বুরায়দাহ বিনু হুসাইব আল-আসলামী (রাঃ) থেকে বর্ণিত হাদিস পাওয়া গেছে 6 টি

পরিচ্ছেদঃ ১৩/৫৪. অস্বচ্ছল ব্যক্তিকে (ঋণ পরিশোধে) অবকাশ দেয়া

২/১৪১৮। বুরায়দা আল-আসলামী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি (ঋণগ্রস্ত) অভাবী ব্যক্তিকে অবকাশ দিবে, সে দান-খয়রাত করার সওযাব পাবে। আর যে ব্যক্তি ঋণ শোধের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও সময় বাড়িয়ে দিবে সেও প্রতিদিন দান-খয়রাত করার সওয়াব পাবে।

بَاب إِنْظَارِ الْمُعْسِرِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ نُفَيْعٍ أَبِي دَاوُدَ، عَنْ بُرَيْدَةَ الأَسْلَمِيِّ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ مَنْ أَنْظَرَ مُعْسِرًا كَانَ لَهُ بِكُلِّ يَوْمٍ صَدَقَةٌ وَمَنْ أَنْظَرَهُ بَعْدَ حِلِّهِ كَانَ لَهُ مِثْلُهُ فِي كُلِّ يَوْمٍ صَدَقَةٌ ‏"‏ ‏.‏


It was narrated from Buraidah Al-Aslami that the Prophet (ﷺ) said: “Whoever gives respite to one in difficulty, he will have (the reward of) an act of charity for each day. Whoever gives him respite after payment becomes due, will have (the reward of) an act of charity equal to (the amount of the loan) for each day.”


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ বুরায়দাহ বিনু হুসাইব আল-আসলামী (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে বর্ণিত সম্মিলিত দু'আ সমূহ

৩৪৭৫. জা’ফর ইবন মুহাম্মদ ইবন ইমরান ছা’লাবী কূফী (রহঃ) ...... বুরায়দা আসলামী রাদিয়াল্লাহু আনহু তার পিতা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে দু’আ করতে শুনলেন। সে বলছিলঃ

اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ بِأَنِّي أَشْهَدُ أَنَّكَ أَنْتَ اللَّهُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ الأَحَدُ الصَّمَدُ الَّذِي لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ وَلَمْ يَكُنْ لَهُ كُفُوًا أَحَدٌ

নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন বললেনঃ যে সত্তার হাতে আমার প্রাণ সেই সত্তার কসম! এই ব্যক্তি আল্লাহর কাছে এমন ইসমে আজমের মাধ্যমে দু’আ করছে যার ওয়াসীলায় দু’আ করা হলে আল্লাহ তা’আলা কবুল করেন এবং যার ওয়াসীলায় যাঞ্চা করা হলে তিনি দান করেন।

সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩৮৫৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৩৪৭৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]

(আবু ঈসা বলেন) হাদীসটি হাসান- গারীব।

শারীক এই হাদীসটিকে আবু ইসহাক সূত্রে ইবন বুরায়দা তার পিতা বুরায়দা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন। আবু ইসহাক (রহঃ) মূলত মালিক ইবন মিগওয়াল (রহঃ) থেকেই সংগ্রহ করেছেন।

باب جَامِعِ الدَّعَوَاتِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم

حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عِمْرَانَ الثَّعْلَبِيُّ الْكُوفِيُّ، حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ حُبَابٍ، عَنْ مَالِكِ بْنِ مِغْوَلٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُرَيْدَةَ الأَسْلَمِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ سَمِعَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم رَجُلاً يَدْعُو وَهُوَ يَقُولُ اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ بِأَنِّي أَشْهَدُ أَنَّكَ أَنْتَ اللَّهُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ الأَحَدُ الصَّمَدُ الَّذِي لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ وَلَمْ يَكُنْ لَهُ كُفُوًا أَحَدٌ ‏.‏ قَالَ فَقَالَ ‏ "‏ وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَقَدْ سَأَلَ اللَّهَ بِاسْمِهِ الأَعْظَمِ الَّذِي إِذَا دُعِيَ بِهِ أَجَابَ وَإِذَا سُئِلَ بِهِ أَعْطَى ‏"‏ ‏.‏ قَالَ زَيْدٌ فَذَكَرْتُهُ لِزُهَيْرِ بْنِ مُعَاوِيَةَ بَعْدَ ذَلِكَ بِسِنِينَ فَقَالَ حَدَّثَنِي أَبُو إِسْحَاقَ عَنْ مَالِكِ بْنِ مِغْوَلٍ ‏.‏ قَالَ زَيْدٌ ثُمَّ ذَكَرْتُهُ لِسُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ فَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ ‏.‏ وَرَوَى شَرِيكٌ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنِ ابْنِ بُرَيْدَةَ عَنْ أَبِيهِ وَإِنَّمَا أَخَذَهُ أَبُو إِسْحَاقَ الْهَمْدَانِيُّ عَنْ مَالِكِ بْنِ مِغْوَلٍ وَإِنَّمَا دَلَّسَهُ ‏.‏ وَرَوَى شَرِيكٌ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ ‏.‏


`Abdullah bin Buraidah Al Aslami narrated from his father, who said: “The Prophet (ﷺ) heard a man supplicating, and he was saying: ‘O Allah, indeed, I ask you by my testifying that You are Allah, there is none worthy of worship except You, the One, As-Samad, the one who does not beget, nor was begotten, and there is none who is like Him (Allāhumma innī as’aluka bi annī ashhadu annaka antallāh, lā ilāha illā ant, al-aḥaduṣ-ṣamad, alladhī lam yalid wa lam yūlad, wa lam yakun lahu kufuwan aḥad).” He said: “So he said: ‘By the One in Whose Hand is my soul, he has asked Allah by His Greatest Name, the one which if He is called upon by it, He responds, and when He is asked by it, He gives.’”(One of the narrators) Zaid said: “So I mentioned it to Zuhair bin Mu`awiyah years after that, and he said: Abu Ishaq reported to me from Malik bin Mighwal.’” Zaid said: “Then I mentioned it to Sufyan, so he reported it to me from Malik.”


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ বুরায়দাহ বিনু হুসাইব আল-আসলামী (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৯. দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ - ফারায়িয (মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বণ্টন সম্বন্ধীয়) ও অন্তিম উপদেশ বা আদেশ)

৩০৪৯-[৯] বুরায়দাহ্ ইবনু হুসায়ব (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাদী ও নানীর জন্য এক-ষষ্ঠাংশ নির্ধারণ করেছেন, যদি তাদের সাথে (মৃতের) মা না থাকে। (আবূ দাঊদ)[1]

وَعَنْ بُرَيْدَةَ : أَنَّ النَّبِىَّ ﷺ جَعَلَ لِلْجَدَّةِ السُّدُسَ إِذَا لَمْ تَكُنْ دُوْنَهَا أُمٌّ. رَوَاهُ أَبُوْ دَاودَ

ব্যাখ্যা : যদি মৃত ব্যক্তির মা জীবিত না থাকে তাহলে ঐ মৃত ব্যক্তির দাদী এবং নানী মৃত ব্যক্তির সম্পদ থেকে এক-ষষ্ঠাংশের মালিক হবে। আর যদি মৃত ব্যক্তির মা জীবিত থাকে তাহলে মৃত ব্যক্তির দাদী এবং নানী কেউই উত্তরাধিকার সূত্রে মৃত ব্যক্তির সম্পদে মালিক হবে না। কিন্তু যদি মৃত ব্যক্তির পিতা জীবিত থাকে তাহলে শুধুমাত্র দাদী বঞ্চিত হবে। তবে দাদী এক বা একাধিক যতই হোক না কেন তারা সবাই এক ষষ্ঠাংশের মালিক হবে এবং একাধিক দাদীর উপস্থিতিতে তা সমভাবে বণ্টিত হবে। (‘আওনুল মা‘বূদ ৫ম খন্ড, হাঃ ২৮৯২; মিরকাতুল মাফাতীহ)


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ বুরায়দাহ বিনু হুসাইব আল-আসলামী (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৭. মদের পেয়ালা সম্পর্কে

৩৬৯৮। ইবনু বুরাইদাহ (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি তোমাদেরকে তিনটি বিষয় থেকে বিরত থাকতে বলেছিলাম। এখন আমি শেষ বিষয়ে তোমাদেরকে অনুমতি দিচ্ছি। আমি তোমাদেরকে কবর যিয়ারত করতে নিষেধ করেছিলাম। এখন তোমরা তা যিয়ারত করো। কেননা তা দর্শনে (মৃত্যুকে) স্মরণ হয়।

আমি তোমাদেরকে পানপাত্র সম্পর্কে নিষেধ করেছিলাম যে, তোমরা চামড়ার পাত্রে নবীয পান করবে। এখন তোমরা যে কোনো পাত্রে পান করতে পারো। কিন্তু তোমরা কখনো মাদক দ্রব্য পান করো না। আমি তোমাদের উপর কুরবানীর গোশতের ব্যাপারে তা তিন দিনের পর না খেতে বলেছিলাম। এখন তোমরা তা (দীর্ঘদিন) খেতে পারো এবং তোমাদের সফরে তা কাজে লাগাতে পারো।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِي الْأَوْعِيَةِ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا مُعْرِّفُ بْنُ وَاصِلٍ، عَنْ مُحَارِبِ بْنِ دِثَارٍ، عَنِ ابْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: نَهَيْتُكُمْ عَنْ ثَلَاثٍ، وَأَنَا آمُرُكُمْ بِهِنَّ: نَهَيْتُكُمْ عَنْ زِيَارَةِ الْقُبُورِ فَزُورُوهَا، فَإِنَّ فِي زِيَارَتِهَا تَذْكِرَةً، وَنَهَيْتُكُمْ عَنِ الْأَشْرِبَةِ أَنْ تَشْرَبُوا إِلَّا فِي ظُرُوفِ الْأَدَمِ فَاشْرَبُوا فِي كُلِّ وِعَاءٍ غَيْرَ أَنْ لَا تَشْرَبُوا مُسْكِرًا، وَنَهَيْتُكُمْ عَنْ لُحُومِ الْأَضَاحِيِّ أَنْ تَأْكُلُوهَا بَعْدَ ثَلَاثٍ، فَكُلُوا وَاسْتَمْتِعُوا بِهَا فِي أَسْفَارِكُمْ

صحيح


Narrated Buraydah ibn al-Hasib: The Prophet (ﷺ) said: I forbade you three things, and now I command (permit) you for them. I forbade you to visit graves, now you may visit them, for in visiting them there is admonition. I forbade you drinks except from skin vessels, but now you may drink from any kind of vessels, but do not drink an intoxicant. I forbade you to eat the meat of sacrificial animals after three days, but now you may eat and enjoy it during your journeys.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ বুরায়দাহ বিনু হুসাইব আল-আসলামী (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ মহানবী (ﷺ) এর পিতামাতা

(২৮১৫) বুরাইদা আসলামী (রাঃ) বলেন, প্রায় এক হাজার সাহাবা সহ এক সফরের এক মঞ্জিলে নেমে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’রাকআত নামায পড়লেন। অতঃর তিনি আমাদের দিকে মুখ ফিরালে আমরা দেখলাম, তাঁর দু’টি চোখ বেয়ে পানি ঝরছে। তাঁর কান্না দেখে সাহাবাগণ কাঁদতে লাগলেন। উমার (রাঃ) তাঁর কাছে গিয়ে বললেন, ‘আমার মা-বাপ আপনার জন্য কুরবান হোক, হে আল্লাহর রসূল! আপনার কী হয়েছে? (আপনি কাঁদছেন কেন?)’ তিনি বললেন, ‘আল্লাহর নিকট আমি আমার মায়ের কবর যিয়ারতের অনুমতি চাইলে তিনি আমাকে যিয়ারতের অনুমতি দিলেন। কিন্তু তাঁর জন্য ক্ষমা প্রার্থনার অনুমতি চাইলে তিনি আমাকে অনুমতি দিলেন না। তাই আমি তাঁর উপর জাহান্নামের ভয়ে কাঁদছি! .........’

وَعَنْ بُرَيْدَةَ الْأَسْلَمِيِّ - رضي الله عنه - قَالَ : كُنَّا مَعَ النَّبِيِّ - صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - وَنَحْنُ مَعَهُ قَرِيبٌ مِنْ أَلْفِ رَاكِبٍ " فَنَزَلَ بِنَا فَانْتَهَى إِلٰـى رَسْمِ قَبْرٍ فَجَلَسَ وَجَلَسَ النَّاسُ حَوْلَهُ فَجَعَلَ يُحَرِّكُ رَأْسَهُ كَالْمُخَاطِبِ ثُمَّ بَكَى فَقَامَ إِلَيْهِ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ - رضي الله عنه - فَقَالَ : فِدَاكَ أَبِـيْ وَأُمِّي يَا رَسُوْلَ اللهِ مَا يُبْكِيكَ فَقَالَ : هٰذَا قَبْرُ أُمِّي آمِنَةَ بِنْتِ وَهْبٍ اسْتَأْذَنْتُ رَبِّي فِي أَنْ أَزُورَ قَبْرَهَا فَأَذِنَ لِي وَاسْتَأْذَنْتُهُ فِي الاسْتِغْفَارِ لَهَا فَأَبَى عَلَيَّ"، فَدَمَعَتْ عَيْنَايَ رَحْمَةً لَهَا مِنْ النَّارِ


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ বুরায়দাহ বিনু হুসাইব আল-আসলামী (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ পুরুষদের জন্য ক্ববর যিয়ারত করা মুস্তাহাব

৫৮৫. বুরায়দাহ বিনু হুসাইব আল-আসলামী হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- আমি তোমাদের কবর যিয়ারাত করতে নিষেধ করেছিলাম, এখন তোমরা তা যিয়ারত করো। তিরমিযীতে অতিরিক্ত আছে- “এটা পরকালকে স্মরণ করাবে।[1]

وَعَنْ بُرَيْدَةَ بْنِ الْحَصِيبِ الْأَسْلَمِيِّ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «نَهَيْتُكُمْ عَنْ زِيَارَةِ الْقُبُورِ فَزُورُوهَا». رَوَاهُ مُسْلِمٌ
زَادَ التِّرْمِذِيُّ: فَإِنَّهَا تُذَكِّرُ الْآخِرَةَ

-

صحيح. رواه مسلم (977)
الترمذي (1054)، وقال: حديث حسن صحيح


Buraidah bin Al-Husaib al-Aslami (RAA) narrated that the Messenger of Allah (ﷺ) said: “I had forbidden you to visit graves, but now you may visit them.” Related by Muslim. At-Tirmidhi added the following, “It will remind you of the Here-after."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ বুরায়দাহ বিনু হুসাইব আল-আসলামী (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ৬ পর্যন্ত, সর্বমোট ৬ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে