এ উম্মতের পূর্বলোক (সালাফ) এবং ইমামদের মাযহাব হলো, যখন কোনো ব্যক্তি মারা যায় তখন সে তার ঈমান ও আমল অনুযায়ী শান্তি বা শাস্তিতে থাকে। আর তা শরীর এবং রূহ উভয়েরই ঘটবে।

রূহ শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হবার পর তা হয় শান্তিপ্রাপ্ত না হয় সাজাপ্রাপ্ত হবে। কখনো অল্প সময়ের জন্য সাজা দিয়ে তা শান্তিতে পরিণত করে দেওয়া হবে যদি সে পাপ হতে পবিত্র হয়ে যায়। কখনো রূহ শরীরের সাথে মিলিত হলে তখন শরীরের সাথে রূহেরও শান্তি বা শাস্তি ভোগ করতে হবে। সুতরাং কবর হয় জান্নাতের বাগিচা না হয় জাহান্নামের গুহা। যে কেউ মারা যাওয়ার পর যদি শাস্তি বা শান্তির হকদার হয়, তবে সে তার পুরোপুরি অংশ পাবে, তাকে কবর দেওয়া হোক বা না হোক।

আল্লাহ তা‘আলাই স্রষ্টা, উদ্ভাবক এবং প্রত্যেক জিনিসের ওপর ক্ষমতাবান। অতঃপর যখন মহা প্রলয়ের দিন আসবে তখন রূহ শরীরে ফিরিয়ে দেওয়া হলে তারা তাদের কবর থেকে তাদের রবকে হিসাব দেওয়ার জন্য এবং প্রায়শ্চিত্ত করার জন্য উঠে দাঁড়াবে।[1]

>
[*] এ ধরনের মাসায়েল অদৃশ্য বিষয়, কুরআন হাদীস ব্যতীত এতে পৌঁছার কোনো পথ নেই বিধায় এ দু’টুকে আঁকড়ে ধরা একান্ত কর্তব্য। তাছাড়া অন্য কোনো জিনিসের সাথে সম্পৃক্ত হওয়া কারো জন্য উচিৎ নয়। আমরা এ মাসআলার ব্যাপারে সালাফ এবং ইমামদের বুঝের ওপর নির্ভর করেছি এবং আল্লাহর নিকট তাওফীক চাচ্ছি।
--------


[1] মাজমু‘আ ফাতওয়া ৪/২৮৪ ও আর রূহ পৃষ্ঠা নং ৩৩২-৩৩৩।
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ১ পর্যন্ত, সর্বমোট ১ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে