। আর যদি ষষ্ঠাংশের চেয়ে কম মাল থাকে তবে ষষ্ঠাংশ দাদার জন্য অংশ হিসাবে নির্দিষ্ট হইবে।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি মৃতের দাদা এবং সহোদর ভাই-বোনদের সহিত কোন যবল ফুরূয থাকে, তবে যবীল ফুরূযের হিস্যা দিয়া যাহা কিছু অবশিষ্ট থাকিবে ইহাতে নিম্নলিখিত অবস্থায় যাহা উত্তম হয় তাহাই কার্যকরী করা হইবে। (১) অবশিষ্ট মালের এক-তৃতীয়াংশ দাদাকে দেওয়া হইবে। (২) দাদাকে মৃতের ভাই ধার্য করিয়া এক ভাইয়ের সমান হিস্যা দেওয়া যাইবে। (৩) পূর্ণ মালের ষষ্ঠাংশ দাদাকে দেওয়ার পর যদি মাল অবশিষ্ট থাকিয়া যায় তবে তাহা ভাই-বোনদেরকে বোনের দ্বিগুণ ভাইকে বন্টন করিয়া দেওয়া হইবে। কিন্তু আর একটি উদাহরণে বণ্টন অন্যরূপে হইবে। উদাহরণটি হইল এইঃ

এক মহিলা মৃত্যুবরণ করিয়াছে তাহার স্বামী, মাতা, সহোদরা ভগ্নী ও দাদা আছে, তাহার সম্পদের অর্ধেক পাইবে স্বামী, এক-তৃতীয়াংশ মাতা, ষষ্ঠাংশ দাদা আর সহোদরা ভগ্নী অর্ধেক। অতঃপর দাদার ষষ্ঠাংশ ও বোনের অর্ধেক একত্রিত করা হইবে, উহাকে এইভাবে বন্টন করা হইবে যে, দাদা পাইবে দুই-তৃতীয়াংশ ও বোন পাইবে এক-তৃতীয়াংশ। (এই মাসআলাটি আওলের একটি উদাহরণ।)

মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি মৃত ব্যক্তির দাদার সঙ্গে তাহার বিমাতা ভাইও থাকে তবে সে সহোদর ভাইয়ের মতো গ্রাহ্য হইবে। যদি সহোদরের সঙ্গে বিমাতা ভাই-বোনও থাকে, তবে বিমাতা ভাই শুধু ভাইদের গণনায় ধরা হইবে এবং দাদার হিস্যা কম করিয়া দিবে স্বয়ং কোন অংশ পাইবে না। হ্যাঁ, যদি সহোদর ভাইদের সঙ্গে বৈপিত্রেয় ভাইও থাকে, তবে তাহারা ভাইদের শামিলে গণ্য হইয়া দাদার হিস্যায় কম করিতে পারিবে না। কেননা যদি দাদা থাকে এবং শুধু বৈপিত্রেয় ভাই থাকে তবে দাদা পূর্ণ মাল পাইবে এবং বৈপিত্রেয় ভাই মাহরূম হইয়া যাইবে। যেই অবস্থায় দাদার সঙ্গে সহোদর ভাই এবং বৈমাত্রেয় ভাইবোনও থাকে তখন দাদার হিস্যা দেওয়ার পর যাহা অবশিষ্ট থাকে তাহা সহোদর ভাই-বোনদেরই হিস্যা হইবে, বৈমাত্রেয় ভাই কিছুই পাইবে না। হ্যাঁ, যদি সহোদর মাত্র এক বোন হয় এবং বাকী সকল বিমাতা ভাই-বোন হয় তবে বিমাতাদের কারণে সহোদর বোন দাদার হিস্যা কম করিয়া দিবে এবং এই সহোদর বোন অর্ধেক অংশ পূর্ণ পাইবে। তবুও যদি কিছু মাল অবশিষ্ট থাকিয়া যায় তবে বিমাতা ভাই-বোনগণ নিজ নিজ হিস্যা ভাইয়েরা বোনদের দ্বিগুণ হিসাবে পাইবে। আর যদি অবশিষ্ট না থাকে তবে বিমাতা ভাই-বোনগণ মাহরাম হইয়া যাইবে।

بَاب مِيرَاثِ الْجَدِّ

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ أَنَّهُ قَالَ فَرَضَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ وَعُثْمَانُ بْنُ عَفَّانَ وَزَيْدُ بْنُ ثَابِتٍ لِلْجَدِّ مَعَ الْإِخْوَةِ الثُّلُثَ قَالَ مَالِك وَالْأَمْرُ الْمُجْتَمَعُ عَلَيْهِ عِنْدَنَا وَالَّذِي أَدْرَكْتُ عَلَيْهِ أَهْلَ الْعِلْمِ بِبَلَدِنَا أَنَّ الْجَدَّ أَبَا الْأَبِ لَا يَرِثُ مَعَ الْأَبِ دِنْيَا شَيْئًا وَهُوَ يُفْرَضُ لَهُ مَعَ الْوَلَدِ الذَّكَرِ وَمَعَ ابْنِ الْابْنِ الذَّكَرِ السُّدُسُ فَرِيضَةً وَهُوَ فِيمَا سِوَى ذَلِكَ مَا لَمْ يَتْرُكْ الْمُتَوَفَّى أُمًّا أَوْ أُخْتًا لِأَبِيهِ يُبَدَّأُ بِأَحَدٍ إِنْ شَرَّكَهُ بِفَرِيضَةٍ مُسَمَّاةٍ فَيُعْطَوْنَ فَرَائِضَهُمْ فَإِنْ فَضَلَ مِنْ الْمَالِ السُّدُسُ فَمَا فَوْقَهُ فُرِضَ لِلْجَدِّ السُّدُسُ فَرِيضَةً قَالَ مَالِك وَالْجَدُّ وَالْإِخْوَةُ لِلْأَبِ وَالْأُمِّ إِذَا شَرَّكَهُمْ أَحَدٌ بِفَرِيضَةٍ مُسَمَّاةٍ يُبَدَّأُ بِمَنْ شَرَّكَهُمْ مِنْ أَهْلِ الْفَرَائِضِ فَيُعْطَوْنَ فَرَائِضَهُمْ فَمَا بَقِيَ بَعْدَ ذَلِكَ لِلْجَدِّ وَالْإِخْوَةِ مِنْ شَيْءٍ فَإِنَّهُ يُنْظَرُ أَيُّ ذَلِكَ أَفْضَلُ لِحَظِّ الْجَدِّ أُعْطِيَهُ الثُّلُثُ مِمَّا بَقِيَ لَهُ وَلِلْإِخْوَةِ أَوْ يَكُونُ بِمَنْزِلَةِ رَجُلٍ مِنْ الْإِخْوَةِ فِيمَا يَحْصُلُ لَهُ وَلَهُمْ يُقَاسِمُهُمْ بِمِثْلِ حِصَّةِ أَحَدِهِمْ أَوْ السُّدُسُ مِنْ رَأْسِ الْمَالِ كُلِّهِ أَيُّ ذَلِكَ كَانَ أَفْضَلَ لِحَظِّ الْجَدِّ أُعْطِيَهُ الْجَدُّ وَكَانَ مَا بَقِيَ بَعْدَ ذَلِكَ لِلْإِخْوَةِ لِلْأَبِ وَالْأُمِّ لِلذَّكَرِ مِثْلُ حَظِّ الْأُنْثَيَيْنِ إِلَّا فِي فَرِيضَةٍ وَاحِدَةٍ تَكُونُ قِسْمَتُهُمْ فِيهَا عَلَى غَيْرِ ذَلِكَ وَتِلْكَ الْفَرِيضَةُ امْرَأَةٌ تُوُفِّيَتْ وَتَرَكَتْ زَوْجَهَا وَأُمَّهَا وَأُخْتَهَا لِأُمِّهَا وَأَبِيهَا وَجَدَّهَا فَلِلزَّوْجِ النِّصْفُ وَلِلْأُمِّ الثُّلُثُ وَلِلْجَدِّ السُّدُسُ وَلِلْأُخْتِ لِلْأُمِّ وَالْأَبِ النِّصْفُ ثُمَّ يُجْمَعُ سُدُسُ الْجَدِّ وَنِصْفُ الْأُخْتِ فَيُقْسَمُ أَثْلَاثًا لِلذَّكَرِ مِثْلُ حَظِّ الْأُنْثَيَيْنِ فَيَكُونُ لِلْجَدِّ ثُلُثَاهُ وَلِلْأُخْتِ ثُلُثُهُ قَالَ مَالِك وَمِيرَاثُ الْإِخْوَةِ لِلْأَبِ مَعَ الْجَدِّ إِذَا لَمْ يَكُنْ مَعَهُمْ إِخْوَةٌ لِأَبٍ وَأُمٍّ كَمِيرَاثِ الْإِخْوَةِ لِلْأَبِ وَالْأُمِّ سَوَاءٌ ذَكَرُهُمْ كَذَكَرِهِمْ وَأُنْثَاهُمْ كَأُنْثَاهُمْ فَإِذَا اجْتَمَعَ الْإِخْوَةُ لِلْأَبِ وَالْأُمِّ وَالْإِخْوَةُ لِلْأَبِ فَإِنَّ الْإِخْوَةَ لِلْأَبِ وَالْأُمِّ يُعَادُّونَ الْجَدَّ بِإِخْوَتِهِمْ لِأَبِيهِمْ فَيَمْنَعُونَهُ بِهِمْ كَثْرَةَ الْمِيرَاثِ بِعَدَدِهِمْ وَلَا يُعَادُّونَهُ بِالْإِخْوَةِ لِلْأُمِّ لِأَنَّهُ لَوْ لَمْ يَكُنْ مَعَ الْجَدِّ غَيْرُهُمْ لَمْ يَرِثُوا مَعَهُ شَيْئًا وَكَانَ الْمَالُ كُلُّهُ لِلْجَدِّ فَمَا حَصَلَ لِلْإِخْوَةِ مِنْ بَعْدِ حَظِّ الْجَدِّ فَإِنَّهُ يَكُونُ لِلْإِخْوَةِ مِنْ الْأَبِ وَالْأُمِّ دُونَ الْإِخْوَةِ لِلْأَبِ وَلَا يَكُونُ لِلْإِخْوَةِ لِلْأَبِ مَعَهُمْ شَيْءٌ إِلَّا أَنْ يَكُونَ الْإِخْوَةُ لِلْأَبِ وَالْأُمِّ امْرَأَةً وَاحِدَةً فَإِنْ كَانَتْ امْرَأَةً وَاحِدَةً فَإِنَّهَا تُعَادُّ الْجَدَّ بِإِخْوَتِهَا لِأَبِيهَا مَا كَانُوا فَمَا حَصَلَ لَهُمْ وَلَهَا مِنْ شَيْءٍ كَانَ لَهَا دُونَهُمْ مَا بَيْنَهَا وَبَيْنَ أَنْ تَسْتَكْمِلَ فَرِيضَتَهَا وَفَرِيضَتُهَا النِّصْفُ مِنْ رَأْسِ الْمَالِ كُلِّهِ فَإِنْ كَانَ فِيمَا يُحَازُ لَهَا وَلِإِخْوَتِهَا لِأَبِيهَا فَضْلٌ عَنْ نِصْفِ رَأْسِ الْمَالِ كُلِّهِ فَهُوَ لِإِخْوَتِهَا لِأَبِيهَا لِلذَّكَرِ مِثْلُ حَظِّ الْأُنْثَيَيْنِ فَإِنْ لَمْ يَفْضُلْ شَيْءٌ فَلَا شَيْءَ لَهُمْ

وحدثني عن مالك انه بلغه عن سليمان بن يسار انه قال فرض عمر بن الخطاب وعثمان بن عفان وزيد بن ثابت للجد مع الاخوة الثلث قال مالك والامر المجتمع عليه عندنا والذي ادركت عليه اهل العلم ببلدنا ان الجد ابا الاب لا يرث مع الاب دنيا شيىا وهو يفرض له مع الولد الذكر ومع ابن الابن الذكر السدس فريضة وهو فيما سوى ذلك ما لم يترك المتوفى اما او اختا لابيه يبدا باحد ان شركه بفريضة مسماة فيعطون فراىضهم فان فضل من المال السدس فما فوقه فرض للجد السدس فريضة قال مالك والجد والاخوة للاب والام اذا شركهم احد بفريضة مسماة يبدا بمن شركهم من اهل الفراىض فيعطون فراىضهم فما بقي بعد ذلك للجد والاخوة من شيء فانه ينظر اي ذلك افضل لحظ الجد اعطيه الثلث مما بقي له وللاخوة او يكون بمنزلة رجل من الاخوة فيما يحصل له ولهم يقاسمهم بمثل حصة احدهم او السدس من راس المال كله اي ذلك كان افضل لحظ الجد اعطيه الجد وكان ما بقي بعد ذلك للاخوة للاب والام للذكر مثل حظ الانثيين الا في فريضة واحدة تكون قسمتهم فيها على غير ذلك وتلك الفريضة امراة توفيت وتركت زوجها وامها واختها لامها وابيها وجدها فللزوج النصف وللام الثلث وللجد السدس وللاخت للام والاب النصف ثم يجمع سدس الجد ونصف الاخت فيقسم اثلاثا للذكر مثل حظ الانثيين فيكون للجد ثلثاه وللاخت ثلثه قال مالك وميراث الاخوة للاب مع الجد اذا لم يكن معهم اخوة لاب وام كميراث الاخوة للاب والام سواء ذكرهم كذكرهم وانثاهم كانثاهم فاذا اجتمع الاخوة للاب والام والاخوة للاب فان الاخوة للاب والام يعادون الجد باخوتهم لابيهم فيمنعونه بهم كثرة الميراث بعددهم ولا يعادونه بالاخوة للام لانه لو لم يكن مع الجد غيرهم لم يرثوا معه شيىا وكان المال كله للجد فما حصل للاخوة من بعد حظ الجد فانه يكون للاخوة من الاب والام دون الاخوة للاب ولا يكون للاخوة للاب معهم شيء الا ان يكون الاخوة للاب والام امراة واحدة فان كانت امراة واحدة فانها تعاد الجد باخوتها لابيها ما كانوا فما حصل لهم ولها من شيء كان لها دونهم ما بينها وبين ان تستكمل فريضتها وفريضتها النصف من راس المال كله فان كان فيما يحاز لها ولاخوتها لابيها فضل عن نصف راس المال كله فهو لاخوتها لابيها للذكر مثل حظ الانثيين فان لم يفضل شيء فلا شيء لهم


Yahya related to me from Malik that he had heard that Sulayman ibn Yasar said, ''Umar ibn al-Khattab, Uthman ibn Affan, andZayd ibn Thabit gave the grandfather a third with full siblings". Malik said, "The generally agreed on way of doing things among us and what I have seen the people of knowledge in our city doing is that the paternal grandfather does not inherit anything at all with the father. He is given a sixth as a fixed share with the son and the grandson through a son. Other than that, when the deceased does not leave a mother or a paternal aunt, one begins with whoever has a fixed share, and they are given their shares. If there is a sixth of the property left over, the grandfather is given a sixth as a fixed share."

Malik said, "When someone shares with the grandfather and the full siblings in a specified share, one begins with whoever shares with them of the people of fixed shares. They are given their shares. What is left over after that belongs to the grandfather and the full siblings. Then one sees which is the more favourable of two alternatives for the portion of the grandfather. Either a third is allotted to him and the siblings to divide between them, and he gets a share as if he were one of the siblings, or else he takes a sixth from all the capital. Whichever is the best portion for the grandfather is given to him. What is left after that, goes to the full siblings. The male gets the portion of two females except in one particular case. The division in this case is different from the preceding one. This case is when a woman dies and leaves a husband, mother, full sister and grandfather. The husband gets a half, the mother gets a third, the grandfather gets a sixth, and the full sister gets a half. The sixth of the grandfather and the half of the sister are joined and divided into thirds. The male gets the share of two females. Therefore, the grandfather has two thirds, and the sister has one third."

Malik said, "The inheritance of the half-siblings by the father with the grandfather when there are no full siblings with them, is like the inheritance of the full siblings (in the same situation). The males are the same as their males and the females are the same as their females. When there are both full siblings and half-siblings by the father, the full siblings include in their number the number of half-siblings by the father, to limit the inheritance of the grandfather, i.e., if there was only one full sibling with the grandfather. They would share, after the allotting of the fixed shares, the remainder of the inheritance between them equally. If there were also two half-siblings by the father, their number is added to the division of the sum, which would then be divided four ways. A quarter going to the grandfather and three-quarters going to the full siblings who annex the shares technically allotted to the half-siblings by the father. They do not include the number of half-siblings by the mother, because if there were only half-siblings by the father they would not inherit anything with the grandfather and all the capital would belong to the grandfather, and so the siblings would not get anything after the portion of the grandfather.

"It belongs to the full siblings more than the half-siblings by the father, and the half-siblings by the father do not get anything with them unless the full siblings consist of one sister. If there is one full sister, she includes the grandfather with the half-siblings by her father in the division, however many. Whatever remains for her and these half-siblings by the father goes to her rather than them until she has had her complete share, which is half of the total capital. If there is surplus beyond half of all the capital in what she and the half-siblings by the father acquire it goes to them. The male has the portion of two females. If there is nothing left over, they get nothing."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২৭. ফারায়েয অধ্যায় (كتاب الفرائض) 27/ Fara'id
১০৮৩

পরিচ্ছেদঃ ৮. দাদী ও নানীর অংশ প্রসঙ্গ

রেওয়ায়ত ৪. কুবাইসা ইবন ওয়াইব (রহঃ) হইতে বর্ণিত-এক মৃত ব্যক্তির দাদী তাহার মীরাসের জন্য আবু বকর সিদ্দীক (রাঃ)-এর নিকট আসিল । তিনি বলিলেন, তোমাদের হিস্যা সম্বন্ধে কিতাবুল্লাহতেও কোন উল্লেখ নাই এবং রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হইতেও কোন হাদীস শুনি নাই। এখন তুমি চলিয়া যাও। আমি লোকের নিকট জিজ্ঞাসা করিয়া তাহা বলিয়া দিব। অবশেষে আবু বকর সিদ্দীক (রাঃ) সাহাবীদেরকে জিজ্ঞাসা করিলেন, মুগীরা ইবন শু’বা (রাঃ) বলিলেন, আমার সম্মুখে রাসূল করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাদীকে ষষ্ঠাংশ দিয়াছেন। আবু বকর (রাঃ) বলিলেন, তোমার কোন সাক্ষী আছে কি? তখন মুহম্মদ ইবন মাসলামা আনসারী দাঁড়াইয়া মুগীরা যেইরূপ বলিয়াছিলেন তদ্রুপ বলিলেন। এই সাক্ষীর পর আবু বকর (রাঃ) দাদীকে এক-ষষ্ঠাংশ দিয়া দিলেন।

অতঃপর উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ)-এর খিলাফতকালে এক দাদী মীরাসের জন্য তাহার নিকট আসিল। উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) বলিলেন, কুরআনে তোমাদের কোন হিস্যার উল্লেখ নাই। তুমি ব্যতীত অন্যদের সম্বন্ধে কিছু সিদ্ধান্ত পূর্বে হইয়াছে আমি স্বীয় পক্ষ হইতে কাহারও জন্য মীরাসের হিস্য বাড়াইতে পারি না। তবে তুমিও ষষ্ঠাংশ লইয়া লও। যদি দাদী আরও অথবা নানীও থাকে তবে উভয়ে মিলিয়া ষষ্ঠাংশ বন্টন করিয়া দিও। আর তোমরা কেহ একজন থাকিলে সে ষষ্ঠাংশ পাইবে।

بَاب مِيرَاثِ الْجَدَّةِ

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ عُثْمَانَ بْنِ إِسْحَقَ بْنِ خَرَشَةَ عَنْ قَبِيصَةَ بْنِ ذُؤَيْبٍ أَنَّهُ قَالَ جَاءَتْ الْجَدَّةُ إِلَى أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ تَسْأَلُهُ مِيرَاثَهَا فَقَالَ لَهَا أَبُو بَكْرٍ مَا لَكِ فِي كِتَابِ اللَّهِ شَيْءٌ وَمَا عَلِمْتُ لَكِ فِي سُنَّةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ شَيْئًا فَارْجِعِي حَتَّى أَسْأَلَ النَّاسَ فَسَأَلَ النَّاسَ فَقَالَ الْمُغِيرَةُ بْنُ شُعْبَةَ حَضَرْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَعْطَاهَا السُّدُسَ فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ هَلْ مَعَكَ غَيْرُكَ فَقَامَ مُحَمَّدُ بْنُ مَسْلَمَةَ الْأَنْصَارِيُّ فَقَالَ مِثْلَ مَا قَالَ الْمُغِيرَةُ فَأَنْفَذَهُ لَهَا أَبُو بَكْرٍ الصِّدِّيقُ ثُمَّ جَاءَتْ الْجَدَّةُ الْأُخْرَى إِلَى عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ تَسْأَلُهُ مِيرَاثَهَا فَقَالَ لَهَا مَا لَكِ فِي كِتَابِ اللَّهِ شَيْءٌ وَمَا كَانَ الْقَضَاءُ الَّذِي قُضِيَ بِهِ إِلَّا لِغَيْرِكِ وَمَا أَنَا بِزَائِدٍ فِي الْفَرَائِضِ شَيْئًا وَلَكِنَّهُ ذَلِكَ السُّدُسُ فَإِنْ اجْتَمَعْتُمَا فَهُوَ بَيْنَكُمَا وَأَيَّتُكُمَا خَلَتْ بِهِ فَهُوَ لَهَا

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن عثمان بن اسحق بن خرشة عن قبيصة بن ذويب انه قال جاءت الجدة الى ابي بكر الصديق تساله ميراثها فقال لها ابو بكر ما لك في كتاب الله شيء وما علمت لك في سنة رسول الله صلى الله عليه وسلم شيىا فارجعي حتى اسال الناس فسال الناس فقال المغيرة بن شعبة حضرت رسول الله صلى الله عليه وسلم اعطاها السدس فقال ابو بكر هل معك غيرك فقام محمد بن مسلمة الانصاري فقال مثل ما قال المغيرة فانفذه لها ابو بكر الصديق ثم جاءت الجدة الاخرى الى عمر بن الخطاب تساله ميراثها فقال لها ما لك في كتاب الله شيء وما كان القضاء الذي قضي به الا لغيرك وما انا بزاىد في الفراىض شيىا ولكنه ذلك السدس فان اجتمعتما فهو بينكما وايتكما خلت به فهو لها


Yahya related to me from Malik from Ibn Shihab from Uthman ibn Ishaq ibn Kharasha that Qabisa ibn Dhu'ayb said, "A grandmother came to Abu Bakr as-Siddiq and asked him for her inheritance. Abu Bakr said to her, 'You have nothing in the Book of Allah, and I do not know that you have anything in the sunna of the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace. Go away therefore, until I have questioned the people.' (i.e.the Companions). He questioned the people, and al-Mughira ibn Shuba said, 'I was present with the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, when he gave the grandmother a sixth.' Abu Bakr said, 'Was there anybody else with you?' Muhammad ibn Maslama al-Ansari stood up and said the like of what al-Mughira said. Abu Bakr as-Siddiq gave it to her. Then the other grandmother came to Umar ibn al-Khattab and asked him for her inheritance. He said to her, "You have nothing in the Book of Allah, and what has been decided is only for other than you, and I am not one to add to the fixed shares, other than that sixth. If there are two of you together, it is between you. If eitherof you is left alone with it, it is hers."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২৭. ফারায়েয অধ্যায় (كتاب الفرائض) 27/ Fara'id
১০৮৪

পরিচ্ছেদঃ ৮. দাদী ও নানীর অংশ প্রসঙ্গ

রেওয়ায়ত ৫. কাসিম ইবন মুহাম্মদ (রহঃ) হইতে বর্ণিত-নানী এবং দাদী মীরাসের জন্য আবু বকর সিদ্দীক (রাঃ)-এর নিকট আসিল। তিনি নানীকে ষষ্ঠাংশ দিতে চাহিলেন, এমন সময় এক ব্যক্তি দাঁড়াইয়া বললেন আপনি এমন ব্যক্তির দাদীর অংশ দিতেছেন না যে, যদি সে মৃত হইত এবং উক্ত মৃত ব্যক্তি জীবিত হইত তবে সে (নাতি) তাহার ওয়ারিস হইত। আর এমন ব্যক্তিকে হিস্যা দিতেছেন যে, যদি সে মৃত হইত (অর্থাৎ নানী) এবং উক্ত মৃত ব্যক্তি জীবিত হইত তবে সে (মেয়ের ছেলে) তাহার ওয়ারিস হইত না। ইহা শুনিয়া তিনি উভয়কে ষষ্ঠাংশ সমান বন্টন করিয়া দিয়াছিলেন।

بَاب مِيرَاثِ الْجَدَّةِ

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ أَنَّهُ قَالَ أَتَتْ الْجَدَّتَانِ إِلَى أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ فَأَرَادَ أَنْ يَجْعَلَ السُّدُسَ لِلَّتِي مِنْ قِبَلِ الْأُمِّ فَقَالَ لَهُ رَجُلٌ مِنْ الْأَنْصَارِ أَمَا إِنَّكَ تَتْرُكُ الَّتِي لَوْ مَاتَتْ وَهُوَ حَيٌّ كَانَ إِيَّاهَا يَرِثُ فَجَعَلَ أَبُو بَكْرٍ السُّدُسَ بَيْنَهُمَا

وحدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن القاسم بن محمد انه قال اتت الجدتان الى ابي بكر الصديق فاراد ان يجعل السدس للتي من قبل الام فقال له رجل من الانصار اما انك تترك التي لو ماتت وهو حي كان اياها يرث فجعل ابو بكر السدس بينهما


Yahya related to me from Malik from Yahya ibn Said that al-Qasim ibn Muhammad said, "Two grandmothers came to Abu Bakr asSiddiq, and he wanted to give the sixth to the one who was from the mother's side, and a man of the Ansar said, 'What? Are you omitting the one from whom he would inherit if she died while he was alive?' Abu Bakr divided the sixth between them.


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২৭. ফারায়েয অধ্যায় (كتاب الفرائض) 27/ Fara'id
১০৮৫

পরিচ্ছেদঃ ৮. দাদী ও নানীর অংশ প্রসঙ্গ

রেওয়ায়ত ৬. মালিক (রহঃ) বলেন, আবু বকর ইবন আবদুর রহমান ইবন হারিস ইবন হিশাম নানী কিংবা দাদীকে হিস্যা দিতেন।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের নিকট সর্বসম্মতিক্রমে ইহা নিধারিত মাসআলা যে, মৃত ব্যক্তির মাতা জীবিত থাকিলে নানী হিস্যা পাইবে না। ইহা ব্যতীত অন্য অবস্থায় নানী ষষ্ঠাংশ পাইবে। আর মাতা অথবা পিতা জীবিত থাকাকালীন দাদী মাহুরূম হইবেন। অন্য অবস্থাতে তাহার জন্য ষষ্ঠাংশ। আর যদি দাদীও মৃত ব্যক্তির নিকটের হয় অথবা নৈকট্যের বিবেচনায় দুইজন সমপর্যায়ের হয় তবে দুইজনে (দাদী ও নানী) ষষ্ঠাংশের অর্ধেক অর্ধেক হিস্যা প্রাপ্ত হইবে।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ অন্যান্য দাদী-নানীর জন্য কোন মীরাস নাই এই দুই দাদী ও নানী ব্যতীত, যেহেতু আমার নিকট সংবাদ পৌছিয়াছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাদীকে মীরাস দিয়াছেন। অতঃপর আবু বকরকে এই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হইল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাদীকে অংশ দিয়াছেন বলিয়া প্রমাণ পাইয়া তিনিও দাদীকে অংশ দিয়াছেন। অতঃপর এক নানী উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ)-এর নিকট আসিলে তিনি বলিয়াছেন আমি কাহারও জন্য মীরাসে নূতন কোন অংশ দিতে পারি না, তবে দাদী ও নানী একত্র হইলে ঐ অংশ তাহাদের মধ্যে সমানভাগে ভাগ করিয়া দেওয়া হইবে। আর তাহাদের যে কেহ একজন শুধু আছে (অন্য দাদী নানী নাই) তবে সে একাই ষষ্ঠাংশ পাইবে।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ ইসলামের প্রারম্ভ হইতে আজ পর্যন্ত উক্ত নানীগণ এবং দাদীগণ ব্যতীত কেহই অন্য নানী কিংবা দাদীগণকে কোন মীরাস দেয় নাই।

بَاب مِيرَاثِ الْجَدَّةِ

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ عَبْدِ رَبِّهِ بْنِ سَعِيدٍ أَنَّ أَبَا بَكْرِ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ هِشَامٍ كَانَ لَا يَفْرِضُ إِلَّا لِلْجَدَّتَيْنِ
قَالَ مَالِك الْأَمْرُ الْمُجْتَمَعُ عَلَيْهِ عِنْدَنَا الَّذِي لَا اخْتِلَافَ فِيهِ وَالَّذِي أَدْرَكْتُ عَلَيْهِ أَهْلَ الْعِلْمِ بِبَلَدِنَا أَنَّ الْجَدَّةَ أُمَّ الْأُمِّ لَا تَرِثُ مَعَ الْأُمِّ دِنْيَا شَيْئًا وَهِيَ فِيمَا سِوَى ذَلِكَ يُفْرَضُ لَهَا السُّدُسُ فَرِيضَةً وَأَنَّ الْجَدَّةَ أُمَّ الْأَبِ لَا تَرِثُ مَعَ الْأُمِّ وَلَا مَعَ الْأَبِ شَيْئًا وَهِيَ فِيمَا سِوَى ذَلِكَ يُفْرَضُ لَهَا السُّدُسُ فَرِيضَةً فَإِذَا اجْتَمَعَتْ الْجَدَّتَانِ أُمُّ الْأَبِ وَأُمُّ الْأُمِّ وَلَيْسَ لِلْمُتَوَفَّى دُونَهُمَا أَبٌ وَلَا أُمٌّ قَالَ مَالِك فَإِنِّي سَمِعْتُ أَنَّ أُمَّ الْأُمِّ إِنْ كَانَتْ أَقْعَدَهُمَا كَانَ لَهَا السُّدُسُ دُونَ أُمِّ الْأَبِ وَإِنْ كَانَتْ أُمُّ الْأَبِ أَقْعَدَهُمَا أَوْ كَانَتَا فِي الْقُعْدَدِ مِنْ الْمُتَوَفَّى بِمَنْزِلَةٍ سَوَاءٍ فَإِنَّ السُّدُسَ بَيْنَهُمَا نِصْفَانِ قَالَ مَالِك وَلَا مِيرَاثَ لِأَحَدٍ مِنْ الْجَدَّاتِ إِلَّا لِلْجَدَّتَيْنِ لِأَنَّهُ بَلَغَنِي أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَرَّثَ الْجَدَّةَ ثُمَّ سَأَلَ أَبُو بَكْرٍ عَنْ ذَلِكَ حَتَّى أَتَاهُ الثَّبَتُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ وَرَّثَ الْجَدَّةَ فَأَنْفَذَهُ لَهَا ثُمَّ أَتَتْ الْجَدَّةُ الْأُخْرَى إِلَى عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ فَقَالَ لَهَا مَا أَنَا بِزَائِدٍ فِي الْفَرَائِضِ شَيْئًا فَإِنْ اجْتَمَعْتُمَا فَهُوَ بَيْنَكُمَا وَأَيَّتُكُمَا خَلَتْ بِهِ فَهُوَ لَهَا قَالَ مَالِك ثُمَّ لَمْ نَعْلَمْ أَحَدًا وَرَّثَ غَيْرَ جَدَّتَيْنِ مُنْذُ كَانَ الْإِسْلَامُ إِلَى الْيَوْمِ

وحدثني عن مالك عن عبد ربه بن سعيد ان ابا بكر بن عبد الرحمن بن الحارث بن هشام كان لا يفرض الا للجدتين قال مالك الامر المجتمع عليه عندنا الذي لا اختلاف فيه والذي ادركت عليه اهل العلم ببلدنا ان الجدة ام الام لا ترث مع الام دنيا شيىا وهي فيما سوى ذلك يفرض لها السدس فريضة وان الجدة ام الاب لا ترث مع الام ولا مع الاب شيىا وهي فيما سوى ذلك يفرض لها السدس فريضة فاذا اجتمعت الجدتان ام الاب وام الام وليس للمتوفى دونهما اب ولا ام قال مالك فاني سمعت ان ام الام ان كانت اقعدهما كان لها السدس دون ام الاب وان كانت ام الاب اقعدهما او كانتا في القعدد من المتوفى بمنزلة سواء فان السدس بينهما نصفان قال مالك ولا ميراث لاحد من الجدات الا للجدتين لانه بلغني ان رسول الله صلى الله عليه وسلم ورث الجدة ثم سال ابو بكر عن ذلك حتى اتاه الثبت عن رسول الله صلى الله عليه وسلم انه ورث الجدة فانفذه لها ثم اتت الجدة الاخرى الى عمر بن الخطاب فقال لها ما انا بزاىد في الفراىض شيىا فان اجتمعتما فهو بينكما وايتكما خلت به فهو لها قال مالك ثم لم نعلم احدا ورث غير جدتين منذ كان الاسلام الى اليوم


Yahya related to me from Malik from Abdu Rabbih ibn Said that Abu Bakr ibn Abd ar-Rahman ibn al-Harith ibn Hisham only gave a fixed share to two grandmothers (together).

Malik said, "The generally agreed on way of doing things among us in which there is no dispute and which I saw the people of knowledge in our city doing, is that the maternal grandmother does not inherit anything at all with the mother. Outside of that, she is given a sixth as a fixed share. The paternal grandmotherdoes not inherit anything along with the mother or the father. Outside of that she is given a sixth as a fixed share." If both the paternal grandmother and maternal grandmother are alive, and the deceased does not have a father or mother outside of them, Malik said,."I have heard that if the maternal grandmother is the nearest of the two of them, then she has a sixth instead of the paternal grandmother. If the paternal grandmother is nearer, or they are in the same position in relation to the deceased, the sixth is divided equally between them."

Malik said, "None of the female grand-relations except for these two has any inheritance because I have heard that the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, gave the grandmother inheritance, and then Abu Bakr asked about that until someone reliable related from the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, that he had made the grandmother an heir and given a share to her. Another grandmother came to Umar ibn al-Khattab, and he said, 'I am not one to add to fixed shares. If there are two of you together, it is between you. If either of you is left alone with it, it is hers.' " Malik said, "We do not know of anyone who made other than the two grandmothers heirs from the beginning of Islam to this day."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২৭. ফারায়েয অধ্যায় (كتاب الفرائض) 27/ Fara'id
১০৮৬

পরিচ্ছেদঃ ৯. ‘কালালা’র মীরাস প্রসঙ্গ

রেওয়ায়ত ৭. যায়দ ইবন আসলাম (রহঃ) হইতে বর্ণিত, উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কালালাহ্ সম্বন্ধে প্রশ্ন করিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, গ্রীষ্ম মওসুমে সূরা নিসার শেষ যেই আয়াত নাযিল হইয়াছে তাহাই তোমাদের জন্য যথেষ্ট।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের নিকট ইহা একটি বিরোধবিহীন মাসআলা যে, কালালাহ্ দুই প্রকার। প্রথম সূরা নিসার প্রারম্ভে নাযিল হয়। আল্লাহ্ তা’আলা বলেন, যদি কোন স্ত্রী বা পুরুষ কালালাহ অবস্থায় মারা যায় এবং তাহার কোন বৈপিত্রেয় ভাই কিংবা বোন থাকে, তবে প্রত্যেক ষষ্ঠাংশ হিস্যা মীরাস পাইবে। যদি বেশি ভাই-বোন থাকে, তবে সকলে এক-তৃতীয়াংশ মালে শরীক হইবে। এইরূপ কালালাহ যাহার পিতা এবং সন্তান না থাকে, তবে বৈপিত্রেয় ভাইবোন মীরাস পাইবে। [সূরা নিসাঃ ১৭৬]

ইহা ঐ কালালাহ যাহার ভাইবোন আসাবা হয়, যখন মৃতের কোন ছেলে না থাকে, তখন তাহারা দাদার সহিত মিলিয়া কালালার ওয়ারিস হইবে।

মালিক (রহঃ) বলেন, দাদা ভাইদের সহিত মিলিয়া এজন্য ওয়ারিস হইবে যে, দাদা ভাইদের চেয়ে মৃতের অতি নিকটবর্তী হন। কেননা দাদা ছেলে বিদ্যমান থাকাকালীনও ষষ্ঠাংশের মালিক হয়।

আর দাদা ভাইবোনদের সঙ্গে থাকিয়া এক-তৃতীয়াংশ পাইবার কারণ হইল সহোদর ভাই-বোন থাকাকালীন বৈপিত্রেয় ভাই-বোন এক-তৃতীয়াংশ মীরাস পায়। যদি দাদা বিদ্যমান থাকে তবে বৈপিত্রেয় ভাই-বোন মাহরূম হইয়া যায় এবং দাদা এক-তৃতীয়াংশ মাল পায়। বরং দাদা ঐ মালের মীরাস পাইবে যাহা সহোদর এবং বিমাতা ভাই-বোনগণ পায় না। বরং তাহা বৈপিত্রেয় ভাই-বোনদের হক ছিল। দাদার কারণে তাহারা মাহরূম হইল।

بَاب مِيرَاثِ الْكَلَالَةِ

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ سَأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ الْكَلَالَةِ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَكْفِيكَ مِنْ ذَلِكَ الْآيَةُ الَّتِي أُنْزِلَتْ فِي الصَّيْفِ آخِرَ سُورَةِ النِّسَاءِ
قَالَ مَالِك الْأَمْرُ الْمُجْتَمَعُ عَلَيْهِ عِنْدَنَا الَّذِي لَا اخْتِلَافَ فِيهِ وَالَّذِي أَدْرَكْتُ عَلَيْهِ أَهْلَ الْعِلْمِ بِبَلَدِنَا أَنَّ الْكَلَالَةَ عَلَى وَجْهَيْنِ فَأَمَّا الْآيَةُ الَّتِي أُنْزِلَتْ فِي أَوَّلِ سُورَةِ النِّسَاءِ الَّتِي قَالَ اللَّهُ تَبَارَكَ وَتَعَالَى فِيهَا وَإِنْ كَانَ رَجُلٌ يُورَثُ كَلَالَةً أَوْ امْرَأَةٌ وَلَهُ أَخٌ أَوْ أُخْتٌ فَلِكُلِّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا السُّدُسُ فَإِنْ كَانُوا أَكْثَرَ مِنْ ذَلِكَ فَهُمْ شُرَكَاءُ فِي الثُّلُثِ فَهَذِهِ الْكَلَالَةُ الَّتِي لَا يَرِثُ فِيهَا الْإِخْوَةُ لِلْأُمِّ حَتَّى لَا يَكُونَ وَلَدٌ وَلَا وَالِدٌ وَأَمَّا الْآيَةُ الَّتِي فِي آخِرِ سُورَةِ النِّسَاءِ الَّتِي قَالَ اللَّهُ تَبَارَكَ وَتَعَالَى فِيهَا يَسْتَفْتُونَكَ قُلْ اللَّهُ يُفْتِيكُمْ فِي الْكَلَالَةِ إِنْ امْرُؤٌ هَلَكَ لَيْسَ لَهُ وَلَدٌ وَلَهُ أُخْتٌ فَلَهَا نِصْفُ مَا تَرَكَ وَهُوَ يَرِثُهَا إِنْ لَمْ يَكُنْ لَهَا وَلَدٌ فَإِنْ كَانَتَا اثْنَتَيْنِ فَلَهُمَا الثُّلُثَانِ مِمَّا تَرَكَ وَإِنْ كَانُوا إِخْوَةً رِجَالًا وَنِسَاءً فَلِلذَّكَرِ مِثْلُ حَظِّ الْأُنْثَيَيْنِ يُبَيِّنُ اللَّهُ لَكُمْ أَنْ تَضِلُّوا وَاللَّهُ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيمٌ قَالَ مَالِك فَهَذِهِ الْكَلَالَةُ الَّتِي تَكُونُ فِيهَا الْإِخْوَةُ عَصَبَةً إِذَا لَمْ يَكُنْ وَلَدٌ فَيَرِثُونَ مَعَ الْجَدِّ فِي الْكَلَالَةِ فَالْجَدُّ يَرِثُ مَعَ الْإِخْوَةِ لِأَنَّهُ أَوْلَى بِالْمِيرَاثِ مِنْهُمْ وَذَلِكَ أَنَّهُ يَرِثُ مَعَ ذُكُورِ وَلَدِ الْمُتَوَفَّى السُّدُسَ وَالْإِخْوَةُ لَا يَرِثُونَ مَعَ ذُكُورِ وَلَدِ الْمُتَوَفَّى شَيْئًا وَكَيْفَ لَا يَكُونُ كَأَحَدِهِمْ وَهُوَ يَأْخُذُ السُّدُسَ مَعَ وَلَدِ الْمُتَوَفَّى فَكَيْفَ لَا يَأْخُذُ الثُّلُثَ مَعَ الْإِخْوَةِ وَبَنُو الْأُمِّ يَأْخُذُونَ مَعَهُمْ الثُّلُثَ فَالْجَدُّ هُوَ الَّذِي حَجَبَ الْإِخْوَةَ لِلْأُمِّ وَمَنَعَهُمْ مَكَانُهُ الْمِيرَاثَ فَهُوَ أَوْلَى بِالَّذِي كَانَ لَهُمْ لِأَنَّهُمْ سَقَطُوا مِنْ أَجْلِهِ وَلَوْ أَنَّ الْجَدَّ لَمْ يَأْخُذْ ذَلِكَ الثُّلُثَ أَخَذَهُ بَنُو الْأُمِّ فَإِنَّمَا أَخَذَ مَا لَمْ يَكُنْ يَرْجِعُ إِلَى الْإِخْوَةِ لِلْأَبِ وَكَانَ الْإِخْوَةُ لِلْأُمِّ هُمْ أَوْلَى بِذَلِكَ الثُّلُثِ مِنْ الْإِخْوَةِ لِلْأَبِ وَكَانَ الْجَدُّ هُوَ أَوْلَى بِذَلِكَ مِنْ الْإِخْوَةِ لِلْأُمِّ

حدثني يحيى عن مالك عن زيد بن اسلم ان عمر بن الخطاب سال رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الكلالة فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم يكفيك من ذلك الاية التي انزلت في الصيف اخر سورة النساء قال مالك الامر المجتمع عليه عندنا الذي لا اختلاف فيه والذي ادركت عليه اهل العلم ببلدنا ان الكلالة على وجهين فاما الاية التي انزلت في اول سورة النساء التي قال الله تبارك وتعالى فيها وان كان رجل يورث كلالة او امراة وله اخ او اخت فلكل واحد منهما السدس فان كانوا اكثر من ذلك فهم شركاء في الثلث فهذه الكلالة التي لا يرث فيها الاخوة للام حتى لا يكون ولد ولا والد واما الاية التي في اخر سورة النساء التي قال الله تبارك وتعالى فيها يستفتونك قل الله يفتيكم في الكلالة ان امرو هلك ليس له ولد وله اخت فلها نصف ما ترك وهو يرثها ان لم يكن لها ولد فان كانتا اثنتين فلهما الثلثان مما ترك وان كانوا اخوة رجالا ونساء فللذكر مثل حظ الانثيين يبين الله لكم ان تضلوا والله بكل شيء عليم قال مالك فهذه الكلالة التي تكون فيها الاخوة عصبة اذا لم يكن ولد فيرثون مع الجد في الكلالة فالجد يرث مع الاخوة لانه اولى بالميراث منهم وذلك انه يرث مع ذكور ولد المتوفى السدس والاخوة لا يرثون مع ذكور ولد المتوفى شيىا وكيف لا يكون كاحدهم وهو ياخذ السدس مع ولد المتوفى فكيف لا ياخذ الثلث مع الاخوة وبنو الام ياخذون معهم الثلث فالجد هو الذي حجب الاخوة للام ومنعهم مكانه الميراث فهو اولى بالذي كان لهم لانهم سقطوا من اجله ولو ان الجد لم ياخذ ذلك الثلث اخذه بنو الام فانما اخذ ما لم يكن يرجع الى الاخوة للاب وكان الاخوة للام هم اولى بذلك الثلث من الاخوة للاب وكان الجد هو اولى بذلك من الاخوة للام


Yahya related to me from Malik from Zayd ibn Aslam that Umar ibn al-Khattab asked the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, about someone who died without parents or offspring, and the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, said to him, "The ayat which was sent down in the summer at the end of the Surat an-Nisa (Sura 4) is enoughfor you."

Malik said, "The generally agreed on way of doing things among us, in which there is no dispute, and which I saw the people of knowledge in our city doing, is that the person who leaves neither parent or offspring can be of two types. As for the kind described in the ayat which was sent down at the beginning of the Surat an-Nisa in which Allah, the Blessed, the Exalted! said, 'If a man or a woman has no direct heir, but has a brother or a sister by the mother, each of the two has a sixth. If there are more than that, they share equally in a third.' (Sura 4 ayat 12) This heirless one does not have heirs among his mother's siblings since there are no children or parents. As for the other kind described in the ayat which comes at the end of the Surat an-Nisa, Allah, the Blessed, the Exalted, said in it, 'They will ask you for a decision. Say, "Allah gives you a decision about the indirect heirs. If a man perishes having no children, but he has a sister, she shall receive a half of what he leaves, and he is her heir if she has no children. If there are two sisters, they shall receive two-thirds of what he leaves. If there are brothers and sisters, the male shall receive the portion of two females. Allah makes clear to you that you might not go astray. Allah has knowledge of everything" ' " (Sura 4 ayat 176).

Malik said, "If this person without direct heirs (parents) or children has siblings by the father, they inherit with the grandfather from the person without direct heirs. The grandfather inherits with the siblings because he is more entitled to the inheritance than them. That is because he inherits a sixth with the male children of the deceased when the siblings do not inherit anything with the male children of the deceased. How can he not be like one of them when he takes a sixth with the children of the deceased? How can he not take a third with the siblings while the brother's sons take a third with them? The grandfather is the one who overshadows the half-siblings by the mother and keeps them from inheriting. He is more entitled to what they have because they are omitted for his sake. If the grandfather did not take that third, the half-siblings by the mother would take it and would take what does not return to the half-siblings by the father. The half-siblings by the mother are more entitled to that third than the half-siblings by the father while the grandfather is more entitled to that than the half- siblings by the mother."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২৭. ফারায়েয অধ্যায় (كتاب الفرائض) 27/ Fara'id
১০৮৭

পরিচ্ছেদঃ ১০. ফুফুর মীরাস সম্বন্ধে

রেওয়ায়ত ৮. কুরায়শ সম্প্রদায়ের এক স্বাধীন করা গোলাম (যাহাকে ইবন মুসা বলা হইত) বলিল, আমি উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ)-এর নিকট বসা ছিলাম, তিনি যুহরের নামায পড়িয়া য়ারফা নামক সাহাবীক বলিলেন, আমার নিকট ঐ কিতাবটি লইয়া আস, যাহা ফুফুর মীরাস সম্বন্ধে লেখা হইয়াছে। আমি এই ব্যাপারে লোকের নিকট জিজ্ঞাসা করিব। অতঃপর উমর (রাঃ) একটি পেয়ালা আনাইলেন যাহাতে পানি ছিল। ঐ পানি দ্বারা ঐ কিতাব ধুইয়া ফেলিলেন এবং বলিলেন, যদি ফুফুকে অংশ দেওয়া আল্লাহর ইচ্ছা থাকিত তাহা হইলে স্বীয় কিতাবে উহা উল্লেখ করিতেন।

بَاب مَا جَاءَ فِي الْعَمَّةِ

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ حَنْظَلَةَ الزُّرَقِيِّ أَنَّهُ أَخْبَرَهُ عَنْ مَوْلًى لِقُرَيْشٍ كَانَ قَدِيمًا يُقَالُ لَهُ ابْنُ مِرْسَى أَنَّهُ قَالَ كُنْتُ جَالِسًا عِنْدَ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ فَلَمَّا صَلَّى الظُّهْرَ قَالَ يَا يَرْفَا هَلُمَّ ذَلِكَ الْكِتَابَ لِكِتَابٍ كَتَبَهُ فِي شَأْنِ الْعَمَّةِ فَنَسْأَلَ عَنْهَا وَنَسْتَخْبِرَ عَنْهَا فَأَتَاهُ بِهِ يَرْفَا فَدَعَا بِتَوْرٍ أَوْ قَدَحٍ فِيهِ مَاءٌ فَمَحَا ذَلِكَ الْكِتَابَ فِيهِ ثُمَّ قَالَ لَوْ رَضِيَكِ اللَّهُ وَارِثَةً أَقَرَّكِ لَوْ رَضِيَكِ اللَّهُ أَقَرَّكِ

حدثني يحيى عن مالك عن محمد بن ابي بكر بن محمد بن عمرو بن حزم عن عبد الرحمن بن حنظلة الزرقي انه اخبره عن مولى لقريش كان قديما يقال له ابن مرسى انه قال كنت جالسا عند عمر بن الخطاب فلما صلى الظهر قال يا يرفا هلم ذلك الكتاب لكتاب كتبه في شان العمة فنسال عنها ونستخبر عنها فاتاه به يرفا فدعا بتور او قدح فيه ماء فمحا ذلك الكتاب فيه ثم قال لو رضيك الله وارثة اقرك لو رضيك الله اقرك


Yahya related to me from Malik from Muhammad ibn Abi Bakr ibn Muhammad ibn Amribn Hazm that Abdar-Rahman ibn Hanthala az-Zurqi was informed by a mawla of Quraysh,who used to be known as Ibn Mursi, that he was sitting with Umar ibn al-Khattab, and when they had prayed dhuhr, he said, "Yarfa! Bring that letter! (a letter which he had written about the paternal aunt.) We asked about her and asked for information about her." Yarfa brought it to him. He called for a small vessel or a drinking-bowl in which there was water. He erased the letter in it. Then he said, "Had Allah approved of you as an heir, we would have confirmed you. Had Allah approved of you, we would have confirmed you."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২৭. ফারায়েয অধ্যায় (كتاب الفرائض) 27/ Fara'id
১০৮৮

পরিচ্ছেদঃ ১০. ফুফুর মীরাস সম্বন্ধে

রেওয়ায়ত ৯. মুহাম্মদ ইবন আবু বকর ইবন হাজম (রহঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি তাহার পিতাকে অনেক বার বলিতে শুনিয়াছেন যে, উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) বলিতেন, ফুফুর ব্যাপার আশ্চর্যজনক, তিনি মীরাস পান না কিন্তু তাহার মীরাস অন্যরা পায়।

بَاب مَا جَاءَ فِي الْعَمَّةِ

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ حَزْمٍ أَنَّهُ سَمِعَ أَبَاهُ كَثِيرًا يَقُولُ كَانَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ يَقُولُ عَجَبًا لِلْعَمَّةِ تُورَثُ وَلَا تَرِثُ

وحدثني عن مالك عن محمد بن ابي بكر بن حزم انه سمع اباه كثيرا يقول كان عمر بن الخطاب يقول عجبا للعمة تورث ولا ترث


Yahya related to me from Malik that Muhammad ibn Abi Bakr ibn Hazm heard his father say many times, ''Umar ibn al-Khattab used to say, 'It is a wonder that the paternal aunt is inherited from and does not inherit.' "


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২৭. ফারায়েয অধ্যায় (كتاب الفرائض) 27/ Fara'id
১০৮৯

পরিচ্ছেদঃ ১১. আসাবাদের অংশ সম্বন্ধে

মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের নিকট ইহা একটি সর্বসম্মত ব্যাপার এবং আমরা আমাদের স্থানীয় লোকদিগকেও এর উপর পাইয়াছি যে, সহোদর ভাই বৈমাত্রেয় ভাই-এর উপর অগ্রগণ্য। বৈমাত্রেয় ভাই সহোদর ভাই-এর সন্তান বৈপিত্রেয় ভাই-এর সন্তানদের উপর, বৈপিত্রেয় ভাই-এর সন্তান সহোদর ভাই-এর পৌত্রদের উপর অগ্রগণ্য। এইরূপে বৈপিত্রেয় ভাই-এর সন্তান আপন চাচার উপর, আর আপন চাচা বৈপিত্রেয় চাচার উপর, বৈপিত্রেয় চাচা আপন চাচার সন্তানের উপর, বৈপিত্রেয় চাচার সন্তান পিতার চাচার উপর অগ্রগণ্য ।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ ইহার সারকথা এই যে, উপস্থিত আসাবাকে মৃত ব্যক্তির সহিত যুক্ত করিলে তবে যাহারা উহাদের মধ্য হইতে এইরূপভাবে মৃত ব্যক্তির সহিত মিলিবে যে, তাহার নিকট পিতার সহিত সম্পর্ক হিসাবে অন্য কেহ মিলিবে না তাহা হইলে তাহাকেই অংশ দেওয়া হইবে। যে উপরের পিতার সহিত মিলিত হইবে তাহাকে অংশ দেওয়া হইবে না।

যেমন যদি ভাই আর বাচ্চা থাকে তবে দেখিতে হইবে ভাই মৃত ব্যক্তির কি হয়? মৃত ব্যক্তির পিতার সন্তান। আর চাচা কি হয়? মৃত ব্যক্তির পিতার পিতার সন্তান। এমতাবস্থায় ভাই অংশ পাইবে। কেননা প্রথমেই সে মৃত ব্যক্তির পিতার সহিত মিলিত। আর চাচা অন্য পিতা (দাদা)-য় মিলিত । যদি ইহাদের মধ্যে কয়েকজন পিতায় মিলিয়া যায়, তবে দেখিতে হইবে কাহার সম্বন্ধ নিকটবর্তী। যদিও নিকটবর্তী হওয়াটা সৎ-সম্পর্কিত হয় কিন্তু অংশ সে-ই পাইবে, দূরবর্তী সহোদর হইলেও অংশ সে পাইবে না।

সৎ ভাই-এর সন্তান আর সহোদর ভাই-এর পৌত্র যদিও তাহারা উভয়েই মৃত ব্যক্তির সহিত একই পিতায় মিলিয়া যায় কিন্তু সৎ ভাই-এর সন্তান মৃত ব্যক্তির নিকটবর্তী আর সহোদর ভাই-এর পৌত্র দূরবর্তী।

যদি সকলেই সম্বন্ধে বরাবর হয় বা সকলেই সৎসম্পর্কে সম্পর্কিত হয়, তবে সকলকেই সমান অংশ দিতে হইবে। যদি ইহাদের কাহারও পিতা মৃত ব্যক্তির পিতার সহোদর হয়, আর কাহারও পিতা মৃত ব্যক্তির পিতার সৎ ভাই হয়, তবে মীরাস সহোদর ভাই-এর সন্তানগণ পাইবে। কেননা আল্লাহ্ পাক বলেনঃ

“আত্মীয়-স্বজনগণ আল্লাহর কিতাবে একে অন্য অপেক্ষা অধিক হকদার; আর প্রত্যেক বস্তু সম্বন্ধে আল্লাহ সম্যক অবহিত।”

মালিক (রহঃ) বলেনঃ দাদা ভাতিজা হইতে অগ্রগণ্য এবং চাচা হইতেও। আর মওলা (আযদ করা গোলাম)-এর অভিভাবকত্বের বেলায় সহোদর ভাই-এর দাদার উপর অগ্রগণ্য।

بَاب مِيرَاثِ وِلَايَةِ الْعَصَبَةِ

قَالَ مَالِك الْأَمْرُ الْمُجْتَمَعُ عَلَيْهِ عِنْدَنَا الَّذِي لَا اخْتِلَافَ فِيهِ وَالَّذِي أَدْرَكْتُ عَلَيْهِ أَهْلَ الْعِلْمِ بِبَلَدِنَا فِي وِلَايَةِ الْعَصَبَةِ أَنَّ الْأَخَ لِلْأَبِ وَالْأُمِّ أَوْلَى بِالْمِيرَاثِ مِنْ الْأَخِ لِلْأَبِ وَالْأَخُ لِلْأَبِ أَوْلَى بِالْمِيرَاثِ مِنْ بَنِي الْأَخِ لِلْأَبِ وَالْأُمِّ وَبَنُو الْأَخِ لِلْأَبِ وَالْأُمِّ أَوْلَى مِنْ بَنِي الْأَخِ لِلْأَبِ وَبَنُو الْأَخِ لِلْأَبِ أَوْلَى مِنْ بَنِي ابْنِ الْأَخِ لِلْأَبِ وَالْأُمِّ وَبَنُو ابْنِ الْأَخِ لِلْأَبِ أَوْلَى مِنْ الْعَمِّ أَخِي الْأَبِ لِلْأَبِ وَالْأُمِّ وَالْعَمُّ أَخُو الْأَبِ لِلْأَبِ وَالْأُمِّ أَوْلَى مِنْ الْعَمِّ أَخِي الْأَبِ لِلْأَبِ وَالْعَمُّ أَخُو الْأَبِ لِلْأَبِ أَوْلَى مِنْ بَنِي الْعَمِّ أَخِي الْأَبِ لِلْأَبِ وَالْأُمِّ وَابْنُ الْعَمِّ لِلْأَبِ أَوْلَى مِنْ عَمِّ الْأَبِ أَخِي أَبِي الْأَبِ لِلْأَبِ وَالْأُمِّ قَالَ مَالِك وَكُلُّ شَيْءٍ سُئِلْتَ عَنْهُ مِنْ مِيرَاثِ الْعَصَبَةِ فَإِنَّهُ عَلَى نَحْوِ هَذَا انْسُبْ الْمُتَوَفَّى وَمَنْ يُنَازِعُ فِي وِلَايَتِهِ مِنْ عَصَبَتِهِ فَإِنْ وَجَدْتَ أَحَدًا مِنْهُمْ يَلْقَى الْمُتَوَفَّى إِلَى أَبٍ لَا يَلْقَاهُ أَحَدٌ مِنْهُمْ إِلَى أَبٍ دُونَهُ فَاجْعَلْ مِيرَاثَهُ لِلَّذِي يَلْقَاهُ إِلَى الْأَبِ الْأَدْنَى دُونَ مَنْ يَلْقَاهُ إِلَى فَوْقِ ذَلِكَ فَإِنْ وَجَدْتَهُمْ كُلَّهُمْ يَلْقَوْنَهُ إِلَى أَبٍ وَاحِدٍ يَجْمَعُهُمْ جَمِيعًا فَانْظُرْ أَقْعَدَهُمْ فِي النَّسَبِ فَإِنْ كَانَ ابْنَ أَبٍ فَقَطْ فَاجْعَلْ الْمِيرَاثَ لَهُ دُونَ الْأَطْرَافِ وَإِنْ كَانَ ابْنَ أَبٍ وَأُمٍّ وَإِنْ وَجَدْتَهُمْ مُسْتَوِينَ يَنْتَسِبُونَ مِنْ عَدَدِ الْآبَاءِ إِلَى عَدَدٍ وَاحِدٍ حَتَّى يَلْقَوْا نَسَبَ الْمُتَوَفَّى جَمِيعًا وَكَانُوا كُلُّهُمْ جَمِيعًا بَنِي أَبٍ أَوْ بَنِي أَبٍ وَأُمٍّ فَاجْعَلْ الْمِيرَاثَ بَيْنَهُمْ سَوَاءً وَإِنْ كَانَ وَالِدُ بَعْضِهِمْ أَخَا وَالِدِ الْمُتَوَفَّى لِلْأَبِ وَالْأُمِّ وَكَانَ مَنْ سِوَاهُ مِنْهُمْ إِنَّمَا هُوَ أَخُو أَبِي الْمُتَوَفَّى لِأَبِيهِ فَقَطْ فَإِنَّ الْمِيرَاثَ لِبَنِي أَخِي الْمُتَوَفَّى لِأَبِيهِ وَأُمِّهِ دُونَ بَنِي الْأَخِ لِلْأَبِ وَذَلِكَ أَنَّ اللَّهَ تَبَارَكَ وَتَعَالَى قَالَ وَأُولُوا الْأَرْحَامِ بَعْضُهُمْ أَوْلَى بِبَعْضٍ فِي كِتَابِ اللَّهِ إِنَّ اللَّهَ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيمٌ قَالَ مَالِك وَالْجَدُّ أَبُو الْأَبِ أَوْلَى مِنْ بَنِي الْأَخِ لِلْأَبِ وَالْأُمِّ وَأَوْلَى مِنْ الْعَمِّ أَخِي الْأَبِ لِلْأَبِ وَالْأُمِّ بِالْمِيرَاثِ وَابْنُ الْأَخِ لِلْأَبِ وَالْأُمِّ أَوْلَى مِنْ الْجَدِّ بِوَلَاءِ الْمَوَالِي

قال مالك الامر المجتمع عليه عندنا الذي لا اختلاف فيه والذي ادركت عليه اهل العلم ببلدنا في ولاية العصبة ان الاخ للاب والام اولى بالميراث من الاخ للاب والاخ للاب اولى بالميراث من بني الاخ للاب والام وبنو الاخ للاب والام اولى من بني الاخ للاب وبنو الاخ للاب اولى من بني ابن الاخ للاب والام وبنو ابن الاخ للاب اولى من العم اخي الاب للاب والام والعم اخو الاب للاب والام اولى من العم اخي الاب للاب والعم اخو الاب للاب اولى من بني العم اخي الاب للاب والام وابن العم للاب اولى من عم الاب اخي ابي الاب للاب والام قال مالك وكل شيء سىلت عنه من ميراث العصبة فانه على نحو هذا انسب المتوفى ومن ينازع في ولايته من عصبته فان وجدت احدا منهم يلقى المتوفى الى اب لا يلقاه احد منهم الى اب دونه فاجعل ميراثه للذي يلقاه الى الاب الادنى دون من يلقاه الى فوق ذلك فان وجدتهم كلهم يلقونه الى اب واحد يجمعهم جميعا فانظر اقعدهم في النسب فان كان ابن اب فقط فاجعل الميراث له دون الاطراف وان كان ابن اب وام وان وجدتهم مستوين ينتسبون من عدد الاباء الى عدد واحد حتى يلقوا نسب المتوفى جميعا وكانوا كلهم جميعا بني اب او بني اب وام فاجعل الميراث بينهم سواء وان كان والد بعضهم اخا والد المتوفى للاب والام وكان من سواه منهم انما هو اخو ابي المتوفى لابيه فقط فان الميراث لبني اخي المتوفى لابيه وامه دون بني الاخ للاب وذلك ان الله تبارك وتعالى قال واولوا الارحام بعضهم اولى ببعض في كتاب الله ان الله بكل شيء عليم قال مالك والجد ابو الاب اولى من بني الاخ للاب والام واولى من العم اخي الاب للاب والام بالميراث وابن الاخ للاب والام اولى من الجد بولاء الموالي


Malik said, "The generally agreed on way of doing things among us, in which there is no dispute, and which I saw the people of knowledge in our city doing, about paternal relations is that full brothers are more entitled to inherit than half-brothers by the father and half-brothers by the father are more entitled to inherit than the children of the full brothers. The sons of the full brothers are more entitled to inherit than the sons of the half-brothers by the father. The sons of the half-brothers by the father are more entitled to inherit than the sons of the sons of the full brothers. The sons of the sons of the half-brothers by the father's side are more entitled to inherit than the paternal uncle, the full brother of the father. The paternal uncle, the full brother of the father, is more entitled to inherit than the paternal uncle, the half-brotherof the father on the father's side. The paternal uncle, the half-brother of the father on the father's side is more entitled to inherit than the sons of the paternal uncle, the full brother of the father. The son of the paternal uncle on the father's side is more entitled to inherit than the paternal great uncle, the full brother of the paternal grandfather."

Malik said, "Everything about which you are questioned concerning the inheritance of the paternal relations is like this. Trace the genealogy of the deceased and whoever among the paternal relations contends for inheritance. If you find that one of them reaches the deceased by a father and none of them except him reaches him by a father, then make his inheritance to the one who reaches him by the nearest father, rather than the one who reaches him by what is above that. If you find that they all reach him by the same father who joins them, then see who is the nearest of kin. If there is only one half-brother by the father, give him the inheritance rather than more distant paternal relations. If there is a full brother and you find them equally related from a number of fathers or to one particular father so that they all reach the genealogy of the deceased and they are all half-brothers by the father or full brothers, then divide the inheritance equally among them. If the parent of one of them is an uncle (the full-brother of the father of the deceased) and whoever is with him is an uncle (the paternal half brother of the father of the deceased), the inheritance goes to the sons of the full brother of the father rather than the sons of the paternal half- brother of the father. That is because Allah, the Blessed, the Exalted, said, 'Those related by blood are nearer to one another in the Book of Allah, surely Allah has knowledge of everything.' "

Malik said, "The paternal grandfather, is more entitled to inherit than sons of the full-brother, and more entitled than the uncle, the full brother of the father. The son of the father's brother is more entitled to inherit from mawali retainers (freed slaves) than the grandfathers."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২৭. ফারায়েয অধ্যায় (كتاب الفرائض) 27/ Fara'id
১০৯০

পরিচ্ছেদঃ ১২. কে মীরাস পাইবে না

মালিক (রহঃ) বলেনঃ ইহা আমাদের নিকট সর্বসম্মত মাসআলা যে, বৈপিত্রেয় ভাইয়ের সন্তান, নানা, পিতার বৈপিত্রেয় ভাই, মামা এবং নানার মা, সহোদর ভাই-এর সন্তান, ফুফু এবং খালা যবিল আরহাম হওয়া সত্ত্বেও ওয়ারিস হইবে না।

মালিক (রহঃ) বলেন, যে স্ত্রীলোক দূরসম্পৰ্কীয় সে ওয়ারিস হইবে না। আর স্ত্রীলোকদের মধ্যে ঐ স্ত্রীলোকেরা কেহ ওয়ারিস হইবে না, যাহাদিগকে আল্লাহ্ তা’আলা কুরআন মাজীদে বর্ণনা করিয়া দিয়াছেন। তাহারাই হইল মা, কন্যা, স্ত্রী, সহোদর ভগ্নী, সৎ ভগ্নী, বৈপিত্রেয় ভগ্নী। নানী এবং দাদীর অংশ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। এইরূপ মহিলাগণ তাহাদের মুক্ত দাসের ওয়ারিস হইবে; কারণ আল্লাহ্ পাক কুরআন মজীদে উল্লেখ করিয়াছেনঃ উহাদিগকে তোমাদের ধর্মীয় ভ্রাতা ও বন্ধুরূপে গণ্য করিবে। (সূরা আহযবঃ ৫)

بَاب مَنْ لَا مِيرَاثَ لَهُ

قَالَ مَالِك الْأَمْرُ الْمُجْتَمَعُ عَلَيْهِ عِنْدَنَا الَّذِي لَا اخْتِلَافَ فِيهِ وَالَّذِي أَدْرَكْتُ عَلَيْهِ أَهْلَ الْعِلْمِ بِبَلَدِنَا أَنَّ ابْنَ الْأَخِ لِلْأُمِّ وَالْجَدَّ أَبَا الْأُمِّ وَالْعَمَّ أَخَا الْأَبِ لِلْأُمِّ وَالْخَالَ وَالْجَدَّةَ أُمَّ أَبِي الْأُمِّ وَابْنَةَ الْأَخِ لِلْأَبِ وَالْأُمِّ وَالْعَمَّةَ وَالْخَالَةَ لَا يَرِثُونَ بِأَرْحَامِهِمْ شَيْئًا قَالَ وَإِنَّهُ لَا تَرِثُ امْرَأَةٌ هِيَ أَبْعَدُ نَسَبًا مِنْ الْمُتَوَفَّى مِمَّنْ سُمِّيَ فِي هَذَا الْكِتَابِ بِرَحِمِهَا شَيْئًا وَإِنَّهُ لَا يَرِثُ أَحَدٌ مِنْ النِّسَاءِ شَيْئًا إِلَّا حَيْثُ سُمِّينَ وَإِنَّمَا ذَكَرَ اللَّهُ تَبَارَكَ وَتَعَالَى فِي كِتَابِهِ مِيرَاثَ الْأُمِّ مِنْ وَلَدِهَا وَمِيرَاثَ الْبَنَاتِ مِنْ أَبِيهِنَّ وَمِيرَاثَ الزَّوْجَةِ مِنْ زَوْجِهَا وَمِيرَاثَ الْأَخَوَاتِ لِلْأَبِ وَالْأُمِّ وَمِيرَاثَ الْأَخَوَاتِ لِلْأَبِ وَمِيرَاثَ الْأَخَوَاتِ لِلْأُمِّ وَوَرِثَتْ الْجَدَّةُ بِالَّذِي جَاءَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِيهَا وَالْمَرْأَةُ تَرِثُ مَنْ أَعْتَقَتْ هِيَ نَفْسُهَا لِأَنَّ اللَّهَ تَبَارَكَ وَتَعَالَى قَالَ فِي كِتَابِهِ فَإِخْوَانُكُمْ فِي الدِّينِ وَمَوَالِيكُمْ

قال مالك الامر المجتمع عليه عندنا الذي لا اختلاف فيه والذي ادركت عليه اهل العلم ببلدنا ان ابن الاخ للام والجد ابا الام والعم اخا الاب للام والخال والجدة ام ابي الام وابنة الاخ للاب والام والعمة والخالة لا يرثون بارحامهم شيىا قال وانه لا ترث امراة هي ابعد نسبا من المتوفى ممن سمي في هذا الكتاب برحمها شيىا وانه لا يرث احد من النساء شيىا الا حيث سمين وانما ذكر الله تبارك وتعالى في كتابه ميراث الام من ولدها وميراث البنات من ابيهن وميراث الزوجة من زوجها وميراث الاخوات للاب والام وميراث الاخوات للاب وميراث الاخوات للام وورثت الجدة بالذي جاء عن النبي صلى الله عليه وسلم فيها والمراة ترث من اعتقت هي نفسها لان الله تبارك وتعالى قال في كتابه فاخوانكم في الدين ومواليكم


Malik said, "The generally agreed on way of doing things among us in which there is no dispute and which I saw the people of knowledge in our citydoing, is that the child of the half-sibling by the mother, the paternal grandfather, the paternal uncle who is the maternal half- brother of the father, the maternal uncle, the great-grandmother who is the mother of the mother's father, the daughter of the full- brother, the paternal aunt, and the maternal aunt do not inherit anything by their kinship."

Malik said, "The woman who is the furthest relation of the deceased of those who were named in this book, does not inherit anything by her kinship, and women do not inherit anything apart from those that are named in the Qur'an. Allah, the Blessed, the Exalted, mentioned in His Book the inheritance ofthe mother from her children, the inheritance of the daughters from their father, the inheritance of the wife from her husband, the inheritance of the full sisters, the inheritance of the half-sisters by the father and the inheritance of the half-sisters by the mother. The grandmother is made an heir by the example of the Prophet, may Allah bless him and grant him peace, made about her. A woman inherits from a slave she frees herself because Allah, the Blessed, the Exalted, said in His Book, 'They are your brothers in the deen and your mawali.' "


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২৭. ফারায়েয অধ্যায় (كتاب الفرائض) 27/ Fara'id
১০৯১

পরিচ্ছেদঃ ১৩. ভিন্ন ধর্মীয় লোকদের মীরাস

রেওয়ায়ত ১০. উসামা ইবন যায়দ (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, মুসলিম কাফিরের ওয়ারিস হইবে না। (আর কাফিরও মুসলিমের ওয়ারিস হইবে না।-বুখারী)

بَاب مِيرَاثِ أَهْلِ الْمِلَلِ

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ عَلِيِّ بْنِ حُسَيْنِ بْنِ عَلِيٍّ عَنْ عُمَرَ بْنِ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ عَنْ أُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا يَرِثُ الْمُسْلِمُ الْكَافِرَ

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن علي بن حسين بن علي عن عمر بن عثمان بن عفان عن اسامة بن زيد ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يرث المسلم الكافر



Yahya related to me from Malik from Ibn Shihab from Ali ibn Husayn ibn Ali from Umar ibn Uthman ibn Affan from Usama ibn Zayd that the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, said, "A muslim does not inherit from a kafir."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২৭. ফারায়েয অধ্যায় (كتاب الفرائض) 27/ Fara'id
১০৯২

পরিচ্ছেদঃ ১৩. ভিন্ন ধর্মীয় লোকদের মীরাস

রেওয়ায়ত ১১. আলী ইবন আবি তালিব (রাঃ) হইতে বর্ণিত, যখন আবু তালিবের মৃত্যু হইয়াছে তখন তাহার ছেলে আকীল ও তালিব তাহার ওয়ারিস হইয়াছে। কিন্তু আলী তাহার ওয়ারিস হয় নাই। এইজন্য আমরা মক্কার ঘরের নিজের অংশ ছাড়িয়া দিয়াছি। (কেননা ইহারা উভয়ে তখন কাফের ছিল, পরে আকীল মুসলিম হইয়া গিয়াছিল আর তালিব নিরুদ্দেশ হইয়া গিয়াছিল।)

بَاب مِيرَاثِ أَهْلِ الْمِلَلِ

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ عَلِيِّ بْنِ حُسَيْنِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ أَنَّهُ أَخْبَرَهُ إِنَّمَا وَرِثَ أَبَا طَالِبٍ عَقِيلٌ وَطَالِبٌ وَلَمْ يَرِثْهُ عَلِيٌّ قَالَ فَلِذَلِكَ تَرَكْنَا نَصِيبَنَا مِنْ الشِّعْبِ

وحدثني عن مالك عن ابن شهاب عن علي بن حسين بن علي بن ابي طالب انه اخبره انما ورث ابا طالب عقيل وطالب ولم يرثه علي قال فلذلك تركنا نصيبنا من الشعب


Yahya related to me from Malik from Ibn Shihab that Ali ibn Husayn ibn Ali ibn Abi Talib told him that Aqil and Talib inherited from Abu Talib, and Ali did not inheritfrom him. Ali said, "Because of that, we have given up our portion of ash Shab." (A house belonging to Banu Hashim).


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২৭. ফারায়েয অধ্যায় (كتاب الفرائض) 27/ Fara'id
১০৯৩

পরিচ্ছেদঃ ১৩. ভিন্ন ধর্মীয় লোকদের মীরাস

রেওয়ায়ত ১২. সুলায়মান ইবন ইয়াসার (রহঃ) হইতে বর্ণিত-মুহাম্মদ ইবন আশ’আসের এক ফুফু ছিল ইহুদী অথবা খৃষ্টান। সে মৃত্যুবরণ করিলে মুহাম্মদ ইবন আশ’আস উমর (রাঃ)-এর নিকট তাহা বলিলেন এবং জিজ্ঞাসা করিলেন, কে তাহার ওয়ারিস হইবে? উমর (রাঃ) বলিলেন, তাহার স্বধৰ্মীয়গণ তাহার ওয়ারিস হইবে। অতঃপর যখন উসমান খলীফা হইলেন, তখন তাহার নিকট জিজ্ঞাসা করিলেন, উসমান (রাঃ) বলিলেন, কেন উমর তোমাকে যাহা বলিয়াছেন তাহা কি তোমার স্মরণ নাই? অতঃপর তিনি বলিলেন, তাহার স্বধর্মের লোকেরাই তাহার ওয়ারিস হইবে।

بَاب مِيرَاثِ أَهْلِ الْمِلَلِ

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ أَنَّ مُحَمَّدَ بْنَ الْأَشْعَثِ أَخْبَرَهُ أَنَّ عَمَّةً لَهُ يَهُودِيَّةً أَوْ نَصْرَانِيَّةً تُوُفِّيَتْ وَأَنَّ مُحَمَّدَ بْنَ الْأَشْعَثِ ذَكَرَ ذَلِكَ لِعُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ وَقَالَ لَهُ مَنْ يَرِثُهَا فَقَالَ لَهُ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ يَرِثُهَا أَهْلُ دِينِهَا ثُمَّ أَتَى عُثْمَانَ بْنَ عَفَّانَ فَسَأَلَهُ عَنْ ذَلِكَ فَقَالَ لَهُ عُثْمَانُ أَتُرَانِي نَسِيتُ مَا قَالَ لَكَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ يَرِثُهَا أَهْلُ دِينِهَا

وحدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سليمان بن يسار ان محمد بن الاشعث اخبره ان عمة له يهودية او نصرانية توفيت وان محمد بن الاشعث ذكر ذلك لعمر بن الخطاب وقال له من يرثها فقال له عمر بن الخطاب يرثها اهل دينها ثم اتى عثمان بن عفان فساله عن ذلك فقال له عثمان اتراني نسيت ما قال لك عمر بن الخطاب يرثها اهل دينها


Yahya related to me from Malik from Yahya ibn Said from Sulayman ibn Yasar that Muhammad ibn al-Ashath told him that he had a christian or jewish paternal aunt who died. Muhammad ibn al-Ashath mentioned that to Umar ibn al-Khattab and said to him, "Who inherits from her?" Umar ibn al-Khattab said to him, "The people of her deen inherit from her." Then he went to Uthman ibn Affan, and asked him about that. Uthman said to him, "Do you think that I have forgotten what Umar ibn al-Khattab said to you? The people.of her deen inherit from her."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২৭. ফারায়েয অধ্যায় (كتاب الفرائض) 27/ Fara'id
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ২০ পর্যন্ত, সর্বমোট ২৪ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে পাতা নাম্বারঃ 1 2 পরের পাতা »