গুনাহ মাফের উপায় গুনাহ মাফের আমলগুলোর স্তরবিন্যাস শাহাদাৎ হুসাইন খান ফয়সাল (রহ.)
[৫] এমন ‘আমল যা ব্যক্তির গুনাহগুলো সাধারণভাবে মাফ করিয়ে দেয় - ১

৪৪. আযান শুনে নির্দিষ্ট দু‘আ পড়া :

নতুন দিনের শুরুতে ফজরে আযান শুনে বা যখনই আযান শুনবে তখনই নির্দিষ্ট দু‘আ পাঠ করলে গুনাহ মাফ হতে থাকে।

সা‘দ ইবন আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন :

مَنْ قَالَ حِينَ يَسْمَعُ الْمُؤَذِّنَ أَشْهَدُ أَنْ لَّا إِلٰهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَه لَا شَرِيكَ لَه وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُه وَرَسُولُه رَضِيتُ بِاللهِ رَبًّا وَّبِمُحَمَّدٍ رَسُولًا وَبِالْإِسْلَامِ دِينًا. غُفِرَ لَه ذَنْبُه

আযান শুনে যে ব্যক্তি এই দু‘আ পড়বে,

أَشْهَدُ أَنْ لَّا إِلٰهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَه لَا شَرِيكَ لَه وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُه وَرَسُولُه رَضِيتُ بِاللهِ رَبًّا وَّبِمُحَمَّدٍ رَسُولًا وَبِالْإِسْلَامِ دِينًا

উচ্চারণ : আশহাদু আল্লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহদাহূ লা- শারীকা লাহূ, ওয়া আন্না মুহাম্মাদান ‘আবদুহূ ওয়া রাসূলুহু, রযীতু বিল্লা-হি রব্বাও ওয়াবি মুহাম্মাদিন রাসূলান ওয়াবিল ইসলা-মী দীনা-।

অর্থ : আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোন সত্য মা‘বূদ নেই, তিনি একক, তাঁর কোন শরীক নেই এবং মুহাম্মদ (সা.) তাঁর বান্দা ও প্রেরিত রাসূল। আল্লাহকে রব্ বলে মেনে নিতে, মুহাম্মাদ (সা.)-কে রাসূলরূপে স্বীকার করতে এবং ইসলামকে দ্বীন হিসেবে গ্রহণ করতে আমি সম্মত ও তুষ্ট হয়েছি।’’ সে ব্যক্তির গুনাহ মাফ করে দেয়া হয়।[1]

৪৫. উযূ করা :

কোন মুসলিম যখন উযূ করে, তখনও তার পাপ উযূর পানির সাথে মুছে চলে যায়। নাবী (সা.) বলেছেন :

إِذَا تَوَضَّأَ الْعَبْدُ الْمُسْلِمُ - أَوِ الْمُؤْمِنُ - فَغَسَلَ وَجْهَه خَرَجَ مِنْ وَجْهِه كُلُّ خَطِيئَةٍ نَظَرَ إِلَيْهَا بِعَيْنَيْهِ مَعَ الْمَاءِ - أَوْ مَعَ آخِرِ قَطْرِ الْمَاءِ - فَإِذَا غَسَلَ يَدَيْهِ خَرَجَ مِنْ يَدَيْهِ كُلُّ خَطِيئَةٍ كَانَ بَطَشَتْهَا يَدَاهُ مَعَ الْمَاءِ - أَوْ مَعَ آخِرِ قَطْرِ الْمَاءِ - فَإِذَا غَسَلَ رِجْلَيْهِ خَرَجَتْ كُلُّ خَطِيئَةٍ مَشَتْهَا رِجْلَاهُ مَعَ الْمَاءِ - أَوْ مَعَ آخِرِ قَطْرِ الْمَاءِ - حَتّٰى يَخْرُجَ نَقِيًّا مِنَ الذُّنُوبِ

‘‘কোন মুসলিম কিংবা কোন মু’মিন বান্দা যখন উযূ করে তখন মুখ ধোয়ার সাথে অথবা (তিনি বলেছেন,) পানির শেষ বিন্দুর সাথে তার ঐ সকল গুনাহ বের হয়ে যায় যার দিকে তার দুচোখের দৃষ্টি পড়েছিল; এবং যখন দুই হাত ধোয় তখন পানির সাথে অথবা বলেছেন, পানির শেষ বিন্দুর সাথে তার ঐ সকল গুনাহ বের হয়ে যায় যেগুলো তার দু’ হাতে ধরেছিল; এবং যখন দুই পা ধোয় তখন পানির সাথে অথবা বলেছেন, পানির শেষ বিন্দুর সাথে তার ঐ সকল গুনাহ বের হয়ে যায় যেগুলোর দিকে তার দু’ পা অগ্রসর হয়েছিল; ফলে উযূর শেষে) লোকটি তার সকল গুনাহ থেকে সম্পূর্ণভাবে পরিষ্কার হয়ে উঠে।’’[2]

‘উসমান (রাঃ) হতে বর্ণিত, নাবী (সা.) বলেছেন :

مَنْ تَوَضَّأَ فَأَحْسَنَ الْوُضُوءَ خَرَجَتْ خَطَايَاهُ مِنْ جَسَدِه حَتّٰى تَخْرُجَ مِنْ تَحْتِ أَظْفَارِه

‘‘যে ব্যক্তি উত্তমরূপে উযূ করে তাহলে তার দেহ থেকে সকল গুনাহ বের হয়ে যায়, এমন কি তার নখের ভিতর থেকেও (গুনাহ) বের হয়ে যায়।’’[3]

‘আলিমগণের মতে হাদীসে বর্ণিত গুনাহ বলতে শুধু সগীরা গুনাহ বুঝানো হয়েছে, কাবীরা গুনাহ ও মানুষের হকের সাথে সম্পৃক্ত গুনাহ নয়। কাবীরা গুনাহ তাওবাহ্ বা আল্লাহর অনুগ্রহ ছাড়া মাফ হয় না, যে কথা পূর্বে দলীলসহ আলোচনা করা হয়েছে।


৪৬. উযূ করে সলাতের জন্য মাসজিদের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করা :

মাসজিদের উদ্দেশে হাঁটার প্রতি কদমে মুসলিমের গুনাহ মাফ হতে থাকে। আবূ হুরায়রাহ্ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন :

صَلَاةُ الرَّجُلِ فِى الْجَمَاعَةِ تُضَعَّفُ عَلٰى صَلَاتِه فِىْ بَيْتِه وَفِىْ سُوقِه خَمْسًا وَعِشْرِينَ ضِعْفًا وَذٰلِكَ أَنَّه إِذَا تَوَضَّأَ فَأَحْسَنَ الْوُضُوءَ ثُمَّ خَرَجَ إِلَى الْمَسْجِدِ لَا يُخْرِجُه إِلَّا الصَّلَاةُ لَمْ يَخْطُ خَطْوَةً إِلَّا رُفِعَتْ لَه بِهَا دَرَجَةٌ وَحُطَّ عَنْهُ بِهَا خَطِيئَةٌ فَإِذَا صَلّٰى لَمْ تَزَلْ الْمَلَائِكَةُ تُصَلِّىْ عَلَيْهِ مَا دَامَ فِىْ مُصَلَّاهُ اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلَيْهِ اَللّٰهُمَّ ارْحَمْهُ وَلَا يَزَالُ أَحَدُكُمْ فِىْ صَلَاةٍ مَا انْتَظَرَ الصَّلَاةَ

‘‘কোন ব্যক্তির জামা‘আতের সাথে সলাতের সাওয়াব, তাঁর নিজের ঘরে বা বাজারে আদায়কৃত সলাতের সাওয়াব দ্বিগুণ করে ২৫ গুণ বাড়িয়ে দেয়া হয়। এর কারণে এই যে, সে যখন উত্তমরূপে উযূ করল, তারপর একমাত্র সলাতের উদ্দেশে মাসজিদে রওয়ানা করল তখন তাঁর প্রতি কদমের বিনিময়ে একটি মর্যাদা বৃদ্ধি করা হয় এবং একটি গুনাহ মাফ করা হয়। সলাত আদায়ের পর সে যতক্ষণ নিজ সলাতের স্থানে থাকে, ফেরেশতাগণ তার জন্য এ বলে দু‘আ করতে থাকেন- ‘হে আল্লাহ! আপনি তার উপর রহমত বর্ষণ করুন এবং তার প্রতি অনুগ্রহ করুণ।’ আর তোমাদের কেউ যতক্ষণ সলাতের অপেক্ষায় থাকে ততক্ষণ পর্যন্ত সে সলাতরত রয়েছে বলে গণ্য হয়।’’[4]

‘আবদুল্লাহ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন,

مَنْ سَرَّه أَنْ يَلْقَى اللهَ غَدًا مُسْلِمًا فَلْيُحَافِظْ عَلٰى هَؤُلَاءِ الصَّلَوَاتِ حَيْثُ يُنَادٰى بِهِنَّ فَإِنَّ اللهَ شَرَعَ لِنَبِيِّكُمْ ﷺ سُنَنَ الْهُدٰى وَإِنَّهُنَّ مِنْ سُنَنِ الْهُدٰى وَلَوْ أَنَّكُمْ صَلَّيْتُمْ فِى بُيُوتِكُمْ كَمَا يُصَلِّى هٰذَا الْمُتَخَلِّفُ فِى بَيْتِه لَتَرَكْتُمْ سُنَّةَ نَبِيِّكُمْ وَلَوْ تَرَكْتُمْ سُنَّةَ نَبِيِّكُمْ لَضَلَلْتُمْ وَمَا مِنْ رَجُلٍ يَتَطَهَّرُ فَيُحْسِنُ الطُّهُورَ ثُمَّ يَعْمِدُ إِلٰى مَسْجِدٍ مِنْ هٰذِهِ الْمَسَاجِدِ إِلَّا كَتَبَ اللهُ لَه بِكُلِّ خَطْوَةٍ يَخْطُوهَا حَسَنَةً وَيَرْفَعُه بِهَا دَرَجَةً وَيَحُطُّ عَنْهُ بِهَا سَيِّئَةً وَلَقَدْ رَأَيْتُنَا وَمَا يَتَخَلَّفُ عَنْهَا إِلَّا مُنَافِقٌ مَعْلُومُ النِّفَاقِ وَلَقَدْ كَانَ الرَّجُلُ يُؤْتٰى بِه يُهَادٰى بَيْنَ الرَّجُلَيْنِ حَتّٰى يُقَامَ فِى الصَّفِّ

‘‘যে ব্যক্তি পছন্দ করে যে, আগামীকাল বিচার দিবসে সে মুসলিম হিসেবে আল্লাহর সাক্ষাৎ লাভ করবে, তার উচিত এই সলাতসমূহের সংরক্ষণ করা, যেখানে সলাতের জন্য আহবান করা হয়। কারণ, আল্লাহ তোমাদের নাবীকে হিদায়াতের সকল পথ বাতলে দিয়েছেন। আর এই সমস্ত সলাত হল হিদায়াতের পথ সমূহের অন্যতম। তোমরা যদি এই সকল সলাত ঘরে আদায় কর, যেমন একদল লোক জামা‘আত ছেড়ে ঘরে সলাত আদায় করে, তাহলে তোমরা তোমাদের নাবীর সুন্নাতকে ছেড়ে দিলে। তোমরা যদি নাবীর সুন্নাত ছেড়ে দাও, তাহলে তোমরা অবশ্যই গুমরাহ হয়ে যাবে। যে উত্তমরূপে পবিত্র হয়ে এই সকল মাসজিদের একটির দিকে অগ্রসর হবে তার প্রত্যেক কদমের জন্য একটি করে নেকী লেখা হবে এবং তার একটি মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে এবং একটি গুনাহ মাফ করা হবে। তারপর একমাত্র প্রকাশ্য মুনাফিক্ব ছাড়া আর কাউকে জামা‘আত থেকে বাদ পড়তে আমরা দেখিনি। অনেক লোক দু’জনের কাঁধে ভর করে হেচঁড়িয়ে হেচঁড়িয়ে মাসজিদে আসত এবং তাদের সারিতে দাঁড় করে দেয়া হতো।’’[5]

‘উসমান ইবনু ‘আফফান (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে বলতে শুনেছি যে,

مَنْ تَوَضَّأَ لِلصَّلَاةِ فَأَسْبَغَ الْوُضُوءَ ثُمَّ مَشٰى إِلَى الصَّلَاةِ الْمَكْتُوبَةِ فَصَلَّاهَا مَعَ النَّاسِ أَوْ مَعَ الْجَمَاعَةِ أَوْ فِى الْمَسْجِدِ غَفَرَ اللهُ لَه” ذُنُوبَه

‘‘যে ব্যক্তি সলাতের জন্য উযূ করে এবং পরিপূর্ণভাবে উযূ করে, অতঃপর ফরয সলাতের উদ্দেশে হেঁটে গিয়ে লোকজনের সঙ্গে সলাত আদায় করে, কিংবা তিনি বলেন, জামা‘আতের সঙ্গে সলাত আদায় করে, কিংবা তিনি বলেন, মাসজিদে সলাত আদায় করে, আল্লাহ সেই ব্যক্তির গুনাহসমূহকে ক্ষমা করে দিবেন।’’[6]

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন :

مَنْ تَطَهَّرَ فِى بَيْتِه ثُمَّ مَشٰى إِلٰى بَيْتٍ مِنْ بُيُوتِ اللهِ لِيَقْضِىَ فَرِيضَةً مِنْ فَرَائِضِ اللهِ كَانَتْ خَطْوَتَاهُ إِحْدَاهُمَا تَحُطُّ خَطِيئَةً وَالْأُخْرٰى تَرْفَعُ دَرَجَةً

‘‘যে ব্যক্তি গৃহে পবিত্রতা অর্জন করল, তারপর হেঁটে আল্লাহর ঘর সমূহের মধ্যে কোন ঘরে গেল, এই জন্য যে আল্লাহর ফরযগুলোর কোন ফরয আদায় করবে। তাহলে তার এক কদমে একটিতে একটি গুনাহ মাফ হবে এবং আরেকটি কদমে এক ধাপ মর্যাদা বৃদ্ধি করবে।’’[7]

সা‘ঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক আনসার সাহাবীর মৃত্যু উপস্থিত হলে তিনি বলেন, আমি তোমাদের নিকট একটি হাদীছ একমাত্র আল্লাহ তা‘আলার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্যই বর্ণনা করতে চাই। অতঃপর তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে বলতে শুনেছি,

إِذَا تَوَضَّأَ أَحَدُكُمْ فَأَحْسَنَ الْوُضُوءَ ثُمَّ خَرَجَ إِلَى الصَّلَاةِ لَمْ يَرْفَعْ قَدَمَهُ الْيُمْنٰى إِلَّا كَتَبَ اللهُ عَزَّ وَجَلَّ لَه حَسَنَةً وَلَمْ يَضَعْ قَدَمَهُ الْيُسْرٰى إِلَّا حَطَّ اللهُ عَزَّ وَجَلَّ عَنْهُ سَيِّئَةً فَلْيُقَرِّبْ أَحَدُكُمْ أَوْ لِيُبَعِّدْ فَإِنْ أَتَى الْمَسْجِدَ فَصَلّٰى فِى جَمَاعَةٍ غُفِرَ لَه فَإِنْ أَتَى الْمَسْجِدَ وَقَدْ صَلَّوْا بَعْضًا وَبَقِىَ بَعْضٌ صَلّٰى مَا أَدْرَكَ وَأَتَمَّ مَا بَقِىَ كَانَ كَذٰلِكَ فَإِنْ أَتَى الْمَسْجِدَ وَقَدْ صَلَّوْا فَأَتَمَّ الصَّلَاةَ كَانَ كَذٰلِكَ

‘‘তোমাদের কেউ যখন ভালোভাবে উযূ করে সলাতের জন্য রওনা হয়, তখন সে তার ডান পা উঠানোর সাথে সাথেই তার ‘আমলনামায় একটি নেকী লিখিত হয়। অতঃপর তার বাম পা ফেলার সাথে সাথেই তার একটি গুনাহ মার্জিত হয়। এখন যে ব্যক্তি ইচ্ছা করে, সে তার আবাসস্থান মাসজিদের নিকটে বা দূরে করতে পারে। অতঃপর ঐ ব্যক্তি মাসজিদে আগমনের পর জামা‘আতের সাথে সলাত আদায় করলে- তার সমস্ত (সগীরা) গুনাহ মাফ হবে। ঐ ব্যক্তি মাসজিদে পৌঁছতে পৌঁছতে মুসল্লীগণ যদি কিছু অংশ আদায় করে ফেলে, তখন সে ইমামের সাথে বাকী সলাত আদায়ের পর ইমাম যা পূর্বে আদায় করেছে, তা পূর্ণ করবে। কিন্তু সাওয়াবের ব্যাপারে ঐ ব্যক্তি পূর্ণ সলাতপ্রাপ্ত ব্যক্তির অনুরূপ হবে। ঐ ব্যক্তি মাসজিদে আগমনের পর যদি দেখে যে, মুসল্লীগণ তাদের সলাত শেষ করে ফেলেছে, তখন সে একাকী সলাত আদায় করল। তবুও তাকে ক্ষমা করা হবে।’’[8]

[1]. সহীহ মুসলিম : ৮৭৭।

[2]. সহীহ মুসলিম : ৬০০।

[3]. সহীহ মুসলিম : ৬০১।

[4]. সহীহুল বুখারী : ৬৪৭; সহীহ মুসলিম : ১৫০৮, এ শব্দগুলো সহীহুল বুখারীর।

[5]. সহীহ মুসলিম : ১৫২০।

[6]. সহীহ মুসলিম : ৫৭১।

[7]. সহীহ মুসলিম : ১৫৫৩।

[8]. সুনান আবূ দাঊদ : ৫৬৩, হাদীসটি সহীহ।