মসীবতগ্রস্থের চিকিৎসায় নাবী (সাঃ) এর আদর্শ

আল্লাহ তা‘আলা বলেন-


وَلَنَبْلُوَنَّكُمْ بِشَيْءٍ مِنَ الْخَوْفِ وَالْجُوعِ وَنَقْصٍ مِنَ الأمْوَالِ وَالأنْفُسِ وَالثَّمَرَاتِ وَبَشِّرِ الصَّابِرِينَ الَّذِينَ إِذَا أَصَابَتْهُمْ مُصِيبَةٌ قَالُوا إِنَّا لِلهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ


‘‘এবং অবশ্যই আমি তোমাদিগকে পরীক্ষা করব কিছুটা ভয়, ক্ষুধা, মাল ও জানের ক্ষতি ও ফল-ফসল বিনষ্টের মাধ্যমে। তবে সুসংবাদ দাও সবরকারীদের। যখন তাঁরা বিপদে পতিত হয়, তখন বলে, নিশ্চয়ই আমরা সবাই আল্লাহর জন্য এবং আমরা সবাই তারই সান্নিধ্যে ফিরে যাবো’’।[1]

সহীহ বুখারীতে উম্মে সালামা হতে মারফু সূত্রে বর্ণিত হয়েছে, নাবী (ﷺ) বলেছেন- যে ব্যক্তি মসীবতে আক্রান্ত হয়ে এই দু’আ পাঠ করবে


إنَّا لله وإنَّا إليه رَاجِعُونَ اللَّهم أجرنِي في مُصيبَتى وأخلفْ لي خيراً منهَا


‘‘আমরা আল্লাহরই জন্য এবং আল্লাহর দিকেই ফিরে যাব। হে আল্লাহ্! তুমি আমার এই মুসীবতে ছাওয়াব ও বিনিময় দান কর এবং এর বদলে এর চেয়ে উত্তম কিছু দান কর’’।[2] তাকে আল্লাহ্ তা‘আলা সেই মসীবতে সাহায্য করবেন ও ছাওয়াব দিবেন এবং তাকে উত্তম বদলা দান করবেন।

এই বাক্যটি মসীবতের সর্বোত্তম চিকিৎসা এবং দুনিয়া ও আখিরাতে সর্বাধিক উপকারী। কেননা এতে এমন দু’টি মৌলিক বিষয় একত্রিত হয়েছে, যা ভালভাবে অবগত হলে মসীবত ও বিপদাপদের সময় বান্দার অন্তরে শান্তি ও স্বসিত্ম হাসিল হবে।

প্রথম মূলনীতিঃ বান্দা এবং তার জানমাল, পরিবার-পরিজন ও ধন-দেŠলত মূলতঃ সবই আল্লাহর মালিকানাধীন। বান্দার নিকট আল্লাহ্ তা‘আলা এগুলো আমানত রেখেছেন। আল্লাহ্ তা‘আলা যখন তার থেকে এগুলো নিয়ে নিবেন, তখন এটি ঐ রকমই হবে, যেমন আমানত দাতা আমানত গ্রহিতার নিকট থেকে নিজ আমানত ফেরত নেয়।

দ্বিতীয় মূলনীতিঃ বান্দার গন্তব্যস্থল হচ্ছে আল্লাহর দিকে। সে দুনিয়ার মায়া পিছনে ছেড়ে তার প্রভুর নিকট একাই চলে যাবে। যেমন তাকে প্রথমে পরিবার-পরিজন এবং ধন-সম্পদ ছাড়া দুনিয়ায় একাকী পাঠিয়েছিলেন। এই যেহেতু বান্দার শুরু ও শেষের অবস্থা, তাই কোন কিছু পেয়ে সে আনন্দিত হয় কিভাবে? আর কোন কিছু হারিয়ে ব্যথিত হয় কিভাবে? সুতরাং তার শুরু ও শেষ নিয়ে চিন্তা করাই এই রোগের সবচেয়ে বড় চিকিৎসা।


মসীবতে পতিত হয়ে পেরেশানী হতে বাঁচার অন্যতম চিকিৎসা হচ্ছে, বান্দা এই দৃঢ় বিশ্বাস করবে, যেই মসীবতে সে আক্রান্ত হয়েছে, তা কখনই তাকে ছাড়ার ছিলনা। আর যেই মসীবতে সে পড়েনি, তা তার তাকদীরে লিপিবদ্ধই ছিলনা। আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন-


مَا أَصَابَ مِن مُّصِيبَةٍ فِى الأَرْضِ وَلاَ فِى أَنْفُسِكُمْ إلاَّ فِى كِتَابٍ مِّن قَبْلِ أَن نَّبْرَأَهَا إنَّ ذَلِكَ عَلَى اللهِ يَسِيرٌ لِّكَيْلاَ تَأْسَوْاْ عَلَى مَا فَاتَكُمْ وَلاَ تَفْرَحُواْ بِمَا آتَاكُمْ وَاللهُ لاَ يُحِبُّ كُلَّ مُخْتَالٍ فَخُورٍ


‘‘পৃথিবীতে এবং তোমাদের উপর যে বিপদ আসে তা জগত সৃষ্টির পূর্বেই কিতাবে লিপিবদ্ধ আছে। নিশ্চয়ই এটা আল্লাহর পক্ষে সহজ। এটা এ জন্যে, যাতে তোমরা যা হারাও তার জন্য দুঃখিত না হও এবং তিনি তোমাদেরকে যা দিয়েছেন তার জন্য উল্লাসিত না হও। আল্লাহ্ কোন উদ্ব্যত অহংকারীকে পছন্দ করেন না’’।[3]


মসীবতে পড়ে কেউ যদি স্বীয় মসীবতটি নিয়ে একটু চিন্তা-ভাবনা করে, তাহলে দেখতে পাবে যে, তার রব (প্রভু) তার জন্য ছুটে যাওয়া বস্ত্তর অনুরূপ বা তার চেয়ে আরও উত্তম বস্ত্ত রেখে দিয়েছেন। মসীবতে পড়ে সে যদি সবর করে ও তাকদীরের প্রতি সন্তুষ্ট থাকে, তাহলে তার জন্য আল্লাহ্ তা‘আলা এমন বস্ত্ত সঞ্চয় করে রেখেছেন, যা ঐ মসীবতের চেয়ে অনেক বড়।


মসীবতে পতিত ব্যক্তির উচিৎ তার ডানে-বামে তাকিয়ে অন্যান্য মসীবতগ্রস্ত লোকদের প্রতি দৃষ্টি দেয়া। সে অচিরেই দেখতে পাবে যে, কোন উপত্যকাই মসীবতগ্রস্ত থেকে খালী নেই এবং প্রত্যেক গ্রাম ও শহর শুধু সুখী মানুষে ভরপুর নয়। সুতরাং ডানে ও বামে তাকালে সে দেখতে পাবে, কেউ প্রিয় বস্ত্তকে হারিয়েছে আবার কারও উপর বিরাট মসীবত চেপে বসেছে। দুনিয়ার আনন্দ ঘুমন্ত ব্যক্তির স্বপ্নের মতই অথবা পথিকের ছায়া গ্রহণের মতই। দুনিয়ার সুখ অল্প সময় হাসালেও অধিক সময় কাঁদায়, এক দিন খুশী করলে যুগ যুগ ধরে কষ্ট দেয় এবং অল্প সময় ভোগ করালেও অধিক সময় বঞ্চিত করে।


মসীবতের সময় এই দৃঢ় বিশ্বাস পোষণ করা জরুরী যে, হা-হুতাশ করে হারিয়ে যাওয়া বস্ত্তকে ফেরত আনা যাবে না এবং দুঃখও লাঘব হবে না; বরং পেরেশানী ও হাতাশা আরও বৃদ্ধি পাবে।

মসীবতে পড়লে বান্দা বিশ্বাস করবে যে, ধৈর্যধারণকারী এবং ইন্না লিল্লাহ্ পাঠকারীগণকে যে নিয়ামাত ও ছাওয়াব দেয়ার ওয়াদা করা হয়েছে, তা মসীবতের চেয়ে বহুগুণ বড়। আল্লাহ তা‘আলা বলেন-


وَبَشِّرِ الصَّابِرِينَ الَّذِينَ إِذَا أَصَابَتْهُمْ مُصِيبَةٌ قَالُوا إِنَّا لِلهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ أُولَئِكَ عَلَيْهِمْ صَلَوَاتٌ مِنْ رَبِّهِمْ وَرَحْمَةٌ وَأُولَئِكَ هُمُ الْمُهْتَدُونَ


‘‘সুসংবাদ দাও ধৈর্যশীলদের। যখন তারা বিপদে পতিত হয়, তখন বলে, নিশ্চয়ই আমরা সবাই আল্লাহর জন্য এবং আমরা সবাই তারই সান্নিধ্যে ফিরে যাবো। তারা সে সমস্ত লোক, যাদের প্রতি আল্লাহর অফুরন্ত অনুগ্রহ ও রহমত রয়েছে এবং এ সব লোকই হেদায়েতপ্রাপ্ত’’।[4]


জেনে রাখা উচিৎ যে, হতাশা প্রকাশ করলে এবং ধৈর্যহারা হলে মসীবতগ্রস্ত ব্যক্তি কেবল শত্রুকেই খুশী করে, বন্ধুকে কষ্ট দেয়, তাঁর প্রভুকে ক্রোধান্বিত করে, শয়তানকে খুশী করে, প্রতিদান নষ্ট করে এবং স্বীয় নফস্কে দুর্বল করে। আর বান্দা ছাওয়াবের আশায় সবর করার মাধ্যমে শয়তানকে লাঞ্ছিত ও ব্যর্থ করে, বন্ধুকে আনন্দিত করে এবং শত্রুকে কষ্ট দেয়।


বানদার আরও জেনে রাখা উচিৎ যে, সবরের মাধ্যমে যে স্বাদ ও আনন্দ অর্জিত হয়, তা হারিয়ে যাওয়া জিনিষটি ফেরত পাওয়ার আনন্দের চেয়ে অনেক গুণ বেশী। মসীবতের বদলে তার জন্য বাইতুল হামদই যথেষ্ট, যা মসীবতে ইন্না লিল্লাহ্ পাঠকারীর জন্য এবং মসীবতের সময় তার প্রভুর প্রশংসা করার কারণে তার জন্য বানিয়ে রাখা হয়েছে। সুতরাং হে বন্ধু! তুমি লক্ষ্য কর। কোন মসীবতটি বেশী কষ্টকর? দুনিয়ার মসীবত? না জান্নাতুল খুলদের বাইতুল হাম্দ ছুটে যাওয়ার মসীবত?


মসীবতের সময় বান্দা তার মনকে এই ভেবে শান্তনা দিবে যে, আল্লাহ্ এর বিনিময়ে উত্তম বদলা দিবেন। কেননা আল্লাহ্ ব্যতীত অন্য যে কোন জিনিষ হারালে বদলা পাওয়া যায়। কিন্তু আল্লাহকে হারিয়ে ফেললে এর কোন বদলা পাওয়া যায়না।

বান্দার বুঝা উচিৎ যে, তার নসীবে যে পরিমাণ মসীবত লেখা ছিল, তা আসবেই। সুতরাং যে এতে সন্তুষ্ট থাকবে, আল্লাহ্ তাঁর উপর সন্তুষ্ট হবেন, যে অসন্তুষ্ট হবে, তার উপর আল্লাহ্ অসন্তুষ্ট হবেন।

জেনে রাখা উচিৎ ধৈর্য হারা হওয়ার শেষ পরিণতি হল অনিচ্ছাকৃত সবর। অর্থাৎ মসীবতে পড়ে কিংবা প্রিয় ও কাঙ্খিত বস্ত্ত হারিয়ে মাত্রাতিরিক্ত হাহুতাশ করলেও এক সময় তাকে সবর করতেই হবে এবং উচ্চঃস্বরে কান্নাকাটি ও বিলাপ করলে, অধৈর্য হয়ে মাথার চুল ছিড়লে, বুক ও গালে আঘাত করলে এক সময় তার শক্তি শেষ হয়ে যাবে এবং ক্লান্ত হয়ে সে মসীবতে বিরক্তিবোধ করা থেকে বিরত হবে। ফলে সে সবর করতে বাধ্য হবে। কিন্তু তার এই সবর প্রশংসিত নয় এবং তার বিনিময়ে সে ছাওয়াবও পাবেনা।


وَإِنَّ اللهَ إِذَا أَحَبَّ قَوْمًا ابْتَلاَهُمْ فَمَنْ رَضِىَ فَلَهُ الرِّضَا وَمَنْ سَخِطَ فَلَهُ السَّخَطُ


‘‘আল্লাহ্ তা‘আলা যখন কোন বান্দাকে ভালবাসেন, তখন তাদেরকে মসীবতে ফেলে পরীক্ষা করেন। সুতরাং যে ব্যক্তি মসীবতের সময় সন্তুষ্ট থাকবে, তার জন্য রয়েছে আল্লাহর পক্ষ হতে সন্তুষ্টি। আর যে ব্যক্তি অসন্তুষ্টি প্রকাশ করবে, তার জন্য রয়েছে আল্লাহর অসন্তুষ্টি’’।[5]

বান্দার আরও জেনে রাখা উচিৎ যে, মসীবতে পতিত ব্যক্তির জন্য সর্বাধিক উপকারী ঔষধ হচ্ছে, সে তার প্রভুর পছনদনীয় বিষয়কে মাথা পেতে মেনে নিবে। ভালবাসার অন্যতম বৈশিষ্ট ও রহস্য হচ্ছে মাহবুবের অনুসরণ করা। সুতরাং যে ব্যক্তি কাউকে ভালবাসার দাবী করে, কিন্তু সে তার মাহবুবের পছন্দনীয় বিষয়কে অপছন্দ করে এবং মাহবুবের অপছন্দনীয় বস্ত্তকে পছন্দ করে, সে নিজের নফ্সের সাথে মিথ্যাবাদী এবং অচিরেই সে তার মাহবুবের ঘৃণার পাত্রে পরিণত হবে। আবু দারদা (রাঃ) বলেন- আল্লাহ্ তা‘আলা যখন কোন ফয়সালা করেন, তখন তিনি চান যে, তার প্রতি বান্দা সন্তুষ্ট থাকুক।


মুমিন বান্দার উচিৎ, দু’টি নেয়ামতের মাঝে তুলনা করা। তার দেখা উচিৎ কোন্ নিয়ামাতটি অধিক বড়? যেই নিয়ামাতটি ছুটে গিয়েছে সেটি? না মসীবতে ধৈর্যের মাধ্যমে অর্জিত ছাওয়াব ও প্রতিদানের যেই নিয়ামাত রয়েছে সেটি? মসীবতে সবরের মাধ্যমে অর্জিত নিয়ামাতটিই যদি তার কাছে অধিক বড় বলে মনে হয়, তাহলে তাকে ঐটিকেই প্রাধান্য দিয়ে আল্লাহর প্রশংসা করা উচিৎ। কারণ আল্লাহর তাওফীকেই সে সঠিক সিদ্বামেত্ম উপনীত হতে সক্ষম হয়েছে।

এটিও চিন্তা করা উচিৎ যে, মসীবতে ফেলে পরীক্ষাকারী (আল্লাহ্ তা‘আলা) সর্বাধিক জ্ঞানী এবং সর্বাধিক রহমতকারী। সেই যাতে পাক তাকে ধ্বংস করার জন্য কিংবা শাস্তি দেয়ার জন্য মসীবতে ফেলেন নি; বরং তার সবর, আল্লাহর প্রতি তার সন্তুষ্টি এবং তাঁর ঈমান পরীক্ষা করার জন্যই তাকে মসীবতে ফেলেছেন। যাতে করে বান্দা আল্লাহর দরবারে কান্নাকাটি করে এবং তার কাছেই আত্মসমর্পন করে।


আরও জানা উচিৎ যে, মসীবতে পতিত হওয়া অহংকারী এবং পাষাণ হয়ে যাওয়াসহ বহুবিধ ধ্বংসাত্মক এবং বড় বড় অসুখ-বিসুখ হতে বাঁচার সর্বোত্তম একটি মাধ্যম।

আরও জানা উচিৎ যে, দুনিয়ার দুঃখ-কষ্ট ভোগ করাই আখিরাতের সুখ অর্জনের অন্যতম মাধ্যম। অনুরূপ দুনিয়ায় বিলাস বহুল জীবনই আখিরাতে দুঃখ-কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

হে প্রিয় বন্ধু! উপরের বিষয়গুলো বুঝতে যদি তোমার অসুবিধা হয়, তাহলে সত্যবাদী ও সত্যায়িত নাবী (ﷺ)-এর সেই হাদিছটি নিয়ে চিন্তা কর। তিনি বলেন-


حُجِبَتِ النَّارُ بِالشَّهَوَاتِ وَحُجِبَتِ الْجَنَّةُ بِالْمَكَارِهِ


‘‘শাহওয়াত তথা চিত্তাকর্ষক পাপকাজ দ্বারা জাহান্নামকে ঢেকে রাখা হয়েছে। আর জান্নাতকে কষ্টসাধ্য আমল দ্বারা ঢেকে রাখা হয়েছে।[6] অর্থাৎ যে ব্যক্তি কুপ্রবৃত্তির চাহিদা পূরণ করার জন্য সহজলভ্য ও চাকচিক্যময় হারাম কাজে লিপ্ত হবে, সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে। আর যে ব্যক্তি কষ্ট ও শ্রম ব্যয় করে শরীয়তের কঠিন বিধানগুলো পালন করবে তাকে আল্লাহ্ তা‘আলা জান্নাতে স্থান দিবেন। মূলতঃ এর মাধ্যমেই বান্দার জ্ঞান-বুদ্ধির পার্থক্য করা যায় এবং মহা পুরুষদের আসল অবস্থা জানা যায়। প্রকৃত বুদ্ধিমান ও জ্ঞানী হচ্ছে সেই ব্যক্তি, যে স্থায়ী সুখ-শান্তিকে ক্ষণস্থায়ী সুখ-শান্তির উপর প্রাধান্য দেয় এবং সেটিকেই নিজের জন্য নির্বাচন করে।

প্রিয় বন্ধু! তুমি ঐ সমস্ত নেয়ামত, স্থায়ী সুখ-শান্তি এবং মহান সাফল্যের দিকে দৃষ্টি দাও, যা আল্লাহ্ তা‘আলা তাঁর বন্ধুদের জন্য তৈরী করে রেখেছেন। আরও দৃষ্টি দাও ঐ সমস্ত অপমান, চিরস্থায়ী হতাশা এবং শাস্তির প্রতি, যা তৈরী করে রাখা হয়েছে অপরাধী এবং আমলহীন লোকদের জন্য। অতঃপর তুমি ভেবে দেখ, তোমার নিজের জন্য উভয়টির কোন্টি অধিক উপযোগী হবে?

[1]. সূরা বাকারা-২: ১৫৫-১৫৬

[2]. মুসলিম, হাএ.হা/২০১১, ইফা.হা/১৯৯৫, ইসে.হা/২০০২, মিশকাত, হাএ. হা/৪৫২৮

[3]. সূরা হাদীদ-৫৭:২২-২৩

[4]. সূরা বাকারা-২:১৫৬-১৫৭

[5]. সহীহ আত-তারগীব ওয়াত তারহীব লিল আলবানী, মাশা.৩/৩৪০৭ , সহীহ তিরমিযী, মাপ্র. হা/২৩৯৬,

ইবনে মাজাহ তাও. হা/৪০৩১

[6]. বুখারী, অধ্যায়ঃ জান্নাতের গুণাগুণের বর্ণনা, তাও. হা/৬৪৮৭, মিশকাত, হাএ. হা/৫১৬০